আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
কোভিড: এক মাসেরও বেশি সময় পর একদিনে মৃত্যুর সংখ্যা নামলো ৫০ এর নিচে
বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৪১ জন মানুষ মারা গেছেন। এই সময়ে নতুন করে কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১,৮২২ জন।
কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ বুলেটিনে এই তথ্য জানানো হয়।
বাংলাদেশে সর্বশেষ ৩০শে মার্চ কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
এর আগে গতকাল ৫ই মে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৫০ জন মারা গিয়েছিলেন।
গত ২৪ ঘণ্টার তথ্যে দেখা যাচ্ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা হ্রাস পেলেও শনাক্তের সংখ্যা বেড়েছে।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট মৃত্যু হল ১১ হাজার ৭৯৬ জনের।
বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত মোট ৭ লাখ ৬৯ হাজার ১৬০ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়েছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ৮.৪৪ শতাংশে নেমে এসেছে।
- কোয়ারেন্টিন ও আইসোলেশনের যে ব্যাখ্যা দেয়া হচ্ছে বাংলাদেশে
- নিজেকে যেভাবে নিরাপদ রাখবেন করোনাভাইরাস থেকে
- নতুন করোনাভাইরাস কত দ্রুত ছড়ায়? কতটা উদ্বেগের?
- করোনাভাইরাস ঠেকাতে যে সাতটি বিষয় মনে রাখবেন
- টাকার মাধ্যমে করোনাভাইরাস ছড়াতে পারে কি?
- বিশ্ব মহামারি শেষ হতে কতদিন লাগবে?
- কোথায় কতোক্ষণ বেঁচে থাকে কোভিড-১৯ এর জীবাণু, নির্মূলের উপায়
- করোনাভাইরাস নিয়ে আপনার যা জানা প্রয়োজন
এ বছরের মার্চ মাসে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যাক্তির সংখ্যা বাড়তে শুরু করে। এপ্রিল মাসে নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার প্রায় ২৪ শতাংশে পৌঁছায়।
সেই পটভূমিতে সরকার এপ্রিলের পাঁচ তারিখ থেকে লকডাউন ঘোষণা করতে বাধ্য হয়।
এরপর গত কয়েকদিন ধরে সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার কমতে শুরু করে।
এই মূহুর্তে দেশের ৪২৮টা পরীক্ষাগারে করোনাভাইরাস নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে পুরুষ ২২জন এবং নারী ১৯ জন।
এদের মধ্যে ৩৯ জনের বয়সই ৫০ বছরের বেশি, এবং এদের মধ্যে মাত্র একজন বাসায় মারা গেছেন।
ঢাকায় এই মূহুর্তে সরকারি ও বেসরকারি কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা ৫,৩৬৯টি, যার মধ্যে ৪,০৯০টি শয্যা খালি আছে।
আইসিইউ শয্যা সংখ্যা ৭৬২টি এবং খালি রয়েছে ৪৭৮টি।