'ছয় মাসে ১৬ দলের জন্ম'

সংবাদপত্র
Published
পড়ার সময়: ৬ মিনিট

'ছয় মাসে ১৬ দলের জন্ম' কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।

এ সংবাদে বলা হয়েছে, কয়েক দিনের মধ্যেই ঘোষণা হতে যাচ্ছে বহুল আলোচিত জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে আত্মপ্রকাশ করতে যাওয়া নতুন রাজনৈতিক দলের নাম।

এই দলের শীর্ষ ছয়টি পদে কারা আসছেন, তা অনেকটাই চূড়ান্ত হয়েছে।

এছাড়া সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের একাংশের উদ্যোগে একটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের প্রস্তুতিও চলছে।

দলটি গঠনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. শামীম কামাল।

এরই মধ্যে এই দলের সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এই দুই সম্ভাব্য দলের বাইরেও ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত বছরের পাঁচই অগাস্ট হাসিনা সরকার পতনের পর থেকে এখন পর্যন্ত সাড়ে ছয় মাসে ১৬টি রাজনৈতিক দল আত্মপ্রকাশ করেছে।

গত বছরই আত্মপ্রকাশ করে ১১টি দল। আর চলতি বছরের প্রথম দুই মাসে পাঁচটি দল আত্মপ্রকাশ করেছে।

তবে এসব দলের বেশির ভাগের লক্ষ্য অস্পষ্ট। কোনো কোনো দল এখনো রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কোনো কার্যক্রমই শুরু করতে পারেনি।

কালের কণ্ঠ
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

'দুদক ও গোয়েন্দা জালে ১২০ আমলা' নয়া দিগন্ত পত্রিকার শিরোনাম।

এ সংবাদে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার সময়ে বারবার ভোটারবিহীন একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে তার স্বৈরাচারী শাসনকে দীর্ঘায়িত করেন মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

এসব নির্বাচনে ব্যাপক আর্থিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ ওঠে রিটার্নিং অফিসার এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্বে থাকা জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের বিরুদ্ধে।

অনৈতিক আর্থিক সুবিধা নিয়েই কর্মকর্তারা রাতের ভোট এবং একতরফা ভোটের এসাইনমেন্ট বাস্তবায়ন করেন। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর এসব কর্মকর্তার আর্থিক অনিয়মের তদন্তে নামে অন্তর্বর্তী সরকার।

অবৈধ ভোটের দায়িত্বে থাকা আমলাদের দুর্নীতি তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন এবং জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থাকে পৃথক চারটি চিঠি দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

দুদক ও গোয়েন্দা জালে অন্তত ১২০ জন আমলা আটকা পড়তে যাচ্ছেন বলে এ সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর মধ্যে পাঁচ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিষয়ে দেয়া এক চিঠিতে তাদের দুর্নীতি সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ বা বিষয় তদন্তাধীন আছে কিনা, থাকলে তার তথ্য, না থাকলে দুর্নীতি সংক্রান্ত বিষয়ে অনুসন্ধানপূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এ সংক্রান্তে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে হালনাগাদ প্রতিবেদন প্রেরণের জন্য দুদক চেয়ারম্যানকে অনুরোধ করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

নয়া দিগন্ত

'অস্তিত্ব জানান দিচ্ছে চরমপন্থিরা' দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।

এ সংবাদে বলা হয়েছে, ঝিনাইদহের ত্রিবেণী শ্মশান খালে ফাইভ মার্ডারের ২২ বছর পর একই স্থানে একই স্টাইলে ঘটল ট্রিপল মার্ডার। আতঙ্ক আবার দানা বাঁধছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একসময়কার চরমপন্থি অধ্যুষিত ঝিনাইদহে।

এরইমধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থি সংগঠন জাসদ গণবাহিনীর কালু গ্রুপের প্রধান কমরেড কালু হোয়াটসঅ্যাপে সাংবাদিকদের খুদে বার্তা পাঠিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করেছে।

পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে ঝিনাইদহ, হরিণাকুন্ডু আলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি এমএল জনযুদ্ধ ও জাসদ গণবাহিনী নামের দুটি চরমপন্থি দলের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল।

শুক্রবার রাতে রামচন্দ্রপুর শ্মশানঘাট এলাকায় পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি এমএল জনযুদ্ধের নেতাদের গোপন বৈঠকের খবর পেয়ে যায় প্রতিপক্ষ গ্রুপ।

জাসদ গণবাহিনীর শীর্ষ নেতা কালুর নেতৃত্বে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

দেশ রূপান্তর

বাংলাদেশে গণ অভ্যুত্থানের পর গত ছয় মাসেরও বেশি সময় ভূমি সংস্কারের উদ্দেশ্যে কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি।

অন্তর্বর্তী সরকার ১১টি কমিশন গঠন করলেও প্রান্তিক কৃষকের ভূমি মালিকানা নিয়ে কোনো বক্তব্য নেই।

প্রকৃতপক্ষে স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত গত পাঁচ দশকেরও বেশি সময় কোনো সরকারই ভূমির কার্যকর সংস্কারে হাত দেয়নি।

কিছু আইন প্রণয়ন হলেও ভূমি মালিকানার কাঠামোয় কোনো কার্যকর পরিবর্তন আনা হয়নি। দেশের গ্রামীণ কৃষিতে ভূমি বণ্টনে রয়ে গেছে বড় ধরনের বৈষম্য।

এখনো দেশের গ্রামীণ কৃষি খাতে নিয়োজিত বেশির ভাগ পরিবারই ভূমিহীন।

আন্তর্জাতিক খাদ্যনীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইএফপিআরআই) তথ্য অনুযায়ী, দেশে ৫৬ শতাংশ গ্রামীণ পরিবারের কোনো জমি নেই।

যদিও গ্রামাঞ্চলে মোট কৃষি জমির ৬৬ শতাংশই এখন আয়-ব্যয়ের দিক থেকে শীর্ষ ১৫ শতাংশ গ্রামীণ পরিবারের দখলে।

বণিক বার্তা

'গরমে লোডশেডিংয়ের শঙ্কা, সমস্যা গ্যাসেও' মানবজমিন পত্রিকার শিরোনাম।

গ্রীষ্মে এ বছর বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে। আগামী মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে রমজান। যোগ হচ্ছে সেচ মৌসুমও।

সব মিলিয়ে মার্চ-এপ্রিল থেকে বিদ্যুতের চাহিদা দেড়গুণ হবে। এ খাতের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই বাড়তি চাহিদা মেটাতে হিমশিম খেতে হবে বিদ্যুৎ বিভাগকে।

এবার গরমে তিন হাজার মেগাওয়াটের বেশি ঘাটতি থাকবে বিদ্যুতের।

যদিও বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, লোডশেডিং হবে দেড় হাজার মেগাওয়াট। মূলত জ্বালানি সমস্যার কারণেই বিদ্যুতের ঘাটতি হওয়ার আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের।

গ্রীষ্মে ১৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ চাহিদার সম্ভাব্য প্রক্ষেপণ করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

প্রতি বছরই গ্রীষ্মের সঙ্গে সেচ এবং রমজানের বাড়তি চাহিদা যোগ হয়। এতে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে সারা দেশে জনসাধারণের মধ্যে অসন্তোষ দেখা যায়।

 মানবজমিন

'মোজাম্মেলও ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা' যুগান্তর পত্রিকার শিরোনাম।

ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের তিন মেয়াদের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম. মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে 'ভুয়া সনদ বাণিজ্য' করার অভিযোগ উঠেছে বলে এ সংবাদে বলা হয়েছে।

কমপক্ষে পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে এক থেকে দুই কোটি টাকার বিনিময়ে ভুয়া সনদ দিয়েছেন তিনি।

এভাবে প্রায় ২৫ হাজার ভুয়া সনদ বিক্রি করে হাজার কোটি টাকা নিজের পকেটে ঢুকিয়েছেন এমন অভিযোগ মুক্তিযুদ্ধের সম্মুখ সারির একাধিক যোদ্ধার।

তাদের মতে, শুধু ভুয়া সনদ বিক্রি করেই ক্ষান্ত হননি, মুক্তিযোদ্ধার তালিকা 'টেম্পারিং' করে সনদ নিয়েছেন নিজেও।

এ ব্যাপারে প্রায় দেড় বছর আগে উচ্চ আদালতে একটি রিট করা হয়। ইতোমধ্যেই প্রাথমিক শুনানি শেষ হয়েছে। শিগগিরই চূড়ান্ত শুনানি হবে।

যুগান্তর

'ডিসেম্বরেই নির্বাচন দিতে চায় সরকার' প্রথম আলো পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।

এ সংবাদে বলা হয়েছে, আগামী ডিসেম্বরেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন দিতে চায় অন্তর্বর্তী সরকার। কোনো কারণে ডিসেম্বরে সম্ভব না হলে নির্বাচন বড়জোর মাসখানেক পেছানো হতে পারে।

অন্তর্বর্তী সরকার এবং প্রধান উপদেষ্টার ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে এতে বলা হয়েছে, ডিসেম্বরের মধ্যে কোন কারণে নির্বাচন দেয়া সম্ভব না হলে আগামী বছরের জানুয়ারির মধ্যে ভোট হবে বলে মনে করছেন সরকার সংশ্লিষ্ট অনেকেই।

কারণ আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে পবিত্র রমজান শুরু হবে।

রমজান ও পবিত্র ঈদুল ফিতর মিলিয়ে দেড়-দুই মাস সময়ের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হবে না। এরপর কালবৈশাখী ও বর্ষা মৌসুম শুরু হবে।

সাধারণত বর্ষায় জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা হয় না। সেক্ষেত্রে ডিসেম্বরে সম্ভব না হলে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।

প্রথম আলো

'কোনো কাজেই গতি নেই নাগরিক সেবা লাটে' সমকাল পত্রিকার শিরোনাম।

স্থানীয় সরকার বিভাগের কোনো কাজেই গতি আসছে না।

সরকার পতনের পর অনেক জনপ্রতিনিধি পালিয়ে যাওয়া এবং বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিকে বরখাস্ত করায় স্থবির হয়ে পড়ে স্থানীয় সরকারগুলোর কার্যক্রম।

সচিবালয়ে অগ্নিকাণ্ডে আরেকটি বড় ধাক্কা লাগে মন্ত্রণালয়ে।

বর্তমান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের কাজ চলছে দুটি ভিন্ন স্থান থেকে। এ কারণে রুটিন কাজও সঠিকভাবে চালানো যাচ্ছে না।

দেশের আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থার উন্নয়ন থেকে শুরু করে রাস্তাঘাট সংস্কার, স্যানিটেশন, পানি সরবরাহ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সনদ প্রদানসহ সেবামূলক কাজ ব্যাহত হচ্ছে। এতে বাড়ছে জন অসন্তোষ।

সমকাল

'Local polls possible by June' দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার এ শিরোনামের অর্থ জুনের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্ভব।

প্রশাসনের বিকেন্দ্রীকরণ নিশ্চিত করার জন্য স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার একটি বড় ধরনের সংস্কারের প্রস্তাব করেছে এ সংক্রান্ত সংস্কার কমিশন।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, রাজনৈতিক দল এবং নির্বাচন কমিশন যদি ঐকমত্যে পৌঁছায় তবেই এ বছরের জুনের মধ্যে স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে কমিশন।

এছাড়া পার্বত্য অঞ্চলে জেলা পরিষদ নির্বাচনও সম্ভব বলে উল্লেখ করেছে সংস্কার কমিশন।

স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ তোফায়েল আহমেদের নেতৃত্বে গঠিত কমিশন ১৯শে ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়।

স্থানীয় সরকার বলতে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা এবং সিটি কর্পোরেশনকে বোঝায়। সময় এবং খরচ বাঁচাতে একই নির্বাচনী তফসিলের অধীনে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।

সংস্কার কমিশনের সুপারিশে বলা হয়েছে, এপ্রিলের মধ্যে এ সংক্রান্ত প্রাসঙ্গিক আইন সংশোধন করা উচিত।

দ্য ডেইলি স্টার

'No end to city traffic chaos' নিউ এইজ পত্রিকার প্রথম পাতার এ শিরোনামের অর্থ নগরীর যানজটের শেষ নেই।

ঢাকা শহরের পরিবহন ব্যবস্থায় অনাচার সম্পূর্ণভাবে একটি স্বাভাবিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিকট ভবিষ্যতে এ পরিস্থিতির উন্নতির কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

গত বছরের জুলাই-অগাস্টে ছাত্রদের নেতৃত্বে গণ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান হিসেবে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষমতায় আসার পর রাজধানীর রাস্তাঘাটে বিশৃঙ্খলা আরও তীব্র আকার ধারণ করে।

সড়ক পরিবহন বিশেষজ্ঞরা বলছেন শহরের পরিবহন ব্যবস্থার দুর্বল ব্যবস্থাপনা এবং তদারকির সুযোগে কিছু অসৎ মহল উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে নিজস্ব স্বার্থে পরিস্থিতিকে কাজে লাগাতে তৎপর রয়েছে।

পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় নিয়ন্ত্রনকারী কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতাকে দায়ী করে তারা বিদ্যমান সমস্যাগুলোকে আরও জটিল করে তুলেছেন।

ঢাকাবাসীর সড়ক দুর্দশার সর্বশেষ সংযোজন হল অসংখ্য অননুমোদিত ব্যাটারিচালিত রিকশা, বাস চালক এবং মোটরসাইকেল চালকদের বেপরোয়া গাড়ি চালানো, সিটি সার্ভিস বাসের জন্য পরস্পরবিরোধী উদ্যোগ রয়েছে।

পাশাপাশি সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকদের অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, অবৈধ পার্কিং, ভুল লেনে গাড়ি চালানো, অতিরিক্ত গতি এবং ট্রাফিক সিগন্যালের অনুপস্থিতিও দুর্দশার কারণ।

নিউ এইজ