আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
করোনাভাইরাস: বাংলাদেশে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা স্থগিত
বাংলাদেশে উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।
পহেলা এপ্রিল থেকে শুরু হওয়ার কথা এই পরীক্ষা।
এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে নতুন তারিখ ও রুটিন জানানো হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।
আগে থেকেই এটা পরিকল্পনা করা হয়েছিল, পরিস্থিতির দাবি মেটাতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
এর আগে করোনাভাইরাসের সতর্কতার অংশ হিসেবে ৩১শে মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখবার সিদ্ধান্ত নেয় শিক্ষা মন্ত্রনালয়।
ছুটি থাকাকালীন এই সময়টিতে শিক্ষার্থীরা যেন বাড়িতেই থাকেন সেটি নিশ্চিত করতে অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।
বিষয়টি নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশনা দেয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। এছাড়া সব কোচিং সেন্টারগুলো বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন শিক্ষামন্ত্রী।
তিনি বলেন, "শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকা মানে এই নয় যে তারা সর্বত্র ঘুরে বেড়াবে, কোচিংয়ে যাবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে যেন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ না হয়। এটাকে হালাকাভাবে নেয়ার সুযোগ নেই। অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সেটা নিশ্চিত করতে হবে।"
পরীক্ষার্থীরা কী বলছে
ঝালকাঠির একজন উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী সাইমুন তালুকদার, তিনি বলছেন এইচএসসি পরীক্ষা পেছানোর মানসিক প্রস্তুতি আগেই ছিল।
"করোনাভাইরাসের এই সময়টাতে পরীক্ষা পেছানোটাই সঠিক সিদ্ধান্ত বলে আমি মনে করি। এই অবস্থায় আসলে বাসা থেকে বের হতেই আতঙ্ক লাগছে, এমন অবস্থায় পরীক্ষা দেয়া কঠিনই হতো।"
তবে সাইমুন মনে করছেন, এতে করে ভর্তি পরীক্ষায় তুলনামূলক কম সময় পাবেন প্রস্তুতি নিতে এটা একটা ক্ষতি করতে পারে।
সিলেট বিভাগের পরীক্ষার্থী আবু তালহা মিহরাব বলেন, "পরীক্ষা হবে কিনা! এখন স্থগিত ঘোষণা শুনে একটু স্বস্তি পেলাম। পরীক্ষার চেয়ে তো জীবনটা বড়। এত রিস্ক নিয়ে পরীক্ষা নেওয়াটাও হয়তো ঠিক না।"
একদিকে পরীক্ষা, অন্যদিকে করোনাভাইরাস- মানসিক চাপটা একটু বেশিই বলছেন মিহরাব।
কিছু বিষয়ে শঙ্কাও প্রকাশ করেছেন এই পরীক্ষার্থী, "আমরা ঠিকমতো পরীক্ষা দিতে পারব তো? করোনা প্রাদুর্ভাব কবে থামবে, এর তো কোনো নিশ্চয়তা নেই। সামনে আবার রমজান। দেরিতে পরীক্ষা হলে ভার্সিটির প্রস্তুতিতেও সময় কম পাব। সব মিলিয়ে সামনের দিনগুলো নিয়ে টেনশন হচ্ছে।"