'রিজার্ভ 'ডাকাতি'তে কর্মকর্তারা'

Published
পড়ার সময়: ৬ মিনিট

রিজার্ভ 'ডাকাতি'তে কর্মকর্তারা— আজ যুগান্তরের প্রধান খবর। হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ এক হাজার ৬২৩ ডলার লুটে কর্মকর্তাদেরও জড়িত থাকার কথা বলা হচ্ছে প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ফেডারেল রিজার্ভ অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে এসব অর্থ লুট করা হয়। এতে সব ধরনের সহায়তা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস ও বাজেটিং বিভাগের কর্মকর্তারা। তারা রিজার্ভের গোপন তথ্য সাইবার অপরাধীদের হাতে তুলে দেন।

জড়িত কর্মকর্তারাই অর্থ সরানোর নীলনকশা চূড়ান্ত করেন। ছক অনুযায়ী 'আরটিজিএস' নামে একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। এর সঙ্গে সুইফট প্রক্রিয়ার সংযোগ স্থাপন করে হ্যাকিংয়ের সূত্রপাত ঘটে।

সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিনের নেতৃত্বে গঠিত উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটির ৬১ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে এসব তথ্য। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীকে বলেছিল তদন্ত কমিটি। কিন্তু আট বছরেও জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

এতে আরও বলা হচ্ছে, হ্যাকিং করে রিজার্ভ থেকে অর্থ সরানোর পরিকল্পনা শুরু হয় ২০১৫ সালের ২৫শে মার্চ থেকে। গোপনীয়তা রক্ষা না করে সরকারের মাধ্যমে ফিলিপিন্স সরকারের কাছে পাঁচ বা ছয় ফেব্রুয়ারি বিষয়টি উত্থাপন করা যেত। যৌথ উদ্যোগ নিলে ফান্ড হস্তান্তর ঠেকানো সম্ভব হতো।

রিজার্ভ থেকে হাতিয়ে নেয়া অর্থের ১৮ মিলিয়ন ডলার উদ্ধার করা হলেও বাকি অর্থ এখনও বেহাত। এই মহাচুরির ঘটনা তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দেশ রূপান্তরের প্রধান খবর— নতুন চ্যালেঞ্জে রোহিঙ্গা সংকট

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারি হিসাবে গত পাঁচ মাসেই দেশে ৬০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করেছে। সীমান্তে অনুপ্রবেশের অপেক্ষায় লক্ষাধিক রোহিঙ্গা। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে প্রায় সাড়ে ১১ লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে।

সম্প্রতি সীমান্ত-সংলগ্ন মিয়ানমারের ২৭০ কিলোমিটার এলাকার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে আরাকান বিদ্রোহীরা। ফলে সীমান্ত নিয়েও উদ্বেগ তৈরির পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো নিয়ে নতুন চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলো আরাকান আর্মি দখলে নেয়ায় নির্বাচিত সরকার ছাড়া দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের গতিপথ নির্ধারণ বেশ কঠিন হবে।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এখন রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকানো জরুরি বলে মত তাদের। এজন্য সীমান্তে সতর্ক থাকার বিষয়ে কথা বলা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মত, আরাকান বিদ্রোহীদের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নেতিবাচক। ফেব্রুয়ারিতে বিদ্রোহীদের আক্রমণে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় তাদের শত্রুপক্ষ। তখন বাংলাদেশ সেই শত্রুপক্ষকে আশ্রয় দিয়েছিল। সেই দলে রোহিঙ্গা নেতারাও ছিলেন। তাছাড়া বিদ্রোহীরা রোহিঙ্গামুক্ত রাখাইন চায়।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী ছাত্ররা বিভিন্ন ইস্যুতে মাঠ গরম করে রেখেছেন। বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে নিজেদের 'রাজনৈতিক শক্তি' হিসেবে জানান দিতে চাইছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও সমমনা সংগঠন জাতীয় নাগরিক কমিটি।

তারা সরকারের নীতি ও কার্যকলাপের ওপর কিছু প্রভাব বিস্তারে সফল হলেও রাষ্ট্রপতির অপসারণ, সংবিধান বাতিলের দাবি ও 'জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র' প্রকাশের উদ্যোগসহ কয়েকটি ইস্যুতে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তাদের মধ্যে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছে।

বিএনপিসহ দলগুলোর অবস্থানকে 'রাজনৈতিক চাপ' বলা হচ্ছে আন্দোলনকারী ছাত্রদের তরফ থেকে। অন্যদিকে এই অভিযোগকে নাকচ করে দিয়ে সংকট সমাধানে আলোচনায় গুরুত্ব দিয়েছেন বিএনপির নেতারা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক সমন্বয়ক আজকের পত্রিকাকে বলেন, 'বিএনপি ছাত্রদের দাবিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। দলটি ছাত্রদের দাবির বিপরীতে দাঁড়িয়ে চাপ সৃষ্টি করছে।'

বিএনপির বিষয়ে ছাত্রদের এ মূল্যায়নের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ''তারা (ছাত্র) তো সংবিধান বাতিল চান। লাখ লাখ মানুষের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত যে সংবিধান, তা তো কেটে ফেলা যায় না, সংশোধন হতে পারে। এটাকে বাদ দেয়া তো মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করা।''

''অন্তর্বর্তী সরকার আলোচনায় বসার কথা বলেছে। আগে বসা হোক, তারপর কথা বলতে পারব''— এ-ও বলেন মি. টুকু।

মানবজমিনের প্রথম পাতার খবর— খালেদা জিয়ার সঙ্গে সেনাপ্রধানের সাক্ষাৎ।

এতে বলা হচ্ছে, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে তার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় গুলশানে খালেদা জিয়ার বাসভবনে (ফিরোজা) প্রবেশ করেন তিনি।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী সারাহনাজ কমলিকা। প্রায় ৪০ মিনিট তারা ফিরোজায় অবস্থান করেন।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, তখন বিএনপি চেয়ারপারসনের নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহি আকবর উপস্থিত ছিলেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন, সে দোয়া করেছেন সেনাপ্রধান।

চিকিৎসার জন্য আগামী সপ্তাহে খালেদা জিয়ার লন্ডনে যাওয়ার কথা রয়েছে। ৭৯ বছর বয়সী খালেদা জিয়া বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছেন।

ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে প্রকল্পের ব্যয় বাড়িয়ে অর্থ লুটপাট— নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম এটি।

এতে বলা হচ্ছে, উন্নয়ন প্রকল্পের নামে শেখ হাসিনা সরকারের আমলে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ হয়েছে। উন্নয়ন ব্যয় বাড়ানো হয়েছে দশ গুণ। প্রকল্পের মেয়াদ বেড়েছে সর্বোচ্চ এক যুগ। চলতি অর্থবছরের এডিপিতেই ৩৬টি প্রকল্পের বয়স ১০ বছরের বেশি।

আওয়ামী লীগের ২০০৯ থেকে ২০২৪ শাসনামলে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার বাড়ে আড়াই লাখ কোটি টাকার বেশি। এ সময় এডিপির মাধ্যমে প্রায় ৭ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা খরচ হয়েছে।

শ্বেতপত্র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এডিপির মাধ্যমে যত টাকা খরচ করা হয়েছে, এর ২৩ থেকে ৪০ শতাংশ অপচয় ও লুটপাট হয়ে গেছে। রাজনৈতিক চাঁদাবাজি, ঘুষ ও বাড়তি খরচ দেখিয়ে এই অর্থ লুটপাট করেছেন ক্ষমতাচ্যূত দলের প্রভাবশালী নেতা ও সুবিধাভোগীরা।

আর ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ২৩ হাজার ৪০০ কোটি ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে।

১৫ বছরে সবচেয়ে বেশি লুণ্ঠনের শিকার হয়েছে ব্যাংকিং ও ফিন্যান্সিয়াল, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ, ভৌত অবকাঠামো ও তথ্যপ্রযুক্তি খাত।

শীতের দাপটে কাঁপছে দেশ, আসছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ— সমকালের দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বছর শুরু হতে না হতেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে। রাজধানীসহ দেশের বেশিরভাগ স্থানে সকালে দেখা মিলছে না সূর্যের। ঘরের বাইরে গেলে শরীরে জাগছে কাঁপন। উত্তরের জনপদগুলোয় দিনের বেলায়ও আলো জ্বালিয়ে চলেছে যানবাহনগুলো।

আবহাওয়া অফিস বলছে, ডিসেম্বরে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকলেও এ মাসে শীত জাঁকিয়ে বসতে পারে। হতে পারে একাধিক তীব্র শৈত্যপ্রবাহ।

আবহাওয়াবিদ বজলুর রশীদ বলেছেন, এমন কুয়াশা আরও দু-তিন দিন থাকবে। এই সময়ে ঠান্ডা এখনকার মতোই থাকবে। এরপর কুয়াশা কেটে গেলে রাতের তাপমাত্রা ক্রমেই কমে শৈত্যপ্রবাহ আসতে পারে। জানুয়ারির ৬ থেকে ৭ তারিখের পর রাতের তাপমাত্রা কমে ১০ ডিগ্রির নিচে নেমে আসতে পারে।

আবহাওয়ার দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, জানুয়ারিতে একটি থেকে তিনটি মৃদু থেকে মাঝারি এবং একটি থেকে দুটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। আর এখন চুয়াডাঙ্গা ও পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

এতে বলা হচ্ছে, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) এক হাজার ৯৮৮ কোটি ৭৭ লাখ ডলারের পোশাক রফতানি হয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রফতানি হয়েছিল এক হাজার ৭৫৫ কোটি ৬৯ লাখ ২০ হাজার ডলারের।

বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) গতকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথমার্ধে দেশের তৈরি পোশাক খাতের রফতানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৩ দশমিক ২৮ শতাংশ।

জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন তীব্র হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশের শিল্প এলাকাগুলোর পোশাক কারখানায় ব্যাহত হয় উৎপাদন। আগস্টে গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে নিয়মিত বিরতিতে অস্থিরতা ও অসন্তোষ দেখা দেয় শিল্প অধ্যুষিত এলাকাগুলোয়। তাতে পোশাক রফতানির গতি শ্লথ হয়ে যাওয়ার বড় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল।

তবে প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলা করে গত ছয় মাসে উৎপাদন ও রফতানি কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন পোশাক শিল্পোদ্যোক্তা ও শ্রমিকরা।

রফতানি থমকে না যাওয়ার বড় একটি কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, বৈশ্বিক দুই পরাশক্তি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য বৈরিতার আশঙ্কা।

EC to verify voter list, অর্থাৎ ভোটার তালিকা যাচাই করবে নির্বাচন কমিশন— ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম এটি।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদের তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি বিদ্যমান ভোটার তাালিকাও যাচাই করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে এ সিদ্ধান্তকে অযৌক্তিক বলছেন দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি।

গতকাল বৃহস্পতিবার খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়। বর্তমানে দেশে ১২ কোটি ৩৬ লাখ ভোটার রয়েছেন।

ভোটার তালিকার তথ্য প্রকাশকালে ইসি সচিব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, তালিকা হালনাগাদ করতে ২০ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত জনগণের বাড়ি বাড়ি যাবে ইসি। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে ২০২৬ সালের ২ মার্চ।

ভোটার তালিকা সঠিক কি না তা জানার একমাত্র উপায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য নেয়া, বলছিলেন মি. সানাউল্লাহ।

গত ২ ডিসেম্বর ইসি জনগণের দোরগোড়ায় প্রতিনিধি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়ার পর থেকেই বিএনপি এর সমালোচনা করে আসছে।

কর বাড়ানোর উদ্যোগে ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা— প্রথম আলোর দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, হঠাৎ করে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট বাড়ানোর সিদ্ধান্তে সংশ্লিষ্ট খাতের ব্যবসায়ীরা বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তারা বলছেন, কোনও আলোচনা না করে ভ্যাট বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অবিবেচনাপ্রসূত। এতে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমবে। নতুন করে সংকটে পড়বে ব্যবসা-বাণিজ্য।

তবে, তাতে জিনিসপত্রের দামের ওপর তেমন প্রভাব পড়বে না বলে মনে করছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।

গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, 'অত্যাবশ্যকীয় সব পণ্যের শুল্ক কমিয়ে জিরো (শূন্য) করে দেয়া হয়েছে। আপনারা সেই ছাড়টা দেখবেন।'

এর আগে, গত বুধবার ৪৩টি পণ্য ও সেবায় ভ্যাট বাড়ানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। পাশাপাশি কিছু পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে সম্পূরক ও আবগারি শুল্ক বৃদ্ধিরও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।