'তলব-পাল্টা তলবে ঢাকা-দিল্লি'

পত্রিকা
Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, 'তলব-পাল্টা তলবে ঢাকা-দিল্লি'

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক আবারও উত্তেজনার মুখে পড়েছে। ভারতে আশ্রয় নেওয়া ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভারতের কাছে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে।

শেখ হাসিনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও উসকানিমূলক মন্তব্য ছড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ তুলে ঢাকায় ভারতীয় ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব করা হয়েছে। বাংলাদেশের দাবি, এসব বক্তব্য দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে।

এর জবাবে দিল্লিতেও বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত। ভারতীয় কর্মকর্তারা অভিযোগ করেছেন, বাংলাদেশের বিবৃতিগুলোতে ভারতকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।

গত ৫ই আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর শেখ হাসিনা ভারতের মাটিতে বসেই অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলে যাচ্ছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দুই দেশের কথোপকথন এখন মিডিয়ার মাধ্যমে বেশি হচ্ছে, যা সম্পর্ক উন্নয়নের বদলে আরও জটিলতা সৃষ্টি করছে।

ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হাসিনার বক্তব্য ভারত সরকারের নয়, বরং তার ব্যক্তিগত মতামত। তারা বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ককে ইতিবাচক ও গঠনমূলক রাখতে চায়।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনও ভারতকে পারস্পরিক সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন, উল্লেখ করে যে, দুই দেশের সম্পর্কের ইতিবাচক দিকগুলোকে কাজে লাগানো উচিত।

পত্রিকা
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গাজীপুরে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শনিবার দিনভর বিক্ষোভ হয়। পুলিশ কমিশনার দায়িত্বে অবহেলার জন্য ক্ষমা চান। সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে দুর্বৃত্তদের গুলিতে মোবাশ্বের হোসেন নামের এক শিক্ষার্থী আহত হন।

শুক্রবার রাতে সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর বাড়িতে হামলার ঘটনায় ১৬ জন আটক ও থানার ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়। শিক্ষার্থীরা দ্রুত গ্রেপ্তারের আশ্বাসে বিক্ষোভ প্রত্যাহার করলেও পরে গুলির ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। মোবাশ্বেরের ডান হাতে গুলি লাগে। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতি চলছিল।

শুক্রবার রাতে হামলায় ১৫-১৬ জন শিক্ষার্থী আহত হন, সাতজনকে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়। একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। হামলার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা শনিবার সকাল থেকে বিক্ষোভ করেন। পুলিশ হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের প্রতিশ্রুতি দেন।

গাজীপুরের পুলিশ কমিশনার হামলার জন্য ক্ষমা চেয়ে ওসিকে বরখাস্তের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, যারা ফ্যাসিবাদের সঙ্গে যুক্ত, তাদের পুলিশে চাকরি করা উচিত নয়।

পত্রিকা

দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম, 'সারা দেশে 'অপারেশন ডেভিল হান্ট''

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সরকার দেশের আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে ও সন্ত্রাসীদের ধরতে বিশেষ অভিযান "অপারেশন ডেভিল হান্ট" শুরু করেছে। শনিবার রাত ১২টা থেকে এই অভিযান শুরু হয়, যা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

গাজীপুরে সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর বাড়িতে হামলা ও শিক্ষার্থীদের ওপর সন্ত্রাসী আক্রমণের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার এই অভিযান শুরু করে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে গিয়ে এই অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন।

অভিযান সম্পর্কে পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপক বলেন, সরকারের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করবে অভিযান ভালো নাকি খারাপ হবে।

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বলেন, যখন আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তখন এ ধরনের অভিযান প্রয়োজন হয়। গাজীপুরে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় দোষীদের কঠোর শাস্তির আশ্বাস দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

হামলার পর ছাত্ররা গাজীপুরে বিক্ষোভ করে। ওসি আরিফুর রহমানকে দায়িত্বে অবহেলার কারণে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং আওয়ামী লীগের ১৬ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এদিকে, শনিবার সন্ধ্যায় আবারও দুর্বৃত্তরা ছাত্রদের ওপর গুলি চালায়, যেখানে একজন আহত হন। এই ঘটনার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

পত্রিকা

মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম, 'কী ঘটেছে গাজীপুরে?'

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গাজীপুরের ধীরাশ্রম এলাকায় শুক্রবার রাতে এক ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা সাবেক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম. মোজাম্মেল হকের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের খবর পেয়ে সেখানে যান।

তখন মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেওয়া হয় যে, ডাকাতরা এলাকায় এসেছে। এরপর শত শত মানুষ ধারালো অস্ত্র, লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালায়। শিক্ষার্থীদের মারধর করা হয়, অনেকে ছাদে গিয়ে আশ্রয় নেন, কেউ কেউ লাফিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন।

আহতদের মধ্যে অনেকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনার পর থেকে এলাকা পুরুষশূন্য হয়ে গেছে, কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না।

হামলার শিকার এক শিক্ষার্থী জানান, তাদের মাথা লক্ষ্য করে কোপানো হয়, হাত-পা কেটে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যর্থতা স্বীকার করে থানার ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

এরপর শনিবার শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদে গাজীপুর উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সারা দিন বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ ও সমাবেশ হয়। বিকেলে ছাত্রদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়, এতে একজন আহত হন। পুলিশ ও র‍্যাব ঘটনার তদন্ত করছে, তবে এখনো কেউ মামলা দায়ের করেনি। পরিস্থিতি থমথমে থাকলেও আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে।

পত্রিকা

দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার খবর, 'Citizens still in fear for safety' অর্থাৎ, 'নাগরিকরা এখনও নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কিত'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও হত্যাকাণ্ড বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ এখনো নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাস পরও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। পুলিশের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও অপরাধীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে।

ঢাকার মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় দিনে-দুপুরে চাপাতি হাতে ছিনতাইকারীদের হামলার ঘটনা ঘটছে। সফটওয়্যার প্রকৌশলী তানভীর ইসলাম জানিয়েছেন, ছয় মাসে দুইবার ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন, আর রাতে বের হওয়ার সাহস পান না।

সরকারি হিসাব বলছে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ডাকাতির ঘটনা ৯৮ থেকে বেড়ে ২৪৩টিতে পৌঁছেছে, অপহরণের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে, আর খুনের সংখ্যা ৯৪৭-এ দাঁড়িয়েছে।

গণপিটুনিতে মৃত্যুর সংখ্যাও বেড়েছে। এছাড়া উগ্রপন্থীরা অন্তত ৪০টি সুফি মাজার ও দরবারে হামলা চালিয়েছে।

রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর শীর্ষ অপরাধীদের মুক্তি ও চাঁদাবাজি বৃদ্ধি ব্যবসায়ী মহলে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। নির্মাণখাতের ব্যবসায়ীরা হুমকির মুখে কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন।

পুলিশের মনোবল ভেঙে পড়েছে, ফলে তারা অনেক ক্ষেত্রে পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়ায় তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বলছেন, বাহিনীর মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনতে কাজ করা হচ্ছে, তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সময় লাগবে।

পত্রিকা

বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, 'নতুন বিনিয়োগের চিন্তা করছেন না উদ্যোক্তারা'

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের অর্থনীতির বর্তমান অবস্থায় বড় শিল্পোদ্যোক্তারা নতুন বিনিয়োগ থেকে দূরে থাকছেন। গত ছয় মাসে বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নতি হয়নি, বরং সুদহার বৃদ্ধির কারণে অনেক উদ্যোক্তা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

ব্যাংক ঋণের সুদের হার ১০ শতাংশে পৌঁছেছে, যা বিনিয়োগের আগ্রহ কমিয়ে দিয়েছে। নতুন মুদ্রানীতিতে সুদহার আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

উৎপাদন ও বাণিজ্য প্রবৃদ্ধি ১৫-২৫ শতাংশ কমে গেছে, ফলে ব্যবসার পরিস্থিতি খারাপের দিকেই যাচ্ছে। উদ্যোক্তারা বলছেন, সরকার বিনিয়োগকারীদের সমস্যাগুলো যথাযথভাবে অনুধাবন করতে পারছে না।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার কঠোর মুদ্রানীতি নিয়েছে, কিন্তু তা বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহকে শ্লথ করেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে ঋণ প্রবৃদ্ধি মাত্র ১.৪১ শতাংশ, যা আগের বছরের তুলনায় কম।

আইন-শৃঙ্খলা ও ব্যবসার অনিশ্চয়তার কারণে অনেক বিনিয়োগকারী চিন্তিত। শিল্প খাতে কাঁচামাল আমদানিতে ডলার সংকটও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিনিয়োগ বাড়াতে হলে সরকারকে ব্যবসাবান্ধব নীতি নিতে হবে, আইন-শৃঙ্খলা উন্নতি করতে হবে এবং সুদহার সহনীয় পর্যায়ে রাখতে হবে। উদ্যোক্তারা আশা করছেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে এলে বিনিয়োগের পরিবেশও উন্নত হবে।

পত্রিকা

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন নির্বাচিত সরকারের মন্ত্রিসভার আকার নির্ধারণ করে সর্বোচ্চ ২৩ জন মন্ত্রী ও ১২ জন প্রতিমন্ত্রী রাখার সুপারিশ করেছে।

বিদ্যমান ৪৩টি মন্ত্রণালয় ও ৬১টি বিভাগ কমিয়ে ২৫টি মন্ত্রণালয় ও ৪০টি বিভাগ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী কোন মন্ত্রণালয় পরিচালনা করবেন, তাও নির্দিষ্ট করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর অধীনে থাকবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, যা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একীভূত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

পাঁচটি ভাগে মন্ত্রণালয়গুলোকে বিভক্ত করে প্রশাসনিক কাঠামোকে সহজতর করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে নারীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে একজন নারী কর্মকর্তা নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে, পাশাপাশি থানাগুলোতে নারী কর্মকর্তাদের উপস্থিতি বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সংস্কার বাস্তবায়ন ও তদারকির জন্য স্থায়ী জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

এছাড়া সংসদের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, গণভোট চালুর বিধান, বিতর্কিত জনপ্রতিনিধিদের প্রত্যাহারের নিয়ম এবং জাতীয় নির্বাচনে 'না ভোট' চালুর সুপারিশ করা হয়েছে।

নির্বাচন পদ্ধতি পরিবর্তন নিয়ে কোনো সুপারিশ না করে বিষয়টি রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

পত্রিকা

কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, 'ফ্যাসিবাদের বীজ ৭২-এর সংবিধানে'

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সংবিধান সংস্কার কমিশন সংবিধানের বিদ্যমান প্রস্তাবনার পরিবর্তে নতুন একটি প্রস্তাবনা দিয়েছে, যেখানে রাষ্ট্রের নাম পরিবর্তনসহ বিভিন্ন বিষয় সুপারিশ করা হয়েছে।

কমিশন মনে করে, ১৯৭২ সালের সংবিধানের মধ্যেই ফ্যাসিবাদের বীজ ছিল, যা পরবর্তীতে স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের ভিত্তি তৈরি করেছে।

প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশকে 'জনগণতন্ত্রী বাংলাদেশ' নামে পরিচিত করা হবে এবং রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থায় বহুত্ববাদ, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারকে প্রধান নীতিরূপে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

সংবিধানের ৮, ৯, ১০ ও ১২ অনুচ্ছেদ বাদ দিয়ে নতুন এই নীতিগুলো যুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে।

কমিশন প্রস্তাব করেছে, বাংলাদেশের নাগরিকদের পরিচিতি 'বাংলাদেশি' হবে এবং সংবিধানে বিভিন্ন ভাষাকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে। সংবিধানের কিছু অনুচ্ছেদ বিলুপ্তির সুপারিশ করা হয়েছে।

নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কারে জনগণের মতামত নিয়ে করা এক জরিপে দেখা গেছে, বেশিরভাগ মানুষ সরাসরি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন চান।

সংসদীয় এলাকার সীমানা নির্ধারণের জন্য নির্বাচন কমিশনের পরিবর্তে একটি আলাদা কমিশন গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

কমিশন বলছে, প্রধানমন্ত্রী সর্বোচ্চ দুই মেয়াদ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে পারবেন এবং তার মেয়াদ হবে চার বছর। এই সংস্কার নিয়ে দীর্ঘ গবেষণা ও জনমত সংগ্রহের পর প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।

পত্রিকা

আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম, 'কাজ পেতে সার্ভিস চার্জ ৬৪ কোটি'

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঢাকা ওয়াসার 'পরিবেশবান্ধব, টেকসই ও গণমুখী পানি ব্যবস্থাপনা' প্রকল্পে পাইপ কেনাকাটায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

প্রকল্পের জন্য চুক্তি করা হয় তিন হাজার ৯৪ কোটি টাকার পাইপ কেনার, তবে পাইপ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান শিংশিং অভিযোগ করে যে, তাদের কাছ থেকে পাইপ না কেনো হয়ে কম দামে নিম্নমানের পাইপ কেনা হয়।

চীনের আদালতে মামলার পর বেরিয়ে আসে, শ্যানডং গুয়োমিং নামের প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টদের ৬৫ কোটি টাকা 'সার্ভিস চার্জ' দিয়েছে, যদিও ডিপিপিতে এমন কোনো চার্জের উল্লেখ নেই।

এই অনিয়মের কারণে প্রকল্পের বিভিন্ন স্থানে পাইপের অংশে ফাটল দেখা দিচ্ছে এবং টেকসই হয়নি পাইপের সংযোগ।

প্রকল্পটির কাজ ২০১৩ সালে শুরু হলেও নানা জটিলতার কারণে ব্যয় বাড়িয়ে আট হাজার ১৫১ কোটি টাকায় পৌঁছেছে এবং মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে ২০২৪ সাল পর্যন্ত।

তবে প্রকল্পের পরিচালক জানিয়েছেন, কাজের সমাপ্তি সময় নির্দিষ্টভাবে বলা যাচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করা হচ্ছে।