এডিটার'স মেইলবক্স: টিপ নিয়ে তোলপাড়, ইমরান খান নিয়ে প্রশ্ন

    • Author, সাবির মুস্তাফা
    • Role, সম্পাদক, বিবিসি নিউজ বাংলা
  • Published
  • পড়ার সময়: ৬ মিনিট

সাম্প্রতিক দিনগুলি ছিল ঘটনায় ভরপুর। ইউক্রেনে যুদ্ধ, পাকিস্তানের সংসদে ইমরান খানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব, শ্রীলঙ্কায় সরকার বিরোধী বিক্ষোভ। কিন্তু সব ছাপিয়ে আমাদের শ্রোতা-পাঠকদের আগ্রহ কেড়ে নিয়েছে বাংলাদেশে টিপ পরা নিয়ে বিতর্ক।

অনেকেই নিশ্চয়ই জানেন এ মাসের চার তারিখে ঢাকায় একজন পুলিশ অফিসার একজন নারীকে টিপ পরার জন্য কটূক্তি এবং হেনস্তা করে। সে বিষয়ে বেশ কয়েকটি চিঠি এসেছে। প্রথমে লিখেছেন দিনাজপুরের পার্বতীপুর থেকে মেনহাজুল ইসলাম তারেক:

''টিপ মেয়েদের সাজের একটা অংশ। এর সাথে ধর্মের কোন সম্পর্ক নেই। এখানে জোর করে ধর্মকে টেনে আনার কোনো মানেই হয় না। তাই ঐ বিকৃত মানসিকতার পুলিশের কাউন্সেলিং দরকার। এরকম লোককে ঐ চাকরি থেকে ছাঁটাই করা উচিত এবং বাইরে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেয়া উচিত- কারণ তার কাছে কোন নারী নিরাপদ নয় বলেই মনে করছি। পুলিশ বিভাগের কিছু কিছু সদস্য এমন আচরণ করে বসেন, যা অবিশ্বাস্য, অগ্রহণযোগ্য, বে-আইনি এবং আধুনিক চিন্তা-ভাবনার পরিপন্থী।''

পরের চিঠি লিখেছেন লিখেছেন ঢাকার ধানমন্ডি থেকে শামীম উদ্দিন শ্যামল: 

''সৌন্দর্যের প্রতীক এই টিপ শেষ পর্যন্ত কু-নজরে পড়বে এবং তা খোদ প্রশাসনের একজনের চোখে, তা বড়ই অবাক করার বিষয়।

''এই টিপ পরছোস ক্যান?'' এই হুমকি বাংলাদেশের পুলিশ প্রশাসনের কাছ থেকে কেউ আশা করেনি। আফগানিস্তান পুলিশ প্রশাসনের হুমকি হয়ে গেছে এটি। তাতেই ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, তৈরি হয়েছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়।

''খোদ পুলিশ যখন একজন মেয়েকে টিপ পরার কারণে হুমকি দেয়, গালিগালাজ করে, পুরুষত্ব দেখায় এবং গাড়ি চাপা দিতে চায় তখন বুঝতে হবে কোথায় আছে মেয়েদের ব্যক্তি স্বাধীনতা।''

বিবিসি বাংলায় আরো পড়ুন:

নারীর পোশাক নিয়ে প্রায়ই পুরুষদের যে কথা-বার্তা বলতে শোনা যায়, তা দেশে যে পুরুষতন্ত্রের আধিপত্য প্রকাশ করে, তা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই মি: ইসলাম এবং মি: শামীম উদ্দিন। সব সময় দেখা যায় শুধু নারীর পোশাক-আশাক নিয়েই বিধি-নিষেধ আরোপের চেষ্টা করা হচ্ছে। কখনো ধর্মের কথা বলে, কখনো শালীনতার প্রশ্ন তুলে।

তবে কোন পুলিশ অফিসারের কাছ থেকে এ'ধরনের মন্তব্য আসলেই অনেককে অবাক করেছে। সে প্রশ্নই তুলেছেন খুলনার দাকোপ থেকে মুকুল সরদার:

''অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাটাই পুলিশ বাহিনীর কাজ বলেই জানি। কিন্তু সেই পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা যদি ইভ টিজিং এর মতো অপরাধের সাথে জড়িত থাকে তবে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে কে আর অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলাও ঠিক কীভাবে রক্ষিত হবে?''

আরো পড়ুন:

তবে সাতক্ষীরার খলিলনগর থেকে শামীমা আক্তার লিপি মনে করছেন, এই ঘটনা একজন পুলিশ সদস্যকে ঘিরেই ঘটেছে এবং তা শুধু মাত্র ব্যক্তি অপরাধ:

''একজন কলেজ শিক্ষকের টিপ পরা ও একজন কনস্টেবল কর্তৃক হেনস্তার অভিযোগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে ঝড় বইছে তাতে হাওয়া দেওয়ার মত কিছু আছে বলে আমি মনে করিনা। একজন নারী হিসেবে নিজেকে সাজিয়ে গুছিয়ে সুন্দর করতে টিপ পরতে কোথাও বাধা আছে মনে হয় না।

''আমার মনে হয়েছে ঘটনাটিতে শুধু ব্যক্তি অপছন্দের প্রভাব পড়েছে। সামগ্রিকভাবে দেখার কিছু নেই। বাঙালি অনুভূতিতে আঘাত আনায় বিষয়টি ব্যক্তি অপরাধ হিসেবে দেখাই উচিৎ। একজনের জন্য পুরো পুলিশ বাহিনীকে নিয়ে ট্রল করার কিছু নেই।''

আপনি এক দিক থেকে ঠিকই বলেছেন মিস আক্তার যে, ঘটনাটি ঘটিয়েছে একজন পুলিশ সদস্য, এবং তিনি কোন আদেশের প্রেক্ষিতে এই কাজ করেছেন বলে মনে হয় না। পুলিশ বাহিনী ইতোমধ্যেই তার বিরুদ্ধে দাফতরিক পদক্ষেপ নিয়ে তার কাজ থেকে বাহিনীকে আলাদা করে ফেলেছে। সেজন্য দায়ী এখানে একক ভাবে ঐ অফিসার, গোটা বাহিনী নয়।

তবে এই ঘটনাকে ভিন্ন ভাবে দেখছেন ঝিনাইদহের কাজী সাঈদ। তিনি মনে করছেন পুরো কাহিনী প্রকাশ করা হচ্ছে না:

''সবকিছু ঘটেছে শুধুমাত্র ভুক্তভোগী শিক্ষিকার অভিযোগের ভিত্তিতে। আমার প্রশ্ন হল, ঐ পুলিশ সদস্যকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ কি আমরা দিয়েছি? আমরা কি আদৌ জানার চেষ্টা করেছি, সেদিন ওখানে ঠিক কি ঘটেছিল? তার আগেই মিডিয়া ট্রায়াল শুরু করেছি আমরা।

''দেশের নামকরা একটি প্রাইভেট টিভি চ্যানেল একাত্তর এবং সোশ্যাল মিডিয়ার বদৌলতে এখন যেটা জানা যাচ্ছে তাহলো, আলোচিত পুলিশ সদস্য তার গর্ভবতী স্ত্রীকে ডাক্তার দেখিয়ে তারপর গাড়িতে তুলে দিচ্ছিলেন। এই সময়ে পুলিশ সদস্যের স্ত্রী এবং শিক্ষিকার একে অপরের পায়ে ঘোষ লাগে। এই নিয়ে পুলিশ এবং শিক্ষিকার মধ্যে তর্কাতর্কি হয়, এবং টিপ সংক্রান্ত বিষয়টি সেই তর্কাতর্কির একটি অংশ। ঘটনা যাই ঘটুক, আমি চাই সুষ্ঠু বিচার হোক, দুই পক্ষের জবানবন্দি নিয়ে তারপর।''

আপনি যে ঘটনার বর্ণনা দিলেন তা হয়তো সঠিক মি: সাঈদ। কিন্তু বিতর্কটা তো ঘটনা কীভাবে ঘটলো তা নিয়ে না। যদি পুলিশ এবং শিক্ষিকার মধ্যে কোন এক কারণে তর্কাতর্কি শুরুও হয়ে থাকে, বিতর্কের মূল বিষয় তো রয়েই যাচ্ছে।

পুলিশ সদস্য যদি শিক্ষিকার টিপ নিয়ে তাকে অপমান করে থাকেন, তাহলে সেটা নিন্দনীয় কাজ যেটা পুলিশের কাছ থেকে গ্রহণযোগ্য না। নারীর টিপ নিয়ে তাকে অপমান করার পেছনে যে পুরুষতান্ত্রিক দম্ভ এবং নারীর প্রতি অবজ্ঞা কাজ করছে তা তো আর ব্যাখ্যার অপেক্ষা রাখে না।

শিশু ধর্ষণ

এবারে ভিন্ন প্রসঙ্গ। সম্প্রতি বরগুনায় একটি ভয়ানক অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, যা নিয়ে লিখেছেন সাতক্ষিরার মাছিয়াড়া থেকে গাজী শাহিদুর রহমান: 

''বিবিসি বাংলার ওয়েবসাইটে দেখলাম বরগুনার এক পিতা তার চার বছর বয়সী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন। নিউজটি চাঞ্চল্যকর বলব না, কারণ এর আগেও এমন ঘটনার কথা শুনেছি। আমার প্রশ্ন, একজন পিতা কীভাবে এমন গর্হিত কাজ করতে পারে?

''আমরা মানুষ হিসেবে কোথায় যাচ্ছি, আমরা কবে মানুষ হব? এই পিতা শুধু নয়, যারা ধর্ষণের মত ঘটনা ঘটায় তারা অন্যান্য অপরাধীর মত অপরাধী না। এরা মানসিক বিকারগ্রস্ত।''

আপনি যে ঘটনার কথা বলছেন, সেটা কেই মানসিক বিকারগ্রস্ত না হলে ঘটাতে পারে বলে সম্ভব মনে হয় না মি. রহমান। তবে ঘটনাটা একেবারে বিরল না। এরকম ঘটনা আমরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, এমনকি অর্থনৈতিক ভাবে উন্নত দেশগুলোতেও দেখেছি।

তার মানে হচ্ছে, এ'ধরনের পাশবিক মানসিকতা কারো শিক্ষা, সংস্কৃতি বা অর্থনৈতিক সচ্ছলতার ওপর নির্ভর করে না। মানসিক রোগের কোন জাতি, ধর্ম, ভৌগলিক সীমান্ত নেই।

বাংলাদেশে জাতীয় সরকার?

এবারে আন্তর্জাতিক অঙ্গনের ঘটনাবলি নিয়ে কয়েকটি চিঠি, প্রথমে লিখেছেন চাঁপাই নবাবগঞ্জের ভোলাহাট থেকে মুহাম্মদ আব্দুল হাকিম মিঞা:

''বিশ্ব জুড়ে কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শেষ হতে না হতেই রাশিয়া - ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু। এই দুইয়ের প্রভাবে বিশ্ব অর্থনীতি টালমাটাল। ইতিমধ্যেই দক্ষিণ এশিয়ার দুটি দেশ পাকিস্তান ও শ্রীলংকায় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট দেখা দিয়েছে।

''বৈদেশিক ঋণের বোঝার কারণে দেউলিয়া হতে চলেছে শ্রীলংকা। তীব্র জ্বালানি সংকটসহ দ্রব্যমূল্যের আকাশচুম্বী দাম সরকারের ভিত নড়বড়ে করে দিয়েছে। যুদ্ধের ঝনঝনানিতে দক্ষিণ এশিয়ার এই সব দেশের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে।

''বাংলাদেশে জাতীয় সরকার হলে কি দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট দূরীভূত হয়ে যাবে?''

বাংলাদেশের অর্থনীতি এখনো চরম কোন বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে বলে মনে হয় না মি. মিঞা। তবে দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে না আসলে সেটা সরকারের জন্য রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে। কিন্তু জাতীয় সরকারের প্রশ্ন কেন করছেন তা আমি বুঝতে পারছি না।

দেশের সংবিধানে সেরকম কোন সরকার গঠন করার বিধান নেই। বিরোধী দল বিএনপি বলেছে তারা নির্বাচনে জয়ী হলে সমমনা দলগুলো নিয়ে সরকার গঠন করবে। কিন্তু সেটায় যেহেতু আওয়ামী লীগ বা তাদের মিত্ররা থাকবে না, তাই সেই সরকারকে জাতীয় সরকার বলা ঠিক হবে না।

ইমরান খানের পতন কি আসন্ন?

এবারে আসি পাকিস্তানের, বিশেষ করে ইমরান খানের বিষয়ে। লিখেছেন ঢাকার গেণ্ডারিয়া থেকে মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান:

''বিশ্বকাপ জয়ী ক্রিকেট অধিনায়ক থেকে রাজনৈতিক তারকা খ্যাত ইমরান খান পাকিস্তানের রাজনীতির জটিল সমীকরণের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছিলেন। ইমরান খানের অভিযোগ, একটি দেশ, অর্থের বিনিময়ে সেনাবাহিনী এবং সরকার বিরোধীদের মাধ্যমে তাকে নিয়ে নতুন ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে।

''বিরোধীদল যে বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে নিয়ে যাবেন, সেটা হয়তো ইমরান খান জানতেন। তবে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট কি স্বাধীনভাবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিতে পারবে? নাকি সেটার পিছনেও সেনাবাহিনীর প্রচ্ছন্ন হস্তক্ষেপ থাকবে?''

আমার মনে হয় সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ পাকিস্তানের সর্বত্রই আছে মি. রহমান। আপনার মত অনেকের মনেই সে প্রশ্নই আছে, যে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত কি তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত হবে নাকি সেটা সেনাবাহিনীর নির্দেশে হবে। পাকিস্তানের অতীত ঘাঁটালে দেখা যাবে সুপ্রিম কোর্ট সেনাবাহিনীর স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করেছে, এমন ঘটনা বিরল।

সেনাবাহিনীর আশীর্বাদপুষ্ট

পাকিস্তান নিয়েই আরেকটি চিঠি, লিখেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আব্দুর রহমান জামী:  

''উপমহাদেশে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির গতিপথ বড়ই বিচিত্র। আমরা জানি, পাকিস্তানের রাজনীতিতে সেনাবাহিনীর প্রভাব অতিমাত্রায় ক্রিয়াশীল।এ কারণে পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন সরকারগুলো সেনাবাহিনীর লেজুড়বৃত্তি করে।

''এটা স্পষ্ট যে,ইমরান খান সেনাবাহিনীর আশীর্বাদপুষ্ট হয়েই ক্ষমতায় এসেছেন। ইমরান খান এখন রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন।

রাজনৈতিক অস্থিরতার অচলায়তন ভেঙে পাকিস্তান স্থিতিশীল গণতন্ত্রের পথে হাঁটুক, নিরাপদ হোক এশিয়ার গণতন্ত্র, সেনাছাউনি থেকে মুক্ত হোক বিশ্বের গণতন্ত্র,এটাই এ মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি প্রত্যাশিত।''

পাকিস্তানের ৭৪ বছর ইতিহাসের প্রথম ১০ বছর ছাড়া বাকি সময়টায় ক্ষমতার চাবিকাঠি সেনা ছাউনিতেই ছিল এবং এখনো আছে। এটাই বাস্তব। কিন্তু পাকিস্তানের গণতন্ত্র কীভাবে ক্যান্টনমেন্ট থেকে উদ্ধার করা হবে, সে ব্যাপারে সে দেশের রাজনীতিকরা একমত বলে মনে হয় না।

ইমরান খান যা করেছেন, সম্ভবত পাকিস্তানের ইতিহাসে কোন রাজনীতিক সেটা করেন নি - তিনি সেনাবাহিনীর ছকের বাইরে গিয়ে খেলছেন। তবে তার শেষ রক্ষা হবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ আছে।

শ্রীলঙ্কার পরিণতি?

আবার ফিরে আসছি বাংলাদেশ প্রসঙ্গে, তবে বিষয়টি টানা হয়েছে শ্রীঙ্কার প্রেক্ষাপটে। লিখেছেন রংপুরের লালবাগ থেকে মোহাম্মদ মহসীন আলী:

''আমি যত টুকু জানি বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ ৪৮ বিলিয়ন ডলার আর শ্রীলঙ্কার বৈদেশিক ঋণ ৫১ বিলিয়ন ডলার। তাহলে বাংলাদেশও কি অদূর ভবিষ্যতে শ্রীলঙ্কার মতো দেউলিয়াত্বের দিকে যাচ্ছে? নাকি সামনে বাংলাদেশের জন্য শ্রীলঙ্কার মতো পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে?''

দেউলিয়াত্ব ঋণের পরিমাণের কারণে হয় না মি. আলী। ঋণের সুদ সময় মত পরিশোধ করতে না পারলে দেউলিয়াত্বের প্রশ্ন উঠে। বাংলাদেশ তার ইতিহাসে কখনো বৈদেশিক ঋণ বা ঋণের সুদ পরিশোধে ব্যর্থ হয় নাই, দেশ হিসেবে বাংলাদেশ কখনোই ঋণ খেলাপি হয় নি। সেদিক থেকে বিচার করলে, বাংলাদেশ হয়তো শ্রীলঙ্কার মত পরিস্থিতির মুখোমুখি হবে না। তবে অন্য যে কোন কারণে রাজনৈতিক পরিস্থিতি যে অস্থির হয়ে উঠতে পারে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

এবারে কিছু চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করা যাক:

শিমুল বিল্লাল বাপ্পী, কপিলমুনি, খুলনা।

দীপক চক্রবর্তী, দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড়।

শাহীন তালুকদার, মৌকরন, পটুয়াখালী।

মাশুকুল হক মাশুক, চরফ্যাশন, ভোলা।

সেলিম রাজ, বেনুঘাট দিঘির পাড়, রংপুর।

মোহাম্মদ আবু তাহের, কিশোরগঞ্জ, নীলফামারী।