এডিটার'স মেইলবক্স: শেখ হাসিনার সেতু সেলফি আর লোডশেডিং নিয়ে বিতর্ক

    • Author, সাবির মুস্তাফা
    • Role, সম্পাদক, বিবিসি নিউজ বাংলা
  • Published
  • পড়ার সময়: ৬ মিনিট

চলতি সপ্তাহে নানা খবরের মধ্যে একটি খবর নিয়ে বেশ আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে, আর তা হল পদ্মা সেতুতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সপরিবারে ছবি তোলার খবর। সেতু কর্তৃপক্ষ এর আগে ব্রিজে গাড়ি থামিয়ে ছবি তোলা নিষিদ্ধ করেছিল।

সে বিষয়ে লিখেছেন বরিশালের কাউনিয়া থেকে মোহাম্মদ সাইদুর রহমান:

''আমাদের দেশের সরকারি দলের রাজনীতিবিদ, মন্ত্রী, আমলা বা এ ধরনের লোকজন কথায় কথায় আইনের শাসন, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলে ইত্যাদি কথা হরহামেশাই বলে থাকে অথচ তারাই অনেক সময় নিয়ম নীতির তোয়াক্কা করে না।

''আমি মনে করি, আমাদের প্রধানমন্ত্রী এ ধরনের ছবি তুলে শুধু বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের গণ বিজ্ঞপ্তিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করেননি, তিনি নিয়ম ভেঙ্গে একটি নেতিবাচক দৃষ্টান্তও স্থাপন করেছেন।

''নিশ্চয়ই এ ধরনের ঘটনা সাধারণ মানুষের কাছে একটি ভুল বার্তা দিবে।''

একটি বিষয় এখানে পরিষ্কার মি. রহমান, যে সবাই আশা করে দেশের নেতা উদাহরণের মাধ্যমে নেতৃত্ব দেবেন। কিন্তু এখানে নেতিবাচক একটি উদাহরণ সৃষ্টি করা হয়েছে বলেই অনেকে মনে করছেন।

পারিবারিক ছবি সেতুর উদ্বোধনের দিন নিলেই সব চেয়ে ভাল হত বলে মনে হয়, কারণ সেদিন এ'ধরনের কোন নিয়ম চালু ছিল না, সেতুতে কোন যানবাহন চলছিল না। পূর্ণ নিরাপত্তায় তারা ছবি তুলতে পারতেন।

কিন্তু গত সোমবার ছবি তুলতে গিয়ে শুধু সেতু কর্তৃপক্ষের আরোপ করা নিয়মই ভাঙ্গা হয়নি, বেশ কিছুক্ষণের জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে সাধারন পরিবহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়।

বিবিসি বাংলায় আরো পড়ুন:

তবে বিষয়টি ভিন্ন ভাবে দেখছেন মুকুল সরদার, যিনি খুলনার দাকোপের বাসিন্দা:

''সঙ্গত কারণেই অনেকে বলছেন, প্রধানমন্ত্রী নিয়ম ভেঙে পদ্মা সেতুর উপরে গাড়ি থামিয়ে ছবি তুলেছেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী কি শুধু ছবি তোলার জন্যই সেতুর উপরে গাড়ি থেকে নেমে ছিলেন? আমার কিন্তু তেমনটা মনে হয় না।

''প্রকল্পটি দেখার উদ্দেশ্যেও তিনি সেতুতে নামতে পারেন। সেক্ষেত্রে এই ছবি তোলার বিষয়টি সাধারণ মানুষের মধ্যে কেন ভুল বার্তা দেবে?

''একজন প্রধানমন্ত্রী আর পাঁচজন সাধারণ মানুষের চেয়ে বেশ কিছু বিশেষ সুবিধা ভোগ করে থাকেন। সেদিক থেকে বিবেচনা করলে নিরাপত্তা বজায় রেখে প্রধানমন্ত্রী সেতুর উপরে গাড়ি থামিয়ে নামতেই পারেন।''

আরো পড়ুন:

প্রধানমন্ত্রীর ছবি তোলাকে সমর্থন করে আরো লিখেছেন ঢাকার ধানমন্ডি থেকে শামীম উদ্দিন শ্যামল:

''আমার কথা হলো, তিনি সরকার প্রধান বলে তাঁর জন্য কিছু অধিকার ও সুবিধা থাকতেই পারে। কেননা, তিনি তো এই নিয়ম না মেনে কারো জীবন সংকটের কারণ হয়ে দাঁড়াননি।

''প্রধানমন্ত্রী যখন কোন রাস্তা দিয়ে যা, তখন নিরাপত্তার কারণে সমস্ত রাস্তা ফাঁকা করে দেয়া হয়। একজন সাধারণ মানুষকে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স দিয়ে নিরাপত্তা দেয়া হয় না, কিন্তু, প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতিকে দেয়া হয় এটা পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই দেয়া হয়।

''সাধারণ মানুষের জন্য পদ্মা সেতুতে গাড়ি থামিয়ে ছবি তোলা কিংবা হাঁটাহাঁটি করা নিষেধ কেননা, তাতে বিভিন্ন ধরনের দুর্ঘটনা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে। আর যেহেতু প্রধানমন্ত্রী যাওয়ার সময় সমস্ত গাড়ি চলাচল বন্ধ ছিল সেহেতু সেই বিশৃঙ্খলার প্রশ্ন আসে না।''

আসলেই কি তাই, মি. সরদার এবং মি. শ্যামল? সেতুর উদ্বোধন হয়ে গেছে, সাধারণ পরিবহনের জন্য সেতু কয়েক দিন হল উন্মুক্ত, তাহলে এখনো কি প্রকল্প পরিদর্শনের ব্যাপার থাকে?

হ্যাঁ, রেল প্রকল্প এখনো শেষ হয়নি, কাজ চলছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী রেল প্রকল্প পরিদর্শনে গিয়েছিলেন, এমন কোন ঘোষণা ছিল বলে আমার জানা নেই। যত দূর জানি, তিনি ব্যক্তিগত এবং দলীয় সফরে টুঙ্গীপাড়া যাচ্ছিলেন।

অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী যে সাধারণ মানুষের চেয়ে বেশি সুবিধা ভোগ করবেন, তা নিয়ে কোন বিতর্ক নেই। কিন্তু সরকার প্রধানের কি আইন বা নিয়ম-কানুনের ঊর্ধ্বে থাকা উচিত? আমার তো তা মনে হয় না।

সাধারণ মানুষের চেয়ে প্রধানমত্রী নিরাপত্তা অবশ্যই অনেক বেশি পাবেন। কিন্তু অন্য দেশে সরকার প্রধানের চলাচলের জন্য নয় কিলোমিটার দীর্ঘ সেতু বন্ধ করে দেয়া হয় কি? হয়তো রাজা-বাদশাহদের আমলে হত বা স্বৈরশাসকের দেশে সেটা হয়। কিন্তু আমার তো মনে হয় না যে, এই আধুনিক যুগে কোন গণতান্ত্রিক দেশে সেরকম হয়।

নিরাপত্তাহীনতায় শিক্ষক সমাজ

এবারে ভিন্ন প্রসঙ্গ। শিক্ষকদের নিরাপত্তার অভাব নিয়ে লিখেছেন দিনাজপুরের পার্বতীপুর থেকে মেনহাজুল ইসলাম তারেক:

''বাংলাদেশ পদ্মা সেতুর আনন্দে উচ্ছ্বসিত, সেই দেশে প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনোভাবে শিক্ষকরা নির্যাতিত ও নিষ্পেষিত হচ্ছেন। এই যে এত শিক্ষক নির্যাতিত হচ্ছেন, মারা যাচ্ছেন, দেশের শিক্ষক সমিতিগুলো কি কোনো বক্তব্য রেখেছে? কোনো প্রতিবাদ জানিয়েছে? জানাচ্ছে না।

''কারণ হলো, তারা এই শিক্ষকদের পেশাগত পরিচয়কে আর প্রাধান্য দিচ্ছে না। সামান্য কিছু বামপন্থি কর্মী, শাহবাগ-কেন্দ্রিক অ্যাক্টিভিস্ট আর সাংস্কৃতিক কর্মী ছাড়া দেশের মূলধারার জনগণেরও এ বিষয়ে কোনো মাথাব্যথা নেই।

''আমরা এরকম ঘটনার পুনরাবৃত্তি চাই না। প্রতিটি ঘটনার সঠিক তদন্ত করে আসল অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে। যাতে কেউ এরকম ঘটনার পুনরাবৃত্তি করার সাহস না পায়।''

শিক্ষকদের নিয়ে আরো লিখেছেন সাতক্ষীরার প্রসাদপুর থেকে শামীমা আক্তার লিপি:  

''এখনও শিক্ষকের সামনে বসার সাহস পাই না। দেখলে সর্বোচ্চ সম্মান করি। অথচ আমাদের ছেলে মেয়েরা শিক্ষকদের সম্মান করছে না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আজ বড় অস্থিরতা। কিন্তু কেন? এই কেনর জবাব খুঁজতে হবে।

''দেশের সরকারি পর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগ কিছুটা মেধার ভিত্তিতে হলেও বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ হয় যাচ্ছেতাই। বর্তমানে এনটিআরসি এর মাধ্যমে কিছু ভাল শিক্ষক আসছে।

''এছাড়া শিক্ষার্থীদের শাসনের জায়গায় নানান নিয়ম আরোপ এই সব সমস্যার কারণ মনে হয়। সব মিলিয়ে একটি আমূল পরিবর্তন দরকার সিস্টেমে।''

আপনারা ঠিকই বলেছেন মি. ইসলাম আর মিস আক্তার, বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় শিক্ষকদের নানা ভাবে হেনস্তা হতে দেখা যাচ্ছে। এমনকি একজন শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা পর্যন্ত করা হয়েছে। মনে হচ্ছে শিক্ষকদের প্রতি শিক্ষার্থীদের শ্রদ্ধা দেখানোর যে ঐতিহ্য বাংলাদেশে আছে, সেখানে চিড় ধরছে।

এর কারণ হিসেবে নানা জন নানা রকম যুক্তি দিচ্ছেন, কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বিষয় দিয়ে ছাত্ররা প্রভাবিত হচ্ছে। হয়তো রাজনৈতিক কারণে স্কুল-কলেজ কর্তৃপক্ষ তাদের প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পারছেন না।

লোড শেডিং আবারো

এবারে বাংলাদেশে চলমান বিদ্যুৎ সঙ্কট নিয়ে একটি চিঠি, লিখেছেন চাঁপাই নবাবগঞ্জ থেকে মুহাম্মদ আব্দুল হাকিম মিঞা: 

''সম্প্রতি কয়েকদিন থেকে বাংলাদেশের রাজশাহী,রংপুর ও সিলেট বিভাগসহ সারা দেশে ভয়াবহ লোডশেডিং বিরাজ করছে। দীর্ঘ সময় লোডশেডিং এর ফলে আষাঢ় মাসের ভ্যাপসা গরমে বৃদ্ধ ও শিশুদের চরম দুর্ভোগে পোহাতে হচ্ছে।

''ঈদ মৌসুমে ব্যবসা বাণিজ্যে ও ক্ষতির আশংকা করা হচ্ছে। খুব কম সময়ে এই সমস্যার সমাধান হবে বলেও কেউ নিশ্চিত করতে পারছে না।

সরকার যখন সারা দেশে শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় আনার কথা বলছে, ঠিক তখনই আবার এই লোডশেডিং গ্রাহকদের অতীতের খারাপ পরিস্থিতিকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে। দ্রুত এই মহাসংকট মোকাবেলায় ও লোডশেডিং এর কবল থেকে দেশের মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে সরকারি/বেসরকারি কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে কি?''

জ্বালানি সংকট

এ বিষয়ে আরো লিখেছেন খুলনার পাইকগাছা থেকে আরিফুল ইসলাম:

''তেল ও গ্যাসের উপর নির্ভর করা বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুলো সক্ষমতা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারছে না। ইউক্রেন - রাশিয়ার যুদ্ধের কারণে বহির্বিশ্বে তেল ও গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি। সেজন্যে আমদানি পরিমাণও কমিয়ে দিয়েছে সরকার।

''দেশে শত ভাগ বিদ্যুৎ ব্যবস্থা থাকলেও এখন লোডশেডিং সমস্যা নিয়ে চিন্তিত সাধারণ জনগণ ও শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো। গ্যাস, তেল ও বিদ্যুৎ উভয় সংকটের কারণে দ্রব্য উৎপাদন ব্যাহত হলে, আরেক দফায় দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধি পাবে।

''এই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের কারণে আমরা কি নতুন কোন বড় ধরণের সংকটের মুখে পড়তে যাচ্ছি?''

এই জ্বালানি সঙ্কটে শুধু বাংলাদেশ না, বিশ্বের অনেক দেশই ভুগছে মি. মিঞা আর মি. ইসলাম। আমাদের রিপোর্টিংএ নিশ্চয় দেখেছেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে তেল আর গ্যাসের দাম বেড়ে গেছে।

এই যুদ্ধ এবং রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা জোটের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা যত দিন থাকবে, তত দিন সঙ্কট চলবে বলে অনেকে আশঙ্কা করছেন। সেজন্য বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশগুলো দ্রুত এই সঙ্কটের অবসান চাইছে।

ইউক্রেন যুদ্ধ কি শেষ হবে?

তবে ইউক্রেন যুদ্ধ সহসা শেষ হবে বলে মনে হচ্ছে না। সে বিষয়ে লিখেছেন রংপুরের পীরগাছা থেকে মোহাম্মদ মিলন খন্দকার খালেক: 

''কখনো যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে অস্ত্র সহায়তা দিচ্ছে, আর রাশিয়া সেটাকে আগুনে তেল ঢালার শামিল বলে পাল্টা হুশিয়ারি দিচ্ছে। কখনো ফিনল্যান্ড-সুইডেন নেটোতে যোগদানের নিয়ে তুরস্ক একাত্মতা প্রকাশ করছে।

''কখনো জি সেভেন সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ইউরোপের আকাশ, স্থল ও নৌপথে শক্তিশালী অস্ত্র ও বাড়তি মার্কিন সৈন্য মোতায়েনের ঘোষণা দিচ্ছে ইত্যাদি।

''যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের ইউক্রেন'কে অর্থ, অস্ত্র ও সামরিক বাহিনীর জোরদারের ঘোষণা কিসের ইঙ্গিত? রাশিয়া'কে দমন করা? নাকি, বিশ্ববাসীকে তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধের দিকে ধাবিত করা?''

আমি নিশ্চিত মি. খালেক, যে তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধ ঘটানোর উদ্দেশ্য নিয়ে কেউ কিছু করছে না। তবে অনেকের আশঙ্কা হচ্ছে, উত্তেজনা এভাবে বাড়তে থাকলে যুদ্ধ ইউক্রেনের সীমান্ত পেরিয়ে ইউরোপের অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়বে।

তবে সব কিছু দেখে মনে হয়, যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্য হচ্ছে ইউক্রেনকে এমন সব অস্ত্র দেয়া যাতে তারা রাশিয়ার সামরিক বাহিনীকে মারাত্মক ক্ষতির মুখে ফেলতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়াকে দুর্বল করতে চায়।

বিবিসি বাংলা নিয়ে প্রশ্ন

এবারে আমাদের অনুষ্ঠান নিয়ে দু'একটি চিঠি। প্রথমটি লিখেছেন খুলনার কপিলমুনি থেকে মোহাম্মদ শিমুল বিল্লাল বাপ্পী:

''সম্প্রতি বিবিসি বাংলায় মেইল করার ব্যাপারে আগ্রহ হারিয়ে কেন ফেলছে? একই ব্যক্তি কি পরিচয় গোপন করে অন্য নাম দিয়ে বিবিসি বাংলাকে মেইল করে?

''বিবিসি বাংলা অন্য শ্রোতাদের পত্রের জবাব না দিয়ে কি একই ব্যক্তি মেইলের জবাব দিচ্ছে? তাহলে বিবিসি বাংলায় পত্র লেখার আগ্রহ কি কমে যাবে না?''

ভাল প্রশ্ন করেছেন মি. বিল্লাল। আপনার কেন এই সন্দেহ হচ্ছে, বা আপনি জানেন কি না কোন নাম ভুয়া, তা আপনি খোলাসা করে বলেননি। যাই হোক, সন্দেহটা একেবারে ভিত্তিহীন, তা বলার কোন কারণ আমি দেখছি না।

হয়তো কিছু কিছু চিঠি আসে যেটা বেনামে লেখা হয়। আমি এটুকু বলতে পারি, আমি জেনে-শুনে সেরকম কোন চিঠি অনুষ্ঠানে নেই না। যদি আমার সন্দেহ হয় যে, কোন চিঠি অন্য লোকের লেখা তখন সেই লেখা অনুষ্ঠানে নেয়া হবে না।

সব শেষে একটি প্রশংসামূলক চিঠি, লিখেছেন সাতক্ষীরার টেকাকাশিপুর থেকে মুঈন হুসাইন:  

''আপনাদের ফেসবুক ও ইউটিউবে যে বিভিন্ন জনের সাক্ষাৎকার আমরা দেখতে পাই, তা আমার কাছে খুব খুবই ভাল লাগে। এখানে বিশেষ করে আকবর হোসেন-এর সাক্ষাৎকার গ্রহণ আমার ব্যক্তিগতভাবে মন কাড়ে। সুতরাং,তাঁকে আমি অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে।''

আপনাকেও ধন্যবাদ মি. হুসাইন। আপনার শুভেচ্ছা আমি আকবরকে পৌঁছে দেব।