'বন্ধকি সম্পত্তি ইসকনকে দান'

Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম, 'বন্ধকি সম্পত্তি ইসকনকে দান'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ব্যাংক থেকে প্রায় ১১৫ কোটি টাকা ঋণের বিপরীতে বন্ধকি সম্পত্তি আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘকে (ইসকন) উইল (সম্প্রদান) করে ভারতে চলে গেছে এক ব্যবসায়ী দম্পতি।

তারা হলেন নওগাঁর জেএন ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড এবং শুভ ফিড প্রসেসিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) গোপাল আগরওয়ালা ও চেয়ারম্যান দীপা আগরওয়ালা।

ওই দুটি প্রতিষ্ঠানে জমি বন্ধক রেখে এই ঋণ দিয়েছিল বেসরকারি সাউথইস্ট ব্যাংকের নওগাঁ শাখা। অনাদায়ি এই ঋণ সুদে-আসলে ৫০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

সরকার বদলের পর এ ব্যাপারে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষই জানেন বলে ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) বিশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক হুসনে আরা শিখা জানান, ব্যাংকে বন্ধক রাখা সম্পত্তি উইল করে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এটি সরাসরি আইনের লঙ্ঘন। এর সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি দেওয়া হবে।

বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রধান শিরোনাম, 'কষ্টে আছে মানুষ'।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুল্কছাড় দিয়েও কোনোভাবেই নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না সরকার।

এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির ফলে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, বিভিন্ন শীর্ষ সন্ত্রাসীর নামে চাঁদাবাজিসহ নানা ধরনের অপরাধ বেড়েছে। এমন অবস্থায় কষ্টে আছে মানুষ।

একদিকে দ্রব্যমূল্য বাড়ছে, অন্যদিকে ব্যাংকগুলোয় নগদ টাকার সংকট রয়েছে। অনেক ব্যাংক থেকে নগদ টাকা তুলতে পারছে না গ্রাহক।

শুধু নগদ টাকাই নয়, আরটিজিএস ও বিএফটিএনের মাধ্যমে লেনদেনের ক্ষেত্রেও জটিলতা দেখা দিচ্ছে টাকার অভাবে। এতে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে।

মূল্যস্ফীতির প্রভাবে ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় মানুষের কেনাকাটা কমেছে, যা অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

যেসব ব্যবসায়ী নিত্যপণ্য আমদানি করে তাদের ব্যবসা প্রায় বন্ধ। সরকারের ভ্রান্তনীতির কারণে নানামুখী চাপে ব্যবসায়ীরা।

বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, 'নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি আরো বেড়েছে'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ডলার সংকটের কারণে নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করা শ্রীলঙ্কায় গত তিন মাস ধরে মূল্যস্ফীতির হার ঋণাত্মক পর্যায়ে আছে।

গত সেপ্টেম্বরের পর থেকে এখন পর্যন্ত মূল্যস্ফীতি নয়, মূল্যসংকোচনের ধারায় রয়েছে দেশটি। অর্থাৎ শ্রীলঙ্কার বাজারে পণ্যের দাম না বেড়ে উল্টো কমছে।

সর্বশেষ নভেম্বরে এসে দেশটির মূল্যস্ফীতির হার ছিল মাইনাস দুই দশমিক ১০ শতাংশ।

এদিকে পাকিস্তানে রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা না ফিরলেও চলতি বছরে এসে অর্থনৈতিকভাবে বেশ ভালোভাবেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে তারা। নভেম্বরে দেশটিতে মূল্যস্ফীতির হার ছিল চার দশমিক ৯০ শতাংশ, যা সাড়ে ছয় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান সফল হলেও উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপে পিষ্ট হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য বলছে, নভেম্বরে দেশের মূল্যস্ফীতি আরো বেড়েছে। অক্টোবরে দেশের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ দশমিক ৮৭ শতাংশ। গত মাসে তা আরো বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৩৮ শতাংশে।

আর খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৪ শতাংশে। বিবিএসের এ তথ্য আমলে নিলে গোটা দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি এখন সর্বোচ্চে।

মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম, 'কম দামের পণ্য শেষ হয়ে যায়, লাইন শেষ হয় না'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, কাঁচা সবজি থেকে মাছ, মাংস, চাল, ডাল, তেলসহ প্রতিটি নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় টিসিবি-এর ট্রাক সেল ও ওএমএস ট্রাক সেল সেন্টারে ছুটছে সাধারণ মানুষ।

তবে চাহিদার তুলনায় জোগান কম থাকায় দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়েও পণ্য না পেয়ে খালি হাতে ফিরছেন অনেকে।

টিসিবি'র ট্রাক সেলের দায়িত্বপ্রাপ্তরা জানান, তারা যথেষ্ট পরিমাণে পণ্য আনলেও অর্ধেকের বেশি মানুষ পণ্য পাবে না। কারণ এর চাহিদার কোনো শেষ নেই। কিন্তু যোগান সীমিত।

"রাত বারোটা পর্যন্তও যদি আমরা বিক্রি করি তখনো পণ্য নিতে আসবে মানুষ। কারণ এখানে যেই দামে পণ্য পাবে তা বাজারে পাবে না"।

এসব বিষয়ে টিসিবি'র মুখপাত্র মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ট্রাক সেলে পণ্য বিক্রিতে নানা রকম ভোগান্তি ও বিশৃঙ্খলার কথা আমরাও শুনেছি।

এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে আমরা চেষ্টা করছি। খাদ্য অধিদপ্তর থেকে চাল সরবরাহ না করায়, চাল দিতে পারছেন না বলেও জানান তিনি।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে পুলিশের হামলায় হতাহতের ঘটনায় নিহতের পরিবারগুলোর কাছে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছেন পুলিশের নবনিযুক্ত মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম।

গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকার পতনের চার মাস পর বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

পুলিশপ্রধানের ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টিকে ইতিবাচক মনে করেন গণ-অভ্যুত্থানে নিহত ব্যক্তিদের পরিবার এবং আন্দোলনে সক্রিয় শিক্ষক ও অধিকারকর্মীরা।

তবে তাদের দাবি, যাদের নির্দেশে ও যাদের গুলিতে নির্বিচার মানুষ হত্যা করা হয়েছে, তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

গত ২১শে নভেম্বর আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বাহারুল আলম বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন।

সেখানে তিনি পুলিশ সদস্য নিহতের প্রসঙ্গও তুলে আনেন। বলেন, "ফ্যাসিবাদী সরকারের স্বার্থ রক্ষায়, তাদের নির্দেশে পুলিশের কতিপয় সদস্য বাড়াবাড়ি করেছেন এবং আইন ভঙ্গ করেছেন; এতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে অনেক নিরপরাধ পুলিশ সদস্যও নিহত হয়েছেন। প্রতিটি হত্যাকাণ্ডই নিন্দনীয়।"

বর্তমানে পুলিশের মনোবল ও আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে কাজ চলছে বলে জানান তিনি।। নিরপরাধ কেউ মামলার আসামি হলে তাকে হয়রানি বা গ্রেফতার করা হবে না বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, 'মতপার্থক্য থাকলেও পরস্পরের শত্রু নই'।

প্রতিবেদনে মূলত প্রধান উপদেষ্টার সাথে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও মুসলিমসহ বিভিন্ন ধর্মের নেতাদের সাথে বৈঠকের খবর তুলে ধরা হয়েছে।

ওই বৈঠকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ধর্ম ও মতের পার্থক্য থাকলেও আমরা সবাই একই পরিবারের সদস্য।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এই ধর্মীয় নেতাদের সাথে বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, 'আমাদের নানা মত থাকবে, নানা ধর্ম থাকবে, নানা রীতি-নীতি থাকবে। এটাইতো পরিবার। আমরা সবাই একই পরিবারের সদস্য। এটাতেই জোর দিয়েছিলাম। আমাদের সকল পাথর্ক্য সত্ত্বেও আমরা পরস্পরের শত্রু নই।'

জাতীয়তা ও পরিচয়ের প্রশ্নে সবাই আমরা এক জায়গায় চলে আসি, বলেন প্রধান উপদেষ্টা। সংবিধান অনুযায়ী সকলের সমান অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব বলেও জানিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, "আমাদের সবার সমান অধিকার। সেটা এসেছে আমাদের সংবিধান থেকে। নাগরিক হিসেবে আমাদের প্রাপ্য। রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো তা নিশ্চিত করা"।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ধরে রাখতে হলে কী করা উচিত তা ধর্মীয় নেতাদের কাছে জানতে চান প্রধান উপদেষ্টা। একইসাথে সরকারের করণীয় কী তাও জানতে চান তিনি।

দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম, 'জাতীয় ঐক্যে এক জাতীয় সরকারে নয়'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে সাম্প্রতিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানান। এরিমধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে হঠাৎ 'জাতীয় সরকার' গঠনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে।

মূলত জাতীয় ঐক্য গঠনের লক্ষ্যে রাজনৈতিক দল, ছাত্র ও ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ড. ইউনূস। এই ঐক্যের আহ্বানকে বিভিন্ন মহলে জাতীয় সরকার গঠনের প্রস্তুতি হিসেবে গুঞ্জন তুলেছে।

তবে এ ধরনের সরকার গঠনের সাংগঠনিক কাঠামো নিয়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলে দাবি করছেন রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা।

জানা গেছে, বিএনপি ত্রয়োদশ নির্বাচনে জয়ী হতে পারলে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনের পক্ষে। তার আগে এ ধরনের জাতীয় সরকার গঠনের পক্ষে দলটির সায় নেই।

বরং দলটি ন্যূনতম সংস্কার শেষে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে।

জাতীয় সরকারের ধারণাটি প্রথম প্রকাশ্যে আনেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

গত ৪ঠা সেপ্টেম্বর বিএনপির ঢাকা বিভাগের মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি বলেন, জনগণের সমর্থন নিয়ে বিএনপি ভবিষ্যতে 'জাতীয় সরকারের' মাধ্যমে দেশ পরিচালনা করতে চায়।

সমকালের প্রধান শিরোনাম, 'বিদ্যুতে 'শ্বেতহস্তী' রামপালে সুন্দরবনের সর্বনাশ'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ১৬ হাজার কোটি টাকার ভারত-বাংলাদেশের যৌথ মালিকানার কয়লাচালিত রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি দেশের অর্থনীতির জন্য বোঝা হয়েছে দাঁড়িয়েছে।

অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনায় চালুর পর থেকেই পূর্ণ ক্ষমতায় খুব কম চলেছে কেন্দ্রটি। নিম্নমানের যন্ত্রপাতির কারণে বন্ধ হচ্ছে বারবার।

গত অর্থবছরে বিদ্যুৎকেন্দ্রের সক্ষমতার মাত্র ২৪ শতাংশ ব্যবহার হয়েছে। এ কেন্দ্রের জন্য গত অর্থবছর ক্যাপাসিটি চার্জ পরিশোধ করতে হয়েছে দেড় হাজার কোটি টাকা।

পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব আছে জেনেও বিগত সরকার বাগেরহাটের রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করে। অভিযোগ রয়েছে ভারতকে খুশি করতেই সুন্দরবনের জন্য ঝুঁকি জেনেও বিদ্যুৎকেন্দ্র করা হয়েছে।

এদিকে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কারণে বছর পাঁচেক আগেও এসব এলাকা মুখর থাকত পাখির কূজনে। এখন বিদ্যুৎকেন্দ্রের কিছু দূরের গাছপালাও হয়ে গেছে বিবর্ণ।

গাছে গাছে কমেছে নারকেল-সুপারি। বাড়িতে পোষা হাঁস-মুরগি সব সময় থাকে মরমর! বিদ্যুৎকেন্দ্রের আশপাশের নদী-জলাশয়ের মাছও হয়ে গেছে 'বিষ'। ঘরে ঘরে অসুখ-বিসুখ তো লেগেই থাকে।

সরকারি সংস্থার প্রতিবেদন বলছে, পরিশোধন ছাড়াই বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবহৃত পানি ছাড়া হচ্ছে পাশের নদীতে। সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে কয়লা ও উৎপাদিত ছাই এবং ক্ষতিকর রাসায়নিক নিয়মিত দূষণ করছে জলজ, বনজ ও জীববৈচিত্র্যের ওপর। সংকটে বিশ্বঐতিহ্য সুন্দরবন।

পিডিবির সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্রেই শুরুতে নানা জটিলতা থাকে। ধীরে ধীরে ত্রুটি সারিয়ে তোলা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, শেখ হাসিনার বিদ্বেষমূলক বক্তব্য সংবাদ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

একইসঙ্গে শেখ হাসিনা আগে যত বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দিয়েছেন সেগুলো মাধ্যম থেকে সরাতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেয়।

প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম ও আব্দুল্লাহ আল নোমান।

আদেশের পর প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম সাংবাদিকদের বলেন, "আসামি শেখ হাসিনা বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন। এ কারণে এসব মামলার সাক্ষীরা ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ছেন"।

এতে মামলা চলাকালে তাদের সাক্ষ্য দিতে ট্রাইব্যুনালে হাজির করানো কঠিন হতে পারে। তাই ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার ভীতিমূলক ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করা হয়।

তবে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ছাড়া অন্য বক্তব্য প্রচারের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা থাকবে না।

গণমাধ্যমের মধ্যে ফেইসবুক, এক্স, ইউটিউব রয়েছে। এগুলোকে নিয়ন্ত্রণে আদেশের বিষয়টা বিটিআরসিসহ ওইসব সামাজিক মাধ্যমের কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দেয়া হবে বলে জানানো হয়।