"দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্র' গড়ে তোলার অঙ্গীকার"

Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, 'Pledge made to build a 'second republic' অর্থাৎ, 'দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্র' গড়ে তোলার অঙ্গীকার'

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থান পরিচালনাকারী তরুণ নেতারা শুক্রবার "জাতীয় নাগরিক পার্টি" (এনসিপি) প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছেন।

নতুন দলটির সভাপতি নাহিদ ইসলাম ঢাকার মানিক মিয়া এভিনিউতে এক সমাবেশে তাদের রাজনীতির নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, এই রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সাধারণ মানুষই সর্বোচ্চ ক্ষমতার উৎস হবে।

নাহিদ বলেন, এনসিপি'র মূল লক্ষ্য হলো সংবিধানিক একনায়কতন্ত্র ভাঙা এবং একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক কাঠামো তৈরি করা।

দলটি দাবি করছে, একটি নতুন সংবিধান প্রণয়নের জন্য একটি গণপরিষদ গঠন করতেই আগামী নির্বাচনের আয়োজন করা উচিত।

তারা বলেছে, রাজনীতিতে ব্যাপক সংস্কার, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি দূর করতে, জাতীয় সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করতে এবং দেশের উন্নয়ন করতে কাজ করবে।

এনসিপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে তারা একটি গণতান্ত্রিক, সমতার ভিত্তিতে পরিচালিত দল হিসেবে কাজ করবে এবং দেশের স্বার্থে, ভারত বা পাকিস্তান কোনো পক্ষের সঙ্গে সম্পর্কের ঊর্ধ্বে থাকবে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো একটি রাজনৈতিক দলের আবির্ভাব হলো যা সরাসরি একটি গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জন্ম নিয়েছে।

বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি দৈনিকেই নতুন দলের আত্মপ্রকাশের খবর প্রধান শিরোনাম হয়েছে।

প্রতিবেদনে মূলত পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান মন্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।

তিনি বলেছেন যে, নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কিংস পার্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

তার প্রত্যাশা নতুন দল রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে, কিন্তু জাতিগতভাবে আমাদের পরিবর্তন প্রয়োজন বলেও তিনি জানান।

তিনি বলেন, শুধুমাত্র নতুনদের নিয়ে সমস্যা সমাধান সম্ভব নয় এবং বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন প্রয়োজন।

তিনি সবাইকে দেশের জন্য ইতিবাচকভাবে কাজ করতে উৎসাহিত করেন।

এছাড়া, তিনি পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, বায়ুদূষণ, পানিদূষণ, মাটিদূষণ এবং শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।

পরিবেশে অবকাঠামো তৈরি করলে, কিন্তু পরিবেশের দিকে নজর না দিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বিপদ তৈরি হবে।

তিনি জনগণকে পরিবেশ রক্ষা এবং প্লাস্টিক দূষণ কমানোর জন্য ব্যক্তিগত উদ্যোগ নিতে আহ্বান জানিয়েছেন।

তার মতে, একটি টেকসই এবং পরিবেশবান্ধব সমাজ গঠন করতে হলে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে।

সমকালের প্রথম পাতার খবর, 'আদালতে মামলার জট সব রেকর্ড ছাড়িয়ে'

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের উচ্চ ও অধস্তন আদালতে মামলাজট অব্যাহতভাবে বাড়ছে, যদিও সরকার ও সুপ্রিম কোর্ট নানা উদ্যোগ নিচ্ছে।

২০২৪ সালে আদালতে মামলাজট বেড়ে দুই লাখ ১৭ হাজার চারটি হয়েছিলো। মামলার সংখ্যা বর্তমানে ৪৫ লাখ ১৬ হাজার ৬০৩টি, যা গত এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ।

মামলাজট কমানোর জন্য সরকার গত বছর নতুন বিচারক নিয়োগ এবং আইন কর্মকর্তাদের বদলি করেছিল, তবে এই পদক্ষেপগুলো খুব বেশি ফলপ্রসূ হয়নি।

বিশেষত, আপিল বিভাগে মামলার সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিচার বিভাগ সংস্কারের জন্য একটি কমিশন গঠন করা হয়েছে যা মামলাজট কমানোর জন্য কিছু সুপারিশ করেছে।

কমিশন মিথ্যা মামলা, বিচারকদের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে। তবে মামলাজট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে আইনজীবীরা মত দিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, লঘু অপরাধ এবং পারিবারিক বিরোধের মতো মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করার জন্য আদালতকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে যাতে মামলাজট কমানো যায়।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করতে সারা দেশে শুরু হওয়া অপারেশন ডেভিল হান্ট অভিযানে গত ২০ দিনে ১১ হাজার ৯৩১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় এই অভিযানে ৮৪৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়, এর মধ্যে ৬১৮ জন অপারেশন ডেভিল হান্টের মাধ্যমে এবং ২২৮ জন ডিএমপির সাঁড়াশি অভিযানে গ্রেফতার হন।

গ্রেফতারদের কাছ থেকে বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ছোরা, কার্তুজ, চাকু, গাঁজা, ইয়াবা ও হেরোইন।

এছাড়াও, ঢাকা শহরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ চেকপোস্টের সংখ্যা বৃদ্ধি করেছে এবং বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় অতিরিক্ত টহল টিমও দায়িত্ব পালন করছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ডিএমপির ৫০টি থানা এলাকায় ৫৫০টি টহল টিম দায়িত্ব পালন করেছে এবং ৬৫টি পুলিশি চেকপোস্ট পরিচালিত হয়েছে।

এছাড়াও, সিটিটিসি, এটিইউ ও র‍্যাবের টহল টিমগুলোও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করেছে। অভিযানে উদ্ধারকৃত মাদকের মধ্যে ছিল ৩৭ কেজি গাঁজা, ২৩৮ পিস ইয়াবা এবং ২০.২ গ্রাম হেরোইন।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, রমজান মাসে পণ্য কেনাকাটার প্রস্তুতির মধ্যে বাংলাদেশের বাজারে সয়াবিন তেলের সংকট দেখা দিয়েছে।

বিশেষ করে বোতলজাত সয়াবিন তেল বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না। ঢাকার বিভিন্ন বাজারে গিয়েও দেখা যায় যে, পাঁচ লিটারের বোতল তেল পাওয়া যাচ্ছে না।

কয়েক সপ্তাহ ধরে এই সংকট চলছে। এই অবস্থায় খোলা সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এবং তা বোতলজাত তেলের থেকে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এক মাসে খোলা সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ১৫ থেকে ১৭ টাকা বেড়েছে।

সরকারি সংস্থা টিসিবি জানায়, সয়াবিন তেলের আমদানি বেড়েছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারেও দাম স্থিতিশীল থাকলেও ক্রেতারা তেলের চড়া দাম সহ্য করতে বাধ্য হচ্ছেন।

ভোজ্যতেলের চাহিদা বছরে ২২ লাখ টন হলেও, অধিকাংশ তেল আমদানি করতে হয়। যদিও সরকার বলছে যে, সংকট কাটানোর জন্য তেলের সরবরাহ বাড়ানো হচ্ছে, তবুও বাজারে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, তেলের সরবরাহ যদি স্বাভাবিক করা যায়, তবে বাজারও স্বাভাবিক থাকবে।

নিউ এইজের প্রথম পাতার খবর, 'Bangladesh's energy transition comes to halt' অর্থাৎ, 'বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে পরিবর্তন থমকে আছে'

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে সাশ্রয়ী জ্বালানি প্রকল্পের পরিবর্তনের প্রক্রিয়া হঠাৎ থমকে গেছে।

দেশের অন্তবর্তীকালীন সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পে বিনিয়োগকারী খুঁজে পেতে সমস্যায় পড়েছে।

জুলাই-অগাস্ট মাসে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তবর্তীকালীন সরকার ৩১টি নবায়নযোগ্য শক্তি প্রকল্প বাতিল করে, যার মোট ক্ষমতা ছিল ২৬০০ মেগাওয়াটের বেশি।

এই প্রকল্পগুলোর পিপিএ সই হওয়ার আগেই বাতিল করা হয়, যা আগের সরকারের সময় বিনা দরপত্রে অনুমোদন পেয়েছিল।

ডিসেম্বর ২০২৪ থেকে নতুন দরপত্রের মাধ্যমে নতুন প্রকল্পের জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়, তবে এটি নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়।

বিশেষ করে যোগ্যতার শর্ত নিয়ে, যা বিশেষভাবে আগের সরকারের সময়কার বড় কোম্পানি এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সুবিধা দেয়।

এখন পর্যন্ত নতুন প্রকল্পের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ খুব কম, যার ফলে সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।

বর্তমানে চারটি নবায়নযোগ্য শক্তি প্রকল্প নির্মাণাধীন রয়েছে, যা ১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন।

আগের প্রকল্প বাতিলের কারণে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা কমে গেছে এবং তারা এখন বাংলাদেশের বাজারে বিনিয়োগে আগ্রহী নয়।

বর্তমানে বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য শক্তি থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের পরিমাণ খুব কম, যা ৯৯৩ মেগাওয়াটের বেশি নয়।

আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার খবর, 'বাংলাদেশি যুবককে নির্যাতনের পর মৃত ভেবে ফেলে গেল বিএসএফ'

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশি এক যুবককে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) নির্যাতন করে মৃত ভেবে সীমান্তে ফেলে যায়।

ওই যুবকটির নাম বিল্লাল সানা, তিনি খুলনার পাইকগাছার খড়িয়া টেমশাখালী গ্রামের আব্দুল মাজেদ সানার ছেলে।

বিল্লাল পাঁচ বছর ধরে ভারতের কলকাতায় শ্রমিকের কাজ করতেন। গত বুধবার তিনি বাংলাদেশে আসার উদ্দেশ্যে ভারতে থেকে বের হন।

বিএসএফ সদস্যরা তাকে দেখতে পেয়ে ধাওয়া করে এবং ধরা পড়লে নির্যাতন করে।

একপর্যায়ে অচেতন হয়ে পড়েন বিল্লাল, পরে বিএসএফ সদস্যরা তাকে মৃত ভেবে বাংলাদেশ সীমান্তে ফেলে চলে যায়।

তবে বিজিবি সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে মহেশপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বিল্লাল এখন কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠছেন।

মহেশপুর বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল রফিকুল আলম বলেন, টহলের সময় বিল্লালকে গুরুতর আহত অবস্থায় পাওয়া যায় এবং তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।

কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার খবর, 'বইমেলায় বইয়ের সংখ্যা ও বিক্রি কমেছে'

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ২০২৫ সালের অমর একুশে বইমেলায় বই প্রকাশের সংখ্যা এবং বিক্রি দুইই কমেছে।

এবারের মেলায় প্রায় সাড়ে চারশো বই কম প্রকাশিত হয়েছে, নতুন বইয়ের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিন হাজার ২৯৯টি, যা গত বছরের তুলনায় ৪৫২টি কম।

বইমেলার বিক্রিও কমেছে, তবে বাংলা একাডেমির বিক্রি গত বছর থেকে কিছুটা বেশি, প্রায় ৬১ লাখ টাকা। তবে, মেলা পরিচালনা কমিটি এখন পর্যন্ত মেলার মোট বিক্রির পরিমাণ জানায়নি।

প্রকাশকরা জানিয়েছে, তারা হতাশ, কারণ বিক্রি কমেছে এবং অনেক প্রকাশক তাদের খরচের পরিমাণ তুলনায় বিক্রি সন্তোষজনক হয়নি।

হাওলাদার প্রকাশনীর মাকসুদ হাওলাদার বলেন, গত বছর যেখানে ১৭ লাখ টাকার বই বিক্রি হয়েছিল, এবার ২৭শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাত্র পাঁচ লাখ টাকার বই বিক্রি হয়েছে।

মেলা এবার তিন দিন কম ছিল, ২৮ দিনের পরিবর্তে ২৫ দিন হয়েছে। ৭০৮টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে এবং এক হাজার ৮৪ ইউনিট বরাদ্দ করা হয়েছে।

তবে, শিশু চত্বরে কিছুটা বৃদ্ধি হলেও অনেক লিটল ম্যাগাজিন তাদের স্টল খোলেনি।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে তার বিশাল অবদানের জন্য প্রয়াত অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

তিনি ভ্যাট ব্যবস্থা প্রবর্তন, তৈরি পোশাক খাতে ব্যাক টু ব্যাক এলসি এবং বন্ডেড ওয়্যারহাউজ সুবিধা চালু করার মাধ্যমে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক নীতি ও ব্যক্তি খাতের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

ঢাকায় 'গুণীজন সংবর্ধনা' অনুষ্ঠানে তার পরিবারের সদস্যদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।

এই সম্মাননা অনুষ্ঠানে এম সাইফুর রহমানের জীবনের ওপর আলোচনা করা হয় এবং তার শাসনকাল ও নীতির প্রশংসা করা হয়।

বিশেষ করে, তাকে একজন দেশপ্রেমিক, পেশাদার এবং দূরদর্শী নেতা হিসেবে স্মরণ করা হয়। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনীতি সুদৃঢ় হয়েছিল, বিশেষত তিনি যেসব মৌলিক সংস্কার এনেছিলেন তা বাংলাদেশের অর্থনীতিকে উন্নতির দিকে পরিচালিত করেছে।

অনেক বক্তা তার সিদ্ধান্ত এবং কর্মের প্রশংসা করেছেন এবং তার অবদানকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ইতিহাসে একটি অমূল্য দিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।