বাক স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ, প্রত্যুষা বন্ধ হওয়া নিয়ে প্রশ্ন

ছবির উৎস, SOPA Images
বড় দিনের ছুটির কারণে এ'সপ্তাহের এডিটারস মেইলবক্স মঙ্গলবারেই লেখা হয়েছে, ফলে যারা পরের দিকে লিখেছেন তাদের চিঠি এ'সপ্তাহের জন্য বিবেচনা করা সম্ভব হয়নি।
যাই হোক, গোটা সপ্তাহ ধরেই আমাদের রেডিও অনুষ্ঠানসূচীতে পরিবর্তনের ঘোষণা দেয়া হচ্ছে। আগামী ১২ই জানুয়ারি থেকে আমাদের রাতের অধিবেশন পরিক্রমা (বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে দশটা) পুনরায় চালু হবে, আর সকালের প্রত্যুষা (বাংলাদেশ সময় সাড়ে সাতটা) বন্ধ হয়ে যাবে।
সেই বিষয়ে বেশ কয়েকটি চিঠি এসেছে। সেগুলোতে আসছি একটু পরেই, তবে শুরু করছি বাংলাদেশে বাক স্বাধীনতা নিয়ে যে সংশয় সৃষ্টি হচ্ছে, তা নিয়ে একটি চিঠি দিয়ে, লিখেছেন রংপুরের পীরগঞ্জ থেকে মুশফিকুর রহমান ওলিউল্লাহ:
''সোমবার ২৩ ডিসেম্বর বাংলাদেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে বিবিসি বাংলা রেডিওতে প্রতিবেদন শুনলাম। ডাকসুর ভিপি নূরকে যেভাবে উত্তম মধ্যম করা হয়েছে সেটা অমানবিক। এর মাধ্যমে স্বাধীন দেশের নাগরিকদের বাক স্বাধীনতা হরণ করা হচ্ছে। আবরার ফাহাদ, ভিপি নুর সেটা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে। এই দুর্গম সময়ে বিবিসির কাছে অনুরোধ, তারা যেন নিরপেক্ষতার দিক দিয়ে অন্ধের যষ্টির ভূমিকা পালন করে ।
''কখনো কখনো মনে প্রশ্ন জাগে আমরা কতটা নিরাপদ? উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের যেভাবে শিক্ষা দেয়া হচ্ছে, সেখানে আমার মত আদার ব্যাপারীরা কতটা নিরাপদে থাকতে পারবে?''

ছবির উৎস, NurPhoto
ভিন্ন মত প্রকাশের জন্য যখন কেউ সহিংসতার শিকার হন, তখন সেটা সত্যি উদ্বেগজনক। কারণ এই সহিংসতার উদ্দেশ্য হচ্ছে ভিন্ন মতাবলম্বীদের ভয় দেখিয়ে তাদের কণ্ঠ রোধ করা। কিন্তু বাংলাদেশ যদি তার গণতান্ত্রিক পরিচয়কে মূল্য দেয়, তাহলে আশা করা যায় এই দমন-নিপীড়ন দীর্ঘস্থায়ী হবে না।
এবারে একটি গুরুতর অভিযোগ করে লিখেছেন ঢাকার মহাখালী থেকে কাজী সারোয়ার হোসেন বিপু:
''আগে ফোন-ইন এ অংশগ্রহণ করার জন্য এসএমএস করলে বিবিসি থেকে কল করে বিষয়টা নিয়ে সংক্ষিপ্তভাবে আমার মন্তব্য শুনতে চাইতো। এখন কি সেই প্রক্রিয়াটি আর নেই? এখন কি শ্রোতা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কোন ধরণের যাচাই বাছাই করা হয় না? কারণ গত বেশ কিছু পর্বে ফোন-ইন এ যারা মন্তব্য করছেন তাদের অনেকের মন্তব্যের সাথে বিষয় বস্তুর কোন মিল খুঁজে পাইনি।''
আপনার সাথে আমি অবশ্যই একমত মি. হোসেন যে, ফোন-ইনে কলারদের যাচাই-বাছাই করা উচিত, যাতে মতামত যাই হোক, সেটা যেন ভালভাবে উপস্থাপন করা হয় এবং নির্ধারিত বিষয়বস্তু নিয়েই হয়। এবং এই যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়াটি এখনো বহাল আছে।
এবারে আসা যাক আমাদের রেডিও অনুষ্ঠানসূচীতে পরিবর্তনের বিষয়ে। প্রথমে লিখেছেন রাজশাহীর রানীবাজার থেকে হাসান মীর:
''বিবিসি বাংলার নতুন অবস্থান -- লাঞ্চ করবে তো ব্রেকফাস্ট বন্ধ, পরিক্রমা শুনতে হলে প্রত্যুষার অকালমৃত্যু। আমার জন্যে বাড়তি সমস্যা -- এগারোই জানুয়ারির পর আর সাতসকালে ঘুম থেকে ওঠা হবে না। আমি একা এক ঘরে থাকি। আগে ছিল প্রভাতী, এখন প্রত্যুষা শোনার জন্যে ঘড়িতে অ্যালার্ম দিয়ে রাখতাম , ভবিষ্যতে আর সেই তাড়াও থাকবে না। সকালে ঘুম থেকে জেগেই যে দেশ - বিদেশের সর্বশেষ কিছু খবর জেনে নেবো তা-ও আর হবে না।
''তবু যে ক'দিন আছি বিবিসি বাংলার সঙ্গেই থাকবো, যা এবং যে টুকু পাই তাতেই খুশি হবো।''
সকাল থেকে রেডিও অনুষ্ঠান একেবারে গুটিয়ে ফেলতে আমাদেরও অনেক কষ্ট হচ্ছে মি. মীর। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, বাংলাদেশে সকালে রেডিওর যথেষ্ট চাহিদা নেই। সকালের একটি অধিবেশন তৈরি করতে যত লোকবল নিয়োগ করতে হয়, সেটা আর যৌক্তিক মনে হচ্ছে না। সেজন্য আমরা ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে সেই লোকবল ডিজিটাল মাধ্যমে নিয়োজিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
একই বিষয়ে লিখেছেন কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থেকে এম নাজমুল হোসাইন:
''ঘোষণাটি শুনে অনেক খারাপ লাগলো কারণ, বেশিরভাগ সময় প্রত্যুষা শুনে আমার সকাল শুরু হয়। আপনারা কোন জরিপের মাধ্যমে সকালের অধিবেশনটা বন্ধ করবেন সেটা আমার বোধগম্য নয়। আর আপনারা যদি সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার অধিবেশনটা চালু রাখেন তাহলে সাড়ে সাতটা থেকে রাত সাড়ে দশটার ভিতরে এমনকি উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটবে যা আপনারা রাতের অধিবেশনে সংবাদ হিসেবে প্রচার করবেন?''
রাত আটটা থেকে সাড়ে দশটা পর্যন্ত অনেক কিছু ঘটতে পারে মি. হোসাইন, আবার নাও ঘটতে পারে। তবে রেডিও শোনার অভ্যাস নিয়ে করা বিভিন্ন জরিপে বেরিয়ে এসেছে যে, বাংলাদেশে সকালে খুব কম শ্রোতাই রেডিও শোনেন। সব চেয়ে বেশি শ্রোতা থাকেন সন্ধ্যা সাতটা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত। সে কারণেই আমরা সকালের অধিবেশন পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়ে রাতের দুটোই চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
পরিবর্তন নিয়ে আরেকটি চিঠি, লিখেছেন কুমিল্লার লাকসাম থেকে জিতেন্দ্র কুমার মজুমদার:
''আজ বিবিসিতে শুনলাম, সকাল সাড়ে ৭ টার প্রত্যুষা বন্ধ করে রাত সাড়ে ১০টার পরিক্রমা অনুষ্ঠান পুনরায় চালু হবে। ভাল কথা। কিন্তু প্রত্যুষা বন্ধ করতে হবে কেন? আমার প্রস্তাব, প্রত্যুষা ও চালু থাকুক, পরিক্রমাও আবার আরম্ভ হউক। সকালটাকে বিবিসি শূন্য করা ঠিক হবেনা।''
সকাল বা সন্ধ্যা, কোন সময়কেই বিবিসি-শূন্য করতে চাইনা মি. মজুমদার। কিন্তু বাস্তবতা মানতেই হবে, এবং এই বাস্তবতায় আমাদের একটি পথ বেছে নিতে হচ্ছে। সেই পথ অনেকের মন:পুত না হলেও, ভবিষ্যতের স্বার্থেই সেটা করতে হচ্ছে।

আমাদের সম্প্রচার নিয়েই পরের চিঠিটি, তবে বিষয়টি এফ এম সংক্রান্ত। লিখেছেন নোয়াখালী থেকে অরবিন্দ দাস:
''বিবিসি কি শুধু মাত্র শহর কেন্দ্রিক হয়ে যাচ্ছে? আজকাল বলতে গেলে বিবিসি শুধু মাত্র শহরের লোকজনই শুনতে পাচ্ছে। গ্রামের লোকজন নয়। এর কারণ হলো বিবিসি এফ এম-এ প্রচার করা হয় শুধু মাত্র বলতে গেলে বিভাগীয় শহরগুলোতে। আর গ্রামের মানুষ এফ এম-এর আওতায় নেই। বিবিসি কি সারা বাংলাদেশ জুড়ে এফ এম-এ প্রচার করা যায়না?''
আমি আপনার সাথে সম্পূর্ণ একমত হতে পারছি না মি. দাস। বিবিসি বাংলা এখনো বাংলাদেশে শর্টওয়েভে সম্প্রচার করা হয়, যাতে যারা এফ এম-এর বাইরে আছেন তারাও শুনতে পান। আর বাংলাদেশ যেহেতু মূলত সমতল ভূমির দেশ, তাই এফ এম হয়তো একদিন সারা দেশ জুড়ে থাকবে, কিন্তু এই মুহূর্তে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সাথে বিবিসির শুধুমাত্র দশটি শহরে এফ এম সম্প্রচার নিয়ে চুক্তি আছে। এই চুক্তির বাইরে আমরা কোথাও এফ এম-এ সম্প্রচার করতে পারি না।
আবার ফিরে আসছি আমাদের রেডিও অনুষ্ঠানসূচীতে পরিবর্তনের ঘোষণার বিষয়ে। এবার লিখেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজিজুল ইসলাম:
''গত ২৩শে ডিসেম্বর শুনলাম ১১ই জানুয়ারি শেষবারের মতো সকালের প্রত্যুষা শোনা যাবে। নিউজটা শুনে মনে হলো বিনা মেঘে বজ্রপাত হচ্ছে। সেই ২০০৩ সালে যখন আমি ক্লাস সিক্স-এ পড়ি তখন থেকে বিবিসি প্রত্যুষা শোনার মাধ্যমে বিবিসি শোনা শুরু। যখন শুনলাম সকালের প্রত্যুষা বন্ধ হচ্ছে, মনটা কষ্টে ভরে গেলো। দয়া করে প্রত্যুষা বন্ধ করবেন না। যদি বন্ধ করেন তবে বিবিসির সব অধিবেশনই বন্ধ করে দেন। বিবিসি শুনবো না আর।''
আপনি নিশ্চয়ই কোন ভুল করছেন মি. ইসলাম। প্রত্যুষা শুরু হয়েছিল ২০০৭ সালের ১১ই জানুয়ারি। কাজেই ২০০৩ সাল থেকে এই অনুষ্ঠান শোনা সম্ভব না। আর এটা কেন বিনা মেঘে বজ্রপাত হবে? আমরা তো গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইঙ্গিত দিচ্ছি যে, রাতের অধিবেশনর পুনরায় চালুর পাশাপাশি সকালের প্রত্যুষা বন্ধের কথা ভাবা হচ্ছে।

একই বিষয়ে লিখেছেন দিনাজপুরের পার্বতীপুর থেকে মেনহাজুল ইসলাম তারেক:
''পরিক্রমা ফিরিয়ে আসার খবরে আনন্দিত হওয়ার পরিবর্তে আমরা উদ্বিগ্ন এ কারণে যে, সকালের অধিবেশন প্রত্যুষা বন্ধ করে রাতের অধিবেশন পরিক্রমা চালুর সিদ্ধান্ত কেন? মাত্র আড়াই ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি অধিবেশন প্রচার না করে সকাল ও সন্ধ্যায় দুটি অধিবেশন থাকাই ভালো নয় কি? আমার অনুরোধ, হয় প্রত্যুষা চালু রেখে পরিক্রমা ফিরিয়ে আনুন নতুবা আমাদের পরিক্রমা অনুষ্ঠানের কোন দরকার নেই।''
আমি আপনার সাথে একমত যে, সকাল এবং রাতে অনুষ্ঠান রাখতে পারলে ভাল হতো। সে চিন্তা থেকেই আমরা প্রত্যুষা এবং প্রবাহ বহাল রেখেছিলাম। কিন্তু বাংলাদেশে সকালে রেডিও শোনার অভ্যাস খুব কম মানুষেরই আছে। সেটা আমরা স্বীকার করে নিয়ে প্রত্যুষা বন্ধ করছি। আর আমরা এটাও স্বীকার করছি যে অনেকেই প্রবাহ শোনার সময় পান না, তাই পরিক্রমা ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। কিন্তু আসল কথা হচ্ছে, বাংলাদেশে সার্বিকভাবে রেডিও শ্রোতা ক্রমশই কমছে।
তবে এই সিদ্ধান্তের সাথে একমত পোষণ করে লিখেছেন গোপালগঞ্জের ঘোড়াদাইর থেকে ফয়সাল আহমেদ সিপন:
''বিবিসি নিউজ বাংলার সকালের রেডিও অনুষ্ঠান 'প্রত্যুষা' ১২ জানুয়ারি থেকে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এবং রাত সাড়ে ১০টায় পরিক্রমা অনুষ্ঠান ফিরে আসছে। কর্তৃপক্ষের সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের জন্য ধন্যবাদ।''
আপনাকেও ধন্যবাদ মি. আহমেদ। আশা করি রাতের পরিক্রমা পুনরায় আপনাদের চাহিদা মেটাতে পারবে।
পরের চিঠির বিষয়বস্তু নতুন নয়, কিন্তু মাঝে মধ্যেই এই প্রশ্ন চলে আসে, লিখেছেন পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর থেকে শামীম সরকার:
''সময়ের সঙ্গে তাল মেলানো বর্তমান সময়ে অত্যন্ত জরুরি। যদিও বিবিসি বাংলা কয়েকটি ডিজিটাল প্লাটফর্মে প্রবেশ করেছে কিন্তু একটি জায়গায় অসম্পূর্ণ থেকে গেছে আর সেটি হচ্ছে মোবাইল অ্যাপ। তাই আমার প্রশ্ন "বিবিসি বাংলা" অ্যাপ কবে পাবো?''
বিবিসি বাংলা অ্যাপ আশা করি এক সময় হবে মি. সরকার, তবে এখনো সেটাকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে না। অ্যাপ তৈরির তালিকায় আমরা একটু নিচে আছি, তাই সময় লাগছে।
বারো বছর আগের একটি অনুষ্ঠানমালার কথা মনে করে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী থেকে লিখেছেন আব্দুল কুদ্দুস মাস্টার:
''আমরা বিবিসির শ্রোতারা জানি, 'বাংলাদেশ সংলাপ'এর মতই বিবিসি বাংলার আরও একটি যুগান্তকারী সৃষ্টি ছিল 'নদীপথে বাংলাদেশ,' যা বিগত ২০০৭ সালে আমরা পেয়েছিলাম। তবে মাঝপথে দেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘূর্ণিঝড় 'সিডর' আঘাত হানার কারণে এ বিশেষ অনুষ্ঠানটি অসমাপ্ত রেখেই বাদবাকি সম্প্রচার বন্ধ হয়ে গিয়েছিল । এত বছর পর স্মৃতির জানালা থেকে ফিরে এসে সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানাচ্ছি আবারও আন্তরিক কৃতজ্ঞতাসহ অজস্র ধন্যবাদ।''
আপনাকেও ধন্যবাদ আব্দুল কুদ্দুস মাস্টার। নদীপথে বাংলাদেশ সত্যিই একটি অভিনব অনুষ্ঠানমালা ছিল এবং আমার দৃঢ় বিশ্বাস ভবিষ্যতে আমরা সেরকম আরেকটি অনুষ্ঠানমালা আপনাদের জন্য নিয়ে আসতে পারবো।

ছবির উৎস, Larry Busacca
সব শেষে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদকে স্মরণ করে লিখেছেন চট্টগ্রামের লোহাগড়া থেকে মোহাম্মদ রেজাউল করিম:
''স্যার ফজলে হাসান আবেদ বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ এনজিও ব্র্যাক প্রতিষ্ঠা করে বাংলাদেশকে বদলে দিয়েছেন, দেশকে সুপরিচিত করেছেন বিশ্ব মানচিত্রে। পৃথিবীর আরো বহু দেশ ব্র্যাকের সহযোগিতায় তাদের অসহায় মানুষের ভাগ্য পরিবর্তিত করছে। ব্র্যাকের শিশু শিক্ষা কার্যক্রমের আমিও একজন ছাত্র ছিলাম।
''তাঁর প্রয়াণ আমাদের জন্য শোকের, বেদনার। উনার জীবনী আমাদের জন্য শিক্ষার, আদর্শের। অপার শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা স্যার ফজলে হাসান আবেদ। আপনার কর্মই বেঁচে রাখবে কোটি মানুষের হৃদয়ে।''
আপনার সেন্টিমেন্টের সাথে সবাই একমত হবেন মি. করিম, ফজলে হাসান আবেদ শুধু একজন সফল উদ্যোক্তা ছিলেন না, তিনি প্রকৃত অর্থে একজন দূরদৃষ্টিসম্পন্ন পথিকৃৎ ছিলেন, মানবিক এবং সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে তিনি একজন স্বপ্নদ্রষ্টা হিসেবেই ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছেন।
এবারে কিছু চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করা যাক..
বাদশাহ ফয়সাল, নেত্রকোনা।
বোরহান বিশ্বাস, খিলগাঁও, ঢাকা।
আব্দুর রহমান, ফরিদপুর।
শাহিন তালুকদার, মৌকরন, পটুয়াখালী
অন্তর সরকার, চট্টগ্রাম।
মুহাম্মদ শামিমুল হক মামুন, সন্দীপ, চট্টগ্রাম।
নিরুপম দত্ত, কলকাতা।
শরীফুদ্দীন মজুমদার সৌরভ, বড়ুরা , কুমিল্লা।
আশেক মাহবুব, ময়মনসিংহ।
শামিমুল হক মামুন, দাউদকান্দী, কুমিল্লা।
মোহাম্মদ পলিন হোসাইন, জয়পুরহাট।
মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম থান্দার, দূর্গাপুর, রাজশাহী।











