বিজিএমইএ ভবন ভাঙ্গার নির্দেশ
- Author, শায়লা রুখসানা
- Role, বিবিসি বাংলা, ঢাকা
- Published
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় তৈরি পোশাক প্রস্ততকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি ভবন সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে দেশটির আদালত।

ছবির উৎস, no
আদালত বলেছে, বাংলাদেশের ইমারত নির্মান আইন এবং জলাশয় রক্ষা আইনের পরিপন্থী হওয়ায় রায়ের কপি হাতে পাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে ভবনটি ভেঙে ফেলতে হবে।
তৈরি পোশাক প্রস্ততকারক ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ-এর ওই ভবনটি রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায় অবস্থিত।
দুই জন বিচারপতির সমন্বয়ে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ ৯০ দিনের মধ্যে সব মালামাল সরিয়ে নিতে এবং তারপর ভবনটি ভেঙে ফেলার আদেশ দেয়।
হাইকোর্টের রায় সম্পর্কে সরকারের ডেপুটি এটর্নি জেনারেল এবিএম আলতাফ হোসেন বিবিসিকে জানান, আদালত তার রায়ে ভবনটিকে জলাশয় রক্ষা আইনের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করে।
এছাড়া আদালত বলে বিজিএমইএ যেহেতু একটি ব্যক্তিগত মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান এবং এটি উন্নয়ন কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত কোনও প্রতিষ্ঠান নয় তাই সরকার ওই প্রতিষ্ঠানকে কোনোভাবেই সরকারি জমি বরাদ্দ দিতে পারে না।
মি হোসেন বলেন, বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষ ভবনটির নকশা অনুমোদনের জন্য রাজউকের কাছে যেসব আবেদন করেছিল তার সবগুলোকেই অবৈধ বলে মত দিয়েছে আদালত।
এছাড়া দলিল সম্পাদন করার ক্ষেত্রেও প্রতারণার আশ্রয় নেয়া হয়েছে বলে আদালত তার রায়ে উল্লেখ করে বলে জানান ডেপুটি এটর্নি জেনারেল মি হোসেন।
প্রতারণার এ বিষয়গুলো তদন্ত এবং সে অনুয়ায়ী আইনগত ব্যবস্থা নিতেও আদালত পুলিশের মহাপরিদর্শক এবং ঢাকার জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিয়েছে।
এদিকে আদালতের রায়ের ব্যাপারে বিজিএমইএ সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দীন এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান যে রায়ের কপি হাতে পাওয়ার পর তারা পরবর্তী করণীয় ঠিক করবেন।
অবৈধভাবে নির্মাণের কারণে এর আগে ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিজয় সরণি মোড়ে নির্মিত ১৮ তলা র্যাংগস ভবনটি ভেঙে ফেলা হয়েছিল।








