'শুরুতেই হোঁচট এনসিপির'

পত্রিকা
ছবির ক্যাপশান, আজ ঢাকা থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকা
Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

শুরুতেই হোঁচট এনসিপির— যুগান্তর পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ব্যাপক জনপ্রত্যাশা সৃষ্টি করে সম্প্রতি আত্মপ্রকাশ করলেও দল গঠনের প্রথম দিন থেকে বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না এর।

সঙ্গে নানামুখী অভিযোগের চাপও ঘিরে ধরেছে তারুণ্যনির্ভর এ দলটিকে।

এনসিপিকে নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম নেওয়ার পেছনে সুনির্দিষ্ট কিছু কারণ চিহ্নিত করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

যার মাঝে অন্যতম হলো— বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্ল্যাটফর্মকে কাজে লাগিয়ে রাজনৈতিক দল গঠন করা, গণ-অভ্যুত্থানে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোদ্ধাদের অবমূল্যায়ন, শহীদ পরিবারসহ আহতদের পাশে সক্রিয়ভাবে না থাকা এবং দল গঠনের সময় শুধু একটি কোরগ্রুপকে প্রাধান্য দেওয়া।

এছাড়া, দল পরিচালনার তহবিল গঠন প্রশ্নে জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী সব প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট না করা, সেনাবাহিনীর সঙ্গে ইনহাউস বৈঠকের তথ্য প্রকাশ্যে আনা এবং সর্বোপরি দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে একে অপরের বিরুদ্ধে মন্তব্য করার ঘটনাও এই তালিকায় রয়েছে।

বিশ্লেষকদের অনেকে মনে করেন, এভাবে এনসিপিকে যদি একের পর এক বিতর্ক ঘিরে ধরে এবং দেশবাসীকে আরও আশাহত হতে হয় তাহলে নতুন এ দলটির পথচলা কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে উঠতে পারে।

আর, যেহেতু এ দলের সঙ্গে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা জড়িত, সেহেতু এ দলের যে কোনো নেতিবাচক দিক বর্তমান প্রেক্ষাপটে নানান সংকট তৈরি করবে।

যুগান্তর
ছবির ক্যাপশান, যুগান্তর

সেনাবাহিনীকে জনগণের মুখোমুখি করার চেষ্টা হচ্ছে: বিএনপি— সংবাদ পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে বিপন্ন করার ষড়যন্ত্র চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা।

সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করতে জনগণের মুখোমুখি করিয়ে দেয়ার হীন চেষ্টা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাদের। এ অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সবাইকে সতর্ক থাকতে আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

গতকাল ঢাকার ইস্কাটনের লেডিস ক্লাবে অনুষ্ঠিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন তারা। দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও সংবাদকর্মীদের জন্য এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিএনপির মিডিয়া সেল। ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। সেনাবাহিনীকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়ার চেষ্টা হচ্ছে এমন অভিযোগ করে তিনি বলেন, "কয়েক দিন আগেও আমরা দেখেছি, সংস্কার এবং নির্বাচনকে মুখোমুখি দাঁড় করানো হচ্ছে, ঠিক একইভাবে সেনাবাহিনীকে জনগণের মুখোমুখি করানোর চেষ্টা হচ্ছে। এর পেছনে নিশ্চয়ই কোনো ষড়যন্ত্র আছে।"

সংবাদ
ছবির ক্যাপশান, সংবাদ
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

ঈদে টোলঘরে যানজটের শঙ্কা, স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার ব্যবহার কম— প্রথম আলো পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। খবরটিতে বলা হয়েছে, বড় ছুটি ও উৎসবের সময় টোলঘরকেন্দ্রিক দীর্ঘ যানজট দেখা যায় বাংলাদেশে এবার ঈদেও যানজটের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিদ্যুৎ বিল দিতে এখন আর মানুষকে ব্যাংকে গিয়ে লাইন ধরতে হয় না। কিন্তু সেতু ও সড়কের টোল দিতে গিয়ে এখনও টোলঘর বা বুথে যানজট তৈরি হয়। যদিও দেশে স্বয়ংক্রিয় টোলব্যবস্থা চালু হয়েছে আরও পাঁচ-ছয় বছর আগে। তবে তার ব্যবহার নেই বললেই চলে।

দেশে মূলত সড়ক, উড়ালসড়ক ও সেতু থেকে টোল আদায় করা হয়। এসব স্থাপনার বেশির ভাগই সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের এবং সেতু বিভাগের অধীন।

বিশ্বের উন্নত ও উন্নয়নশীল অনেক দেশেই টোল আদায় করা হয় স্বয়ংক্রিয়ভাবে। বাংলাদেশে এ ব্যবস্থা চালুর জন্য বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ২০১৩ সালে ডিজিটাল নম্বরপ্লেট ও আরএফআইডি (রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি শনাক্তকরণ) স্টিকার চালু করে।

দেশের সব ধরনের মোটরযানের জন্য তা বাধ্যতামূলকও করা হয়েছে। যানবাহনের মালিকেরা বাড়তি টাকা দিয়ে ডিজিটাল নম্বরপ্লেট ও আরএফআইডি স্টিকার যুক্ত করেছেন। কিন্তু তা কাজে লাগছে না।

প্রথম আলো
ছবির ক্যাপশান, প্রথম আলো

Yunus' China visit likely to seal $138m healthcare grant, অর্থাৎ ইউনূসের চীন সফরে চূড়ান্ত হতে পারে ১৩৮ মিলিয়ন ডলারের স্বাস্থ্যসেবা অনুদান— দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।

এখানে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুসের আসন্ন চীন সফরে বাংলাদেশ ও বেইজিংয়ের মধ্যে এক বিলিয়ন ইউয়ান অনুদানের একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে বলে আশা করছে সরকার।

প্রায় ১৩৮ মিলিয়ন ডলার বা এক হাজার ৬৭৮ কোটি টাকার সমমানের এই অর্থ দুই দেশের যৌথভাবে নির্বাচিত প্রকল্পগুলোর জন্য বরাদ্দ থাকবে, যার মধ্যে বাংলাদেশে একটি বিশ্বমানের হাসপাতাল নির্মাণও অন্তর্ভুক্ত।

গত বছরের জুলাইয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেইজিং সফরের সময় চীন এই অনুদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো। তবে গত অগাস্টে গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তার সরকারের পতনের পর এ বিষয়ে আর কোনো অগ্রগতি হয়নি।

এখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সেই প্রতিশ্রুত অর্থ নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

আগামী ২৬শে মার্চ দুপুরে ঢাকা থেকে চীনে যাবেন প্রধান উপদেষ্টা। এরপর দেশটির হাইনান প্রদেশের বোয়াও-তে বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়ার (বিএফএ) সম্মেলনে যোগ দেবেন তিনি।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড
ছবির ক্যাপশান, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

Northerners may hit snags on roads this Eid holiday বা ঈদযাত্রায় দীর্ঘ যানজটের মুখে পড়তে পারে উত্তরঙ্গের মানুষ — ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।

এখানে বলা হয়েছে, প্রিয়জনদের সাথে ঈদ উদযাপন করার জন্য অনেকেই ইতোমধ্যে ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছেন। এখন পর্যন্ত প্রায় সবার যাত্রাই ছিল স্বস্তিদায়ক।

পরিবহন মালিক ও রেল কর্মকর্তারা বলছেন, দীর্ঘ ছুটির কারণে এবারের ঈদযাত্রা তুলনামূলক স্বস্তির হতে পারে।

তবে ধীরে ধীরে ঘরমুখো মানুষের ঢল বাড়বে, বিশেষ করে আগামী ২৭ ও ২৯শে মার্চ। ওই সময় সঠিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত না করা গেলে উত্তরবঙ্গের মানুষ দীর্ঘ যানজটে পড়তে পারে।

কারণ বর্তমানে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের এবং ঢাকা-রংপুর ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক সম্প্রসারণ প্রকল্পের নির্মাণকাজ চলছে, যা সড়কে বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে। এক্ষেত্রে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন না করা হলে যানজট আরও তীব্র হতে পারে।

এছাড়া, এ সময় যদি পোশাক শ্রমিকদের মতো আর কেউ সড়ক অবরোধ করে, তাহলে ঈদযাত্রা আরও ভোগান্তিময় হতে পারে বলে মনে করছেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।

দ্য ডেইলি স্টার
ছবির ক্যাপশান, দ্য ডেইলি স্টার

কালের কণ্ঠ পত্রিকা প্রধান শিরোনাম করেছে, 'সংস্কারে আশা-নিরাশা'। এখানে বলা হয়েছে, অনেক বিষয়ে এক দলের চাওয়ার সঙ্গে অন্য দলের চাহিদা মিলছে না। আশা-নিরাশার এই দোলাচলে সংস্কার কতটা সম্পন্ন হবে, তা নিয়ে জনপরিসরে নানামুখী আলোচনা চলছে।

ঐকমত্য কমিশন ১৬৬টি সুপারিশের ওপর রাজনৈতিক দলের মতামত নিচ্ছে। এর মধ্যে ৭০টি সংবিধান সংক্রান্ত, ২৭টি নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার সংক্রান্ত। বিচার বিভাগসংক্রান্ত ২৩টি, জনপ্রশাসন সংক্রান্ত ২৬টি ও ২০টি দুর্নীতি দমন কমিশন সংক্রান্ত।

এই সুপারিশে একমত, আংশিক একমত ও ভিন্নমতে 'টিক' চিহ্ন দিয়ে জানাতে 'স্প্রেডশিট' দেওয়া হয়েছে। তবে এর বাইরেও মতামত রাখছে দলগুলো।

নির্বাচনের আগে সংস্কারকাজ কতটা সম্পন্ন করা সম্ভব— এ প্রশ্নে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য এবং নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, "আমি মনে করি, ডিসেম্বরে জাতীয় নির্বাচন হলেও নির্বাচনকে সহায়তা করবে এমন অনেক সংস্কার প্রস্তাব নির্বাচনের অনেক আগেই বাস্তবায়ন করা সম্ভব। যে প্রস্তাবগুলো সম্পর্কে ভিন্নমত আসছে সেগুলো হয়তো বাস্তবায়ন হবে না...কিছু সংস্কার নির্বাচনের পরে করতে হবে।"

কালের কণ্ঠ
ছবির ক্যাপশান, কালের কণ্ঠ

সংস্কার হবে অধ্যাদেশে, পরে সংবিধান সংশোধন— দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, পাঁচটি সংস্কার কমিশনের দেওয়া সুপারিশগুলোর মধ্য থেকে ১২১টি প্রস্তাব আশু বাস্তবায়নের জন্য চিহ্নিত করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।

এর মধ্যে দু'টি বিষয় রয়েছে, যেগুলো বাস্তবায়নের জন্য সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন পড়বে। কিন্তু সরকার এ দুটি বিষয়ও অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এর একটি নিয়ে ইতিমধ্যে অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে সংবিধান সংশোধন করে ওই বিষয়গুলো নতুন অনুচ্ছেদের মাধ্যমে সংবিধানে সংযোজন করা হবে বলে জানা গেছে।

সংবিধান সংশোধন করে বাস্তবায়নযোগ্য বিষয়ে অধ্যাদেশ জারির বিষয়টি ভবিষ্যতে প্রশ্নের মুখে পড়বে বলে মনে করেন আইন বিশেষজ্ঞরা।

তারা বলছেন, গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী বিশেষ পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে। এ সরকারের নিজেরই সাংবিধানিক বৈধতা নেই। এখন সংবিধান সংশোধন করতে হবে, এমন সিদ্ধান্ত অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়ন হলে প্রশ্ন দেখা দিতে পারে।

আজকের পত্রিকা
ছবির ক্যাপশান, আজকের পত্রিকা

চিকিৎসকের ৭৫ শতাংশ পদ শূন্য— দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।

এখানে বলা হয়েছে, দেশের ৪৩৫টি উপজেলা হাসপাতালের ৪৭ শতাংশ চিকিৎসকের পদ শূন্য। যে ৫৩ শতাংশ চিকিৎসক আছে, এর মধ্যে ২৮ শতাংশ চিকিৎসককে সংযুক্তি করা হয়েছে সদর হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ অন্যান্য সরকারি হাসপাতালে।

সে হিসেবে এই মুহূর্তে উপজেলা হাসপাতালগুলোর ৭৫ শতাংশ চিকিৎসকের পদই ফাঁকা। অর্থাৎ, মাত্র ২৫ শতাংশ চিকিৎসক দিয়ে চলছে স্বাস্থ্যসেবার কাজ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ ১১ই মার্চের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকদের তথ্য বিশ্লেষণ করে এমন চিত্র পাওয়া গেছে। এসব হাসপাতালের চিকিৎসকরা বলেছেন, চিকিৎসকের অভাবে তৃণমূল মানুষের স্বাস্থ্যসেবা দিতে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

দেশ রূপান্তর
ছবির ক্যাপশান, দেশ রূপান্তর

দ্রুত বিচারে ট্রাইব্যুনালের সামনে বিক্ষোভ— নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।

এখানে বলা হয়েছে, দ্রুত বিচারের দাবিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে নিহত পরিবারের সদস্যরা।

গতকাল বেলা ১টার পর জুলাই-২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটির ব্যানারে অবস্থান নেন তারা। বেলা পৌনে ৪টা পর্যন্ত তারা ট্রাইব্যুনালের গেটের সামনে অবস্থান করেন। এ সময় তারা ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের পদত্যাগ দাবিতে স্লোগান দেন।

নিহতদের পরিবারের সদস্যরা বলেন, আট মাস অতিবাহিত হলেও এখনো হত্যার বিচার হচ্ছে না। আমরা সুষ্ঠু বিচার চাই। বিচারের নামে রঙ্গমঞ্চ ও তামাশা করা হচ্ছে। শেখ হাসিনাকে দেশে নিয়ে এসে ফাঁসির মঞ্চে দাঁড় করাতে হবে।

শুরুতে দুপুর দেড়টার দিকে ট্রাইব্যুনালের গেটের সামনে জুলাই মঞ্চের ব্যানারে একটি মিছিল নিয়ে আসা হয়। জুলাই হত্যার বিচার ও আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবি জানান তারা।

নয়া দিগন্ত
ছবির ক্যাপশান, নয়া দিগন্ত

আট মাসে সরকার পেয়েছে ২.৩ বিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি — এটি বণিক বার্তা পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর নতুন করে বিদেশি সহায়তা বৃদ্ধির প্রত্যাশা তৈরি হয়।

তবে চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) বৈদেশিক ঋণের নতুন প্রতিশ্রুতি কমে গেছে। দাতাগোষ্ঠীর কাছ থেকে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় নতুন ঋণের প্রতিশ্রুতি কমেছে ৬৮ শতাংশ। কমে গেছে অর্থছাড়ও।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) তথ্যানুসারে, চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে বহুপক্ষীয় ও দ্বিপক্ষীয় ঋণের প্রতিশ্রুতি এসেছে কেবল দুই দশমিক তিন বিলিয়ন ডলারের।

অথচ গত অর্থবছরের একই সময়ে সাত দশমিক দুই বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি এসেছিলো। সে হিসাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে পাঁচ বিলিয়ন ডলারের মতো প্রতিশ্রুতি কমেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ছাড়া দেশের উন্নয়নে বৈদেশিক ঋণের নতুন প্রতিশ্রুতি আশা করে লাভ নেই। নির্বাচিত সরকারের নীতি ও অগ্রাধিকার চিন্তাভাবনা বিশ্লেষণ করেই মূলত বিদেশিরা দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন করেন।

আর নতুন প্রকল্প তৈরি করা না গেলে বিদেশী প্রতিশ্রুতি মেলে না। দাতারা দেশের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। সেই সঙ্গে হয়তো '‌ওয়েট অ্যান্ড সি' পলিসি গ্রহণ করেছে।

বণিক বার্তা
ছবির ক্যাপশান, বণিক বার্তা