করোনা ভাইরাস: বাংলাদেশে ২৩শে মে স্কুল কলেজ খোলার নতুন সিদ্ধান্ত

গত বছর ১৭ই মার্চ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, গত বছর ১৭ই মার্চ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়
Published

বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয় আজ বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হবে আগামী ২৩শে মে।

বৃহস্পতিবার এক আন্ত:মন্ত্রণালয় বৈঠকের পর এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশে মহামারির কারণে এক বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে সব ধরণের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

এর আগে সরকার ৩০শে মার্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে সে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছিল।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় আজ জানিয়েছে, বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে অতি সম্প্রতি চলমান কোভিড ১৯ মহামারিতে সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি পরিলক্ষিত হওয়ায় স্কুল খোলার নির্ধারিত তারিখ পিছিয়ে দেয়া হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, "শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তার বিবেচনায় এবং কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির সাথে পরামর্শক্রমে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান আগামী ঈদ উল ফিতরের পর ২৩শে মে ২০২১ তারিখ শুরু করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।"

আরো পড়তে পারেন:

দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ২৪শে মে থেকে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরুর কথা রয়েছে।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে ২০২০ সালের ১৭ই মার্চ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল।

পরে কওমি মাদ্রাসাগুলো খোলার অনুমতি দেয়া হলেও অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খোলার অনুমিত দেয়নি কর্তৃপক্ষ।

স্কুল কলেজ

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, এক বছরের বেশি সময় পর খুলছে স্কুল কলেজ

সর্বশেষ ২৯শে মার্চ পর্যন্ত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়।

এরই মধ্যে বাতিল করা হয়েছে ২০২০ সালের জেএসসি ও সমমান এবং এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা।

এছাড়া কোন শ্রেণিতে বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। সব শিক্ষার্থীকে 'অটো-পাস' দেয়া হয়েছে।

আরও পড়তে পারেন: