আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
'আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং পারমিট নিয়ে ভয়ঙ্কর জালিয়াতি'
আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং পারমিট নিয়ে ভয়ঙ্কর জালিয়াতি— মানবজমিন পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি, যেখানে বলা হয়েছে যে অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-এর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং পারমিট নিয়ে ভয়ঙ্কর জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে।
প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে গোপনে ভুয়া আন্তর্জাতিক পারমিট সরবরাহ করে প্রতারণা করছে। তাদের দেওয়া এসব পারমিটের উপর আস্থা রেখে বিদেশে গিয়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন প্রবাসীরা।
শুধুমাত্র নাম, ছবি, ঠিকানা আর রক্তের গ্রুপ লিখে দিলেই টাকার বিনিময়ে মেলে ভুয়া পারমিট। একদল দালাল চক্রের যোগসাজশে এসব পারমিট সরবরাহ করা হয়, যার নেতৃত্বে আছেন অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলি ফুয়াদ পাশা বাবুল।
৭৩০ কোটি টাকা ব্যয়, তবু ডুবল ঢাকা— এটি দৈনিক প্রথম আলো’র প্রধান শিরোনাম। শুক্রবার ঢাকায় তিন ঘণ্টার টানা বৃষ্টিকে কেন্দ্র করে লেখা এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত চার বছরে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন জলাবদ্ধতা নিরসনে কমপক্ষে ৭৩০ কোটি টাকা খরচ করেছে। কিন্তু এর সুফল নেই বললেই চলে।
গতকাল সকাল সাড়ে ৬টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় ঢাকায় বৃষ্টি হয়েছে ৬০ মিলিমিটার। এরপরও অবশ্য হয়েছে, তবে তা ভারী বৃষ্টি ছিল না। কিন্তু সকালের বৃষ্টিতেই ধানমন্ডি, গ্রিন রোড, নিউমার্কেটসহ রাজধানীর বেশির ভাগ এলাকার সড়ক ডুবে যায়। অনেক বাসাবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকেছে। ডুবে যাওয়া সড়কের বিভিন্ন অংশে বিকল হয়ে পড়ে ছিল সিএনজিচালিত অটোরিকশা, বাস ও প্রাইভেট কার।
অথচ ভারী বৃষ্টিতেও ঢাকায় যাতে জলাবদ্ধতা না হয়, সে জন্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন গত চার বছরে বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে খরচ করেছে প্রায় ৩৬০ কোটি টাকা। দক্ষিণ সিটির প্রকৌশল বিভাগ সূত্র এটি নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে, ঢাকা উত্তর সিটির প্রকৌশল বিভাগ বলছে, জলাবদ্ধতা নিরসনে চার বছরে খরচ করা হয়েছে প্রায় ৩৭০ কোটি টাকা। দুই সিটির প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, আগের চেয়ে ঢাকার জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হয়েছে।
নগর–পরিকল্পনাবিদেরা বলছেন, জলাবদ্ধতার ভোগান্তি কমাতে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমে সমন্বিত পরিকল্পনার অভাব সুস্পষ্ট, গতকালের ঘটনা তা আবারও প্রমাণ করল। দুই সিটি যা করছে, তা সাময়িক ব্যবস্থা। ঢাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা নিয়ে করা মহাপরিকল্পনাকে গুরুত্ব না দিয়ে শুধু টাকা খরচ করছে তারা।
প্রথম আলোসহ আজ প্রায় সব দৈনিকের প্রধান শিরোনাম হয়েছে ‘ঢাকার জলাবদ্ধতা’।
কোটা কমানোর চিন্তা সরকারে— এটি আজকের পত্রিকা’র প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের কোটা সংস্কারের দাবিতে কয়েক দিন ধরে দেশব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশ ও ‘বাংলা ব্লকেড’ নামে অবরোধ কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীরা। এই অবস্থায় সরকারও বিষয়টি সমাধানের পথ খুঁজছিল।
গত বৃহস্পতিবার কোটা নিয়ে হাইকোর্টের সংক্ষিপ্ত রায় প্রকাশের পর সেই পথের দিশা মিলেছে। সংক্ষিপ্ত রায়ে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, নাতি-নাতনিদের জন্য কোটা পুনর্বহাল করার কথা বলা হয়। একই সঙ্গে জেলা, নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য কোটা বজায় রাখতে বলা হয়। কিন্তু রায়ে এও বলা হয় যে সরকার প্রয়োজনে কোটার অনুপাত পরিবর্তন, হ্রাস বা বৃদ্ধি করতে পারবে।
এই রায়ের পর কোটা কমানোর চিন্তা করছে সরকার। কোটাব্যবস্থা সংস্কার করে কোন কোটা কীভাবে কমানো যেতে পারে, তা নিয়ে সরকারের ভেতরে আলোচনা শুরু হয়েছে। সরকার চাইছে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি সমাধান দিতে। অনানুষ্ঠানিকভাবে হলেও এ বিষয়ে নীতিনিনির্ধারকদের মধ্যে দফায় দফায় আলাপ হচ্ছে। এমনকি প্রধানমন্ত্রী চীন থেকে দেশে ফেরার পরও সরকারের ওপর মহলে এ বিষয়টি নিয়ে আলাপ হয়েছে।
End of বিবিসি বাংলার অন্যান্য খবর:
সরকারি সহায়তার 'সমতা' স্কিমে নিবন্ধন বেশি— সমকাল পত্রিকার এই প্রধান শিরোনামে বলা হয়েছে, বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ‘প্রগতি’, স্বকর্মে নিয়োজিতদের জন্য ‘সুরক্ষা’, প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য ‘প্রবাস’ নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর জন্য ‘সমতা’— সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচির এই চার স্কিমে গ্রাহক তিন লাখ ছাড়িয়ে গেছে।
১০ মাস ২২ দিনে এখন পর্যন্ত চাঁদা জমা পড়েছে ১০০ কোটি টাকার বেশি। তবে মোট গ্রাহকের ৭৩ শতাংশের বেশি ‘সমতা’ স্কিমে নিবন্ধিত। ‘সমতা’য় নিবন্ধিতদের মাসিক চাঁদা এক হাজার টাকা। এর মাঝে গ্রাহককে দিতে হয় ৫০০ টাকা। বাকি ৫০০ টাকা দিচ্ছে সরকার। একমাত্র এই স্কিমেই চাঁদার অর্ধেক দিচ্ছে সরকার।
এই স্কিমে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী স্বল্প আয়ের (যাদের বছরে আয় ৬০ হাজার টাকা) মানুষের থাকার কথা থাকলেও সঠিক যাচাই-বাছাই না থাকায় অযোগ্যরাও এতে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন। জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ বলছে যে তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখবে।
চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশি, উৎপাদন খরচ মাত্র ১০ টাকা তবু আলুর কেজি ৬০ টাকা— বণিক বার্তা পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি। এখানে বলা হয়েছে, দেশে আলুর সর্বোচ্চ বার্ষিক চাহিদা ৮০ লাখ টন। আর সদ্য বিদায় নেয়া ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশে আলু উৎপাদন হয়েছে এক কোটি ১০ লাখ টনের কাছাকাছি।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের এ পরিসংখ্যান বলছে, গত অর্থবছরে বাংলাদেশে আলু উৎপাদন হয়েছে চাহিদার চেয়ে অন্তত প্রায় ৩০ লাখ টন বেশি। আর কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে, এসব আলু উৎপাদনে কেজিপ্রতি খরচ পড়ে মাত্র ১০ টাকা ৫১ পয়সা। অথচ খুচরা বাজারে এখন প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা দরে।
দেশে এ মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি মূল্য অস্থিতিশীলতার মধ্য দিয়ে যাওয়া পণ্যগুলোর অন্যতম আলু। গত অর্থবছরেও পণ্যটির মূল্যে দেখা গেছে বড় ধরনের অস্থিতিশীলতা। নানা পদক্ষেপেও বাজার নিয়ন্ত্রণে না আসায় এক পর্যায়ে আলু আমদানির অনুমতি দিয়েছিল সরকার। এ আমদানি উন্মুক্ত আছে এখনো। এরপরও বাজারে পণ্যটির দাম এখন গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২০-২৫ টাকা বেশি।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য সঠিক হলে উৎপাদনের পর ১০-১৫ শতাংশ নষ্ট হওয়ার পরও দেশে উদ্বৃত্ত আলু থাকার কথা। আবার আমদানিতেও বাধা নেই। সে হিসেবে দামও কম হওয়ার কথা। কিন্তু বাজারের চিত্র বলছে ভিন্ন কথা।
গ্যাস উৎপাদন সর্বনিম্ন পর্যায়ে— দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি। এখানে বলা হয়েছে যে দেশে গ্যাস সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। গ্যাস না থাকার অনেক শিল্প কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। গাড়িতে সিএনজি না পেয়ে বিপাকে গাড়ির মালিক, চালক ও যাত্রীরা। অনেক বাসাবাড়িতে গ্যাস সরবরাহ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে বা দিনের কিছু অংশে ঢিমেতালে জ্বালানো যায় রান্নার চুলা।
পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা যায়, দেশে দৈনিক ৪১০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা রয়েছে। এর বিপরীতে আমদানিসহ ৩১০ থেকে ৩২৫ কোটি গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটির। এ পরিমাণ গ্যাস সরবরাহ করলে মোটামুটিভাবে ঘাটতি ব্যবস্থাপনা করতে পারে গ্যাস বিতরণ সংস্থাগুলো।
তবে আর্থিক সংকটের কারণে গত দুই বছর ধরে আমদানিও কমাতে হয়েছে এবং স্থানীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলোতেও এখম আগের চেয়ে কম গ্যাস উৎপাদন হয়।
জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর মজুদ শূন্য— দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি। এখানে বলা হয়েছে, দেশে সরকারি পর্যায়ে জন্মনিয়ন্ত্রণ উপকরণ এবং মা-শিশু স্বাস্থ্য ও কিশোরী প্রজনন স্বাস্থ্যসেবার ওষুধের তীব্র সংকট চলছে।
পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রে বিনামূল্যে মা ও শিশুদের এসব সামগ্রী সরবরাহ করে। বর্তমানে নয় ধরনের উপকরণ ও ওষুধ কোনও উপজেলা গুদামে নেই। গত পাঁচ মাসেরও বেশি সময় ধরে এসব সামগ্রীর সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। আট ধরনের সামগ্রীর মজুদ শূন্যপ্রায়। এ ছাড়া অন্যান্য সামগ্রীর মজুদও চাহিদা ও সরবরাহ অনুপাতে কম।
পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের একজন বিভাগীয় পরিচালক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কমপক্ষে ছয় মাসের ও সর্বোচ্চ ১০ মাসের মজুদ থাকতে হয়। এটা আদর্শ মান। এটা মেনেই আমরা সরবরাহ করি ও এসব উপকরণ-ওষুধ কিনতে হয়, যাতে মজুদশূন্য না হয়। কিন্তু সঠিক সময়ে এসব সামগ্রী কেনা হয়নি বলেই মজুদ শেষ হয়ে গেছে। এ কেনাকাটা নিয়ে অনেক কথা হয়েছে। কিন্তু কাজ হয়নি।
ACC to sue Sadeeq Agro, livestock officials— নিউ এজ পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি। এখানে বলা হয়েছে, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে সাদিক এগ্রোর মালিক ইমরান হোসেন ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করতে যাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
কমিশনের সহকারী পরিচালক আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে কমিশনের একটি দল একটি তদন্ত সম্পন্ন করেছে এবং একটি মামলা দায়েরের সুপারিশ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তা মতিউর রহমানের ছোট ছেলের কাছে ১২ লাখ টাকা মূল্যের একটি ছাগল বিক্রি করার জন্য সাদিক অ্যাগ্রো লিমিটেড সম্প্রতি তদন্তের আওতায় এসেছে।