করোনাভাইরাস: বাংলাদেশে কোভিড-১৯ নতুন আক্রান্ত একজন, সর্বমোট আক্রান্ত ৪৯জন

করোনা ভাইরাস

ছবির উৎস, Getty Images

Published

বাংলাদেশে দুইদিন পরে নতুন একজন কোভিড-১৯ বা করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। বাংলাদেশে এ নিয়ে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯জনে।

রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এই তথ্য জানিয়েছেন।

নতুন যিনি আক্রান্ত হয়েছেন, তিনি একজন নারী, বয়স বিশের কোঠায়। তবে তিনি কীভাবে আক্রান্ত হয়েছেন বা তার সম্পর্কে বিস্তারিত আর কোন তথ্য জানাতে পারেনি আইইডিসিআর।

পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরো চারজন। আক্রান্তদের মধ্যে মোট ১৯ জন সুস্থ হয়েছেন।

রবিবার সংস্থাটি জানিয়েছিল যে, আগের দুইদিন ধরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কোন রোগী পাওয়া যায়নি।

বর্তমানে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন ৩২ এবং আইসোলেশনে রয়েছেন ৬২জন। প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন থেকে ৩৬জনকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলছেন, ''আমরা যে সামাজিক বিচ্ছিন্নতার কর্মসূচী শুরু করেছি, সেটা পালন করা অত্যন্ত জরুরি। আপনারা ঘরের ভেতর থাকুন, ঘর থেকে বের হবেন না।''

''আপনাদের কোন লক্ষণ-উপসর্গ থাকলে হাসপাতালে না নিয়ে টেলিফোনে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আমাদের প্রতিনিধি গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করবে।''

বিশ্বে এ পর্যন্ত ৬ লক্ষ ৩৪ হাজার ৮৩৫জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৩,১৫৯জন।

এদের মধ্যে ২৯,৯৫৭জন মারা গেছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৩,৪৬৪জন। দক্ষিণ এশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ৬২৪জন আর মারা গেছেন ১৩৯জন।

গত ৮ই মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে। এরপর ১৮ই মার্চ প্রথম ব্যক্তির মৃত্যুর কথা জানায় আইইডিসিআর।

বুধবার প্রথম সংস্থাটি জানায় যে ঢাকায় সীমিত আকারে কম্যুনিটি সংক্রমণ হচ্ছে বলে তারা সন্দেহ করছে।

Banner image reading 'more about coronavirus'
Banner

এক নজরে বাংলাদেশে করোনাভাইরাস: (৩০শে মার্চ পর্যন্ত)

৩০শে মার্চ নতুন করে শনাক্ত হয়েছে একজন

মোট করোনাভাইরাস শনাক্ত ৪৯ জন

কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যু পাঁচজন

২৪ ঘন্টায় ১৫৩জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা

সর্বমোট পরীক্ষার সংখ্যা ১৩৩৮

মোট সুস্থ হয়েছেন ১৯ জন

গত ২৪ ঘণ্টায় আইডিসিআরের হটলাইনে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত টেলিফোন এসেছে ৩৯৫৭টি।