আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
এডিটার্স মেইলবক্স: 'কাশ্মীর নিয়ে অন্ধকারে বিশ্ব'; বিবিসির মুখোমুখি শেখ হাসিনা
ভারতের সংবিধানে কাশ্মীরকে যে বিশেষ স্বায়ত্তশাসিত এলাকার মর্যাদা দিয়েছিল ৩৭০ ধারা, দেশটির ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার তা বাতিল করার বিষয় এবংএর পরবর্তী কাশ্মীরের পরিস্থিতি ছিল চলতি সপ্তাহের সবচেয়ে আলোচিত প্রসঙ্গ।
এ নিয়ে লিখেছেন ধানমন্ডি, ঢাকা থেকে শামীম উদ্দিন শ্যামল:
''আমার মনে একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে-হঠাৎ করে ভারত সরকার কী কারণে সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিলো? এটা বাতিলের কোন সংবাদ তেমনভাবে আগে শোনা যায়নি কেন? তাছাড়া, আমার মনে হয় কাশ্মীর সমস্যা কখনোই সমাধান হবে না। কারণ কাশ্মীর নিয়ে রাজনীতি করছে পাকিস্তান ও ভারত এবং তারা চাইছে কাশ্মীরকে নিজের ভূখন্ড করে নিতে। এর একটিই সমাধান কাশ্মীরকে সার্বভৌম স্বাধীনতা দেয়া।''
একইধরনের প্রশ্ন করেছেন দাকোপ, খুলনা থেকে মুকুল সরদার:
''ভারত হঠাৎ জম্মু ও কাশ্মীরে এমন পদক্ষেপ নিচ্ছে ঠিক কি কারণে? ভারত কি করতে চাইছে জম্মু ও কাশ্মীরকে নিয়ে? ভারতের এ ধরনের পদক্ষেপে ভারত ও পাকিস্তানের সম্পর্কের কতটা অবনতি হতে পারে?''
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং তার ভারতীয় জনতা পার্টি দীর্ঘসময় ধরে অনুচ্ছেদ ৩৭০ এর বিরোধিতা করে আসছিলেন। ঐ অনুচ্ছেদের বিলোপ ছিল ২০১৯ সালে দলের একটি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি। ভারতের অন্যান্য রাজ্যের সঙ্গে কাশ্মীরকে একত্রিত করা, সেইসঙ্গে অন্যান্য রাজ্যের সঙ্গে সমতা আনার জন্য ঐ অনুচ্ছেদের বিলোপ প্রয়োজন বলে যুক্তি দিয়ে আসছিলেন তারা। এখন এটা পরিষ্কার যে এপ্রিল-মে মাসে হওয়া সাধারণ নির্বাচনে জয় পাওয়ার পর মোদী সরকার তাদের ঐ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দেরি করেনি।
মি: সরদার- ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীর প্রশ্নে এমনিতেই মতানৈক্য রয়েছে। ভারতে সরকারের এই সিদ্ধান্তে পাকিস্তান সরকার রীতিমত ক্ষুব্ধ এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ইতোমধ্যেই কড়া ভাষায় এর বিরোধিতা করেছেন। এর ফলে দুদেশের সম্পর্কে আরও কতটা অবনতি ঘটবে তা দেখার বিষয়। পাকিস্তান - আপনি জানেন - তার দেশ থেকে ভারতের রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করেছে এবং ভারত থেকে তাদের রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করে নিয়েছে। চিঠি লেখার জন্য আপনাদের দুজনেই ধন্যবাদ।
ঘোড়াদাইড়, গোপালগঞ্জ থেকে লিখেছেন ফয়সাল আহমেদ সিপন:
''কাশ্মীর নিয়ে অন্ধকারে গোটা বিশ্ব। সাংবিধানিক বিশেষ মর্যাদার পাশাপাশি রাজ্যের মর্যাদা হারানোর পর কাশ্মীরের লোকজন কী ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন তা বিশ্বের কেউ জানে না। বর্তমানে কাশ্মীর সংক্রান্ত খবরের উৎস কেবল ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মকর্তারা।
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল জানিয়েছেন, "জম্মু কাশ্মীরের পরিস্থিতি শান্ত ও স্বাভাবিক। কাশ্মীরের সাধারণ মানুষ ৩৭০ অনুচ্ছেদ রদকে স্বাগত জানিয়েছেন। কাশ্মীরের মানুষ যদি ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলকে স্বাগতই জানিয়ে থাকেন তাহলে কারফিউয়ের পাশাপাশি যোগাযোগের সব মাধ্যম বন্ধ রাখার প্রয়োজনীয়তা কী?''
আপনি হয়ত বিবিসি বাংলার ওয়েবপেজে ইতোমধ্যে পড়েছেন কিছু কিছু কাশ্মীরির প্রতিক্রিয়া। বিবিসি বাংলার শুভজ্যোতি ঘোষ শ্রীনগরে ঢোকার পর সেখানে কিছু কাশ্মীরির সঙ্গে তিনি কথা বলতে পেরেছেন। তারা তাদের আতঙ্ক আর ক্ষোভের কথা জানিয়েছেন। তাদের কেউ কেউ একথা বলেছেন যে দশ মিনিটের জন্য ভারত সরকার কারফিউ তুলে নিলে দেখতে পাবে দলে দলে মানুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছে। তাদের মতে সেকারণেই গোটা কাশ্মীর উপত্যকায় নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা বলবৎ রয়েছে।
(পুরো ভারত এবং পুরো বিশ্ব থেকে যখন কাশ্মীরকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়েছে, তখন সেখানকার পরিস্থিতি জানতে শ্রীনগরে পৌঁছে যা দেখেছিলেন বিবিসি বাংলার শুভজ্যোতি ঘোষ। পড়তে ক্লিক করুন।)
বিবিসি হিন্দির জুবায়ের আহমেদও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং ভেতরকার অবরুদ্ধ পরিস্থিতির কিছু বর্ণনা পাঠিয়েছেন যা আমরা বিবিসি বাংলার ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করেছি।
বিবিসি বাংলায় সম্প্রতি প্রচারিত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎকার প্রসঙ্গেও লিখেছেন বেশ কয়েকজন শ্রোতা। এর মধ্যে গেন্ডারিয়া, ঢাকা থেকে তার মতামত পাঠিয়েছেন মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান:
''দীর্ঘদিন পর বিবিসি বাংলা, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি সুদীর্ঘ সাক্ষাৎকার প্রচার করেছে। বিবিসির ইউটিউব চ্যানেলে আমি পুরো সাক্ষাৎকারটি শুনেছি। গত ডিসেম্বরের নির্বাচনের পর আমার মতো অনেক শ্রোতাই প্রধানমন্ত্রীর একটি সাক্ষাৎকারের জন্য মুখিয়ে ছিলাম। দেশের ভিতরে প্রধানমন্ত্রী প্রায়ঃশই সংবাদকর্মীদের মুখোমুখি হন কিন্তু সেখান থেকে আমরা প্রত্যাশিত জিজ্ঞাসার জবাব পাই না। কিন্তু এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিবিসি বাংলার বিভিন্ন প্রশ্নের সাবলীল উত্তর দিয়েছেন। অনেকে হয়তো প্রধান মন্ত্রীর মতামতের সাথে একমত নাও হতে পারে, কিন্তু প্রশ্নগুলো ছিল আমার মতো অনেক শ্রোতার মনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।''
পার্বতীপুর, দিনাজপুর থেকে এই সাক্ষাৎকার নিয়ে দীর্ঘ চিঠি লিখেছেন মেনহাজুল ইসলাম তারেক। তার মূল কথা:
''এই সাক্ষাৎকার প্রসঙ্গে আমার অভিমত হলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সত্যিই দেশের ভালো চান, দেশের উন্নয়ন চান; কিন্তু আমার মতে, ওঁনার আশেপাশের লোকজনের কারণে প্রধানমন্ত্রীর সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও তেমন কিছু করতে পারছেন না। কিছু কিছু বিভাগে সুশাসনের বড়ই অভাব আমরা দেখছি। বর্তমান আমরা যে পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি তা সত্যিই ভয়াবহ। একটা বিষয় আমার কাছে অবাক লেগেছে। প্রধানমন্ত্রী যে দিন হতে বলেছেন, ডেঙ্গুর ব্যাপারে মানুষকে সচেতন করতে, সেই থেকেই সবাই ঝাড়ু নিয়ে রাস্তায় নেমে গেছে রাস্তা পরিষ্কার করার জন্য! পরিষ্কার জায়গায় আবর্জনা ফেলে তা পরিষ্কার করে ফটোসেশন-যা জনগনের সঙ্গে রসিকতা ছাড়া আর কিছুই নয়।''
মি: রহমান আর মি: ইসলাম আপনাদের দুজনকেই মতামতের জন্য ধন্যবাদ।
বিবিসি বাংলার নতুন সহকর্মী প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ থেকে হাবিবুর রনি:
''আমি যতদূর জানি পারমিতা হিম কিছুদিন আগেও বাংলাদেশে সময় টেলিভিশনে সংবাদ পাঠ করতেন। কিন্তু প্রীতিভাজনেষুতে ওনার কণ্ঠস্বর শুনতে পেয়ে আনন্দে মনটা ভরে গেল! কারণ তিনি আমার একজন প্রিয় সংবাদ পাঠিকা। উনি কি সময় টিভি ছেড়ে বিবিসিতে স্থায়ীভাবে যুক্ত হয়েছেন? ওনাকে সহ মুন্নী আক্তারকে সু-স্বাগতম জানাচ্ছি। ওনাদের বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।''
আপনি ঠিকই জানেন মি: রনি পারমিতা হিম সময় টিভিতে কাজ করতেন। তিনি সময় টিভি ছেড়ে এখন বিবিসি বাংলার প্রবাহ টিভি টিমে স্থায়ীভাবে যোগ দিয়েছেন। মুন্নী আক্তারও এখন বিবিসি বাংলার স্থায়ী কর্মী। এর আগে তিনিও টেলিভিশনে সাংবাদিকতা করতেন। চিঠি লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
অনেকদিন পরে চিঠি লিখে সংবাদপত্র পর্যালোচনা নিয়ে মন্তব্য করেছেন রাণীবাজার, রাজশাহী থেকে আমাদের পুরনো শ্রোতা হাসান মীর:
''লক্ষ্য করেছি শনি ও রবিবার প্রীতিভাজনেষু প্রচারের দিন সংবাদপত্র পর্যালোচনার সময় কমে যায়। আমার অনুরোধ থাকবে, প্রীতিভাজনেষু প্রচারের আগে বা পরে কম গুরুত্বপূর্ণ কোনো প্রতিবেদন থাকলে সেটি বাদ দেওয়া অথবা সন্ধ্যায় প্রচার করা। এর একটা কারণ, আমাদের অনেকের পক্ষেই তো আর একাধিক পত্রিকা পড়ার সুযোগ হয় না অথচ সংবাদপত্র পর্যালোচনা অনুষ্ঠান থেকে আমরা অন্তত ৮-১০ টি পত্রিকায় প্রকাশিত গুরুত্বপূর্ণ খবর ও কোন্ পত্রিকায় কোন্ খবর কেমন ট্রিটমেন্ট পেয়েছে তা জানতে পারি।''
আপনার মন্তব্য যুক্তিসঙ্গত। একাধিক পত্রিকা পড়ার সময় ও সুযোগ বেশিরভাগ মানুষেরই হয় না- এটা বাস্তবতা। সে কারণেই প্রত্যুষার সংবাদপত্র পর্যালোচনা অনেকে পছন্দ করেন। সমস্যা হল প্রীতিভাজনেষুর সময়ও বেশি ছোট করলে দু তিনটির বেশি চিঠির উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়। তবে আপনার প্রস্তাবটা ভেবে দেখা যেতে পারে, কিন্তু সেখানেও সম্পাদকীয় বিবেচনার ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে লিখেছেন কপিলমুনি, খুলনা থেকে মো: শিমুল বিল্লাল বাপ্পী:
''বিবিসি বাংলার ব্যতিক্রমী প্রচার ছিল- ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর পরিচর্যা কেমন হতে পারে? শিশুদের শরীরে কতদিন পর্যন্ত এই ভাইরাস সক্রিয় থাকতে পারে? ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ,বিশেষ করে যারা শিশু শরীরের অনুভূতির কথা যারা নিজে অন্যকে জানাতে পারে না তাদের জন্য কি ধরনের সতর্কতা প্রয়োজন? ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর কোন্ সময় পর্যন্ত বিশেষ সতর্কতা নেওয়া উচিত? আমার মনে হয় গণমাধ্যমে এইসব বিষয়ে বিশেষ ব্যক্তির সাক্ষাৎকার প্রচার জরুরি।''
বিবিসি বাংলায় এই প্রতিবেদনগুলো তৈরি করা হয়েছে এসব বিষয়ে যারা বিশেষজ্ঞ তাদের সঙ্গে কথা বলে। প্রতিবেদনগুলো আপনার ভাল লেগেছে এবং সময়োপযোগী মনে হয়েছে তা লিখে জানানোর জন্য ধন্যবাদ।
বিশেষজ্ঞ মতামত নিয়ে প্রশ্ন করেছেন পশ্চিমবঙ্গে মালদার হামিদপুর থেকে মো: ফারুক আহমেদ:
''ড: সৈয়দ মাহমুদ আলীর পরিচয় দেবেন। তিনি কে আর বিশেষ করে পাকিস্তান এবং কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে আপনারা বিশেষ করে তার মতামত কেন নেন?''
ড: সৈয়দ মাহমুদ আলী কুয়ালালামপুরে মালেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং সমর-বিদ্যা ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ। দীর্ঘদিন তিনি দক্ষিণ এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার নিরাপত্তা নিয়ে গবেষণা করেছেন। চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নিয়ে তার গবেষণাধর্মী অনেক কাজ আছে। আর এ কারণেই দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার নিরাপত্তা বিষয়ে বিশ্লেষণ ও মতামতের জন্য আমরা তার সাক্ষাৎকার নিই। চিঠি লেখার জন্য ধন্যবাদ।
ঢাকা থেকে লিখেছেন মাজহার -যিনি পুরো নাম ও ঠিকানা লেখেন নি।
''আপনারা কি শুধু খেলার সংবাদ প্রচার করেন? তা না হলে ইংরেজি সম্প্রচার থেকে বাংলায় সম্প্রচার শুরুর সময় কেন ঘোষণা করা হয় " Next half an hour todays news on sports in bangla" এটা সকাল এবং সন্ধ্যা দুই বারই বলা হয়। বিষয়টি সমাধান করা বিশেষ প্রয়োজন।''
মি: মাজহার- এখানে কোন সমস্যা নেই। এটা আপনার শোনার ভুল। ওই ইংরেজি ঘোষণায় যেটা বলা হয় সেটা হল ...Coming next - today's news and sport in Bangla.. অর্থাৎ এরপর শুনবেন সংবাদ ও খেলার খবর....আশা করি আপনার মনে আর কোন বিভ্রান্তি নেই। ধন্যবাদ আপনাকে।
পরের চিঠি লিখেছেন লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা থেকে জহিন মুমতাহিনাহ:
''পয়লা আগস্ট বিবিসি বাংলার ফেইসবুক পাতায় প্রকাশিত "বস্তি থেকে উচ্চশিক্ষা নিতে আমেরিকা যাচ্ছেন সিয়াম" শীর্ষক অনুপ্রেরণামূলক প্রতিবেদনটি পড়লাম। সিয়ামের স্বপ্ন হলো সত্যি। এটি খুবই অসাধারণ একটি ঘটনা যা ভাষায় ব্যক্ত করা অসম্ভব। পশ্চাদপদ অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী শুরুতেই ঝরে পড়ে, সেক্ষেত্রে সিয়াম ব্যতিক্রম। আমি মনে করি, প্রতিবেদনটি অনেকের জন্যই শিক্ষার আলোকবর্তিকা হিসাবে কাজ করবে।''
কীভাবে উদ্যম না হারিয়ে বস্তির জীবন পেছনে ফেলে সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে সিয়াম উপরে উঠেছেন তা নিশ্চয়ই অনেক ছেলেমেয়ে এবং অভিভাবকের জন্য অনুপ্রেরণা হিসাবে কাজ করবে। চিঠি লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
ঢাকা থেকে পরের শ্রোতা যিনি তার পুরো ঠিকানা লেখেননি। পত্রলেখক মোহাম্মদ আলী:
''আমার একটি ক্ষোভ এবং অভিযোগ আছে। আমি ব্যস্ততার কারণে আপনাদের সংবাদ নিয়মিত ও টাইমলি শুনতে পারি না। কিন্তু আগে যখন সময় পেতাম তখন আপনাদের ফেসবুকের ভিডিও পেজ থেকে সংবাদটি শুনে নিতাম। কিন্তু এখন দীর্ঘদিন যাবত ভিডিও পেইজে সংবাদ শুনতে পারি না । কেন? কীভাবে শুনতে পারব আমাকে জানাবেন।''
মি: আলী- আপনাকে নিরাশ করতে হচ্ছে বলে খুবই দু:খিত। আপনি ফেসবুকের ভিডিও পেজে বিবিসি বাংলার রেডিও অনুষ্ঠান প্রবাহ আর শুনতে পারবেন না। কারণ ফেসবুকে প্রবাহের লাইভ স্ট্রিমিং বন্ধ হয়ে গেছে প্রায় ৫ মাস আগে। এখন প্রবাহ আপনার নিজের সময়ে শুনতে চাইলে আপনি বিবিসি বাংলার ওয়েবপেজে যেতে পারেন এবং রেডিও অনুষ্ঠানের লিংক করলে আপনি আগের তিনদিন পর্যন্ত অনুষ্ঠান শুনতে পারবেন। ভিডিও পাবেন না- তবে অডিও থাকবে। আপনাকে ধন্যবাদ। দয়া করে ভবিষ্যতে পুরো ঠিকানাটা লিখবেন।
অনুষ্ঠান নিয়ে চিঠি লিখেছেন কালীগঞ্জ, লালমনিরহাট থেকে প্রশান্ত কুমার রায়:
''আমি খুবই হতাশ হয়েছি যখন আমার প্রিয় বিবিসি বাংলা রাত সাড়ে দশটার বাংলা প্রোগ্রাম বন্ধ করে দেয়। সেইসময় আপনারা বলেছিলেন রাতের শ্রোতা সংখ্যা কমে গিয়েছে। শ্রোতা কমেছে বিষয়টি মানতে পারছি না। রাতের অনুষ্ঠানটি চালু করার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।''
বিভিন্ন সময় বিবিসি শ্রোতা জরিপ চালিয়ে থাকে। রাতের অনুষ্ঠানের চাহিদা আছে এমন পরিসংখ্যান থাকলে বিষয়টি বিবিসি অবশ্যই বিবেচনা করবে। আপনাকে ধন্যবাদ।
এবারে কিছু প্রাপ্তিস্বীকার।
মোঃ সোহাগ বেপারী, নাংগলকোট, কুমিল্লা।
জহির উদ্দিন মাহমুদ, লক্ষ্মীপুর।
মোঃ আব্দুল হক, বড়কমলাবাড়ী, লালমনিরহাট।
কাজী সাইদ, আলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা।
করিমুল ইসলাম প্রতাপ, হরিপুর,ঠাকুরগাঁও।
পিংকি রানী, বোদা, পঞ্চগড়।
সৈয়দ আসাদুজ্জামান সুহান, মালিবাগ, ঢাকা।
আশরাফুল আশেক, গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধা।
এম সবুজ মাহমুদ, মাদারগঞ্জ, জামালপুর।
মোঃ সিরাজ উদ্দিন মাষ্টার, ভাকুর্তা, সাভার।
আমাদের কাছে লেখার ঠিকানা bengali@bbc.co.uk। চিঠি লেখার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।
বিবিসি বাংলার খবর নিয়ে আপনাদের মতামত, প্রতিক্রিয়া, অভিযোগ কিংবা পরামর্শ থাকলে আমাদের কাছে লিখতে পারেন:
ইমেইল ঠিকানা: bengali@bbc.co.uk
ফেসবুক পেজ: www.facebook.com/BBCBengaliService/