আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
পত্রিকা: 'হাসিনার রায় ঘিরে নিরাপত্তা শঙ্কা, সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী'
মানবজমিন পত্রিকার আজকের খবর- হাসিনার রায় ঘিরে নিরাপত্তা শঙ্কা, সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির রায় ঘোষণাকে ঘিরে দেশজুড়ে নিরাপত্তা উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়েছে ১৩ নভেম্বর।
সরকারি সূত্র বলছে, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ওই দিনকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পরিকল্পনা করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়াচ্ছে গুজব, উসকানিমূলক পোস্ট ও লকডাউনের আহ্বান।
দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানকের একটি ভিডিও বার্তায় ১৩ নভেম্বর ঢাকায় 'লকডাউন' ঘোষণার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়েছে। তিনি বলেন, "ঢাকা যেন ১৩ নভেম্বর জয় বাংলার দখলে থাকে।"
নানকের বার্তার পর থেকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী নেতাকর্মীরা ঝটিকা মিছিল ও সমাবেশ করছে বলে জানা গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
End of বিবিসি বাংলায় আরও পড়তে পারেন:
বণিক বার্তা পত্রিকার আজকের খবর- ডায়াবেটিস-হৃদরোগ-স্থূলতায় মিলবে না মার্কিন ভিসা, প্রভাব পড়বে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশীদের অভিবাসনে।
ট্রাম্প প্রশাসন জটিল স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা না দেয়ার নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, শ্বাসযন্ত্র, স্নায়বিক, বিপাকজনিত রোগ এবং মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা থাকা আবেদনকারীদের ভিসা অযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে বয়স বা স্বাস্থ্যজনিত কারণে সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হতে পারেন এমন ব্যক্তিদের 'পাবলিক চার্জ' হিসেবে গণ্য করা যাবে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ইতোমধ্যেই বিশ্বজুড়ে দূতাবাস ও কনসুলার কর্মকর্তাদের কাছে এ বিষয়ে নির্দেশনা পাঠিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নতুন নিয়মের ফলে বিশেষ করে বাংলাদেশিসহ জটিল রোগে আক্রান্তদের পারিবারিক ও কর্মসূত্রে ভিসা পাওয়া কঠিন হবে, অভিবাসনের সুযোগও সংকুচিত হবে।
নিউ এইজ পত্রিকার আজকের খবর- India seeks no rift with Bangladesh: Rajnath।
ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো বিরোধ চান না ভারত, বরং দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক ও সহযোগিতামূলক রাখতেই চান তারা।
তবে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনুসকে বক্তব্যে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার নেটওয়ার্ক–১৮–এর গ্রুপ এডিটর ইন চিফ রাহুল জোশির সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে রাজনাথ বলেন, "আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ক চাই না, তবে ইউনুস সাহেবের বক্তব্যে সতর্ক থাকা উচিত।"
তিনি আরও বলেন, ভারত সব ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সক্ষম হলেও প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখাই তাদের লক্ষ্য।
সম্প্রতি সহিংস আন্দোলনের পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর দুই দেশের সম্পর্কে কিছুটা টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনুস অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন।
এরপর থেকে ইউনুসের কিছু বক্তব্য নিয়ে ভারতে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।
প্রথম আলো পত্রিকার আজকের খবর- সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগ বাতিল- গান গেয়ে, মিছিল করে প্রতিবাদ।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগের বিধান বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে গানে গানে।
শনিবার বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডিতে ছায়ানট ভবনের সামনে শিল্পী, শিক্ষার্থী ও সংস্কৃতিপ্রেমীরা গান গেয়ে প্রতিবাদ জানান।
একই সময় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে গুলিস্তান পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় গানের মিছিল। গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও যশোরেও হয়েছে অনুরূপ কর্মসূচি।
সংস্কৃতি অঙ্গনের প্রতিনিধিরা সরকারের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন।
গত ২৮ আগস্ট জারি করা 'সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০২৫'-এ সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগের বিধান ছিল।
তবে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের আপত্তির পর সরকার ২ নভেম্বর সংশোধিত প্রজ্ঞাপনে ওই দুটি বিষয় বাদ দেয়।
এই সিদ্ধান্তে সংস্কৃতি অঙ্গনে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার আজকের খবর- Unsafe storage, fire system failures to blame: Probe অর্থাৎ ঢাকার বিমানবন্দরে অগ্নিকান্ডের ঘটনার তদন্তে উঠে এসেছে অরক্ষিত গুদাম ও অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থাই এই ঘটনার পেছনে দায়ী।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আমদানি কার্গো কমপ্লেক্সে ১৮ অক্টোবরের অগ্নিকাণ্ডের তদন্তে জানা গেছে, অসুরক্ষিত সংরক্ষণ ব্যবস্থা ও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার ঘাটতিই ভয়াবহ আগুনের মূল কারণ ছিল।
তদন্ত প্রতিবেদনে দুটি সম্ভাব্য কারণ উল্লেখ করা হয়েছে- তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ছাড়া রাখা লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির অতিরিক্ত উত্তাপ এবং বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট।
প্রমাণের অভাবে অগ্নিসংযোগ বা নাশকতার সম্ভাবনা বাতিল করা হয়েছে।
আমদানি কার্গো কমপ্লেক্সের পরিচালনাকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স নিজস্বভাবে তদন্ত করে ৩ নভেম্বর বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।
কালের কণ্ঠ পত্রিকার আজকের মূল শিরোনাম- ডেডলাইন ১১ ও ১৩ নভেম্বর- জনমনে উদ্বেগ আলোচনা গুঞ্জন।
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের দেওয়া এক সপ্তাহের সময়সীমা সোমবার শেষ হচ্ছে। তবে এ সময়ের মধ্যে কোনো ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা যায়নি।
জামায়াতে ইসলামী হুঁশিয়ারি দিয়েছে, তাদের পাঁচ দফা দাবি- এর মধ্যে নভেম্বরে গণভোট আয়োজন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশ জারি না হলে ১১ নভেম্বর ঢাকার চিত্র ভিন্ন হবে।
দলের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, "সোজা আঙুলে যদি ঘি না ওঠে, আঙুল বাঁকা করব।"
অন্যদিকে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান–সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে রায়ের তারিখ ঘোষণা করা হবে ১৩ নভেম্বর।
এর মধ্যে মামুনকে রাজসাক্ষী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার আজকের খবর - Govt, telcos consider settling long-drawn audit row thru arbitration অর্থাৎ সরকার ও মোবাইল অপারেটরগুলোর মধ্যকার অডিট নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ নিষ্পত্তির কথা বিবেচনা করছে।
বাংলাদেশের শীর্ষ মোবাইল অপারেটরগুলো, গ্রামীণফোনের নেতৃত্বে, দীর্ঘদিনের অডিট বিরোধ বিশেষজ্ঞদের নেতৃত্বে সালিসের মাধ্যমে নিষ্পত্তির প্রস্তাব দিয়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসিকে।
অনেকেই একে দেশের অন্যতম দীর্ঘস্থায়ী করপোরেট ও নিয়ন্ত্রক দ্বন্দ্বে সম্ভাব্য অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন।
প্রথমবারের মতো সরকার ও বিটিআরসি উভয়ই এই প্রস্তাবের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রায় এক দশকের মামলাজটের পর এখন আদালতের বাইরে সমঝোতার উদ্যোগ বিবেচনায় রয়েছে।
বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. ইমদাদুল বারী দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেন, "এই অচলাবস্থা কারও জন্যই মঙ্গলজনক নয়। আমরাও সমাধান চাই। বিষয়টি আদালতের বাইরে নিষ্পত্তি করা যায় কি না, তা আমাদের আইনজীবী ও অভ্যন্তরীণ টিমের সঙ্গে পর্যালোচনা করছি।"
রবি ও বাংলালিংকও এ প্রক্রিয়ার দিকে নজর রাখছে। তাদের বিরুদ্ধেও তুলনামূলক ছোট অডিট দাবি রয়েছে।
যুগান্তর পত্রিকার আজকের খবর - বিরোধী দলে যাবে না জামায়াত। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী বিরোধী আসনে বসবে না, এমনটা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে ইতোমধ্যেই প্রায় নিশ্চিত।
দলটি সরকার গঠনের ক্ষেত্রে নিজস্ব আশাবাদের প্রকাশ করলেও ভোট ও মাঠের বাস্তবতা ভিন্ন।
এককভাবে সরকার গঠনের জন্য বিএনপির সম্ভাবনা বেশি হওয়ায় জামায়াত ক্ষমতার অংশীদার হতে বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতায় আগ্রহী। এছাড়া তারা বিএনপির জাতীয় সরকারের মন্ত্রিসভাতেও স্থান চাইছে।
সাংগঠনিক স্বার্থ ও বাস্তব কারণে জামায়াত আগামী সংসদে বিরোধী ভূমিকা নিতে চায় না।
আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনকাল এবং মামলা-হামলা ও আর্থিক ক্ষতির অভিজ্ঞতা দলটিকে সরকারি দলের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সতর্ক করেছে।
এদিকে, আগামী নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ তার প্রতীকে অংশ নিতে পারবে না। জাতীয় পার্টির অংশগ্রহণ বা না অংশগ্রহণ ভোটের ফলাফলে প্রভাব ফেলবে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, বিএনপি ও জামায়াত নির্বাচন ও সরকার গঠনের ক্ষেত্রে পর্দার আড়ালে এক মোহনায় এখনো সমঝোতার আলো দেখাতে পারে।
ইত্তেফাক পত্রিকার খবর- প্রাথমিক শিক্ষকদের কর্মবরিতির ডাক।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা দশম গ্রেডে বেতনসহ তিন দফা দাবিতে রোববার থেকে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালীন কর্মবিরতি ঘোষণা করেছেন।
শনিবার সন্ধ্যায় এই কর্মসূচি ঘোষণা করে 'প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ', যা চারটি শিক্ষক সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত।
এর আগে শাহবাগে দাবিস্বরূপ মিছিল করার সময় পুলিশ শিক্ষকদের ছত্রভঙ্গ করে। এ সময় লাঠিপেটা, টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে শিক্ষকরা আহত হন।
সোমবার সকাল থেকে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করলেও বিকেলে শাহবাগে মিছিল করতে গেলে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে তাদের আটকে দেয়।
নয়া দিগন্ত পত্রিকার খবর - জনতা ব্যাংকের ২৩ হাজার কোটি টাকার কোনো অর্থই ফেরত দেয়নি বেক্সিমকো।
এক সময় সেরা রাষ্ট্রীয় ব্যাংক জনতা ব্যাংক এখন সমস্যায় জর্জরিত। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ঋণের নামে ব্যাপক লুটপাটের অভিযোগ ছিল, অনেকে বলছেন এই কারণে ব্যাংকটির পরিস্থিতি নাজুক হয়ে ওঠে।
ব্যাংকটি থেকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বেক্সিমকো ও এস আলমের মতো গ্রুপগুলো, বেক্সিমকো ২৩ হাজার কোটি টাকা এবং এস আলম প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা ঋণের নামে বের করে নিয়েছিল, যা এখনও ফেরত দেওয়া হয়নি।
বর্তমানে বেক্সিমকো গ্রুপ ব্যবসা চালানোর জন্য ৪০০ কোটি টাকা ব্যাক টু ব্যাংক ঋণ সুবিধা চেয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরামর্শে জনতা ব্যাংক ঋণ দেওয়ার সম্ভাব্যতা যাচাই করতে একটি কমিটি গঠন করেছে।