'উদ্ভট পরিসংখ্যানের পিঠে চড়েছে দেশের অর্থনীতি'

পত্রিকা
Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

উদ্ভট পরিসংখ্যানের পিঠে চড়েছে দেশের অর্থনীতি— বণিক বার্তা পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, বিদ্যুতের ভোগ ও মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির মধ্যে বেশ দৃঢ় সম্পর্ক বিদ্যমান। উচ্চ জিডিপি প্রবৃদ্ধি হলে বিদ্যুতের ভোগও বাড়ে, বিশেষ করে শিল্প ও কৃষি খাতে। এর কারণ হচ্ছে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়লে তা শিল্প-কারখানা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও অন্য প্রয়োজনীয় সেবার ক্ষেত্রে বিদ্যুতের চাহিদাকেও বাড়িয়ে দেয়।

যদিও স্বতঃসিদ্ধ এ নিয়ম বাংলাদেশের অনেক ক্ষেত্রেই উল্টো হয়। এখানে বিদ্যুতের ভোগ কমে গেলেও উচ্চ জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে দেখা গেছে।

২০১৮ সালে দেশে বিদ্যুতের ভোগ ছিল দশমিক ৪৪ শতাংশ ঋণাত্মক, যদিও এ সময়ে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে সাত দশমিক তিন শতাংশ। অন্যদিকে বিদ্যুতের ভোগ বাড়া সত্ত্বেও জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ার নজির রয়েছে। ২০২৪ সালে দেশে বিদ্যুতের ভোগ বেড়েছে আট দশমিক ৮১ শতাংশ। বিপরীতে জিডিপি প্রবৃদ্ধি চার দশমিক দুই শতাংশে নেমে এসেছে।

অর্থনৈতিক পরিসংখ্যানের ক্ষেত্রে এ উদ্ভট চিত্র দেশের তথ্য-উপাত্তের বিশ্বাসযোগ্যতা আরো প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলছে।

বণিক বার্তা

৬৫৮ কোটি টাকায় কেনা নতুন কোচ-ইঞ্জিনে ত্রুটি— দৈনিক আজকের পত্রিকা'র প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ৬৫৮ কোটি টাকায় কেনা ডিজেলচালিত ২০টি মিটারগেজ লোকোমোটিভ (ইঞ্জিন) এবং ১৪৭টি যাত্রীবাহী কোচের বেশ কয়েকটিতে কারিগরি ত্রুটি দেখা দিয়েছে। এগুলোর ডিসপ্লে কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

তাই, ঘোষণা শুনতে পাচ্ছে না যাত্রীরা। এ কারণে ডিসপ্লে, পিআইএস, কাপলার প্রতিস্থাপনের বিকল্প নেই। এছাড়া, অকেজো পড়ে আছে তিনটি পাওয়ার কার।

বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্র বলছে, চুক্তি অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত (ওয়ারেন্টির মেয়াদকালে) কোরীয় ঠিকাদারের ত্রুটি মেরামত করার কথা। কিন্তু প্রকল্প দপ্তর, কোরীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্থানীয় প্রতিনিধি ও কোরীয় প্রতিনিধিকে জানানো হলেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় সমস্যা জটিল হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী যন্ত্রাংশ, রক্ষণাবেক্ষণ ও অপারেশনের জন্য সার্কিট ডায়াগ্রাম, ম্যানুয়াল, প্রোডাক্ট ব্রুশিয়ারের হার্ড কপি এবং সফট কপি সরবরাহ করা হয়নি।

তবে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ বলছে, রেলওয়ে যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ না করায় সমস্যা হয়েছে। এর আগে কিছু ত্রুটি ঠিকাদারের কাছ থেকে ঠিক করিয়ে নেওয়া হয়। ঠিকাদারকে ঢালাও দায় দেওয়া যাবে না। এখনকার সমস্যাগুলো কারিগরি কমিটির মাধ্যমে যথাযথভাবে প্রকল্প দপ্তরে এলে এবং ওয়ারেন্টির মেয়াদ থাকলে ঠিকাদারের কাছ থেকে ঠিক করিয়ে নেওয়া যাবে।

আজকের পত্রিকা
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

ভালোবাসার জনস্রোত, হেঁটে ফিরোজায় ফিরলেন খালেদা জিয়া— মানবজমিন পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। শুধু তাই নয়, আজ দেশের প্রায় সকল পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এই খবরটিই।

প্রায় চার মাস পর গতকাল মঙ্গলবার লন্ডনে চিকিৎসা নিয়ে হাসিমুখে দেশের মাটিতে পা রেখেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। হুইলচেয়ারে করে তার বাসভবন ফিরোজা থেকে লন্ডনের উদ্দেশ্যে বের হওয়া খালেদা জিয়া ওই বাসায় প্রবেশ করেছেন পায়ে হেঁটে।

শারীরিক ও মানসিকভাবে আগের চেয়ে চাঙ্গা খালেদা জিয়াকে ঘিরে তাই আবেগ আর উচ্ছ্বাসে ভেসেছেন দলের লাখো নেতাকর্মী। সড়কে দাঁড়িয়ে তাকে স্বাগত জানিয়েছেন।

খালেদা জিয়াও গাড়িতে বসে হাত নেড়ে অভিবাদনের জবাব দিয়েছেন হাসিমুখে। একই গাড়িতে ছিলেন খালেদা জিয়ার দুই পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান ও শর্মিলা রহমান।

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরের শাসনামলের পর খালেদা জিয়া ও তার পরিবারের এমন ছবি বহুদিন পর দেখতে পেয়েছেন দলের নেতাকর্মীরা। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানও গতকাল ১৭ বছর পর দেশে ফিরেছেন।

মানবজমিন

শিল্পে টানা গ্যাস সংকট উৎপাদনে ভাটা— সমকাল পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।

এখানে বলা হয়েছে, চাহিদার তুলনায় গ্যাস মিলছে ৪০ শতাংশ কম। কলকারখানার চাকা ঘুরছে ধুঁকে ধুঁকে। ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, সাভার, আশুলিয়া, ভালুকাসহ দেশের সব শিল্পাঞ্চলেই অভিন্ন পরিস্থিতি। সবচেয়ে বিপদে পড়েছে দেশের বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাত।

গ্যাসের অভাবে ঝুঁকিতে পড়েছে এ খাতের ৭০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ। রাতে মিললেও দিনে গ্যাস যেন দুষ্প্রাপ্য। কাজ না থাকায় অনেক কারখানার শ্রমিক দিনে অলস সময় কাটাচ্ছেন।

অনেক উদ্যোক্তা সিএনজি, এলপিজি বা ডিজেল দিয়ে উৎপাদন ধরে রাখার চেষ্টা করছেন। বিকল্প জ্বালানি ও অতিরিক্ত মজুরির কারণে উৎপাদন খরচ হচ্ছে দ্বিগুণ।

খরচ বেড়ে যাওয়ায় বন্ধ হয়ে যাচ্ছে কিছু কিছু কারখানা। গত আট মাসে শুধু নারায়ণগঞ্জেই ১৯ পোশাক কারখানা বন্ধ হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে রপ্তানি আয়েও।

মার্চের চেয়ে এপ্রিলে রপ্তানি আয় কমেছে প্রায় ১২৩ কোটি ডলার। এর পরও আমদানিকারকদের অর্ডার সময়মতো পাঠানো যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন শিল্প মালিকরা।

সমকাল

মৌলিক সংস্কারে এনসিপির রূপরেখা, মূল লক্ষ্য তিনটি— দৈনিক প্রথম আলো'র প্রথম পাতার খবর। এতে বলা হয়েছে, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কাছে 'মৌলিক সংস্কারের' রূপরেখা তুলে ধরেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটি বলেছে, মৌলিক সংস্কারের মূল লক্ষ্য তিনটি—ক্ষমতার ভারসাম্য, জবাবদিহি ও বিকেন্দ্রীকরণ।

গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বর্ধিত আলোচনায় এনসিপি তাদের রূপরেখা তুলে ধরে। এনসিপি মনে করে, নির্বাচন যেকোনো সময় অনুষ্ঠিত হতে পারে। কিন্তু তার আগে অবশ্যই মৌলিক সংস্কারের রূপরেখা বাস্তবায়ন করতে হবে। এর পাশাপাশি ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের বিচার দৃশ্যমান পর্যায়ে নিয়ে আসতে হবে।

সংস্কার প্রশ্নের ঐকমত্য তৈরির লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পাঁচটি সংস্কার কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলো নিয়ে আলোচনা করছে কমিশন।

এর অংশ হিসেবে এনসিপির সঙ্গে গতকাল আবার আলোচনা করেছে কমিশন।

প্রথম আলো

Ordinance okayed to scrap 9 CSA provisions বা সাইবার নিরাপত্তা আইনের বিতর্কিত ৯টি ধারা বাতিল— ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম।

'সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫'— এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। এতে আগের সাইবার নিরাপত্তা আইনের ৯টি 'বিতর্কিত' ধারা বাদ দেওয়া হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল এসব তথ্য জানান।

এর আগে সকালে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়া উপস্থাপন করা হয়।

বাদ দেওয়া ধারাগুলোতে বিগত সরকারের সময় ৯৫ শতাংশ মামলা হয়েছিল। কিন্তু এবার থেকে ওইসব ধারায় দায়েরকৃত মামলা স্বয়ংক্রিয়ভাবে খারিজ হয়ে যাবে।

ধর্মীয় উসকানিমূলক বক্তব্য বা কনটেন্ট, যা সহিংসতা উসকে দিতে পারে, তাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে গণ্য করা হয়েছে।

এছাড়া প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে ইন্টারনেটকে প্রথমবারের মতো মৌলিক অধিকার হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

নিউ এজ

ভোটাধিকার ফেরাতে নির্বাচন ব্যবস্থা, প্রতিষ্ঠানের সংস্কার জরুরি: ইউনূস— দৈনিক সংবাদের প্রধান শিরোনাম এটি। এখানে বলা হয়েছে, সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে তরুণদেরকে আরও সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে অংশ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।

একই সঙ্গে তিনি সবার ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে নির্বাচন ব্যবস্থা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় নরওয়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরুণ কর্মীদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, "আমরা তরুণদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করছি; না হলে তারা নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় সক্রিয় হতে পারবে না।"

বৈঠকে তিনি সফরকারী তরুণদের রাজনৈতিক পটভূমি ও দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে জানতে চান। মূলধারার রাজনীতিতে তরুণদের অংশ নেয়ার হার কেমন তা নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

সংবাদ

সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণে ইসির আইনি জটিলতা কাটলো— দৈনিক ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম। বলা হয়েছে, সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণসংক্রান্ত আইনে বিদ্যমান জটিলতা দূর করে সংশোধনী আনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে উপদেষ্টা পরিষদ।

গতকাল মঙ্গলবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে 'জাতীয় সংসদের নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণ (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫'-এর খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে আইন উপদেষ্টা এ বিষয়ে বলেন— এখন অধ্যাদেশ জারি হলে সীমানা নির্ধারণ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের যে সাংবিধানিক দায়িত্ব আছে, সেটি তারা ইচ্ছা করলে শুরু করতে পারবে।

তিনি বলেন, "বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে এই সীমানা নির্ধারণ নিজেদের ইচ্ছামতো করা হতো। এগুলো নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে অভিযোগ আছে। এখন আমাদের সীমানা নির্ধারণসংক্রান্ত যে আইন আছে, সেখানে একটা ব্যাখ্যাগত ভুলের কারণে এটা নিয়ে নির্বাচন কমিশন কাজ করতে পারছিল না। নির্বাচন কমিশন এই আইন প্রস্তাব করেছে।"

"এখন আমরা এই সংশোধনী করে দিয়েছি। এখন সীমানা পুনর্নির্ধারণসংক্রান্ত নির্বাচন কমিশনের যে সাংবিধানিক দায়িত্ব আছে, সেটা তারা ইচ্ছা করলে এই অধ্যাদেশ গেজেট নোটিফিকেশন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা শুরু করতে পারবে দুই-চার দিনের মধ্যে।"

দৈনিক ইত্তেফাক

UN experts concerned over journo arrests, অর্থাৎ সাংবাদিকদের গ্রেফতার নিয়ে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ— দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।

এখানে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে সাংবাদিকদের গ্রেফতার নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের তিনজন স্বাধীন বিশেষজ্ঞ।

তারা এক চিঠিতে জানিয়েছেন, গত জুলাই মাসে বিক্ষোভ চলাকালে আন্দোলনকারী হত্যার অভিযোগে ১৪০ জনেরও বেশি সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের খবরে তারা উদ্বিগ্ন। ওই ১৪০ জনের মাঝে সাংবাদিক দম্পতি ফারজানা রূপা ও শাকিল আহমেদের নামও রয়েছে।

সরকার পতনের পর গত বছরের অগাস্টেই ওই দু'জনকে গ্রেফতার করা হয়।

চিঠিতে বিশেষজ্ঞ জানতে চেয়েছেন, এসব সাংবাদিককে গ্রেফতারের কারণ কী এবং তা কীভাবে আন্তর্জাতিক আইনে বাংলাদেশের দায়বদ্ধতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। মামলাগুলো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের আলোকে পুনর্বিবেচনা করারও অনুরোধ করেন তারা।

দ্য ডেইলি স্টার

কুমিল্লা-ফরিদপুরকে বিভাগ করার পক্ষে এনসিপি— দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় বৈঠক করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বৈঠকে রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কার প্রশ্নে তাদের তৈরি করা একটি 'রূপরেখা' কমিশনের কাছে হস্তান্তর করেছে দলটি।

গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে কমিশনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজের কাছে রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরেন।

পরে সাংবাদিকদের আখতার হোসেন বলেন, মৌলিক সংস্কার বলতে নির্বাচনী ব্যবস্থার সংস্কার নয় বা দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কারের মতো বিষয়গুলো মনে করি না। বরং ক্ষমতার ভারসাম্য, জবাবদিহি ও বিকেন্দ্রীকরণ — মৌলিক সংস্কারের মূল ভিত্তি।

দেশে প্রাদেশিক সরকার প্রতিষ্ঠায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাবের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তবে স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি কুমিল্লা ও ফরিদপুরকে নতুন বিভাগ ঘোষণা করার পক্ষে মত দিয়েছে দলটি।

 দেশ রূপান্তর