এডিটারস্ মেইলবক্স: ওষুধ খাইয়ে গরু মোটা করা, কথিত বন্দুকযুদ্ধ

গরুকে ওষুধ খাইয়ে মোটা করার অভিযোগ রয়েছে।

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, গরুকে ওষুধ খাইয়ে মোটা করার অভিযোগ রয়েছে।
Published

সপ্তাহের আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে একটি ছিল কোরবানির ঈদের আগে গরুকে মোটা করার জন্য অবৈধভাবে ব্যবহৃত ওষুধের চোরাচালান বাড়ার ঘটনা এবং এধরনের চালান ধরা পড়ার প্রসঙ্গ।

ওষুধের চোরাচালান ধরা পড়ার খবর প্রসঙ্গে কপিলমুনি, খুলনা থেকে লিখেছেন মো: শিমুল বিল্লাল বাপ্পী:

''কিছু খামারী অতিরিক্ত লাভের আশায় তাদের গরু ছাগলকে অল্প সময়ে স্বাস্থ্যবান করতে গবাদি পশুকে একধরনের ঔষুধ সেবন করান, যার ফলে অল্প সময়ে গবাদি পশু অত্যন্ত স্বাস্থ্যবান হয়ে ওঠে। আমার প্রশ্ন হলো এই ধরনের পশুর মাংস কি মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর নয়?

''আমার মনে হয় বাংলাদেশের প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয় যদি গবাদি পশুর হাটে ভেটেরেনারি চিকিৎসক টিম দিয়ে ঔষুধ সেবন করিয়ে মোটাতাজা করা গবাদি পশুগুলিকে শনাক্ত করে দেন, তাহলে সাধারণ ক্রেতাদের আর গবাদি পশু ক্রয় করে প্রতারিত হবার আশংকা থাকে না এবং যে সব গবাদি পশুকে ওষুধ খাইয়ে মোটাতাজা করা হয়েছে গণ মাধ্যমে তা সহজে চেনবার কিছু সহজ লক্ষণ প্রকাশ করা হয় তাহলে মনে হয় ভাল হবে।''

আপনি ঠিকই বলেছেন পশুকে স্টেরয়েড বা হরমোন খাওয়ালে তা পশুর প্রস্রাব বন্ধ করে দেয়। ফলে পশুর শরীর ফুলে যাওয়ায় পশুকে স্বাস্থ্যবান দেখায়। এধরনের ওষুধ গরুর জন্য তো ক্ষতিকর বটেই। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন স্টেরয়েড বা হরমোন সমৃদ্ধ মাংস খেলে মানুষের বেলাতেও পেটের বিভিন্ন অসুখ, এছাড়া দীর্ঘমেয়াদে কিডনির জটিলতা এমনকি ক্যান্সার হওয়ারও আশঙ্কা থাকে। কোন গরুকে ওষুধ খাইয়ে মোটা করা হচ্ছে কিনা তা চেনার কিছু উপায়ের কথা প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন এক সাক্ষাৎকারে। বিবিসি বাংলা ডটকমে আমাদের ওয়েবপেজে সে খবরটি দেখতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন। আপনাকে লেখার জন্য ধন্যবাদ।

বাংলাদেশের একটি গরুর হাট

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, বাংলাদেশের একটি গরুর হাট

বহুল আলোচিত বরগুনা হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত সাব্বির আহমেদ নয়নের পুলিশের সঙ্গে কথিত 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত হবার খবর নিয়ে লিখেছেন বড়কমলাবাড়ী, লালমনিরহাট থেকে মো: আব্দুল হক:

''বিবিসির প্রবাহ অনুষ্ঠানে শুনতে পেলাম বরগুনার রিফাত হত্যার প্রধান আসামি নয়নবন্ড পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। এই সংবাদটি শুনে বরগুনার সাধারন জনগ অনেকটা স্বস্তি পাবে। কারণ নয়নবন্ডের মতো আসামীরা বেঁচে থাকলে রিফাত এর মতো আরো কারো প্রাণহানি হতে পারে।''

কথিত বন্দুকযুদ্ধে এধরনের অপরাধীদের নিহত হওয়ার কারণে তাদের বিচারের সুযোগ যে হচ্ছে না সেটা নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করছে। তারা দাবি করছে এধরনের হত্যাকাণ্ড নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে এবং অনেকের মনে হচ্ছে বিচারের ন্যায় সঙ্গত যে উপায় আছে, এর ফলে তার প্রয়োগ হচ্ছে না। যদিও সরকার বলছে তারা সব অপরাধীকেই বিচারের আওতায় আনার চেষ্টা করছে। সেই চেষ্টা থেকেই বিভিন্ন অপরাধের মামলার আসামীদের ধরার চেষ্টা করতে গিয়ে এধরনের বন্দুকযুদ্ধের মত পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। আপনাকে ধন্যবাদ লেখার জন্য।

এ প্রসঙ্গে গেন্ডারিয়া, ঢাকা থেকে মাহবুবা ফেরদৌসী হ্যাপির মন্তব্য:

''আমি মনে করি, ভয়ঙ্কর দুধর্ষ অপরাধী বা বড় সন্ত্রাসী হলেও তাকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শাস্তির আওতায় আনা উচিৎ, অন্যথায় আইনের শাসন দেশে ও বিদেশে চরমভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়।''

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কথিত বন্দুকযুদ্ধ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কথিত বন্দুকযুদ্ধ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এই বিষয় নিয়ে বিবিসি বাংলার ফোন ইন প্রসঙ্গে জোৎ শ্রীপুর, মাগুরা থেকে লিখেছেন রিপন বিশ্বাস:

''এসময়কার সব থেকে আলোচিত ঘটনা রিফাত হত্যা কান্ডে বিবিসি বাংলার ফোন ইন প্রোগামটার জন্য ধন্যবাদ। ওখানে সবাই তাদের কল্পনা অনুযায়ী মতামত প্রদান করেছেন, কিন্তু বাস্তবটা অনেক কঠিন ও ভয়াবহ। প্রথমত ঐ পরিস্থিতিতে নিজের জীবনের হুমকি; দ্বিতীয়ত ঘটনার স্বাক্ষী হয়ে আইনগত ঝামেলায় কেউ পড়তে চায় নি। সত্যি কথা বলতে এরকম ঘটনাগুলার দায় আমাদের প্রশাসন এড়িয়ে যেতে পারে না।''

মাহবুবা ফেরদৌসী হ্যাপি আর রিপন বিশ্বাস আপনাদের দুজনকেই লেখার জন্য ধন্যবাদ।

পরের চিঠি বিশ্বকাপ ক্রিকেট নিয়ে- লিখেছেন বড়শশী, পঞ্চগড় থেকে মোঃ উজ্জ্বল ইসলাম:

''বেশ কয়েকদিন থেকে বিবিসি প্রবাহে আইসিসি ক্রিকেট বিশ্ব কাপের খবরাখবর সম্পর্কে মোহাম্মদ ইসাম, নামে একজন সাংবাদিকের সাক্ষাৎকার শুনছি। তিনি কি বিবিসি বাংলায় নতুন যোগদান করেছেন?''

না মি:ইসলাম। মোহাম্মদ ইসাম কাজ করেন ক্রিকেটের যাবতীয় খবরাখবরের অনলাইন সাইট ক্রিকইনফোর জন্য। বিভিন্ন সময়ে ক্রিকেটের খবরাখবর এবং বিশ্লেষণের জন্য আমরা তার সঙ্গে যোগাযোগ করি। আপনাকে ধন্যবাদ।

তবে বিবিসি বাংলায় নতুন কন্ঠ সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন পঞ্চগড়েরই আরেকজন শ্রোতা। সুন্দরদিঘী, দেবীগঞ্জ থেকে প্রশ্ন করেছেন দীপক চক্রবর্তী:

''বিবিসিতে নতুন শুনছি মুন্নী আক্তারের কণ্ঠ। তিনি কি বিবিসিতে নতুন যোগ দিয়েছেন, না আগে থেকে ছিলেন?''

মুন্নী আক্তারের কণ্ঠ শুনে তার সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন আরও কয়েকজন শ্রোতা। মুন্নী আক্তার বিবিসি বাংলা বিভাগে যোগ দিয়েছেন সম্প্রতি। এর আগে তিনি বাংলাদেশের বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে সাংবাদিকতা করেছেন প্রায় সাত বছর। লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

নতুন প্রযুক্তির যিং বেল

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, নতুন প্রযুক্তির যিং বেল

ফিরে যাই বিশ্বকাপ প্রসঙ্গে। কারণ বিশ্বকাপ ক্রিকেট নিয়ে রয়েছে আরও বেশ কিছু চিঠি। খুলনার, পাইকগাছা থেকে লিখেছেন আরিফুল ইসলাম:

''আমরা বিবিসি বাংলার সংবাদে কখনও শুনছি মাঠের বাইরের থেকে ক্রিকেট বিশ্লেষকের, বিশ্লেষণ। আবার প্রতিনিয়ত সংবাদে মাঠের বাইরে থেকে বিশেষ কিছু উপকারী আপডেট, প্রতিটা শ্রোতার কাছে এই আপডেট গুলো অসাধারন প্রিয়। তার জন্য বিবিসি বাংলার সাংবাদিকদের কঠোর পরিশ্রম করতেহয়। বিশ্বকাপ ক্রিকেটের প্রতিটি ম্যাচ যখন সরাসরি সম্প্রচার হয় এবং সেটা বিশ্বজুড়ে দেখতে পাই কিভাবে- সেটাও জেনে খুশি হলাম। কিন্তু আমার প্রশ্ন, ক্রিকেট খেলায় স্টাম্পগুলো কী দিয়ে তৈরি করা হয়? এবং বল লাগলে সেগুলো জ্বলে ওঠে কেন?''

ভাল প্রশ্ন করেছেন। বিশেষ এক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে স্টাম্পের ওপরে বসানো দুটি বেল যার নাম যিং বেল। এই বেলর চলে বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাটারি দিয়ে আর এর মধ্যে রয়েছে মাইক্রোপ্রসেসর। বল যদি এসে স্টাম্পে লাগে তখন সামান্যতম ধাক্কাতেই বেল আর স্টাম্পের মধ্যেকার সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং বেলগুলোতে আলো জ্বলে ওঠে। বেল থেকে পাঠানো সিগন্যালের কারণে স্টাম্পেও আলো জ্বলে ওঠে।

২০১২ সালে এই প্রযুক্তি প্রথম ব্যবহর করা হয় এবং আইসিসি বিশ্বকাপে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় ২০১৫ সালে। এর উদ্দেশ্য বল স্টাম্পে লাগল কিনা সে বিষয়ে যাতে কোন সন্দেহের অবকাশ না থাকে। ধন্যবাদ আপনাকে লেখার জন্য।

খুলনারই দাকোপ থেকে লিখেছেন মুকুল সরদার:

''টেলিভিশনে ক্রিকেট খেলা তো নিয়মিত দেখি কিন্তু এই খেলাকে মাঠ থেকে সুন্দর ভাবে টেলিভিশনের পর্দায় তুলে আনতে যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেন তাদের কথা তেমন করে শোনা হয়ে ওঠেনি কোনোদিনও। এবার এমন একজন ক্যামেরা ক্রুর সাক্ষৎকার বিবিসি বাংলা শুনিয়েছে যিনি আইসিসির হয়ে কাজ করছেন। অনেক টেকনিক্যাল বিষয় জানা গেলো।''

আসলেই একজন ক্যামেরাম্যানের কাছ থেকে এই ব্যাপক রেকর্ডিং ব্যবস্থার খুঁটিনাটি জানতে পারা সত্যিই দুর্লভ একটি প্রাপ্তি। অনুষ্ঠানটি আপনার ভাল লেগেছে জেনে খুশি হলাম। আপনাকে ধন্যবাদ।

খেলা দেখতে যাওয়ার পথে তোলা ছবি

ছবির উৎস, নাশিত রহমান

ছবির ক্যাপশান, খেলা দেখতে যাওয়ার পথে তোলা ছবি

বিশ্বকাপ নিয়ে বিবিসি বাংলার একটি খবর ভাল লেগেছে গেন্ডারিয়া, ঢাকার মোহাম্মদ জিল্লুর রহমানের:

''বিবিসি বাংলায় পড়লাম "নিজ উদ্যোগে বাসভর্তি দর্শক নিয়ে স্টেডিয়ামে যান যে বাংলাদেশি" শীর্ষক প্রতিবেদনটি। ক্রিকেট নিয়ে দেশে বিদেশে হাজার হাজার ভক্তদের আনন্দ উচ্ছ্বাস ও ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ প্রায়ই চোখে পড়ে। তবে লন্ডনের বাসিন্দা ও আইনজীবী নাশিত রহমানের উদ্যোগটি আমার কাছে খুবই ভাল লেগেছে এবং অসাধারণ মনে হয়েছে।

তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ ক্রিকেট ভক্তদের নিয়ে এ ধরণের আয়োজন করে চলেছেন, যা আমাদের মতো অনেককেই অনুপ্রাণিত করবে। হাজার মাইল দূরে বসেও, তার মতো অনেক বাঙ্গালী তাদের হৃদয়ে এক টুকরো বাংলাদেশ ধারণ করছে ও লাল সবুজের পতাকা বহন করছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।''

নাশিত রহমানের উদ্যোগটি অবশ্যই অভিনব। এবারের বিশ্বকাপে বিভিন্ন খেলায় ব্রিটেনে বসবাসরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত মানুষ যেভাবে বাংলাদেশ দলকে সমর্থন দিয়েছে তা ছিল সত্যিই দেখার মত। আমি নিজেও খেলা দেখতে গিয়ে মাঠে সমর্থকদের যে আবেগ, উচ্ছ্বাস আর উদ্দীপনা দেখেছি তা মনে রাখার মত।

আর ঠিক এই প্রশ্নটাই করেছেন ঘোড়াদাইড় গোপালগঞ্জ থেকে ফয়সাল আহমেদ সিপন:

''চলমান ক্রিকেট বিশ্বকাপ নিয়ে ইংল্যান্ডের স্থানীয় মানুষের আগ্রহ; উচ্ছ্বাস রয়েছে কি?''

স্থানীয় মানুষের যথেষ্ট আগ্রহ উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। ইংল্যাণ্ড যে ম্যাচগুলো খেলছে সেগুলো দেখতে মাঠে যাচ্ছেন স্থানীয় ক্রিকেট ভক্তরা। পাশাপাশি রয়েছে ইংল্যাণ্ডে দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভুত মানুষ যাদের সংখ্যা নিতান্ত কম নয়। তবে তফাৎটা হল ইংলিশ দর্শক শুধু তারাই যারা ক্রিকেট বোদ্ধা, ক্রিকেট ভালবাসেন। আর দক্ষিণ এশিয়ার দর্শকরা অনেকেই মাঠে যাচ্ছেন আবেগের তাড়নায়। তাদের উচ্ছ্বাস আর উদ্দীপনা রীতিমত চোখে পড়ার মত। ধন্যবাদ আপনাকে লেখার জন্য।

বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল যাত্রায় নিজ নিজ দলের হয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছেন যারা

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল যাত্রায় নিজ নিজ দলের হয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছেন যারা

মুতাসীম মাসুম- আপনি ঠিকানা লেখেননি। আপনার প্রশ্ন।

''আমি আপনাদের ফেইসবুকপাতায় সংবাদগুলো দেখতে,পড়তে, লাইক, বা কমেন্ট করতে পাচ্ছি না। আমাকে বিবিসি বাংলা কি ব্লক করে দিয়েছে? যদি আমার কোন নিউজ কমেন্টের জন্য বিবিসি বাংলা কষ্ট পেয়ে থাকে বা বিরক্ত হয়ে থাকে, তাহলে আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।''

বিবিসি বাংলার ফেসবুক পাতায় আমরা শুধু তাদেরই ব্লক করি যারা উস্কানিমূলক, ঘৃণাউদ্রেককারী বা কোনও ব্যক্তিবিশেষ বা জাতিগোষ্ঠির মানহানি করে কমেন্ট করেন। আপনি যদি সেরকম কোন মন্তব্য না করে থাকেন তাহলে বিবিসির আপনাকে ব্লক করার কোন কারণ নেই। আশা করি আপনার সমস্যা আপনি শিগগিরি কাটিয়ে উঠতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি প্রসঙ্গ তুলে ধরেছেন মাদারগঞ্জ, জামালপুর থেকে ফরহাদ আহমেদ:

''আমি দিনের অধিকাংশ সময় শহর কেন্দ্রিক দোকানে থাকি। যেখানে প্রতিনিয়ত শব্দ দূষণ হচ্ছে। মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর মানুষের সৃষ্ট এই উচ্চ শব্দ। এক্ষেত্রে পরিবহণ যানবাহনগুলির রয়েছে সবচেয়ে মারাত্মক অনিষ্টকারী ভূমিকা। ট্রাক, বাস ও মটরগাড়ি, মটর সাইকেল সবই মাত্রাতিরিক্ত উচ্চ শব্দ সৃষ্টি করে। দূষণ স্বাস্থ্যক্ষেত্রে একটি প্রধান ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়।''

সবরকম দূষণই মানুষের স্বাস্থ্যে জন্য ক্ষতিকর। আধুনিক জীবনযাত্রায় মানুষ প্রতিনিয়তই দূষণের শিকার হচ্ছে। এ বিষয়ে সচেতনতাই একমাত্র এর থেকে পরিত্রাণের উপায়। মতামতের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

ট্রাফিক সিগন্যালে একসঙ্গে কয়েকশ গাড়ির হর্ন বাজানোকে শব্দ দূষণের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, ট্রাফিক সিগন্যালে একসঙ্গে কয়েকশ গাড়ির হর্ন বাজানোকে শব্দ দূষণের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

এফএম সম্প্রচার নিয়ে লিখেছেন ফুলপুর, ময়মনসিং থেকে আশেক মাহবুব শাকীল:

''ময়মনসিংহে সম্প্রতি বাংলাদেশ বেতারের একটি এফএম রিলে স্টেশন চালু হয়েছে। বিবিসি বাংলার অন্য রিলে বেতার কেন্দ্রগুলোর মত ময়মনসিংহ থেকেও অনুষ্ঠান সম্প্রচারের উদ্যোগ নিলে ভাল হয়।''

বাংলাদেশ বেতারের সঙ্গে বর্তমান চুক্তি অনুযায়ী এখন আমরা বাংলাদেশের দশটি শহরে এমএফ তরঙ্গে সম্প্রচার করি। ভবিষ্যতে তার সঙ্গে আরও বাড়তি রিলে স্টেশন যোগ করার সুযোগ থাকলে সেটা নিশ্চয়ই বিবেচনা করা হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

এবারে কিছু প্রাপ্তিস্বীকার।

আব্দুল মতিন, কুড়িগ্রাম।

ডা: এস এম এ হান্নান, চাটমোহর,পাবনা।

শাহিন তালুকদার, মৌকরন, পটুয়াখালী।

এস এম রেজাউল করিম, চট্টগ্রাম।

আশফাক জুনেদ, মৌলভীবাজার, সিলেট।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক, পার্বতীপুর, দিনাজপুর।

পরেশ চন্দ্র দাশ, রাখালগুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সিলেট।

এস এম লিয়াকত আলী, পার্বতীপুর দোলাপাড়া, রংপুর।

বিলকিছ আক্তার, সরকারী ম্যাটস, টাঙ্গাইল।

আব্দুল কালাম, ধানমন্ডি, ঢাকা।

আমাদের কাছে লেখার ঠিকানা bengali@bbc.co.uk। চিঠি লেখার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।

বিবিসি বাংলার খবর নিয়ে আপনাদের মতামত, প্রতিক্রিয়া, অভিযোগ কিংবা পরামর্শ থাকলে আমাদের কাছে লিখতে পারেন:

ইমেইল ঠিকানা: bengali@bbc.co.uk

ফেসবুক পেজ: www.facebook.com/BBCBengaliService/