ভারতের হকি টিমের জার্সির রং বদলে কেন গেরুয়া হল?

ছবির উৎস, HOCKEY INDIA/X
- Author, রূপসা সেনগুপ্ত
- Role, বিবিসি নিউজ বাংলা
- Published
- পড়ার সময়: ৭ মিনিট
ভারতীয় হকি টিমের কথা বললে এতদিন যে ঐতিহ্যবাহী নীল জার্সির ছবি চোখের সামনে ভেসে উঠত, এবার তা বদলাতে চলেছে। নীল নয় এবার গেরুয়া রঙের জার্সি পরে আসন্ন বিশ্বকাপের মাঠে নামবে ভারতের নারী ও পুরুষ হকি দল।
আগামী মাসে নেদারল্যান্ডস ও বেলজিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে চলা ২০২৬ এফআইএইচ হকি বিশ্বকাপের আগে নতুন জার্সি উন্মোচন করেছে হকি ইন্ডিয়া। তারপরই এই নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
ক্রীড়া মহল থেকে রাজনীতির আঙিনা—প্রশ্ন উঠেছে কেন হঠাৎ দীর্ঘদিনের পরিচিত নীল জার্সির পরিবর্তে গেরুয়া রঙ বেছে নেওয়া হল? এটা নিছকই জার্সির রঙের পরিবর্তন না কি এর পিছনে অন্য কোনো 'বার্তা' রয়েছে- সে নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
অবসরপ্রাপ্ত হকি খেলোয়াড় এবং ভারত জাতীয় হকি টিমের সাবেক অধিনায়ক ধনরাজ পিল্লাই-সহ একাধিক খেলোয়াড় এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন।
মি. পিল্লাই বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, "এই নীল রঙের জার্সির সঙ্গে যে ঐতিহ্য এবং আবেগ জড়িয়ে রয়েছে তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। নীল রঙের জার্সি পরে আমরা মাঠ দাপিয়ে বেড়িয়েছি-সেটা ভুললে চলবে না।"
দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা তার ক্যারিয়ারে অলিম্পিক গেমস, বিশ্বকাপ-সহ আন্তর্জাতিকস্তরে ভারতের হয়ে অংশগ্রহণ করেছেন মি. পিল্লাই।
জার্সির রঙ বদলানোর সমালোচনা করেছেন ভারতীয় হকি টিমের আরেক সাবেক অধিনায়ক ভিরেন রাসকুইনহাও। তিনি প্রকাশ্যে জানতে চেয়েছেন, কী কারণে এই রঙ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
দেশ-জুড়ে এই আলোচনার মাঝেই 'হকি ইন্ডিয়া'র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এর পিছনে কোনো রাজনীতি নেই। তাদের যুক্তি, আধুনিক নীল সিন্থেটিক হকি পিচে নীল জার্সির কারণে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কোচ ও খেলোয়াড়দের সঙ্গে আলোচনার পরই না কি এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এও জানানো হয় যে এটাই প্রথম নয় এর আগে ২০১৪ এবং ২০১৮ সালে বিশ্বকাপের সময়ও বদলানো হয়েছিল রং।
এরই মাঝে শুক্রবার অভিযোগ ওঠে, দাবি করা হলেও খেলোয়াড়দের সঙ্গে না কি এই আদৌ পরামর্শ করা হয়নি। ভারতীয় হকি টিমের বেশ কয়েকজন সদস্য চলতি সপ্তাহের শুরুতে এই নতুন ডিজাইনের জার্সি হাতে পাওয়ার পর সে সম্পর্কে জানতে পারেন।
এরপরই এই বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে 'হকি ইন্ডিয়া'র প্রেসিডেন্ট তথা ভারতীয় পুরুষ হকি টিমের সাবেক ক্যাপ্টেন দিলীপ তিরকে শুক্রবার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং কার্যনির্বাহী বোর্ডের সদস্যদের কাছে দু'টো পৃথক ইমেল পাঠিয়েছেন।
এই বিষয়ে মতামত জানতে হকি ইন্ডিয়া প্রেসিডেন্ট দিলীপ কুমার তিরকের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছিল বিবিসি বাংলা। তবে এই প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়া পর্যন্ত ফোন বা মেসেজের জবাব দেননি।

ছবির উৎস, Hockey India/X
জার্সির রং বদল
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
হকি বিশ্বকাপের ঠিক আগে হকি ইন্ডিয়ার সামাজিক মাধ্যমে নতুন কিটের একটা ঝলক প্রকাশ করে দাবি করেছে এই জার্সির নকশা ও রঙে "ভারতের গর্ব" প্রতিফলিত হয়েছে।
"গেরুয়া রঙের ছোঁয়া সাহস, আত্মত্যাগ ও জয়ের প্রতীক। এর অনুপ্রেরণা ভারতের জাতীয় পতাকা এবং উদীয়মান সূর্য থেকে নেওয়া হয়েছে," বলে ব্যাখা করা হয়েছে। পাশাপাশি, পোশাকে যে ম্যাণ্ডালা বা নকশা আঁকা রয়েছে তা দেশের সংস্কৃতির প্রতিফলন বলেও দাবি করা হয়। জার্সির হাতায় যে নীল পাইপিং আছে তা অশোকচক্র থেকে অনুপ্রাণিত বলেও ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
জার্সির বুকের উপরের দিকে সুদর্শন চক্রের আদলে আঁকা আছে- যা শক্তি, ঐক্য এবং গতির প্রতীক। গলা থেকে কাঁধ পর্যন্ত গেরুয়া, সাদা ও সবুজ রঙের ত্রিবর্ণের পাইপিং রয়েছে, যাকে জাতীয় গর্বের প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
জার্সির মাঝখানে দেবনাগরী লিপি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ইংরেজিতে 'ইন্ডিয়া' লেখা আছে। বলা হয়েছে এটা ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে প্রতিফলিত করে।
ভারতীয় জাতীয় হকি টিমের জার্সির এই ঝলক সামাজিক মাধ্যমে আসার পরই একে ঘিরে আলোচনা শুরু হয়। হকি ইন্ডিয়ার তরফে রঙের এই বদল সম্পর্কে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে তা মানতে নারাজ অনেকেই।

ছবির উৎস, AFP via Getty Images
'জার্সির সঙ্গে দেশপ্রেম, আবেগ জড়িয়ে থাকে'
এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে ধনরাজ পিল্লাই বলেছেন, "১৯২৮ সালের অলিম্পিক দল থেকে শুরু করে ধ্যান চাঁদ, বলবীর সিং সিনিয়র, মোহাম্মদ শহীদ, জাফর ইকবালের যুগ এবং এমনকি ১৯৮০ সালের মস্কো অলিম্পিকে স্বর্ণপদক জয়ী দল পর্যন্ত সবাই নীল জার্সি পরেই খেলেছেন। আমি প্রায় ১৫ বছর খেলেছি এবং আমার পুরো ক্যারিয়ার জুড়েই এই জার্সিই পরেছি।"
মেজর ধ্যান চাঁদ ভারতের ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ ফিল্ড হকি খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচিত। এই কিংবদন্তী খেলোয়াড় অসাধারণ বল নিয়ন্ত্রণ এবং গোলের করার জন্য পরিচিত ছিলেন। তিনবার অলিম্পিক স্বর্ণপদক-সহ বহু পুরস্কার ভারতে এনেছেন তিনি।
ধ্যান চাঁদের ছেলে অশোক কুমার ১৯৭৫ সালের বিশ্বকাপজয়ী হকি টিমের অংশ ছিলেন। নীল রঙের জার্সিকে সামনে দেখেই বড় হয়েছেন তিনি।
রং পরিবর্তনের এই বিষয় সম্পর্কে কিছুটা 'বীতশ্রদ্ধ' হলেই তিনি বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, "ভারতের জাতীয় হকি টিমের জার্সি নিয়ে এত কিছু হচ্ছে যে কী বলব! আমার আর সত্যিই কিছু বলার নেই!"
এই রং নিয়ে আবেগের কথা বলেছেন ধনরাজ পিল্লাই। তার কথায়, "একজন খেলোয়াড়ের কাছে এই রং শুধুমাত্র জার্সির রং নয়। এর সঙ্গে দেশপ্রেম, খেলার সঙ্গে যুক্ত আবেগ সব জড়িয়ে থাকে। সেটা শুধুমাত্র ভারতের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য নয়, বিশ্বের প্রতিটা দেশের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। ভারতীয় খেলোয়াড়দের মনে নীল রঙের দলীয় পোশাক যে আবেগকে জাগায় তা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।"
"আমি মনে করি আমাদের নীল রঙের জার্সিই হওয়া উচিত।"

ছবির উৎস, AFP via Getty Images
পুরুষ হকি টিমের সাবেক অধিনায়ক পারগাত সিং এবং ভিরেন রাসকুইনহা হকি ইন্ডিয়ার এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। মি. রাসকুইনহা একে 'লজ্জাজনক' বলে আখ্যা দিয়েছেন।
ভিরেন রাসকুইনহা ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন , "আমি মানছি যে হকি ইন্ডিয়া ভারতীয় হকির জন্য অনেক ভালো কাজ করেছে, কিন্তু এটা লজ্জাজনক। ভারতীয় দলের ঐতিহ্য ও পরিচয় বরাবরই নীল। আমি বহু বছর ধরে গর্বের সাথে নীল জার্সি পরেছি। ভক্তরাও ভারতীয় দলকে নীল জার্সিতে দেখতে চান। কমলা রঙের পেছনে যুক্তিটা কী?"
পুরুষ হকি দলের আরেক প্রাক্তন অধিনায়ক পারগাত সিং-এর মতে খেলোয়াড়দের উপর মতামত চাপিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।
পদ্মশ্রী ও অর্জুন পুরস্কার বিজয়ী পারগাত সিং কংগ্রেস নেতা ও পাঞ্জাবের সাবেক শিক্ষা ও ক্রীড়া মন্ত্রী। বার্তাসংস্থা এএনআই-কে তিনি বলেন, "কয়েক দশক ধরে হকি ইন্ডিয়া দল গর্বের সাথে নীল জার্সি পরে আসছে এবং এই রং ক্রীড়া জগতে পরিচয়ের একটা অংশ হয়ে উঠেছে।"
"এই জার্সির রং গেরুয়ায় বদলিয়ে দেওয়াটা ভারতীয় জনতা পার্টি সরকারের চিন্তাভাবনারই প্রতিফলন। তারা নিজেদের আদর্শ সর্বত্র চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।"
ওড়িশার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক হকি ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে খেলায় রাজনীতিকরণের অভিযোগ তুলেছেন।
ইনস্টাগ্রামে একটি দীর্ঘ পোস্টে তিনি লিখেছেন, "ভারতীয় হকি দলের জার্সির ঐতিহাসিক রং পরিবর্তন করে গেরুয়া করা হয়েছে জেনে আমি গভীরভাবে দুঃখিত ও ব্যথিত। ভারতীয় হকি দলের প্রতীকী নীল রং শুধুমাত্র একটা রং নয়, এটা দেশের ক্রীড়া ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িত একটা চেতনা।"
নবীন পট্টনায়ক মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন ওড়িশা সরকার আর্থিক দিক-সহ বিভিন্ন ভাবে হকির উন্নয়নের জন্য পৃষ্ঠপোষকতা করেছে।
কংগ্রেসের সংসদ সদস্য প্রিয়াঙ্কা গান্ধী হকি ইন্ডিয়ার জার্সির রং পরিবর্তনকে ইতিহাস বিকৃত করার প্রচেষ্টা বলে অভিহিত করেছেন।

ছবির উৎস, PIB/X
হকি ইন্ডিয়ার যুক্তি
সমালোচনার মাঝেই দলের পোশাকের রং বদলানো নিয়ে ভিন্ন যুক্তি দিয়েছে হকি ইন্ডিয়া। এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, "মূল বিবেচ্য বিষয়টা ছিল প্রযুক্তিগত। আন্তর্জাতিক হকি পিচের জন্য আদর্শ রং নীল। জার্সির নীল রং সিন্থেটিক টার্ফের রঙের সঙ্গে মিশে যেত। এর ফলে খেলোয়াড়দের জন্য মাঠের স্বচ্ছতা ও দৃশ্যমানতা ব্যাহত হতো।"
হকি ইন্ডিয়া প্রথমে দাবি করে খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফদের সঙ্গে আলোচনার পর জার্সি চূড়ান্ত করা হয়েছে। যদিও পরে অভিযোগ ওঠে বাস্তবে তা হয়নি। এই নিয়ে দলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং কার্যনির্বাহী বোর্ডের কাছে শুক্রবার ব্যাখ্যাও চেয়েছেন হকি ইন্ডিয়ার সভাপতি দিলীপ তিরকে।
তিনি বার্তাসংস্থা এএনআই-কে জানিয়েছিলেন এর আগে ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে হলুদ জার্সি ব্যবহার করা হয়েছিল। ২০১৮ সালে আকাশী নীল রঙের জার্সি পরে খেলেছিল ভারতীয় হকি টিম। তাই রঙের এই পরিবর্তন নতুন কিছু নয়।
রং বদলের সমর্থন করেছেন অনেকে।
পশ্চিমবঙ্গে হকি পরিচালনকারী 'হকি বেঙ্গল'-এর যুগ্মসচিব সুরভী মিত্র বলেছেন, "নিয়ম অনুযায়ী, টার্ফের রঙের সঙ্গে কনট্রাস্টে জার্সির রং হওয়া উচিত। নাহলে রিফ্লেক্ট করে এবং খেলতে অসুবিধা হয়। আগে টার্ফ সবুজ ছিল কিন্তু এখন বেশিরভাগ ক্ষেত্রে টার্ফ নীল। তাই খেলায় সুবিধার জন্য এই বদল করা হয়েছে। এতে আমি কোনো অসুবিধা দেখি না।"
ভারতীয় পুরুষ দলের বর্তমান অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিংও রং নিয়ে সমালোচনাকে খুব একটা গুরুত্ব দিতে চাননি। বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেছেন, "আমরা কেবল কমলা জার্সি পরে একটা অনুশীলন ম্যাচ খেলেছি। আমার মতে, নতুন জার্সি দেখতে বেশ ভালো।"
'এতদিন তো অসুবিধা হয়নি?'
জার্সির রঙের সঙ্গে একাধিক বিষয় জড়িয়ে রয়েছে বলে ব্যাখ্যা করেছেন দিল্লির সিনিয়র ক্রীড়া সাংবাদিক ড. সৌমিত্র বসু।
তার কথায়, "জার্সির রং বদলে গেরুয়া করে দেওয়া এবং সেটাকে রাজনৈতিক রং দেওয়ার যে প্রচেষ্টা সেটা টেম্পোরারি রেটোরিক ছাড়া কিছু নয়।"
"তবে মাঠের সঙ্গে জার্সির রং মিলে যাচ্ছে এই যুক্তির সঙ্গে আমি খুব একটা সহমত পোষণ করি না। আমি বহু বছর ধরে ভারতের হকি টিমকে ব্লু টার্ফেই খেলতে দেখেছি। প্রত্যেকটা টিমের দু'টো সেটের জার্সি থাকে। ভারতের ক্ষেত্রে সেটা নীল এবং সাদা। ভারত দু'টোই পরে খেলেছে। কোনো অসুবিধা হয়নি।"
দলের পোশাকের রঙের বিষয়টা বিশদে ব্যাখ্যা করেছেন তিনি।
তার কথায়, "দলের জার্সি সাধারণত কালার অফ দ্য কান্ট্রি কে দর্শায়। তা সে ভারত হোক, নিউজিল্যান্ড হোক বা অস্ট্রেলিয়া। এখন কিছু ক্ষেত্রে অপোনেন্ট টিমের জার্সির উপরেও কিছু ক্ষেত্রে রঙের বিষয়টা নির্ভর করে। হকির মতো দ্রুতগতির খেলায় দুই দলের খেলয়াড়দের যাতে আলাদা করে বোঝা যায়, তাই ভিন্ন রঙের জার্সি ব্যবহার করা হয়।"
"স্পেকটেটর স্পোর্টস-এর ক্ষেত্রে জার্সির রঙের আরেকটা গুরুত্ব হলো প্রতিটা খেলাই সম্প্রচার হয়। তাই নান্দনিক বিষয়টাও থাকে। তবে সত্যি কথা বলতে কি দিনের শেষে পারফর্মেন্সটাই বড়। কী রঙের জার্সি পরে খেললাম সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। দিনের শেষে যদি ম্যাচ জেতে তাহলেই হলো।"
দৃশ্যমানতা নিয়ে হকি ইন্ডিয়া যে যুক্তি দিয়েছে তা মানতে নারাজ ধনরাজ পিল্লাইও। তার কথায়, "নীল টার্ফে নীল জার্সি পরেই এত বছর খেলেছে হকি টিম। এতদিন তো সমস্যা হয়নি। আজ কেন এই রং গেরুয়া করতে হচ্ছে?"








