করোনা ভাইরাস: বাংলাদেশে পাঁচজনের নমুনা পরীক্ষায় একজন আক্রান্ত

করোনাভাইরাসে রোগী শনাক্ত

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, বাংলাদেশে প্রতি পাঁচজনের নমুনা পরীক্ষায় একজন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হচ্ছে।
Published

বাংলাদেশে নতুন করে ২,৬৩৫ জন কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে আরো ৩৫ জনের।

এ নিয়ে বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসে মোট আক্রান্ত হলেন ৬৩০২৬ জন আর মৃত্যু হয়েছে ৮৪৬ জনের।

নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে শনিবার এসব তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক নাসিমা সুলতানা।

তিনি জানান, যারা শনাক্ত হয়েছেন, তাদের মধ্যে পুরুষ ৭১ শতাংশ এবং নারী ২৯ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় ১২,৪৮৬ টি নমুনা পরীক্ষা করে এই রোগীদের শনাক্ত করা হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার হিসাবে রোগী শনাক্তের হার ২১.১০ শতাংশ।

অর্থাৎ প্রতি পাঁচজনের নমুনা পরীক্ষায় একজন রোগী শনাক্ত হচ্ছে। এ পর্যন্ত মোট পরীক্ষা হয়েছে ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৮৫১টি।

অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা জানান, এই সময়ে সুস্থ হয়েছেন ৫২১ জন এবং এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৩, ৩২৫ জন। আক্রান্তের বিচারে সুস্থতার হার ২১.১৪ শতাংশ। শনাক্তের হিসাবে মৃত্যুর হার ১.৩৪ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে পুরুষ ২৮ জন এবং নারী সাতজন। মৃত্যুর ক্ষেত্রেও পুরুষদের মৃত্যু বেশি হয়েছে। পুরুষদের মৃত্যুর হার ৭৭.০৬ শতাংশ এবং নারী ২২.৯৪ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে মারা গেছেন ২৫ জন, বাড়িতে নয় জন এবং মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে একজনকে।

শুক্রবার তিনি জানিয়েছিলেন, এখনো পর্যন্ত যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে প্রায় ৩৯ শতাংশের বয়স ৬০ বছরের বেশি। তিনি বলেন, যাদের বয়স ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে তারাই বেশি মারা যাচ্ছেন ।

জুন মাস শুরু হওয়ার পর একদিনেও শনাক্তের সংখ্যা দুই হাজারের নিচে নামেনি বাংলাদেশে। একটানা চারদিন যাবত মৃতের সংখ্যা ৩০ কিংবা তার চেয়ে বেশি।

বাংলাদেশে প্রথম কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয় আটই মার্চ। সেদিন তিনজন রোগী শনাক্ত হয়, যাদের মধ্যে দুইজন পুরুষ ও একজন নারী। আক্রান্ত তিনজনের মধ্যে দুইজন ইতালি থেকে দেশে এসেছিলেন।

তবে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যু ঘটে ১৮ই মার্চ।

Banner image reading 'more about coronavirus'
Banner