'আবহাওয়ার সব রাডারই নষ্ট'

ছবির উৎস, BBC BANGLA
আবহাওয়ার সব রাডারই নষ্ট, দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রথম পাতার এই খবরে বলা হয়েছে যে আবহাওয়া কেমন হবে, কোন সময়ে বৃষ্টি হবে, কোন সময়ে জনজীবন স্বাভাবিক হবে ইত্যাদি আগাম বার্তা দেয় আবহাওয়া অধিদপ্তর। আর সেই বার্তা দেওয়া হয় রাডারের মাধ্যমে। কিন্তু সেই রাডারই এখন নষ্ট।
জাইকার অনুদানে একটি প্রকল্পের মাধ্যমে ঢাকা ও রংপুরের নষ্ট দুটি রাডার স্থাপন করার কথা ছিল। কিন্তু এ দু’টি স্থাপনের আগেই পুরনো সব রাডার নষ্ট হয়ে বিপাকে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব তথ্য।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা, রংপুর, কক্সবাজার, পটুয়াখালী, রংপুর ও মৌলভীবাজারে পাঁচটি রাডার রয়েছে। ঢাকা ও রংপুরের রাডার দুটি স্থাপন করা হয়েছে ১৯৯৯ সালে।
আর ১৫ বছরে মেয়াদ শেষ হওয়ায় রংপুরে রাডার ইতিমধ্যে অচল। উঁচু ভবন বেশি হওয়ায় রেডিও জ্যামিংয়ের কারণে অকেজো ঢাকার রাডারও।
যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে আছে সব রাডারের। বিশ্ববাজারে এসব খুচরা যন্ত্রাংশ আর পাওয়াই যাচ্ছে না। ফলে দুটি পুরোপুরি নষ্ট, বাকি তিনটি প্রায় অকেজো।
End of বিবিসি বাংলার সাম্প্রতিক খবর:

ছবির উৎস, BBC BANGLA
এই পত্রিকারই আরেকটি খবর- ‘ঢাকার গরম কোথায় কেমন’, যেখানে দেখানো হয়েছে যে ঢাকা শহরের যেসব এলাকায় সবুজের উপস্থিতি আছে, সেসব এলাকার তাপমাত্রা তুলনামূলক কিছুটা কম।
সবচেয়ে কম তাপমাত্রার এলাকা বোটানিক্যাল গার্ডেন ও জাতীয় চিড়িয়াখানা। দ্বিতীয় কম তাপমাত্রার স্থানের মাঝে আছে রমনা পার্ক, ধানমণ্ডি লেকপাড়, ক্যান্টনমেন্ট সহ কিছু এলাকায়।
বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্রের (ক্যাপস) গবেষণা থেকে সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রার এলাকা সম্বন্ধেও জানা যায়। এই তালিকায় আছে তেজগাঁও, মতিঝিল, মিরপুর, যাত্রাবাড়ী সহ বেশ কিছু বাণিজ্যিক এলাকা।

ছবির উৎস, BBC BANGLA
নারী নির্যাতন চলছেই, এটি প্রথম আলো পত্রিকার প্রধান খবর।
পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুসারে এখানে বলা হয়েছে যে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে গত বছর সারা দেশে শুধু থানায় ১৮ হাজার ৯৪১টি মামলা হয়েছে।
এছাড়া, আদালতেও এ ধরনের অনেক মামলা হয়।
নারী নির্যাতনের মামলা নিয়ে কাজ করা ব্যক্তিদের মতে, থানায় যত মামলা হয়, তার প্রায় ১০ শতাংশের সমপরিমাণ হয় আদালতে।
ফলে ২০২৩ সালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে হওয়া মামলার সংখ্যা ২০ হাজারের কম হবে না বলে ধারণা করা যাচ্ছে।
তবে এসব ক্ষেত্রে বিচার প্রক্রিয়া এত ধীরগতির যে অনেকে বিচারের আশাও ছেড়ে দেন।

ছবির উৎস, BBC BANGLA
Agri production fall feared amid heatwave বা তাপপ্রবাহে কৃষি উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা। এটি নিউ এজ পত্রিকার প্রথম পাতার সংবাদ।
এতে বলা হয়েছে, প্রায় দুই সপ্তাহের তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে ইতোমধ্যে ধানের ক্ষেতে ফাটল দেখা দিতে শুরু করেছে। এর মাঝে আছে চলমান লোডশেডিং, যার কারণে কৃষকরা তাদের জমিতে সেচও দিতে পারছে না।
মুদ্রাস্ফীতির কারণে গত দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে তারা চরম আর্থিক ক্ষতির মাঝে আছে। এর মাঝে সরকার তাদেরকে ডিজেলচালিত পানির পাম্প ব্যবহার করে জমিতে সেচ দিতে বলছে।
গত ১১ই এপ্রিল থেকে বাংলাদেশের বেশিরভাগ অঞ্চলের তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে থাকায় ফসলের ক্ষেতগুলো সূর্যের প্রচণ্ড খরতাপে ঝলসে গেছে কারণ।

ছবির উৎস, BBC BANGLA
অতি উচ্চঝুঁকিতে শিশুরা, খবরটি নয়াদিগন্ত পত্রিকার প্রথম পাতার। এতে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাসজুড়ে চলা তাপপ্রবাহের কারণে স্বাস্থ্যগত অতি উচ্চঝুঁকিতে আছে শিশুরা।
গতকাল এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট। বর্তমান পরিস্থিতিতে সন্তানদের পানিশূন্যতা থেকে রক্ষা ও নিরাপদ রাখার জন্য বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের জন্য অভিভাবকদের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
ইউনিসেফ বলছে, অস্বাভাবিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে শিশুদের জন্য। বিশেষ করে নবজাতক, সদ্যোজাত ও অল্পবয়সী শিশুদের জন্য। হিটস্ট্রোক ও পানিশূন্যতাজনিত ডায়রিয়ার মতো, উচ্চতাপমাত্রার প্রভাবে সৃষ্ট অসুস্থতায় শিশুরাই বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকে।

ছবির উৎস, BBC BANGLA
ঠাঁই নেই শিশু হাসপাতালে, এটি মানবজমিন পত্রিকার প্রথম পাতার একটি প্রতিবেদন। এতে বলা হচ্ছে, তীব্র গরমে প্রতিদিন জ্বর, ঠাণ্ডা, কাশি, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা।
ঢাকা শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে সরেজমিনে গিয়ে দেখা হয়েছে যে, টিকিটের জন্য রোগীর স্বজনরা টিকিট কাউন্টারের সামনে অপেক্ষা করছেন। টিকেট কাউন্টার সহ বহিঃবিভাগে ও জরুরি বিভাগের সামনে ব্যাপক ভীর। হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, সবগুলো ওয়ার্ডই রোগীতে পূর্ণ।
এই হাসপাতালে মোট শয্যা ৬৮১টি। কিন্তু সেসবের একটিও খালি থাকছে না। প্রতিদিন এখানে গড়ে ১১০ থেকে ১৪০ জন রোগী ভর্তি হচ্ছে। বহিঃবিভাগ ও জরুরি বিভাগে প্রায় ১২০০ রোগী দেখছেন ডাক্তারা।

ছবির উৎস, BBC BANGLA
সরকারি হিসাবের চেয়ে ২০১০ ও ২০১৬ সালে দারিদ্র্যের মাত্রা বেশি ছিল, এই প্রতিবেদনটি বণিক বার্তা পত্রিকার প্রথম পাতার। এখানে বলা হয়েছে, ২০১০ সালে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) হিসাব করেছিল যে দেশে দারিদ্র্যের গড় হার সাড়ে ৩১ শতাংশ। ছয় বছরের মাথায় ২০১৬ সালে তা নেমে আসে ২৪ দশমিক তিন শতাংশে। যদিও বিশ্বব্যাংক মনে করছে, ওই দুই বছরে দেশে দারিদ্র্যের মাত্রা ছিল বেশি।
সংস্থাটির এক সাম্প্রতিক পর্যালোচনায় বলা হয়, গত ২০১০ ও ২০১৬ সালে দারিদ্র্যের হার কমিয়ে দেখানো হলেও চরম দারিদ্র্যের হারের ক্ষেত্রে বেশি দেখানো হয়েছিল। সরকারি হিসাবের চেয়ে দুই মেয়াদেই চরম দারিদ্র্যের হার ছিয় শতাংশ কম ছিল।
বিবিএসের হিসাবে বলছে, ২০১০ সালে দেশে চরম দারিদ্র্যের হার ছিল ১৭ দশমিক ছয় শতাংশ। ২০১৬ সালে তা নেমে আসে ১২ দশমিক নয় শতাংশে। সর্বশেষ ২০২২ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ হার পাঁচ দশমিক ছয় শতাংশ।

ছবির উৎস, BBC BANGLA
EU passes law to hold brands accountable অর্থাৎ ব্রান্ডগুলোকে জবাবিহির আওতায় আনতে নতুন আইন পাশ করেছে ইইউ। এটি দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে বুধবার ইউরোপীয় পার্লামেন্ট একটি আইন পাস করেছে, যেটি মানবাধিকার লঙ্ঘন অথবা পরিবেশগত ক্ষতির জন্য বড় কোম্পানি ও ব্রান্ডকে দায়ী করে।
এক্ষেত্রে তৈরি পোশাকের জন্য বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ গন্তব্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন হওয়ায়, এই আইনটি পরোক্ষভাবে বাংলাদেশের পোশাক প্রস্তুতকারকদের উপর প্রভাব ফেলবে।
কারণ এই আইনটি কার্যকর হওয়ার পরে, পোশাক তৈরির কারখানা শ্রম অধিকার লঙ্ঘন করছে বা পরিবেশের ক্ষতি করছে, এই মর্মে যেকোনও ইউরোপীয় বা বিদেশী পোশাকের ব্র্যান্ডকে আইনত দায়ী করা যেতে পারে।
End of বিবিসি বাংলার অন্যান্য খবর:

ছবির উৎস, BBC BANGLA
উপজেলায় গুরুত্ব পাচ্ছে স্থানীয় বাস্তবতা, এটি কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রথম পাতার প্রতিবেদন। এতে বলা হয়েছে, আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন কেন্দ্র করে উপজেলা পর্যায়ে বিশেষ বর্ধিত সভা করছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ। এসব সভা থেকে ভোটে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার ঘটনাও ঘটছে।
কেন্দ্র থেকে নির্বাচনকে প্রভাবমুক্ত রাখার কথা বলা হলেও স্থানীয় বাস্তবতা ভিন্ন। জেলা ও উপজেলার প্রভাবশালী নেতারা কোথাও প্রকাশ্যে, কোথাও অপ্রকাশ্যে পছন্দের প্রার্থীকে সমর্থন দিচ্ছেন।
তবে সব জায়গায়সভা করে প্রার্থী চূড়ান্ত করা না হলেও স্থানীয় নেতারাই ঠিক করছেন কোন প্রার্থীর পক্ষে তারা কাজ করবেন। মূলত, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে স্থানীয় রাজনৈতিক বাস্তবতা গুরুত্ব পাচ্ছে।
কেন্দ্র থেকে স্থানীয় পর্যায়ের আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে। দল থেকে কাউকে প্রকাশ্যে সমর্থন দেওয়া হচ্ছে না। তবে মাঠ পর্যায়ে যে প্রার্থীর জনপ্রিয়তা বেশি এবং পরিচ্ছন্ন, তাকে কেন্দ্র থেকে মৌন সমর্থন দেওয়া হচ্ছে।

ছবির উৎস, BBC BANGLA
অদক্ষ নেতৃত্ব চাঙ্গা দলাদলি ডুবছে বিএনপি, এটি সমকাল পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, বিএনপির রাজনীতি করে আগের মতো জোশ পাচ্ছেন না নেতাকর্মীরা। এখন কেন্দ্রীয় নেতাদের ইশারায় অদক্ষ ও দুর্বল নেতাদের সমন্বয়ে কমিটি গঠিত হয়। এমন অবমূল্যায়নে অনেকে হতাশ।
বিএনপি’র ১৩ সাংগঠনিক মহানগর কমিটির সবক’টিই এখন মেয়াদহীন। ফলে সরকারবিরোধী আন্দোলনে আগেই ব্যর্থ হয়েছেন মহানগরের নেতারা। দায়িত্বশীল নেতাদের ভূমিকা, কর্মীর পাশে না দাঁড়ানো ও সমন্বয়হীনতার কারণে জাতীয় নির্বাচনের পর দলে বড় ধরনের তালগোল পেকেছে। পাশাপাশি, বিভিন্ন হামলা-মামলার সাথে মোকাবিলা করতে করতে একরকম ‘কুপোকাত’ দলের কর্মীরা।
নেতাকর্মীরা জানান, কারাবন্দি হওয়ার পর তাদের মামলা পরিচালনা থেকে শুরু করে চিকিৎসা, কারাগারের খরচ সহ সবকিছু পরিবারকেই বহন করতে হয়েছে। এসব কারণে অনেকে বিরক্ত হয়ে রাজনীতিবিমুখ হয়ে পড়েছেন এবং নিজেদেরকে গুটিয়ে নিয়েছেন।

ছবির উৎস, BBC BANGLA
মন্ত্রণালয়-হাব মুখোমুখি, এটি আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার খবর। এখানে বলা হয়েছে, চলতি বছর হজ ব্যবস্থাপনা নিয়ে বড় ধরনের সংকট দেখা দিয়েছে।
পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, হজ যাত্রীদের ভিসার আবেদনের সময় ২৯শে এপ্রিল শেষ হচ্ছে। অথচ বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮০ শতাংশ হজযাত্রীই এখনও ভিসার জন্য আবেদন করেননি। এই সংকটের জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয় ও বেসরকারি এজেন্সিগুলো এখন একে অপরকে দোষারোপ করছে। ধর্ম মন্ত্রণালয় অবশ্য হজযাত্রীদের ভিসার জন্য আবেদনের সময় বাড়াতে সৌদি সরকারকে চিঠি দিয়েছে।
এছাড়া, বেসরকারি এজেন্সির প্রতিনিধি বা মুনাজ্জিমদের ভিসা না পাওয়ায় মক্কা-মদিনায় হজযাত্রীদের জন্য বাড়ি ভাড়া হয়নি বলেএবং প্রায় ২৮ হাজার হজযাত্রীর মিনা-মুজদালিফায় ঠাঁই পাওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত না হয়ায় ভিসার আবেদন করা যাচ্ছে না। এরজন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়কে দায়ী করছে বেসরকারি এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)।








