পত্রিকা: 'কামালকে দিয়ে প্রত্যর্পণ শুরুর আশা বাংলাদেশের'

কামালকে দিয়ে প্রত্যর্পণ শুরুর আশা বাংলাদেশের— আজকের পত্রিকার প্রধান সংবাদ এটি।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ অভিযুক্ত অন্যান্য আওয়ামী লীগ নেতাদের ভারত থেকে ফেরানোর চেষ্টা চালাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার।
শুরুতেই দেশটি আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণ করবে বলে আশা করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
এদিকে, দণ্ডের পর শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে বাংলাদেশ সরকারের দেওয়া চিঠি ভারত পরীক্ষা করছে বলে গত বুধবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের এমন বক্তব্যের অর্থ হলো, আলোচনার রাস্তা খোলা রাখা আছে। তারা হয়তো বিষয়টিকে কার্ড হিসেবে ব্যবহার করবে। এ ক্ষেত্রে ভারতের স্বার্থ অগ্রাধিকার দেওয়ার নিশ্চয়তা পেলে হয়তো আসাদুজ্জামান খান কামালসহ অন্যদের ফেরত দিতে পারে দেশটি।
আর সমঝোতা ইতিবাচক না হলে ভারত বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখবে।
এদিকে, সম্প্রতি ভারত সফর করেছেন বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। সেখানে তিনি দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন।
এছাড়া, সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশে বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের একটি বৈঠক হয়েছে বলেও নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
গোয়েন্দা প্রতিবেদনের তথ্য: নির্বাচনে আট ঝুঁকি, দশ পরামর্শ— যুগান্তরের প্রথম পাতার একটি সংবাদের শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার ক্ষেত্রে আটটি ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ দেখছেন গোয়েন্দারা।
এগুলোর মধ্যে রয়েছে— রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আন্ত ও অন্তর্কোন্দল, উদ্ধার না হওয়া পুলিশের লুণ্ঠিত অস্ত্র, চরমপন্থি গ্রুপ ও পার্বত্য এলাকার সশস্ত্র গোষ্ঠী, সংখ্যালঘু ইস্যু ও ধর্মীয় অপপ্রচার, জামিনপ্রাপ্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী, আসনভিত্তিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এবং এআই ব্যবহার করে গুজব ও অপপ্রচার।
সরকারের উচ্চপর্যায়ে একটি বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থার পাঠানো এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনগুলোতে যেসব আসনে আওয়ামী লীগ সবসময়ই জয়লাভ করেছে, সেসব আসনে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে নানা প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হতে পারে।
গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, অতীতে ১০ হাজারের কম সংখ্যক ভোটের ব্যবধানে যেসব আসনে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে, সেসব আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলো ফলাফল পক্ষে নেওয়ার অপচেষ্টা থেকে সংঘাত-সংঘর্ষ বাড়তে পারে।
অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে গোয়েন্দারা বেশকটি সুপারিশও করেছে।
যার মধ্যে আছে, লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ অভিযান; শীর্ষ সন্ত্রাসীদের বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা; সংখ্যালঘু ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন; তারা প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে যাতে কোনো ধরনের বাধার সম্মুখীন না হন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংঘাত-সহিংসতা এড়াতে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করা ইত্যাদি।

খালেদা জিয়া অত্যন্ত সংকটাপন্ন— কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, তার দলের চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন।
খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে গতকাল বৃহস্পতিবার সারাদেশের মসজিদে দোয়ার আয়োজন করে বিএনপি। এর মধ্যে রাজধানীর একটি মসজিদে দোয়ার আয়োজনে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসও খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
খালেদা জিয়ার অসুস্থতার খবরে দলটির নেতাকর্মীরা উদ্বিগ্ন।
তিনি ভর্তিকৃত এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে সাধারণ মানুষকেও ছুটে যেতে দেখা গেছে গতকাল রাতে।
খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনির জটিলতাসহ নানা ধরনের অসুস্থতায় ভুগছেন।
সর্বশেষ গত ২৩ নভেম্বর রাতে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া।

তারেক রহমান দেশে ফিরতে পারেন দ্রুতই— প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় দ্রুতই দেশে ফিরতে পারেন ছেলে তারেক রহমান।
দলটির সূত্রে এমন আভাস পাওয়া গেছে।
তবে ঠিক কখন তিনি ফিরবেন, তা নিশ্চিত করে জানা যায়নি।
এদিকে, আগামী ডিসেম্বর মাসের শুরুতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার কথা রয়েছে। সে সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দেশে ফেরার একটি সম্ভাব্য তারিখ আলোচনায় ছিল।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির উচ্চপর্যায়ের একজন নেতা গত বৃহস্পতিবার প্রথম আলোকে বলেছিলেন, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তারেক রহমান দেশে ফিরতে পারেন। দেশে ফিরেই তিনি ভোটার হবেন এবং নির্বাচনী প্রচারে যুক্ত হবেন।
তার প্রত্যাবর্তন ঘিরে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ঢাকায় তার নিরাপত্তা, বাসভবন সংস্কার, সজ্জাসহ যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

অর্থনীতির বড় চাপ ভুল জ্বালানি ও বিদ্যুৎনীতি— বণিক বার্তার প্রধান খবর এটি।
এতে বলা হয়েছে, চাহিদা না থাকলেও গত ১৫ বছরে দেশে ক্রমান্বয়ে বাড়ানো হয়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা। বাড়তি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যাপাসিটি চার্জ মেটাতে অর্থের সংকুলান করতে পারছে না বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)।
এ অর্থের জন্য তাদের নির্ভর করতে হচ্ছে সরকারের ওপর।
এ ধরনের আমদানিনির্ভর ও ভুল নীতি অনুসরণ করতে গিয়ে অর্থনীতিতে ব্যবসা-বাণিজ্যের ব্যয় ক্রমাগতভাবে বাড়ছে।
এতে উদ্যোক্তারা বিনিয়োগ করে ভোগান্তিতে পড়ছেন, নতুন বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত হচ্ছে।
অন্যদিকে, ভোক্তাকে ক্রমাগতভাবে মূল্যবৃদ্ধির চাপে পড়তে হচ্ছে।
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী সরকার জ্বালানি খাতে যে বকেয়ার চাপ রেখে গিয়েছিল, অন্তর্বর্তী সরকারও সেই বকেয়ার চাপ থেকে বের হতে পারছে না।
ফলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ভুল নীতি দেশের অর্থনীতির জন্য বড় চাপ তৈরি করেছে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।

ইংরেজি দৈনিক ঢাকা ট্রিবিউনের প্রথম পাতার খবর— Vandalism, scuffles at 'Ganer Artanad' event demanding justice for baul artists; অর্থাৎ বাউলদের ওপর হামলার ঘটনায় বিচারের দাবিতে 'গানের আর্তনাদ' অনুষ্ঠানে ভাঙচুর, হাতাহাতি।
এই খবরে বলা হয়েছে, সারাদেশে বাউলদের ওপর হামলা ও কারাবন্দী বাউল আবুল সরকারের মুক্তির দাবিতে আয়োজিত প্রতিবাদী গানের অনুষ্ঠানে ভাঙচুর ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।
রাজধানীর শাহবাগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনে গতকাল শুক্রবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
'গানের আর্তনাদ' অনুষ্ঠান চলাকালে জুলাই মঞ্চের কয়েকজন সদস্য এই হামলা চালায় বলে অভিযোগ আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীদের।
তাদের অভিযোগ, ওসমান হাদীর নেতৃত্বে চলা 'কনসার্ট ফর ঢাকার' অনুষ্ঠান থেকে কিছু 'স্বেচ্ছাসেবক' জুলাই মঞ্চের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এই হামলা চালায়। ঘটনার একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
তারও আগে, জুলাই মঞ্চের লোকেরা ঝড়ো হয়ে ব্যানার ছিড়ে ফেলার অভিযোগও এসেছে।
প্রসঙ্গত, এদিন শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে 'ধর্মীয় মূল্যবোধে আঘাতকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা' এবং 'জাতীয় সম্প্রীতি বিনষ্টে উদ্ভূত সাংস্কৃতিক চক্রান্ত প্রতিরোধে জুলাই সমাবেশ'-এর আয়োজন করে জুলাই মঞ্চ।
জুলাই মঞ্চের অনুষ্ঠানে উপস্থিত মাসুম বিল্লাহ বলেন, 'পাশে আমরা আমাদের কর্মসূচিতে ছিলাম এবং তাদের বুঝিয়েছি ধর্ম নিয়ে কটূক্তিকারীদের পক্ষ নিয়ে যাতে কোনো অনুষ্ঠান না করে। কিন্তু তারা তা শোনেনি। এরা যেকোনো পরিস্থিতিতে মেয়েদের সামনে দিয়ে এগিয়ে আসে। এরা মেয়ে নয়, সন্ত্রাসী, তাদের সামনে দিয়ে তারা আক্রমণ চালিয়েছে।'
End of বিবিসি বাংলার অন্যান্য খবর:

Dhaka air 'unhealthy' despite joint efforts; অর্থাৎ যৌথ প্রচেষ্টা সত্ত্বেও ঢাকার বাতাস 'অস্বাস্থ্যকর'— নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট সরকারের অন্যান্য সংস্থা গত নভেম্বরের শুরুর দিকে যৌথভাবে কাজ শুরু করলেও টানা তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ঢাকার বাতাস 'অস্বাস্থ্যকর' রয়েছে।
এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহন এবং ইটভাটার বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, নির্মাণ সামগ্রী হিসেবে ব্যবহৃত বালির উন্মুক্ত মজুদ রোধ এবং রাস্তায় পানি ছিটানো হয়।
বাতাসের মান পর্যবেক্ষণকারী বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ধুলো উৎপন্নকারী কার্যকলাপ এবং ফিটনেসবিহীন মোটরচালিত যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, সবুজ জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো এবং আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা গ্রহণ না করলে বাংলাদেশের রাজধানীতে বায়ু দূষণ একটি গুরুতর সমস্যা হিসেবেই থেকে যাবে।

নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার একটি খবর— মানবপাচার মামলায় সাড়ে ৪ বছরে ৯৫ শতাংশ আসামি খালাস।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দৈনিকটির কাছে আসা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত সাড়ে চার বছরে গড়ে ৯৫ শতাংশ মানবপাচার মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন দুস্কৃতিকারীরা।
এর মধ্যে ২০২০ সালে নিষ্পত্তি হওয়া ১৪টি মামলার ১৩টি মামলা খালাস পায়, যার মধ্যে ৪৩ জন আসামি খালাস পায়।
২০২১ সালে নিষ্পত্তি হওয়া দুটি মামলায়ই খালাস পায়।
২০২২ সালে নিষ্পত্তি হওয়া ৩৪টি মামলার সবকটিতেই খালাস পাওয়া যায়, যার মধ্যে ১৫০ জন অভিযুক্ত ছিলেন।
২০২৩ সালে মামলার পরিমাণ বেশ বাড়ে, ৪৩৬টি মামলার মধ্যে ৪১৫টি খালাস পাওয়া যায় এবং এক হাজার ৬১৭ জন অভিযুক্তকে খালাস দেয়া হয়।
২০২৪ সালে আদালত ৩৬৩টি মামলা নিষ্পত্তি করে, যার মধ্যে ৩৪২টি খালাস পাওয়া যায়। ওই মামলাগুলোতে ১ হাজার ২৫০ জন অভিযুক্তকে মুক্তি দেয়।
২০২৫ সালের প্রথম ছয় মাস এই ধারা অব্যাহত থাকে। যেখানে ১৪১টি মামলার মধ্যে ১৩২টি খালাস পাওয়া যায়, ৫৩৫ জন অভিযুক্তকে মুক্তি দেওয়া হয়।
এদিকে, পাচার ঠেকাতে সরকার ভুক্তভোগী এবং তাদের পরিবারের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য একটি নতুন আইন চূড়ান্ত করেছে। নতুন আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

সমকালের প্রধান প্রতিবেদনের শিরোনাম— বিলবোর্ডে নির্বাচনী প্রচার, বৈষম্যের নতুন বিজ্ঞাপন।
এই খবরে বলা হয়েছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীরা পোস্টারের পরিবর্তে বিলবোর্ড বসিয়ে প্রচার চালাতে পারবেন। একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২০টি বিলবোর্ড স্থাপন করতে পারবেন।
তবে বিলবোর্ডে প্রচার চালানোর বিষয়ে এরই মধ্যে কিছু প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
বিত্তশালী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বিলবোর্ড বসানোর খরচ সামলানো কঠিন না হলেও অন্যদের জন্য এর ব্যয় বহন করা কঠিন হবে। ফলে নির্বাচনী প্রচারে বৈষম্য তৈরি হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
পাশাপাশি রাজধানী ঢাকাসহ শহরগুলোতে বিলবোর্ড স্থাপনের মতো পর্যাপ্ত স্থান আছে কি না, নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হবে কি না, সিটি করপোরেশন এ থেকে রাজস্ব পাবে কি না— এসব প্রশ্নও উঠেছে।
বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরা জানান, একটি আসনে যদি ১০ জন প্রার্থী থাকেন, তাহলে জনবহুল ঢাকা মহানগরীতে ২০০ বিলবোর্ড বসানোর মতো স্থান পাওয়া কঠিন হবে। আর মহানগরীর ১৬টি সংসদীয় আসনে তিন হাজারের বেশি বিলবোর্ড বসানো হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে।
তাছাড়া, প্রার্থীদের মধ্যে পছন্দের স্থান নিয়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে।

গ্রামে আ.লীগ সক্রিয় টেলিগ্রামে— দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার প্রতিবেদন এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ তৃণমূলের নেতাকর্মীরা প্রচলিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো থেকে বেরিয়ে নতুন করে যুক্ত হচ্ছেন টেলিগ্রামে।
দেশের গোয়েন্দাসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সূত্র বলছে, টেলিগ্রামে ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও থানাভিত্তিক ভিন্ন ভিন্ন গ্রুপ করে কর্মী-সমর্থকদের যুক্ত করা হচ্ছে। তাদের চাঙ্গা রাখতে বিভিন্ন ভরসামূলক ভাষণও দেওয়া হয়।
বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের কার্যক্রম বিষয়েও সমালোচনা করা হয় ওই গ্রুপগুলোতে।
সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এক সময়ে কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীরা টেলিগ্রামের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখতেন। এখন তৃণমূলদেরও এ প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করা হচ্ছে।
টেলিগ্রাম অনেক নিরাপদ হওয়ায় এ মাধ্যমটি বেছে নিচ্ছেন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা।
জানা যাচ্ছে, দলটির ক্রান্তিকালে কর্মী-সমর্থকের খোঁজখবর না রাখলে দলটি আরও নিঃস্ব হয়ে পড়ার শঙ্কায় সবাইকে টেলিগ্রামে যুক্ত করা হচ্ছে।
তবে পুলিশ বলছে, অনলাইন প্ল্যাটফর্মেও নজর রয়েছে তাদের।









