'ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা শনাক্তে আবেদনের পাহাড়'

ঢাকার বিভিন্ন সংবাদপত্র
Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম— ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা শনাক্তে আবেদনের পাহাড়

এতে বলা হয়েছে, সনদধারী ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের শনাক্তে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে তিন মাসে ২০ হাজারের বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে। ভুয়া সনদে যারা চাকরি নিয়েছেন তাদের নামেও অভিযোগ আসছে।

রণাঙ্গনের সম্মুখসারির যোদ্ধারা অভিযোগ জানিয়ে এসব আবেদন করেন। সেই সাথে জেলা-উপজেলা থেকে প্রতিদিনই প্রচুর পরিমাণে আবেদন আসছে।

এগুলো যাচাইবাছাইয়ে হিমশিম খাচ্ছে মন্ত্রণালয় ও জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)। যাচাইয়ে প্রাথমিকভাবে সরেজমিন শুনানি হবে।

ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিল ও প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাভুক্ত করতে সম্প্রতি জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টি বোর্ড ও নির্বাহী কমিটি পুনর্গঠন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ধারণা, সারাদেশে ৯০ হাজার ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা আছে। জামুকার মতে, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা লক্ষাধিক।

১৯৯৪ সালে বিএনপির আমলে করা তালিকায় ৮৬ হাজার মুক্তিযোদ্ধাকে মূল ভিত্তি ধরে সামনে এগোতে চায় জামুকা। বর্তমানে দেশের সনদধারী মোট মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ২ লাখ ৮ হাজার।

এদিকে, সরকারের ডাকে সাড়া দিয়ে স্বেচ্ছায় ১২ অমুক্তিযোদ্ধা তাদের সনদ বাতিলের আবেদন করেছেন।

যুগান্তর
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

ঢাকায় চাঁদাবাজি চরমে— আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, ঢাকায় চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য চরমে উঠেছে। তারা এতটাই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে যে আতঙ্ক ছড়াতে গুলি করে তার ভিডিও ধারণ করার ঘটনা পর্যন্ত ঘটেছে।

যদিও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে কর্তৃপক্ষ নানা অঙ্গীকার ও তৎপরতা দেখায়। কিন্তু রাজধানীতে অপরাধের মাত্রা কমানোর ক্ষেত্রে দৃশ্যমান প্রভাব নেই।

পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে শীর্ষ সন্ত্রাসীরা এলাকায় এলাকায় প্রভাব বিস্তারে মরিয়া হয়ে ওঠায় চাঁদাবাজি বেড়েছে। এই সমস্যা সমাধানে 'রাজনৈতিক সহায়তা' দরকার।

মূলত, পুরনো কায়দায় হুমকি দিয়ে ঢাকায় চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটছে। তবে কাকে কী বলে হুমকি দিলে কাজ হবে, দৃশ্যত সেটা নিয়ে ভেবেচিন্তে কাজ করছে সন্ত্রাসীরা।

চাঁদা না দিলেই দেওয়া হয় অপহরণ বা হত্যার হুমকি। কখনো কখনো সত্যি সত্যিই হত্যার ঘটনাও ঘটছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি চাঁদাবাজি হচ্ছে নির্মাণাধীন ভবন ও বাণিজ্যিক আবাসন প্রকল্পগুলোতে। শিল্পকারখানা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও চাঁদাবাজির বড় শিকার।

ডিএমপির হিসাব বলছে, গত ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯ মার্চ পর্যন্ত ৪৭ দিনে ঢাকা মহানগর পুলিশের ৮টি ক্রাইম বিভাগের ৫০টি থানায় ১১৩ টি চাঁদাবাজির মামলা হয়েছে। এসব মামলায় ১৪৪ জনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটেছে মতিঝিল, তেজগাঁও ও গুলশানে।

আজকের পত্রিকা

গ্যাস অনুসন্ধান এলাকা বাড়াতে চায় শেভরন— বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম এটি।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সিলেটের জালালাবাদ গ্যাস ক্ষেত্রের অধীন তিন ব্লক ১২, ১৩ ও ১৪-এ গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলন কার্যক্রম চালাচ্ছে মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানি শেভরন।

এর মধ্যে ১২ নম্বরের কিছু অংশের অনুসন্ধান কার্যক্রম ছেড়ে দিয়েছিল মার্কিন কোম্পানিটি। ছেড়ে দেয়া এই অংশ এবং ১১ নম্বর ব্লকের আওতাভুক্ত এলাকায় (সুনামগঞ্জ, শেরপুর ও ময়মনসিংহ) কার্যক্রম সম্প্রসারণে আগ্রহী হয়ে উঠেছে শেভরন।

এসব এলাকায় এককভাবে কাজ পেতে পেট্রোবাংলা ও জ্বালানি বিভাগে প্রস্তাবও দিয়েছে কোম্পানিটি।

একই সঙ্গে সেখানে গ্যাস পেলে অফশোর পিএসসির (মূল ভূখণ্ডের বাইরে সাগরে পাওয়া গ্যাসের উৎপাদন বণ্টন চুক্তি) শর্তে চুক্তি করতে চায় শেভরন।

কিন্তু অনশোরে (স্থলভাগে) অফশোর পিএসসির শর্তের চুক্তির বিষয়টি আইনসংগত না হওয়ায় এবং বিগত সরকারের করা জ্বালানি খাতের বিশেষ বিধান বাতিল হয়ে যাওয়ায় এরই মধ্যে শেভরনের ওই প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।

এছাড়া, শেভরন এখন বিবিয়ানা, মৌলভীবাজার ও জালালাবাদ গ্যাস ফিল্ড থেকে গ্যাস উত্তোলন করছে।

এর মধ্যে বিবিয়ানা গ্যাস ফিল্ডে উত্তোলন ও অনুসন্ধান কার্যক্রমে চলমান চুক্তির মেয়াদ ২০৩৪ সাল থেকে বাড়িয়ে ২০৩৯ সাল পর্যন্ত করারও প্রস্তাব দিয়েছে শেভরন।

বণিক বার্তা

বেতন-ভাতা ছাড়াই সাড়ে তিন লাখ শিক্ষকের ঈদ— মানবজমিনের দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি।

এ খবরে বলা হয়েছে, এবারের ঈদের আগে আজ শেষ কর্মদিবস। কিন্তু প্রায় তিন লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক বেতন-ভাতা পাননি।

ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের (ইএফটি) মাধ্যমে বেতন দেয়া শুরু হলে এই সংকটের সৃষ্টি।

গত পহেলা জানুয়ারি থেকে ইএফটির মাধ্যমে কয়েক ধাপে শিক্ষক-কর্মচারীদের ডিসেম্বর মাসের বেতন দেয়া হয়েছে। অধিকাংশই ইতোমধ্যে জানুয়ারি মাসের বেতন পেয়েছেন।

যদিও কয়েক হাজার এখনও এই দুই মাসের বেতন পাননি। তার মধ্যে ৪ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী গত মঙ্গলবার ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসের বেতনের মেসেজ পেয়েছেন। তবে তুলতে পারেননি সে অর্থ।

তবে মার্চ শেষ হতে চললেও ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন ও ঈদ উৎসব ভাতা পাননি শিক্ষকরা।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) বলছে, আজ বৃহস্পতিবারের মধ্যেই শিক্ষকদের বেতন-ভাতা ব্যাংকে পাঠানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু তা তুলতে না পারার শঙ্কা রয়েছে শিক্ষকদের মধ্যে।

শিক্ষকদের অভিযোগ, কর্মকর্তাদের সদিচ্ছার অভাবেই এই অবস্থা। তারা চাইলেই ঈদের আগে বেতন-ভাতা দিতে পারতেন।

মানবজমিন

এই খবরে বলা হচ্ছে, চীনের হাইনান প্রদেশে শুরু হওয়া 'দ্য বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়া (বিএফএ) বার্ষিক সম্মেলন-২০২৫-এ আজ বৃহস্পতিবার বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

মুহাম্মদ ইউনূস বোয়াও ফোরামে অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে দেয়া বক্তব্যে বাংলাদেশে নির্মাণ, সেবা খাত ও জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ সম্ভাবনা তুলে ধরবেন।

আগামীকাল শুক্রবার বেইজিংয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং এর সাথে বৈঠক করবেন তিনি।

জানা গেছে, প্রধান উপদেষ্টা তার চীন সফরে দেশটির বড় বড় প্রায় ২০০ ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তার সাথে নানাভাবে কথা বলবেন। তাদেরকে বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের আহ্বান জানাবেন।

ধারণা করা হচ্ছে, এই সফরে দেশটির সাথে সামরিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি গুরুত্ব পাবে তিস্তা ইস্যুও।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে বছরে ১১ হাজার ২৪০ কোটি টাকার সম্পদ রক্ষা পাওয়ার পাশাপাশি তিস্তাপাড়ের মানুষের জীবনমান বদলে যাবে।

দেশটি তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়ন করে দেয়ার বিষয়ে ২০২২ সালে ঢাকাকে প্রস্তাব দেয়।

নয়া দিগন্ত

বৈষম্য ও বিভেদহীন দেশ গড়ার প্রত্যয়— দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম এটি।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বৈষম্য-বিভাজনহীন দেশ গড়ার প্রত্যয়ে বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করলো।

সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে জাতির বীর সন্তানদের শ্রদ্ধা জানায় নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন।

তবে এবার রমজান এবং ঈদের আগ মুহূর্তে হওয়ায় দর্শনার্থীদের উপস্থিতি অন্যান্য বছরের তুলনায় কম ছিল।

জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ব্যানার নিয়ে 'জয় বাংলা' 'জয় বঙ্গবন্ধু' স্লোগানে মিছিল করায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে দেশের জনগণকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কোর রুবিও বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে যুক্তরাষ্ট্রের অটুট অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

এছাড়া, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ মোদি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

দেশ রূপান্তর

Jamaat, NCP compare '24 with '71– BNP strongly denounces, অর্থাৎ চব্বিশের সঙ্গে একাত্তরের তুলনা জামায়াত-এনসিপির, বিএনপির আপত্তি - এটি ইংরেজি দৈনিক দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের দ্বিতীয় প্রধান খবর।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের কিছু রাজনৈতিক নেতা ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধকে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সাথে তুলনা করেছেন, তারা এটিকে 'দ্বিতীয় স্বাধীনতা' বলছেন। তবে অনেকে এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন।

বুধবার জাতীয় স্মৃতিসৌধে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ১৯৭১ সালে যে সাম্যের কথা বলা হয়েছিল, তা পূরণ না হওয়ায় এবং ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদী সরকার বিরাজ করায় এই অভ্যুত্থান জরুরি হয়ে পড়েছিল।

তিনি এ সময় বলেন, ১৯৭১ ও ২০২৪ আলাদা কিছু নয় বলে। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান একাত্তরের চেতনাকে পুনরুজ্জীবিত করেছে। যারা এটাকে পরস্পরবিরোধী বা মুখোমুখি দাঁড় করাতে চাইছে, তাদের উদ্দেশ্য অসৎ - বলে মন্তব্য করেন এনসিপির আহ্বায়ক।

ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ প্রকৃত স্বাধীনতা অর্জন করতে পারেনি, বরং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান দেশকে 'দ্বিতীয় স্বাধীনতা' এনে দিয়েছে।

অপরদিকে, জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলে কিছু নেই।

জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানকে যারা দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলছে, তারা স্বাধীনতা দিবসকে হেয় করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন বিএনপির এ নেতা।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

সংবিধানের মূলনীতির বদল চায় না বিএনপি— আজ প্রথম আলোর প্রধান খবর এটি।

যেখানে বলা হয়েছে, সংবিধানের মূলনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি থেকে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা বাদ দেওয়ার বিষয়ে সংবিধান সংস্কার কমিশন যে সুপারিশ করেছে, তাতে একমত নয় বিএনপি।

দলটি মনে করে, এ-সংক্রান্ত সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮, ৯, ১০ ও ১২-কে পঞ্চদশ সংশোধনীর আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া অধিকতর যুক্তিযুক্ত।

সংস্কার প্রশ্নে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে জমা দেওয়া সুপারিশে বিএনপি এ মতামত তুলে ধরেছে। পাঁচ সংস্কার কমিশনের সুপারিশের ওপরও গত রোববার বিস্তারিত মতামত জমা দেয় বিএনপি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, বিএনপি জাতীয় সংসদের মেয়াদ পাঁচ বছর বহাল রাখার পক্ষে মত দিয়েছে। সংসদের মেয়াদ চার বছর করার বিষয়ে সংস্কার কমিশনের সুপারিশের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছে দলটি।

একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক দলের প্রধান ও সংসদ নেতা হতে পারবেন না বলে সংস্কার কমিশন যে প্রস্তাব দিয়েছে, সেটির সঙ্গে ভিন্নমত জানিয়েছে দলটি।

প্রথম আলো

কালের কণ্ঠের প্রধান খবর— স্থবির অর্থনীতিতে গতি আনছে ঈদ। খবরে বলা হচ্ছে, রাজনৈতিক অস্থিরতায় ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা চলছে। শ্রমিক অসন্তোষসহ নানা কারণে শতাধিক শিল্প-কারখানা বন্ধ হয়ে লাখো কর্মী কাজ হারিয়েছেন। এতে কমেছে তাদের ক্রয়ক্ষমতা।

অনেক প্রতিষ্ঠান এখনো ঠিকমতো বেতন-বোনাস পরিশোধ করতে পারেনি। এর নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে ঈদের কেনাকাটায়।

তার মধ্যেও ঈদ কেনাকাটা স্থবির অর্থনীতিতে গতি এনে দেবে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তারা বলছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে প্রায় দুই লাখ কোটি টাকার ব্যবসা হচ্ছে।

বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির তথ্য অনুযায়ী, গত বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালে এক লাখ ৯৬ হাজার কোটি টাকার মতো ব্যবসা হয়। তার আগের বছর ২০২৩ সালে ঈদকেন্দ্রিক ব্যবসা হয় এক লাখ ৮৭ হাজার কোটি টাকা।

১০ বছর আগে ২০১৫ সালে ঈদকেন্দ্রিক ব্যবসা ছিল এক লাখ ৫৫ হাজার কোটি টাকার মতো। এবার ঈদকেন্দ্রিক আড়াই লাখ কোটি টাকার কম হতে পারে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।

কালের কণ্ঠ