পত্রিকা: 'কে হচ্ছেন প্রেসিডেন্ট জানেন শুধু প্রধানমন্ত্রী'

Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

মানবজমিন পত্রিকার প্রথম পাতার খবর- কে হচ্ছেন প্রেসিডেন্ট জানেন শুধু প্রধানমন্ত্রী

এই খবরে বলা হচ্ছে- কে হচ্ছেন দেশের তেইশতম প্রেসিডেন্ট। মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর থেকে এই প্রশ্ন সর্বত্র।

নানা গুঞ্জন, হিসাব-নিকাশ চলছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী চলতি সপ্তাহের শেষ দিন মনোনীত প্রার্থী প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়ন জমা দেবেন।

তাই এর মধ্যেই জানা যেতে পারে পরবর্তী প্রেসিডেন্টের নাম।

এতদিন বেশ কয়েকজনের নাম আলোচনায় থাকলেও এখন তা দুই-এর কোটায় এসে ঠেকেছে।

তবে বঙ্গভবনের চেয়ারে কে বসছেন তা কেবল বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানই জানেন।

তিনি হয়তো এই পদে কোনো চমক দেখাতে পারেন।

টাইমস অফ বাংলাদেশের খবর- Hefazat seeks state role after backing BNP অর্থাৎ বিএনপিকে সমর্থনের পর রাষ্ট্রীয় ভূমিকায় আগ্রহ হেফাজতের

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি সফরকে সামনে রেখে কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম রাষ্ট্রীয় প্রশাসনে কওমি আলেমদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক ভূমিকার দাবি তুলতে চাইছে।

রোববার ফটিকছড়িতে হেফাজতে ইসলামের প্রধান মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও সংগঠনটির জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর একটি 'সৌজন্য সাক্ষাৎ' হওয়ার কথা রয়েছে।

তবে হেফাজতের নেতারা বলছেন, বৈঠকটি শুধু আনুষ্ঠানিক সৌজন্য সাক্ষাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না।

সংগঠনটির নেতাদের ভাষ্য, তারা কোনো ব্যক্তি বিশেষের জন্য পদ বা সুযোগ-সুবিধা চাইছেন না।

বরং যোগ্য কওমি আলেমদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বাইরে রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদেও তাদের বিবেচনা করার দাবি রয়েছে।

বিএনপিকে সমর্থনের পর রাজনৈতিক প্রভাবকে দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক প্রভাব হিসেবে কাজে লাগাতেই হেফাজত এসব দাবি তুলছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ খবরে বলা হয়েছে, পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি, মজুদ, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণনের কাজ বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়ার সরকারি উদ্যোগের তীব্র বিরোধিতা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

দলটি অভিযোগ করেছে, এ সিদ্ধান্ত কোনো খাত সংস্কার নয়, বরং একচেটিয়া দুর্নীতি ও লুটপাটের নতুন লাইসেন্স।

এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে এবং পরিবহন, কৃষি ও নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে এর চড়া মূল্য দিতে হবে।

গতকাল রাজধানীর মগবাজারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সরকারের নতুন জ্বালানি নীতিমালা প্রণয়নের পদক্ষেপের বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার এ কথা বলেন।

খবরে বলা হয়েছে, দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন- তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে জোর আলোচনা। সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোটেই নির্বাচিত হবেন রাষ্ট্রপ্রধান।

সে হিসেবে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির প্রার্থীই যে নির্বাচিত হবেন, তা অনেকটাই নিশ্চিত। দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সর্বশেষ বৈঠকে নিজেদের প্রার্থী মনোনয়নের দায়িত্ব দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর ন্যস্ত করা হয়।

এদিকে শুরুতে অনিচ্ছা প্রকাশ করলেও বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

রাজধানীর মগবাজারে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গতকাল সন্ধ্যায় দলের নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরে তা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

জামায়াত এরই মধ্যে প্রার্থীও চূড়ান্ত করেছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। ফলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবার ভোটে গড়াচ্ছে।

মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব ছাড়েন ২৪ জুলাই।

তার উত্তরসূরি নির্বাচনের তফসিলও ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তাতে ভোট গ্রহণের তারিখ রাখা হয়েছে ২০ আগস্ট।

ভবরে বলা হয়েছে, দিল্লিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সাংবাদিকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ করে দেওয়ার পর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে নতুন উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

এরই মধ্যে আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশ না নেওয়াটা প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেছে।

বাংলাদেশ সরকারের একাধিক উচ্চপর্যায়ের সূত্র গতকাল শনিবার প্রথম আলোকে জানিয়েছে, সাম্প্রতিক পরিস্থিতির পর ব্রিকস আউটরিচে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণের সম্ভাবনা কার্যত শেষ।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমানকে ওই অধিবেশনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন।

গত ১৪ জুলাই ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের মাধ্যমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি কূটনৈতিক পত্র পাঠিয়ে এ আমন্ত্রণ জানানো হয়।

অর্থনৈতিক দিক দিয়ে উদীয়মান ১১টি দেশের জোট ব্রিকস।

বিমসটেক হলো বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সহযোগিতা জোট। ব্রিকসের আউটরিচ পর্বে সাধারণত সদস্য নয়- এমন নির্বাচিত দেশ ও আঞ্চলিক সংস্থার নেতাদের অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়।

ঢাকা ও দিল্লির কূটনৈতিক সূত্র বলছে, সাম্প্রতিক উত্তেজনা যাতে দীর্ঘস্থায়ী সংকটে রূপ না নেয়, সে জন্য সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উপায় খুঁজছে দুই দেশ।

যুগান্তর পত্রিকার শিরোনাম- জটিলতায় ঢাকা দিল্লি সম্পর্ক

এ খবরে বলা হয়েছে, ভারতের দিল্লিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন এবং রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে ক্রমেই জটিল হয়ে উঠেছে ঢাক-দিল্লির সম্পর্ক।

এ আয়োজনের কয়েকদিন আগেই সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে দিল্লিতে যেন সংবাদ সম্মেলনটি না হয়, সে বিষয়ে ভারতের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছিল।

এতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে প্রভাব পড়তে পারে, জানানো হয়েছিল সেই আশঙ্কার কথা। তারপরও ঢাকার অনুরোধকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।

এখন শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য প্রদানের দায় দিল্লিকেই নিতে হবে বলেছেন সরকারের উচ্চমহল, কূটনৈতিক বিশ্লেষক ও বিশিষ্টজনরা। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র দুই দফায় এ বিষয়ে ভারত সরকারের কোনো দায় নেই বললেও বিশ্লেষকরা বলছেন, এর সম্পূর্ণ দায় দিল্লিকেই নিতে হবে।

কূটনৈতিক শিষ্টাচার ও প্রথা না মেনে এমনটা করা হয়েছে।

উসকানিমূলক এমন আচরণ বন্ধ না হলে ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দীর্ঘ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে বলে মনে করছেন তারা।

বিশ্বের ২৭টি দেশে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী থাকলেও সেখানে নিজস্ব কূটনৈতিক মিশন বা কনস্যুলার সেবা নেই। ফলে কর্মক্ষেত্রে বিপদ, আইনি জটিলতা, দুর্ঘটনা, নিয়োগকর্তার সঙ্গে বিরোধ, বেতন-ভাতা না পাওয়া কিংবা প্রতারণার শিকার হলে অনেক ক্ষেত্রে সরাসরি কূটনৈতিক সহায়তা পাওয়ার সুযোগ থাকে না।

তখন তৃতীয় কোনো দেশে থাকা বাংলাদেশি মিশনের ওপর নির্ভর করতে হয়। ওই ২৭ দেশে কর্মরত অন্তত ৫৬ হাজার ৪৩০ জন বাংলাদেশি কর্মী।

বিশ্বে ১৯৩টির বেশি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের দূতাবাস, হাইকমিশন বা কনস্যুলার সেবা রয়েছে ৮২টি দেশে। এমন পরিস্থিতিতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মিশন স্থাপন করার দাবি তুলেছেন অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা।

সম্প্রতি কম্বোডিয়াসহ কয়েকটি দেশে বাংলাদেশি কর্মীদের প্রতারণার শিকার হওয়ার ঘটনার বিষয়টিকে নতুন করে সামনে এনেছে। দেশটিতে থাকা বাংলাদেশি কর্মীদের কেউ কেউ বিভিন্ন ধরনের প্রতারণা ও স্ক্যাম সেন্টারের ফাঁদে পড়েছেন। একই ধরনের ঝুঁকি দেখা গেছে মধ্য এশিয়ার কয়েকটি দেশেও।

কম্বোডিয়া থেকে ফিরে আসা একাধিক প্রবাসী কালের কণ্ঠকে জানান, দালালের প্রতারণায় এসব দেশে গিয়ে বিপদে পড়েন তাঁরা।

নিউ এইজ পত্রিকার খবর- Clubs make the most, masses shut out অর্থাৎ ক্লাবের দখলে মাঠ, বঞ্চিত সাধারণ মানুষ।

ঢাকার বিভিন্ন এলাকার পাবলিক খেলার মাঠগুলো ধীরে ধীরে প্রভাবশালী ক্লাবগুলোর নিয়ন্ত্রণে চলে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত এসব মাঠ এখন ক্লাবের সদস্য, বেসরকারি ক্রীড়া প্রশিক্ষণ এবং ভাড়ায় ব্যবহারের জন্য বেশি সুবিধা পাচ্ছে। ফলে মাঠ ব্যবহারের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

রাজধানীর অন্তত পাঁচটি মাঠে সাধারণ মানুষের প্রবেশ ও ব্যবহারে বড় ধরনের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে গুলশান ইয়ুথ ক্লাব পরিচালিত শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মাঠ, বনানী স্পোর্টস অ্যারেনা পরিচালিত চেয়ারম্যানবাড়ি মাঠ, আবাহনী লিমিটেডের ধানমন্ডি আবাহনী মাঠ এবং শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের ধানমন্ডি ক্লাব মাঠ।

এ ছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অধীনে থাকা বনানী ব্লক-বি খেলার মাঠ ও পার্কও বনানী ক্লাবের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কালাবাগান খেলার মাঠ কালাবাগান ক্রীড়া চক্র এবং শ্যামলী মাঠ শ্যামলী ক্লাবের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

চলতি আগস্টে ১০ লাখ এবং এ বছর মোট ৪৭ লাখ কৃষককে কৃষক কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও কার্যক্রমে ধীরগতি দেখা দিয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার পর্যন্ত ১১ লাখ ৪১ হাজার ৩২৪ জন কৃষক নিবন্ধিত হয়েছেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অর্থছাড়ে বিলম্ব, ডিজিটাল ভূমি রেকর্ডের ঘাটতিতে কৃষকের তথ্য যাচাইয়ে জটিলতা এবং লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ডেবিট কার্ড দিতে ব্যাংকগুলোর সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা- এই তিন কারণে গতি কমেছে।

তবে কৃষি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিষয়টি সরকারের অগ্রাধিকার হওয়ায় সংকটগুলো দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার খবর - 174 Bangladeshis stranded for over 33hrs in Rome অর্থাৎ টরন্টো থেকে বিমানের ফ্লাইট: রোমে ৩৩ ঘণ্টার বেশি আটকে ১৭৪ বাংলাদেশি।

কানাডার টরন্টো থেকে ঢাকাগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে কারিগরি ত্রুটির কারণে ইতালির রোমের ফিউমিচিনো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১৭৪ জন বাংলাদেশি যাত্রী আটকে পড়েছেন।

শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ২০ মিনিটে রোমে অবতরণের পর প্রায় ৩৩ ঘণ্টা ধরে তারা বিমানবন্দরে আটকে ছিলেন। যাত্রীদের মধ্যে বয়স্ক ব্যক্তি, নারী ও শিশুও রয়েছেন।

যাত্রীদের শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যায়, কেউ বিমানবন্দরের মেঝেতে শুয়ে আছেন, আবার কেউ চেয়ার ও লাউঞ্জে অপেক্ষা করছেন।

দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন এবং ঘুম ও প্রয়োজনীয় ওষুধসহ বিভিন্ন জরুরি সামগ্রী পেতে সমস্যায় পড়ছেন।

ঢাকায় থাকা এক যাত্রীর স্বজন জানান, তাঁর বাবা তিনবার বাইপাস সার্জারি করিয়েছেন। দীর্ঘ সময় বসে থাকার কারণে তিনি কোনো ঘুমও দিতে পারেননি।

কারিগরি ত্রুটির কারণে ফ্লাইটটি কখন রোম ছাড়বে, তা নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

দেশ রূপান্তর পত্রিকার খবর- বিদেশিদের খুশি করতে চাপ বিমানে!

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসে সমস্যা কাটছেই না। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন সংস্থাটিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নানা উদ্যোগ নিলেও কাজের কাজ হচ্ছে না। যে সরকারই আসে, তারাই চাপিয়ে দেয় বোঝা।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বেশকিছু সিদ্ধান্তে নাখোশ ছিল বিমান কর্তৃপক্ষ।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে লাভের আশা দূরের কথা উল্টো বোয়িং কেনার চুক্তি করা হয়।

বর্তমান সরকারও লাভের আশাতেই এয়ার বাস কিনতে যাচ্ছে। চলতি মাসেই ১০টি এয়ার বাস কেনার চুক্তি করার কথা রয়েছে।

বিমান কর্তৃপক্ষ বলছে, বিদেশিদের খুশি করতেই বিমানকে চাপ দিচ্ছে সবাই। এ নিয়ে তারা ক্লান্ত, ক্ষুব্ধ ও হতাশ।