'দেশ ছাড়ছে জামিনে মুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসীরা'

রোববারের পত্রিকা
ছবির ক্যাপশান, রোববারের পত্রিকা
Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

দেশ ছাড়ছে জামিনে মুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসীরা— দেশ রূপান্তরের দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি।

খবরে বলা হয়েছে, পাঁচই অগাস্ট শেখ হাসিনা সরকারের ক্ষমতাচ্যূতির পর একে একে কারাগার থেকে বেরিয়েছেন ঢাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসী। আবার পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার সুযোগে বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসীদেরও কেউ কেউ দেশে ফিরে আসছে।

কারাগার থেকে বেরিয়ে এসব সন্ত্রাসী ফের অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। এলাকার আধিপত্য নিতে একাধিক ঘটনা ঘটিয়েছে।

তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে যাওয়ার ঘোষণা দেয়। চলমান ডেভিল হান্ট অপারেশনে সন্ত্রাসীদের বাসাবাড়ি বা আস্তানায় হানা দিলেও কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের ধরতে পুরস্কারের ঘোষণাও আসতে পারে বলে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, পুলিশের কড়াকড়ি করায় কারামুক্ত সন্ত্রাসীরা দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করছে। নানাভাবে তারা তদবির করছে। এ নিয়ে নিশ্চিত হয়ে বিমানবন্দরসহ দেশের সব কটি সীমান্ত এলাকায় সন্ত্রাসীদের বিষয়ে সতর্কবার্তা পাঠিয়েছে।

ইতোমধ্যে দুয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী দেশে ছেড়েছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

দেশ রূপান্তর

আজ সমকালের প্রধান শিরোনাম— জাতীয় সংসদ ভোটের পর পুলিশে পদকের মচ্ছব।

খবরে বলা হচ্ছে, ২০১৮ সালের নির্বাচনটি 'রাতের ভোট' হিসেবে দেশে-বিদেশে পরিচিত। সম্প্রতি নির্বাচন সংস্কার কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে ওই নির্বাচনের রিটার্নিং ও সহকারী কর্মকর্তারা অনিয়মের জন্য পুলিশকে দায়ী করেন।

পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, রাতের ভোটের কারিগর হিসেবে ওই সময় পুলিশ কর্মকর্তাদের বেশ পদক দেয়া হয়।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ওই বছরে ৩৪৯ জন পুলিশ সদস্য পদক পেয়েছেন। এত বেশি সংখ্যক পুলিশ পদক তখন পর্যন্ত ছিল ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

পদক তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, পরের বছরই (২০১৯) পুলিশ পদকের সংখ্যা নেমে আসে এক-তৃতীয়াংশে ১১৮ জন। এর পরের তিন বছরও চিত্র একই রকম; ২০২০, ২০২১ ও ২০২২ সালে পুলিশ পদক পান ১১৫ জন করে।

পরের বছরের পদক দেয়া হয় ২০২৪ সালে। পদক পান ৪০০ জন। বাংলাদেশ পুলিশের ইতিহাসে এই সংখ্যা সর্বোচ্চ। ওই বছরের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন। দেশে-বিদেশে তা ডামি নির্বাচন হিসেবে পরিচিতি পায়।

সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, বেশিরভাগ কর্মকর্তা নির্বাচনে বিশেষ ভূমিকা রাখার পুরস্কার হিসেবে এই পদক পেয়েছেন। নির্বাচনের আগে-পরে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীকে দমনপীড়নের স্বীকৃতি ছিল ওই পদক।

সমকাল
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

নাহিদ আহ্বায়ক, সদস্যসচিব পদে আলোচনায় তিনজন— প্রথম আলোর দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির দল গঠন এবং নেতৃত্বে কারা আসছেন এ নিয়ে প্রথম আলোর পাশাপাশি ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারও গুরুত্ব দিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

প্রথম আলোর খবরে বলা হয়েছে, চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ ঘটতে যাচ্ছে নয়া এ রাজনৈতিক দলটির। ছাত্রনেতা ও তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম সরকার থেকে পদত্যাগ করে দলটির দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন।

দলের দ্বিতীয় শীর্ষ পদ সদস্যসচিব কে হচ্ছেন, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এই পদের জন্য আলোচনায় আছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী, সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

জাতীয় নাগরিক কমিটির দু'জন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেছেন, উপদেষ্টার পদ ছেড়ে নাহিদ ইসলাম নতুন দলের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। চলতি সপ্তাহে বা পরের সপ্তাহে তিনি পদত্যাগ করতে পারেন। তবে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি হিসেবে সরকারে থাকছেন মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তারা এখনই নতুন দলে যোগ দিচ্ছেন না।

ফেব্রুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যে দলের নামসহ অন্যান্য বিষয় চূড়ান্ত করা হবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

প্রথম আলো

অভ্যুত্থানের শক্তি অটুট রাখার তাগিদ ইউনূসের— আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন বাংলাদেশ গড়ার পথে অভ্যুত্থানের শক্তিগুলোকে ঐক্যবদ্ধ থাকার তাগিদ দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ।

তিনি বলেছেন, 'আমাদের সবাইকে শক্ত থাকতে হবে, মজবুত থাকতে হবে। আমরা যেগুলো আলাপ করছি, সেগুলোতে মতভেদ থাকবে; কিন্তু এর অর্থ এই নয়, আমরা একত্র নই। আমরা একত্রে থাকব।'

গতকাল শনিবার রাজধানীতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রথম বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। এতে ২৭টি দল ও জোটের ১০০ জনের মতো নেতা অংশ নেন। আওয়ামী লীগের জোটে থাকা কোনো দল ও জাতীয় পার্টিকে এ বৈঠকে ডাকা হয়নি।

বৈঠক শেষে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক আলী রীয়াজ সাংবাদিকদের বলেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রক্রিয়া কী হবে, সে বিষয়ে আলোচনা করাই ছিল বৈঠকের উদ্দেশ্য। প্রতিটি রাজনৈতিক দলের বক্তব্যে যেটি স্পষ্ট হয়েছে সেটা হলো, তারা মনে করে জাতীয় ঐক্য রক্ষার কোনো বিকল্প নেই।

বিএনপি জানিয়েছে, আগে জাতীয় নির্বাচন, তারপরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দেয়ার কথা বলেছে বৈঠকে।

জামায়াত বলছে, সরকারের সব ইতিবাচক সিদ্ধান্তে সমর্থন জানাবে দলটি।

নাগরিক কমিটি ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের বিচার চেয়েছে। গণপরিষদ ও জাতীয় নির্বাচন এবং সংস্কার একসঙ্গে চলতে পারে বলে মনে করেন তারা।

আজকের পত্রিকা

ভূমিসেবায় ভোগান্তি চরমে— কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম এটি।

খবরে বলা হয়েছে, ভূমিসেবায় ভোগান্তি এখন চরমে। প্রতিদিন ভূমি অফিসে দৌড়ঝাঁপ করেও মিলছে না নামজারি। পরিশোধ করা যাচ্ছে না খাজনা। পাওয়া যাচ্ছে না খতিয়ান, ডিসিআর। সবক্ষেত্রে সার্ভার ত্রুটিকে অজুহাত হিসেবে দেখানো হচ্ছে। এতে স্থবির হয়ে পড়েছে জমি নিবন্ধন কার্যক্রমও।

মূলত গত বছরের নভেম্বর থেকে রাজধানীসহ সারাদেশে ভূমিসেবায় নাকাল সাধারণ মানুষ।

ভুক্তভোগীদের কেউ কেউ ভূমিসেবায় হঠাৎ এমন স্থবিরতার জন্য সরকারকে দায়ী করলেও কারো কারো মতে, এর মাধ্যমে সরকারের ইমেজ সংকট তৈরি করে সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলতে একটা শ্রেণি তৎপর রয়েছে।

তারা ইচ্ছাকৃতভাবে জনদুর্ভোগ বাড়াচ্ছে। তবে ভূমিসেবায় ভোগান্তি নিয়ে মাঝেমধ্যে দুঃখ প্রকাশ করে দায় সারছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।

এদিকে, সরকার বাজেট ঘাটতির জন্য শতাধিক পণ্য ও সেবার ওপর ভ্যাট বাড়িয়েছে, অথচ সরকারের পাওনা ভূমিকর সরকারকে দিতে পারছে না জনগণ। এতে একদিকে সরকার রাজস্ববঞ্চিত হচ্ছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে সরকারবিরোধী ক্ষোভ তৈরি হচ্ছে।

এছাড়া নামজারি ও খাজনা না দিলে সেই জমিতে গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানির সংযোগ আনা যায় না। ব্যাংকঋণ নেয়া যায় না। একই কারণে অনেক নির্মাণকাজও বন্ধ রয়েছে।

কালের কণ্ঠ

কেন বাড়ছে কিশোর গ্যাংয়ের দাপট— মানবজমিনের প্রথম পাতার খবর এটি।

খবরে বলা হয়েছে, বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে বেপরোয়া হয়ে উঠছে কিশোর গ্যাং। দিন দিন বেড়েই চলছে এদের দৌরাত্ম্য। অপরাধ ঘটলেই উঠে আসছে তাদের নাম।

কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের প্রকাশ্যে সংঘবদ্ধ হয়ে অস্ত্রশস্ত্র হাতে অলিতে-গলিতে মহড়া দিতে দেখা যায়। বিভিন্ন চটকদার নামে ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।

এদের বেপরোয়া আচরণে পাড়া-মহল্লার মানুষ আতঙ্কে থাকে। সুযোগ পেলে উত্ত্যক্ত করছে নারীদের।

এমনকি কিশোর গ্যাংয়ের হামলার শিকার হচ্ছেন পুলিশ সদস্যরাও।

পুলিশ বলছে, শুধু রাজধানীতেই নয় দেশের প্রতিটি থানা এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য বেড়েছে। মাদক, অর্থ লোভ, আইনের তোয়াক্কা না করা, হিরোইজম, বেকারত্ব ও অভিভাবকদের দায়িত্বহীনতাসহ বেশ কয়েকটি কারণে তারা দিন দিন বেপরোয়া ও বিপথগামী হয়ে উঠছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের ৪০ শতাংশই কিশোর। দেশে বর্তমানে দুইশ'র বেশি কিশোর গ্যাং রয়েছে। সদস্য রয়েছে পাঁচ হাজারেরও বেশি।

মানবজমিন

খবরে বলা হয়েছে, হাইকোর্টের রায়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ বাতিল হওয়ায় ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের প্রার্থীরা আজ রোববার শাহবাগে মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছেন। তারা গতকালও রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।

নিয়োগ বাতিল হওয়া প্রার্থীদের নেতা মুজিবুর রহমান বলেন, 'সর্বোচ্চ আদালত থেকে কোটা পুনর্নিধারণ করার আগে আমাদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, লিখিত পরীক্ষা ও মৌখিক পরীক্ষা হয়েছে। সরকার আইন ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মতামত নিয়ে আমাদের নির্বাচিত করেছেন। হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছে তা বৈষম্যমূলক।'

এদিকে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাড়ে ছয় হাজার শিক্ষক নিয়োগ বাতিল করে হাইকোর্টের দেয়া রায় স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেছে সরকার।

'সড়ক না আটকানোর' ঘোষণা দিয়েও গত বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রার্থীরা শাহবাগ মোড় অবরোধ করে অবস্থান নেন। পরে পুলিশ লাঠিচার্জ ও জলকামান প্রয়োগ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছিল। সেখান থেকে আটক হয়েছিলেন ১৪ প্রার্থী।

সংবাদ

এতে বলা হয়েছে, দেশে এখন সর্বমোট অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান বা ইউনিটের সংখ্যা ১ কোটি ১৮ লাখের বেশি। এর মধ্যে স্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক ইউনিটের সংখ্যা ৬২ লাখ ৮৮ হাজারের বেশি।

কিন্তু জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আওতায় নিবন্ধিত ভ্যাটদাতা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা মাত্র ৫ লাখ ৫৭ হাজার। অর্থাৎ ৯০ শতাংশেরও বেশি স্থায়ী অর্থনৈতিক ইউনিটের কোনো ভ্যাট নিবন্ধন নেই। সে হিসাবে প্রাতিষ্ঠানিক অর্থনৈতিক ইউনিটের বড় অংশই এখনো করজালের বাইরে।

এখানে স্থায়ী অর্থনৈতিক ইউনিট বলতে প্রধানত একটি স্থায়ী জমিতে স্থায়ী কাঠামোর ওপর গঠন করা প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে বোঝানো হয়েছে।

প্রাতিষ্ঠানিক ইউনিটগুলোর সিংহভাগ এখনো করজালের বাইরে থেকে যাওয়ার পেছনে এনবিআরের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতাকে দায়ী করছেন অর্থনীতিবিদরা। এজন্য অটোমেশনের মাধ্যমে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে সংস্থাটির দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিচ্ছেন তারা।

বণিক বার্তা

Five reform commissions set to miss deadline, অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে পারছে না পাঁচ সংস্কার কমিশন— ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের আজ দ্বিতীয় প্রধান খবর এটি।

খবরে বলা হয়েছে, পাঁচটি সংস্কার কমিশন সময়মতো তাদের প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দিতে পারছে না। কমিশনগুলো হলো স্বাস্থ্য, নারী বিষয়ক, গণমাধ্যম, শ্রম ও স্থানীয় সরকার।

গত ১৮ নভেম্বর পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে গঠিত এসব সংস্কার কমিশনকে ৯০ দিনের মধ্যে অথবা চলতি বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়।

তবে, কয়েকটি কমিশন গতকাল শনিবার পর্যন্ত তাদের খসড়া সুপারিশ চূড়ান্ত করতে পারেনি। এ অবস্থায় প্রতিবেদন জমা দিতে আরও এক মাস সময় চায় কমিশনগুলো।

এসব কমিশনের কয়েকজন সদস্য নিউ এজকে জানিয়েছেন, তারা মার্চের মাঝামাঝি পর্যন্ত সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন করবেন।

নিউএইজ