আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
রাজনৈতিক চিন্তার বড় বাজেট, বাস্তবায়নে ঝুঁকি অনেক
- Author, কাদির কল্লোল
- Role, বিবিসি নিউজ বাংলা
- Published
- পড়ার সময়: ৭ মিনিট
রাজনৈতিক অঙ্গীকার মাথায় রেখেই প্রস্তাবিত বাজেট সাজিয়েছে বিএনপি সরকার। মূল্যস্ফীতির অব্যাহত চাপ এবং দীর্ঘদিনের নানা সংকটে যখন বিপর্যস্ত অর্থনীতি, সেই অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি জনতুষ্টির বাজেট প্রস্তাব করা হলো বলে বলছেন অর্থনীতিবিদেরা।
অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ এবং কাজের সুযোগ বা কর্মসংস্থান বাড়ানোর বিষয়ে। এই চিন্তা থেকে বড় সুবিধা দেওয়া হয়েছে ব্যবসায়ীদের।
অর্থনীতিবিদেরা বলছেন, তারেক রহমানের সরকারের এই প্রথম বাজেটে কর ব্যবস্থাপনার প্রস্তাবে নতুনত্ব আছে। করের আওতা বাড়ানোর বাড়ানোর ভিত্তি কি হবে, এ নিয়ে লম্বা সময়ের পরিকল্পনা প্রস্তাব করা হয়েছে।
চাল-ডালসহ নিত্যপণ্যের আমদানি শুল্ক কমিয়ে ন্যুনতম পর্যায়ে রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। কর কাঠামোর পরিকল্পনাতেই ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগে সুবিধা এবং এক ধরনের নিশ্চয়তা দেওয়ার চেষ্টা রয়েছে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদেরা।
বিএনপির নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী, নিম্ন আয়ের মানুষ ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে স্বস্তি দিতে ফ্যামিলি কার্ডসহ অন্তত আট ধরনের নতুন কর্মসূচি যুক্ত করে সামাজিক নিরাপত্তায় বরাদ্দ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
গত ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত বিএনপি সরকারের প্রায় চার মাসের মাথায় এটি তাদের প্রথম বাজেট।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আগামী অর্থবছরের জন্য নয় লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করছেন।
বাজেট বক্তৃতার শুরুতেই অর্থমন্ত্রী মি. চৌধুরী এটিকে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির বাজেট বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, "যে ফ্যাসিবাদ দেশে অর্থনীতির যে বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে, সমাজ সংস্কৃতির বুনন যেভাবে ধ্বংস করেছে, তাতে এর পুনরুদ্ধার ও একে গতিশীল করা ছাড়া রাজনৈতিক সংস্কার সম্ভব নয়"।
"কিন্তু এটাও মনে রাখা দরকার অর্থনীতির গণতন্ত্রায়ণ অর্থ্যাৎ সব মানুষের জন্য অন্তর্ভভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিপূর্ণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থা এবং মানবিক বিবেচনাসম্পন্ন সাংস্কৃতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠা ছাড়া রাজনৈতিক সংস্কার টেকসই হবে না" বলেন অর্থমন্ত্রী।
প্রস্তাবিত এই বাজেটের শিরোনামও করা হয়েছে 'গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা' হিসেবে।
কিন্তু অর্থনীতিবিদের অনেকের দুশ্চিন্তা হচ্ছে, এর বাস্তবায়নের ঝুঁকি নিয়ে। কারণ বিশাল অংকের বাজেটের বড় ঘাটতি মেটাতে নির্ভরতা থাকবে রাজস্ব আয়ের ওপর। সেখানে রাজস্ব আয়ে রয়েছে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা। সেখানে রাজস্ব আয় বাড়ানোটাই বড় চ্যালেঞ্জ।
অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন খাত থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার মাত্রাও বেড়ে যেতে পারে, সেটিকেও একটা ঝুঁকি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বড় চাপ অর্থের যোগানে
প্রস্তাবিত বাজেটে আয়ের যে লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে, তাতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআর এর জন্য টার্গেট দেওয়া হয়েছে ছয় লাখ কোটি টাকার বেশি।
কিন্তু চলতি অর্থ বছরে লক্ষমাত্রা অর্জন করতে পারেনি এনবিআর। এ বছর সংস্থাটির লক্ষ্যমাত্রা ছিল পাঁচ লাখ তিন হাজার কোটি টাকা।
সেখানে তারা রাজস্ব আদায় করেছে তিন লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা। এমন প্রেক্ষাপটে এনবিআর এর সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে অর্থনীতিবিদদের অনেকের।
বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বিবিসি বাংলাকে বলেন, রাজস্ব আদায়ের সনাতনী পদ্ধতির কথাই এসেছে প্রস্তাবিত বাজেটে। তবে করজাল বা করের আওতা বাড়ানোর প্রস্তাব এসেছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গেলে ঘাটতি কমানো সম্ভব হবে।
তবে ব্যাংকখাতসহ অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন উৎস থেকে ঋণ নেওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করছেন অর্থনীতিবিদেরা।
তারা বলছেন, ব্যাংক খাত থেকে ঋণ নেওয়ার লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে এক লাখ ৭২ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া সঞ্চয়পত্র থেকে আট হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী তার বাজেট বক্তৃতায় বলেছেন, "ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে ব্যাপকহারে ঋণ গ্রহণের ফলে দেশের ঋণ পরিশোধ বাবদ ব্যয় অত্যধিকহারে বেড়েছে। সেকারণে বাজেটে ঘাটতি বেড়েছে"।
অর্থনীতিবাদেরা মনে করেন, অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উৎস থেকে সরকার যে ঋণ নেবে, তার বিপরীতে সুদ দিতে হবে। এটি বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়াবে। ফলে এ বিষয়টিও বাজেট বাস্তবায়নে ঝুঁকি তৈরি করবে।
ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা গতবারের বাজেটে দেওয়া ঘোষণা অনুসারে পৌনে চার লাখ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। করপোরেট করহার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
ব্যাংকে রাখা টাকার ওপর আবগারি শুল্ক বসানোর সীমা ৩ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা করা হচ্ছে। তবে ঋণের টাকার ক্ষেত্রে একবার আবগারি শুল্ক আরোপ হবে।
খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলছেন, অর্থের যোগানে যখন ঝুঁকি আছে, তখন সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানো হচ্ছে। এর জন্য যে বাড়তি অর্থের প্রয়োজন হবে, সেটিও চিন্তার বিষয়।
নিত্যপণ্যে কর ছাড়
চাল,ডাল, চিনি, ধান, চাল, গম, আলু, গবাদিপশু, মাছ, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনি, ভোজ্যতেলসহ ষাটটি নিত্যপণ্যের ওপর কর ছাড় দেওয়া হয়েছে। এসব পণ্যের ওপর এক থেকে পাঁচ শতাংশ পর্যন্ত উৎসে কর আছে। সেটি কমিয়ে একই হারে দশমিক পাঁচ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে এই করছাড়ের প্রস্তাব করা হয়েছে।
End of বিবিসি বাংলায় আরো পড়তে পারেন:
ব্যবসায়ীদের সুবিধা
বিদ্যমান করদাতাদের চাপ না বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। এই অবস্থানে থেকে কর আদায়ে উৎস বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
অর্থনীতিবিদেরা বলছেন, করের আওতা আগামী এক বছরে কিভাবে বাড়ানো হবে, একটা পরিকল্পনা প্রস্তাব করা হয়েছে। এর পরের পাঁচ বছরে কিভাবে সেই আওতা বাড়বে, সেই পরিকল্পনাও এসেছে।
ফলে ব্যবসায়ীরা এক ধরনের ধারণা পাচ্ছেন এবং সেটা তাদের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে একটা নিশ্চয়তা হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদেরা। তারা বলছেন এটি ব্যবসায়ীদের জন্য বড় সুবিধা।
তবে করের আওতা বাড়াতে সারাদেশে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য এবার নতুন প্রস্তাব আনা হয়েছে।এ ব্যবসায়ীদের কর দিতে হবে।
বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির হিসাব অনুযায়ী, সারাদেশে প্রায় ৭০ লাখ খুচরা বিক্রেতা রয়েছেন।
প্রস্তাবিত কর কাঠামো অনুযায়ী, খুচরা বিক্রেতাদের কাছ থেকে পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে প্রতি এক হাজার টাকায় দুই টাকা অগ্রিম কর কেটে রাখা হবে। এটি নির্ধারিত থাকবে, যাতে কোনো অনিয়ম করার সুযোগ না থাকে।
এই ব্যবস্থা রাজস্ব আয় বাড়াতে সহায়ক হবে বলে সরকার মনে করছে।
তবে এই ব্যবস্থা কীভাবে কার্যকর করা হবে সেবিষয়ে এখনো স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়নি।
ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএন
গ্রাম, ইউনিয়ন, শহর, মহানগর-দেশের যে কোনো জায়গা থেকে ব্যক্তি পর্যায়ে ব্যাংক হিসাব খুলতে এনবিআর এর টিআইএন সনদ বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব এসেছে।
যদিও কিছু ছাড় থাকছে, যেমন, শিক্ষার্থী, পেনশনভোগী, দশ টাকার ব্যাংক হিসাব খোলার ক্ষেত্রে টিআইএন সনদ প্রয়োজন হবে না।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী দেশে সতেরো কোটির বেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আছে। অর্থনীতিবিদেরা মনে করেন, করের আওতা বাড়ানোর জন্য ব্যাংক হিসাব খোলার ক্ষেত্রে টিআইএন সনদ বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।
কিন্তু প্রত্যন্ত গ্রামে এমনকি জেলা-উপজেলা শহরেও ব্যাংক হিসাব খোলার আগে একজন সাধারণ নাগরিককে টিআইএন সনদ সংগ্রহে ভোগান্তিতে ফেলবে। এই সনদ কিভাবে পাওয়া যাবে, সেখানে অনিয়ম-ভোগান্তি সামলানোর নিশ্চয়তা কতটা থাকে, সেটি নতুন সমস্যা তৈরি করতে পারে।
দেশীয় শিল্পে করছাড়
ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে বিদ্যমান রেয়াতি শুল্ক সুবিধার তালিকায় আরও ৯ টি পণ্য যুক্ত করা হতে পারে। এছাড়া অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রিডিয়েন্ট (এপিআই) তৈরির নতুন ৫১টি কাঁচামালের আমদানি শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হচ্ছে।
দেশে ফ্রিজসহ ইলেকট্রনিক বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানির শুল্ক ও কর কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
বিদেশ থেকে ফ্রিজসহ ইলেকট্রনিক পণ্য আমদানির শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
এখন বৈদ্যুতিক গাড়ির ক্ষেত্রে শুল্ক-কর ভার ৯৩ শতাংশ আছে। নতুন প্রস্তাবে ২৫ হাজার ডলার পর্যন্ত দামের বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানির ক্ষেত্রে ৬৪ শতাংশ এবং ২৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত দামের বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানির ক্ষেত্রে ৮০ শতাংশ শুল্ক-কর হারের প্রস্তাব করা হয়েছে।
ইলেকট্রিক বাস ও ট্রাক উৎপাদনকারী শিল্পের উপকরণ ও কাঁচামালে আমদানির ক্ষেত্রে ২০৩১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সব রেয়াতি সুবিধা বহাল রাখার প্রস্তাব এসেছে।
End of বিবিসি বাংলায় আরো পড়তে পারেন:
সৃজনশীল ক্ষেত্রে ছাড়
তরুণ প্রজন্মের জন্য একটি বৈশ্বিক মানের 'ক্রিয়েটিভ ইকোনমি' গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে। সেজন্য উচ্চমানের কনটেন্ট ও চলচ্চিত্র নির্মাণসামগ্রী আমদানি শুল্ক-কর কমানোর প্রস্তাব এসেছে।
ডিজিটাল মিডিয়ায় ব্যবহৃত সংগীতের মান উন্নয়ন ও ক্রিয়েটিভ মিউজিক তৈরিতে গিটার, পিয়ানো, ভায়োলিন ইত্যাদি এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ আমদানিতে বিদ্যমান ৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক প্রত্যাহারের প্রস্তাবে করা হয়েছে।
চলচ্চিত্র ও ক্রিয়েটিভ মিডিয়ার জন্য উচ্চপ্রযুক্তির সিনেমাটোগ্রাফিক ক্যামেরা ও প্রজেক্টরের খুচরা যন্ত্রাংশ আমদানিতে বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ১৫ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হতে পারে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ওপর আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাব এসেছে। এ ছাড়া স্টার্টআপ, ইনোভেশন ভেঞ্চার ও প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানকে কর অব্যাহতি সুবিধা অব্যাহত রাখা হবে।
রাজনৈতিক চিন্তার বাজেট
বিএনপির ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি এই বাজেটে প্রধান্য পেয়েছে বলে অর্থনীতিবিদেরা মনে করেন।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাজেট বক্তৃতায় বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর যে পরিবর্তনের আকাঙ্খা দেশে তৈরি হয়েছে, সেটাকে ধারণ করে এই বাজেট প্রস্তাব করেছেন তারা। সেকারণে সামাজিক নিরাপত্তা আওতা বাড়ানোসহ নতুন অনেক বিষয় এসেছে।
তবে অর্থনীতিবিদ খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেছেন, রাজনৈতিক সরকার তাদের রাজনৈতিক চিন্তা থেকে চ্যালেঞ্জ ও ঝুকি বিবেচনায় রেখেই এই বাজেট দেওয়ার কথা বলছে। এখন দেশের ব্যাংকখাতসহ অর্থনীতি স্বাভাবিক করে এর বাস্তবায়ন আসলেই বড় চ্যালেঞ্জ।