'ব্যাংকে ব্যাংকে দখলের লড়াই'

Published
পড়ার সময়: ৮ মিনিট

দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘ব্যাংকে ব্যাংকে দখলের লড়াই’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ব্যাপক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে আগে থেকেই নড়বড়ে আর্থিক খাতে। বিগত বছরগুলোতে হাতছাড়া হওয়া ব্যাংকগুলোর দখল নিতে মরিয়া আগের উদ্যোক্তারা।

বর্তমান পরিচালকদের অপসারণে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু ব্যাংকে সাধারণ শেয়ার হোল্ডাররা বিক্ষোভ করছেন। বিভিন্ন গ্রুপ, প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি-কর্তাদের অবৈধ সুযোগ-সুবিধা দেওয়া ও দুর্নীতিবাজ অনেক কর্মকর্তাকেও ব্যাংক থেকে বের করে দিয়েছেন ক্ষুব্ধ কর্মকর্তারা।

আটকে দেওয়া হচ্ছে স্বার্থ সংশ্লিষ্টদের শত শত কোটি টাকার চেক। আবার ব্যাংকের দখল ধরে রাখতে বিক্ষুব্ধদের ওপর গুলি চালানোর ঘটনাও ঘটছে।

এমন পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন সংকটে থাকা ব্যাংক খাত বর্তমানে আরও নাজুক হয়ে পড়েছে। নগদ টাকার সংকট দেখা দিয়েছে সর্বত্র।

এটিএম বুথের বেশিরভাগই বন্ধ, চেকে দুই লাখ টাকার বেশি উত্তোলনও করা যাচ্ছে না। গভর্নর, ডেপুটি গভর্নরদের ওপর আস্থাহীনতায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকেও অরাজক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

ফলে আর্থিক খাত নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না কেন্দ্রীয় ব্যাংকও। তারল্য সংকটে থাকা ব্যাংকগুলোকে নগদ সহায়তাও দিতে পারছে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বন্ধ হয়ে গেছে আন্তঃব্যাংক লেনদেনও।

আবার দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনুপস্থিতিতে সৃষ্ট নিরাপত্তাহীনতায় ব্যাংকগুলোর প্রধান কার্যালয় থেকে শাখাগুলোতে টাকা পাঠানো যাচ্ছে না। ফলে দেশে সর্বত্র নগদ টাকার সংকট দেখা দিয়েছে।

এমন পরিস্থিতির মধ্যেই ব্যাংকে ব্যাংকে বিক্ষোভ, হামলা, পাল্টা হামলার ও গুলি চালানোর মতো ঘটনা ঘটছে।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, কোটা সংস্কার এবং একদফা দাবিতে আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যেসব ছাত্র-জনতা আহত হয়েছেন তাদের দ্রুত তালিকা করা হবে এবং রাষ্ট্রীয় খরচে তাদের চিকিৎসা দেয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

একইসঙ্গে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহতদের পরিবারকে সরকারিভাবে সহায়তা দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। রোববার উপদেষ্টা পরিষদের দীর্ঘ বৈঠকে এসব বিষয় ছাড়াও আরও একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সংশ্লিষ্ট সচিবরা অংশ নেন।

বাংলাদেশের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে বিক্ষোভ করার কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাত যে ৫৭ বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করে সাজা দেয়া হয়েছে তাদেরকে মুক্ত করতে অবিলম্বে আলোচনা শুরু করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে।

প্রয়োজন হলে প্রধান উপদেষ্টা সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারের সঙ্গে নিজে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন।

সব চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। যাদের বিষয়ে অভিযোগ বা সমালোচনা আছে তার নিয়োগের চুক্তি দ্রুত বাতিল করা হবে। বাকিগুলোও পর্যায়ক্রমে বাতিল করা হবে।

সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যানের পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়েছে।

বৈঠকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের সরবরাহ নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত হয়। নগরবাসীর যাতায়াতের সুবিধার্থে আগামী শনিবার থেকেই মেট্রোরেল চালু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আন্দোলনের সময় ক্ষতিগ্রস্ত দুটি স্টেশন কাজীপাড়া ও মিরপুর-১০ ছাড়া বাকি ১৪টি স্টেশনে ট্রেন চলাচল করবে।

সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যানের পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়েছে।

যুগান্তর পত্রিকার একটি শিরোনাম 'বদলাচ্ছে পুলিশের পোশাক'। সেখানে বলা হয়েছে, বদলে যাচ্ছে পুলিশের বর্তমান পোশাক এবং লোগো। অল্প সময়ের মধ্যে নতুন পোশাক পাচ্ছেন পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যরা।

রোববার সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি ছাত্র-জনতার ওপর পুলিশের নির্বিচার গুলি চালানো, লাঠিচার্জ এবং পুলিশের ওপর ব্যাপকভাবে হামলার পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।

তবে নতুন পোশাকের রং ও ডিজাইন কী হবে এবং লোগোতে কী ধরনের পরিবর্তন আসবে তা চূড়ান্ত হয়নি। ওই বৈঠকে পুলিশ কমিশন গঠনের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।

এসব সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি গতকাল সন্ধ্যায় যুগান্তরকে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন এবং বৈঠকে অংশ নেওয়া একাধিক পুলিশ সদস্য।

বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রধান শিরোনাম, ‘সরকারের সামনে সাত চ্যালেঞ্জ’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দায়িত্ব নেওয়া অন্তর্বর্তী সরকারের সামনে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

এরমধ্যে প্রধানত হচ্ছে- শিক্ষা খাত ঢেলে সাজানো, স্বাস্থ্য খাতে নৈরাজ্য বন্ধ, রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে শৃঙ্খলা ফেরানো, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, থানা পুলিশের কাজ শুরু করা, অর্থনীতি ব্যবসাবাণিজ্য চাঙা রাখা, ইসি, দুদক, পিএসসি, মানবাধিকার কমিশনে শৃঙ্খলা আনা।

দেশকে এগিয়ে নিতে সতর্ক এবং সঠিক সিদ্ধান্ত না নিলে সংস্কারের সমীকরণ হয়ে উঠতে পারে জটিল। তাই সরকারের জন্য সামনের দিনগুলো সহজ হবে না বলে পূর্বাভাস বিশ্লেষকদের।

বিশ্লেষকরা বলছেন, নতুন এ সরকার এমন সময়ে দায়িত্ব নিচ্ছে যখন ভেঙে পড়েছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। প্রশাসন এবং অন্যান্য সেক্টরেও চলছে অস্থিরতা।

আছে অর্থনৈতিক টানাপোড়েন। এর সঙ্গে আছে রাষ্ট্র সংস্কারের বিপুল প্রত্যাশা। সব মিলিয়ে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কোনগুলো তা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা।

শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়ার পর তার মিত্রদের ওপর এবং সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ওপর হামলার ঘটনায় উদ্বেগ জানাচ্ছে মানবাধিকার গোষ্ঠী ও কূটনীতিকরাও।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভিতরে যে দুর্নীতি, নির্যাতনের সংস্কৃতি এবং জনগণের সেবা না পাওয়ার ইতিহাস সেটা বদলাতে হবে। কোনো অনিয়ম হলে সেটার প্রতিকার যদি হয়, তাহলে মানুষের আস্থা ফিরবে।

আস্থা ধরে রাখতে হলে শুরুতেই মূল্যস্ফীতি ও দ্রব্যমূল্য কমানোর দিকে নজর দিতে হবে। কারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সব ধরনের মানুষের অংশ নেওয়ার পেছনে সেটাও একটা বড় কারণ বলেই উঠে এসেছে।

নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, সরকারি কর্মকমিশন, মানবাধিকার কমিশন যেন স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে সেদিকে নজর দেওয়ার বিষয়ে বলা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ এ প্রতিষ্ঠানগুলোতে শৃঙ্খলা আনার বিষয়ে চলছে জোর আলোচনা।

শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে নিয়ে শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিতে জোর দিচ্ছেন শিক্ষাবিদরা। দলাদলি বাদ দিয়ে মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে চিকিৎসকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা।

প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, ‘তিন দিনেই নিহত ৩২৬ জন’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে আন্দোলন ও পরবর্তী সহিংসতায় গত ৪ঠা অগাস্ট থেকে ৬ই অগাস্ট এই তিন দিনে অন্তত ৩২৬ জন নিহত হয়েছেন।

এই সময়ে নিহতদের মধ্যে আওয়ামী লীগের নেতা, কর্মী ও সমর্থক, পুলিশের সদস্য, শিক্ষার্থী ও বিএনপির নেতা-কর্মী বেশি।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই তিন দিনে পুলিশের গুলিতে মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আবার পুলিশকেও মারধর করে হত্যা করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের হামলা ও গুলিতে বিক্ষোভকারীদের মৃত্যু হয়েছে।

আবার বিক্ষোভকারী ও প্রতিপক্ষের হামলা এবং অগ্নিসংযোগে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

সব মিলিয়ে ১৬ই জুলাই থেকে রোববার ১১ই অগাস্ট পর্যন্ত অর্থাৎ কোটা সংস্কার আন্দোলন, পরবর্তী বিক্ষোভ ও সরকারের পতনের সহিংসতায় অন্তত ৫৮০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।

এর মধ্যে ১৬ই জুলাই থেকে ৩রা আগস্ট পর্যন্ত ২১৭ জন নিহতের খবর পাওয়া গিয়েছিল। ৩২৬ জন নিহত হন ৪ থেকে ৬ই অগাস্টের মধ্যে।

বাকি ৩৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায় ৭ থেকে ১১ই আগস্টের মধ্যে। এই সময়ে অনেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। বেশির ভাগের মরদেহ পরে হাসপাতালে আনা হয়।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, পুলিশকে যারা ব্যবহার করেছে, তাদের বিচার হবে। হুকুমদাতাদের কঠোর শাস্তি হবে।

কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, ‘রাজনৈতিক দলের জন্য আইন হবে

প্রতিবেদনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেনের বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।

রোববার তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বাংলাদেশে এখন থেকে রাজনীতি করা কঠিন হবে। রাজনৈতিক দলের জন্য আইন করা হবে। রাজনৈতিক দলগুলো আইনের মধ্যে থেকে রাজনীতি করতে পারবে, নইলে পারবে না।

সাখাওয়াত হোসেন স্পষ্টভাবে বলেন, “আমাদের দেশের অনেক সমস্যা আছে। এ দেশে রাজনীতি করতে হলে পলিটিক্যাল পার্টি অ্যাক্টের মধ্যে করতে হবে”। সেটা আপনাদের পছন্দ হলে হলো, না হলে আমি যত দিন পর্যন্ত আছি, এটা করে ছাড়ব”।

“রাজনৈতিক দল আইনের মধ্যে যদি থাকেন, রাজনীতি করতে পারবেন। না হলে পারবেন না। এ রকম স্বৈরাচারী জায়গায় চলে যাবেন, সেটা হবে না”।

এরই মধ্যে রাজনৈতিক দল আইন তৈরির জন্য অনুরোধ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “আমার অভিজ্ঞতা আছে এ বিষয়ে। রাজনৈতিক দল করবেন, বাংলাদেশে আপনাকে নিবন্ধন করতে হবে। আইনে যা বলা আছে, তা মানতে হবে”।

সরকার পতনের পর আওয়ামী লীগের পরিণতির বিষয়ে তিনি বলেন, “আজকে একটি দলের অবস্থা দেখুন। এত বড় ঐতিহ্যবাহী একটি দল, যার নামের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতা জড়িত। আজকে তাদের সদস্যদের পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে”।

বিএনপির নাম উচ্চারণ না করে তিনি বলেন, “তাদের (আওয়ামী লীগ) জায়গায় যদি আপনি মনে করেন যে আমি এলাম, বাজার-ঘাট দখল করব, চাঁদাবাজি করব। কিছুদিন করেন, কিন্তু আমি সেনাপ্রধানকে বলেছি, পা ভেঙে দিতে আপনাদের। আই ডোন্ট কেয়ার (আমি পরোয়া করি না)”।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ঢাকাসহ দেশের অধিকাংশ থানা ছেড়ে চলে গিয়েছিল পুলিশ।

জনরোষ, বাহিনীর অধস্তনদের অভ্যন্তরীণ ক্ষোভ, নিরাপত্তার অভাব ও মনোবল হারিয়ে প্রায় ৭২ ঘণ্টা পুলিশকে দেখা যায়নি মাঠে। বাহিনীর শীর্ষ কর্তারাও দিয়েছিলেন গা-ঢাকা।

বেশ কিছু দাবি-দাওয়া নিয়ে ৬ই অগাস্ট থেকে কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছিল ‘বাংলাদেশ পুলিশ অধস্তন কর্মচারী সংগঠন’।

তবে নতুন পুলিশ মহাপরিদর্শক ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সব সদস্যকে নিজ নিজ ইউনিটে যোগ দেওয়ার নির্দেশনা দিলে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে থাকে পরিস্থিতি।

রোববার স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সাথে বৈঠক শেষে রাতেই কর্মবিরতি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন আন্দোলনকারী পুলিশ সদস্যরা।

এদিকে শিগগিরই পুলিশের পোশাক ও লোগো পরিবর্তন হতে যাচ্ছে। এই অবস্থায় চেইন অব কমান্ড পুনঃপ্রতিষ্ঠাসহ জনআস্থা ফিরিয়ে আনাই হবে পুলিশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

অনেক দিন ধরেই পুলিশ বাহিনীকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল। মানবাধিকার সমুন্নত রেখে স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ তৈরির মধ্য দিয়েই পুলিশ আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সালে দায়িত্ব নেয়ার পর দেড় বছরে দেশের পুঁজিবাজারে বড় ধরনের উল্লম্ফন ঘটে।

অস্বাভাবিক এ উল্লম্ফনের পর হঠাৎ ধস নামে ২০১১ সালের জানুয়ারিতে। লোকসানের কারণে বিনিয়োগকারীদের আত্মহত্যার মতো ঘটনাও ঘটে।

এরপর সরকারের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠন এবং পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সংস্কার ও পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় দুই মেয়াদে দুই চেয়ারম্যান দায়িত্ব নিলেও বিভিন্ন ধরনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও স্বজনপ্রীতির কারণে দেশের পুঁজিবাজার আরো খাদের কিনারে চলে গেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দেশের পুঁজিবাজার থেকে জাল-জালিয়াতি, কারসাজি, প্লেসমেন্ট শেয়ার ও প্রতারণার মাধ্যমে গত ১৫ বছরে এক লাখ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।

আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম, ‘অর্থ আত্মসাতের মামলায় খালাস পেলেন ড. ইউনূস’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গ্রামীণ টেলিকমের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলা থেকে খালাস পেয়েছনে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ জন।

রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক মো. রবিউল আলম খালাসের আদেশ দেন।

দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের পক্ষ থেকে মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করায় আদালত উক্ত আবেদন মঞ্জুর করে ড. ইউনুসসহ ১৪ জনকে খালাস দেন।

ড. ইউনুসকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করার পর দুদক মামলা প্রত্যাহার সিদ্ধান্ত নেয়। উক্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দুদক এই আবেদন করে।

দুদকের বিশেষ পিপি মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে গত ১২ই জুন ড. ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছিল একই আদালত।

গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক-কর্মচারী কল্যাণ তহবিলের ২৫ কোটি ২২ লাখ ছয় হাজার ৭৮০ টাকা লোপাটের অভিযোগ আনা হয়েছিল আসামিদের বিরুদ্ধে।