আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
এডিটারস্ মেইলবক্স: ভেজাল নিয়ন্ত্রণ আর বিশ্বকাপ ক্রিকেট
ঈদের কারণে এক সপ্তাহ প্রীতিভাজনেষু প্রচারিত হয়নি। আশা করি আপনারা যারা ঈদ উদযাপন করেছেন তারা ঈদের আনন্দ উপভোগ করেছেন।
নিম্নমানের খাদ্যপণ্য বাজার থেকে তুলে নেবার বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি অনেক কথাবার্তা হচ্ছে। এ নিয়ে ঘোড়াদাইড় গোপালগঞ্জ থেকে লিখেছেন ফয়সাল আহমেদ সিপন:
''বর্তমানে মাছ, মাংস, শাক-সবজি, ফল থেকে শুরু করে পানি পর্যন্ত সব খাদ্যেই ভেজালের ছড়াছড়ি। ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের সুস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে রমজান মাসে ভেজালের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করা হলেও রমজান শেষে তা স্তিমিত হয়ে পড়ে। কিন্তু শুধু রমজানেই কি মানুষের সুস্থ থাকা দরকার? সারা বছর ভেজাল খাদ্য খেয়ে রমজানে কী করে সুস্থ থাকা সম্ভব? ভেজাল খাদ্য নিয়ন্ত্রণে কর্তৃপক্ষের সারা বছরই ভেজালের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে এবং ভেজালকারীদের সঙ্গে কোনো আপস করা যাবে না।''
ভেজালমুক্ত এবং মানসম্মত খাবার মানুষের একটা মৌলিক অধিকার। চলতি সপ্তাহে আরও ২২টি পণ্যকে 'নিম্নমানের' ঘোষণা করে বাংলাদেশের মান নির্ধারণকারী সংস্থা-বিএসটিআই সেগুলো বাজার থেকে তুলে নেবার জন্য সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে। সাম্প্রতিক ঘটনার আলোকে যেটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে সেটা হল ভেজালের বিরুদ্ধে সারা বছর অভিযান অব্যাহত রাখা যেমন জরুরি, তেমনি যারা নিম্মমানের খাবার বাজারজাত করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াটাও প্রয়োজন। আপনাকে ধন্যবাদ লেখার জন্য।
গেন্ডারিয়া, ঢাকা থেকে বিশ্বকাপ প্রসঙ্গে লিখেছেন মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান:
''ব্রিটেনের প্রবল বৃষ্টিপাত ক্রিকেট আনন্দকে মাটি করে দিচ্ছে। প্রশ্ন উঠেছে, বৃষ্টির সময় আইসিসির ক্রিকেট বিশ্বকাপের আয়োজন নিয়ে এবং অনেকে এটিকে আইসিসির একটি চরম বোকামি ও ভুল সিদ্ধান্ত বলে অভিহিত করেছেন। তাছাড়া, এতবড় আসরে রিজার্ভ ডে'র ব্যবস্থাও রাখা হয়নি। অনেক ক্রিকেট বোদ্ধা বলছেন, এর ফলে স্পন্সররা যেমন একদিকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তেমনিভাবে অনেক ক্রিকেট ভক্তরাও ক্রিকেট আনন্দ থেকে বঞ্চিত হবে। সবচেয়ে বড় ব্যাপার, পরিত্যক্ত ম্যাচগুলোর পয়েন্ট ভাগাভাগির ফলে অনেক ক্রিকেট টিমও পরবর্তী রাউন্ডে যেতে সমস্যায় পড়বে।
''আমার প্রশ্ন, ব্রিটেনের আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণ করে এ বৃষ্টির সময় আয়োজক আইসিসির এই ক্রিকেট বিশ্বকাপ আয়োজন কতটা যৌক্তিক ছিল?''
দেখুন মি: রহমান আবহাওয়ার ওপর কি কারও হাত আছে? যে কোন দেশে যে কোন সময়ে বৃষ্টি নামতে পারে। অন্য দেশেও বৃষ্টির কারণে খেলা পণ্ড হবার নজির রয়েছে। ইংল্যাণ্ডে এ সময় রোদ মেঘ বৃষ্টির মধ্যেই কয়েক শতাব্দী ধরে ক্রিকেট খেলা হচ্ছে। ক্রিকেট বিশ্বকাপের জন্ম এই ইংল্যান্ডে, আর ইংল্যান্ডের মাটিতে এর আগে একটি-দুটি নয়, চার-চারবার বিশ্বকাপের আসর বসেছে। কাজেই এটাকে আইসিসির চরম বোকামি বলাটা যুক্তিসঙ্গত হবে না।
আপনার অন্য প্রস্তাব সম্পর্কে এটাই বলব বিশ্বকাপের এতগুলো খেলায় প্রত্যেকটার জন্য রিজার্ভ ডে রাখলে খেলা কতদিন ধরে গড়াবে সেটা ভাবুন। তাছাড়া অন্য দেশেও যখন বিশ্বকাপ হয়েছে, তখনও বৃষ্টিতে খেলা পণ্ড হবার ও পয়েন্ট ভাগাভাগি হবার নজির রয়েছে। লেখার জন্য ধন্যবাদ।
কাউনিয়া, রংপুর থেকে লিখেছেন মিস বিলকিছ আক্তার:
''ক্রিকেটের আতুড়ঘর হিসেবে খ্যাত ইংল্যান্ডে চলছে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের জমজমাট আসর। বিবিসিরও প্রধান অফিস যেহেতু ইংল্যান্ডে তাই বিবিসি থেকে আরও বেশি খবর আশা করেছিলাম! তবে একটি জানার বিষয়, আর তা হলো- বোরিয়া মজুমদার কি বিবিসির নিয়মিত সংবাদদাতা? কারণ খেলা নিয়ে ওঁনার বিশ্লেষণগুলো সত্যিই চমৎকার।''
না মিস আক্তার- বোরিয়া মজুমদার আদৌ বিবিসির সংবাদদাতা নন। তিনি কাজ করেন স্বাধীনভাবে, তিনি একজন ক্রিকেট গবেষক ও ক্রিকেট ইতিহাসবিদ। আপনি আরও লিখেছেন এবারের বিশ্বকাপ নিয়ে বিবিসি বাংলার দেয়া খবরাখবর আপনার যথেষ্ট মনে হচ্ছে না। কেন জানতে আগ্রহী থাকলাম। আমরা এবারে বেশি খবর দিচ্ছি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। বিবিসি বাংলা ডট কমে বিশ্বকাপ নিয়ে আমাদের নানা আয়োজন আশা করি পড়ছেন - নানা রকমের ভিডিও আশা করি দেখছেন আমাদের পেজে এবং সেইসঙ্গে বিবিসি বাংলার ইউটিউব পেজে। রেডিওতেও আমরা খেলার খবর ও বিশ্লেষণ রাখছি প্রতিদিনই। ধন্যবাদ আপনাকে।
এখানে জানিয়ে রাখি বিশ্বকাপ উপলক্ষে বিবিসি বাংলার ফেসবুক পাতায় দেখতে পাবেন ফেসবুক লাইভ, বিবিসি বাংলার ইউ টিউব চ্যানলে থাকছে বিশ্বকাপ নিয়ে বিভিন্ন স্বাদের ভিডিও। এছাড়া বিবিসি বাংলা ডটকমে অবশ্যই থাকছে বিশ্বকাপের নানা খবরাখবর।
ক্রিকেট নিয়ে এবারে একটি অভিযোগের চিঠি। লিখেছেন লালমাই, কুমিল্লা থেকে মাসুদুর রহমান মন:
''আজ ৩০শে মে সন্ধ্যাবেলার অধিবেশনের শিরোনামে পরপর দুইবার বলা হয়েছে যে, লন্ডনে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের মোকাবেলা করছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অথচ খেলা চলছিল ইংল্যান্ড বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা। পরে আবার তা ঠিক করে প্রতিবেদন প্রচার করা হলো, কিন্তু শিরোনামে দুই-দুইবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ বলার জন্য অনুষ্ঠানে দুঃখ প্রকাশ করা হয়নি। বিবিসির এমন ভুল মানতে পারলাম না।''
আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত এই ভুলের জন্য। ভুল আমরা অবশ্যই করেছি এবং এধরনের ভুল কখনই বাঞ্ছনীয় নয়। অনুষ্ঠানের উপস্থাপক অনুষ্ঠান চলাকালে আসলে বুঝতে পারেন নি তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার জায়গায় ভুল করে ওয়েস্ট ইণ্ডিজ বলেছিলেন। নাহলে তিনি নিশ্চয়ই দু:খপ্রকাশ করতেন। তবে এধরনের ভুল যাতে না হয় সেদিকে আমাদের নজর রাখা উচিত। লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
চলতি সপ্তাহে আলোচিত আর একটি খবর ছিল দুদকের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পুলিশের কর্মকর্তার কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ । দাকোপ, খুলনা থেকে লিখেছেন মুকুল সরদার:
''দুদকের চেয়ারম্যান বলেছেন, চাকরির শৃঙ্খলাভঙ্গ ও তথ্য ফাঁসের অভিযোগে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে পরিচালক খন্দকার এনামুল বাসিরকে। আর ঘুষ লেনদেনের অভিযোগের আলাদা তদন্ত হবে। প্রশ্ন হচ্ছে, দুর্নীতি দমনের জন্য যে প্রতিষ্ঠান সেই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারাই যদি দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকেন তবে দেশ থেকে দুর্নীতি দূর হবে কেমন করে? সরিষার ভিতরের ভুতকেই আগে তাড়াতে হবে। আমার বিশ্বাস সরকার বিষয়টিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেবে।''
একই খবর নিয়ে কিছুটা একইধরনের মন্তব্য করেছেন গেন্ডারিয়া, ঢাকা থেকে মাহবুবা ফেরদৌসী হ্যাপি:
''বিগত বছরগুলোতে আমরা দুদুককে শুধু বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিকে দমনের হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহৃত হতে দেখেছি যা চরম পক্ষপাত দুষ্ট আচরণ বলে মনে হয়। আর মাঝে মধ্যে কিছু চুনোপুঁটি লোককে ধরতে দেখেছি। উল্লেখযোগ্য কোন সরকারি নেতা, আমলা বা এ ধরণের কাউকে পাকড়াও করতে দেখিনি। দুদকের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, বাংলাদেশে দুর্নীতি আছে এটা ঠিক কিন্তু দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানুষের সচেতনতাও বেড়েছে। আমার প্রশ্ন, যদি সর্ষের মধ্যে ভূত থাকে কিংবা বেড়া -ক্ষেত পাহারার পরিবর্তে ক্ষেত খাওয়া শুরু করে তবে রুই কাতলাদের দুর্নীতি কমবে কিভাবে?''
প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুর্নীতি দমন কমিশন কখনোই বিতর্ক মুক্ত হতে পারেনি। তবে এই ঘটনার পর কমিশন তার ভাবমূর্তি বদলানোর ব্যাপারে কতটা উদ্যোগী হয় সেটা এখন দেখার বিষয়। লেখার জন্য আপনাদের দুজনকেই ধন্যবাদ।
ঢাকার মিরপুর থেকে মো: আহসান হাবিব হিমেল উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মালয়েশিয়া সেদেশকে আগামী ৫ বছরে অবৈধ শ্রমিকমুক্ত করতে চায় বলে যে ঘোষণা দিয়েছে সেই প্রসঙ্গে।
''অবৈধ শ্রমিক তাড়াতে নতুন পরিকল্পনা মালয়েশিয়ার।বাংলাদেশিদের কী হবে?- বাংলাদেশ সরকারের উচিৎ কোন আনুষ্ঠানিকতার অপেক্ষা না করে এ ব্যাপারে এখনই মালয়েশিয়া সরকারকে আশ্বস্ত করা। বাংলাদেশের মনে রাখা উচিত প্রবাসী বৈধ বা অবৈধ সবার অর্থই এ দেশের মানুষের আয়ে যোগ হচ্ছে। এছাড়া এদেশের জনগণকে দক্ষ করে বিদেশে পাঠালে দেশেরই লাভ। তাই এ সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে আন্তরিক ও জোরালো প্রচেষ্টা দরকার।''
বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারগুলির একটি হল মালয়েশিয়া। মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চলছে গত প্রায় কয়েক বছর ধরেই। এ বছরেও এ পর্যন্ত আটক হয়েছেন অন্তত পাঁচ হাজার বাংলাদেশি। সম্প্রতি দেশটিতে সরকার পরিবর্তনের পর অবৈধ অভিবাসী-বিরোধী অভিযান আরও জোরদার হয়েছে। এই পটভূমিতে অবৈধ অভিবাসীদের ভবিষ্যত কী তা নিয়ে দুই দেশের সরকার নিশ্চয়ই আলোচনায় বসবেন। আপনাকে ধন্যবাদ লেখার জন্য।
পুরনো একটি বিষয় নিয়ে লিখেছেন জ্যোৎশ্রীপুর, মাগুরা থেকে রিপন বিশ্বাস:
''বিবিসি বাংলার দৈনিক চারটি অধিবেশনের পরিবর্তে দুটি অধিবেশন করার পর থেকেই আমার প্রিয় কিছু প্রোগ্রাম দারুন ভাবে মিস করছি। তার মধ্যে বিজ্ঞানের আসর, মাঠে ময়দানে উল্লেখযোগ্য।সম্পাদকের নিকট বিনীত অনুরোধ করছি সপ্তাহে অন্তত আমার প্রিয় একটা অনুষ্ঠান বিজ্ঞানের আসর যেন পরিবেশন করা হয়।''
মি: বিশ্বাস- এ বিষয়ে আমাদের অপারগতার কথা আগেও জানিয়েছি। এই মুহূর্তে ফিচার অনুষ্ঠানগুলো রেডিওতে ফিরিয়ে আনার কোন সম্ভাবনাই নেই। আপনাকে হতাশ করতে হচ্ছে বলে দু:খিত। তবে বিজ্ঞান জগতের উল্লেখযোগ্য খবরাখবর আমাদের ওয়েবসাইটে আমরা দিই। আমাদের ওয়েবসাইট www.bbcbangla.com। আপনাকে ধন্যবাদ।
পরের চিঠির লেখক কপিলমুনি, খুলনা থেকে মো. শিমুল বিল্লাল বাপ্পী:
''বিবিসি বাংলার খবরে জানতে পেরেছি খালি পেটে শিশুরা অধিক পরিমাণ লিচু খেলে বমি, জ্বর হয়ে শিশুরা মৃত্যু বরণ করে। বাংলাদেশ, ভারতের প্রায় সর্বত্র লিচুর চাষ হয়। কিন্ত লিচু সম্পর্কে নতুন এই তথ্য সাধারণ মানুষ জানেনা । আমি বিবিসি বাংলার মাধ্যমে মাননীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই সরকার যদি ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিউনিটি ক্লিনিক এবং স্বাস্থ্য কর্মীদের মাধ্যমে খালি পেটে শিশুদের লিচু না খেতে দেবার জন্য অভিভাবকদের সচেতন করে দিতেন তাহলে লিচু নিয়ে অনেক অভিভাবক সচেতন হতেন।''
এই গবেষণা ছিল গত বছরের। আন্তজার্তিক বিজ্ঞান সাময়িকী ল্যানসেটের একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছিল খালি পেটে অনেক লিচু খেলে শরীরে যে বিষ তৈরি হয়, তার ফলে সুস্থ-সবল শিশুদের হঠাৎ খিঁচুনি আর বমি শুরু হতে পারে এবং এর ফলে তারা অজ্ঞান হয়ে পড়তে পারে। ভারতের বিহারে লিচু খেয়ে বছর তিনেক আগে প্রায় ৪০০ শিশু মারা যাবার পর বিজ্ঞানীরা এক গবেষণা চালান, যে গবেষণার ফলাফলে দেখা যায় যে আক্রান্ত শিশুরা অনেকক্ষণ খালি পেটে থাকার পর রাস্তায় পড়ে থাকা অনেক কাঁচা লিচু খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল এবং এদের অর্ধেকের বেশি যারা মারা গিয়েছিল তারা মারা গিয়েছিল শরীরে ঐ বিষক্রিয়ার ফলে । আপনাকে ধন্যবাদ লেখার জন্য।
ছোট একটি প্রশ্ন করেছেন মাড়েয়া, পঞ্চগড় থেকে পলাশ চন্দ্র রায়:
''বিবিসি বাংলার আমি একজন নিয়মিত শ্রোতা যেখানে বিবিসি বাংলার "প্রীতিভাজনেষু" অনুষ্ঠানে শ্রোতাদের ভালো লাগা মন্দ লাগা সম্পর্কে জানতে পারি। কিন্তু গত সপ্তাহে আপনাদের ইমেইল বক্স-বার ফুল দেখাচ্ছে এর কারণ কি? বার বার চেষ্টা করে কোনও ফল পাই নি।''
মি: রায়- আপনার এ সপ্তাহের ইমেলটা আমরা পেয়েছি সেটা নিশ্চয়ই বুঝতেই পারছেন। আমাদের ইমেইল বক্স ভর্তি হয়ে গিয়েছিল বলেই সেটা ফুল দেখাচ্ছিল। এখন সেটা পরিস্কার করা হয়েছে। আশা করি মেইল পাঠাতে এখন আর সমস্যা হবে না। আপনাকে ধন্যবাদ।
আজকের শেষ চিঠিটির লেখক নুসরাত আকবর। আপনি কোন ঠিকানা দেননি।
''আমি ২০০৩ সাল হতে বিবিসি বাংলা শুনে আসছি। যদিও তেমন ভাবে চিঠি বা মেইল পাঠানো হয়নি। তবে নিয়মিত শোনার চেষ্টা করি ও শুনে থাকি। খুব ভাল লাগে বিবিসির বিশ্ব সংবাদ সহ বিভিন্ন ফিচার পর্বগুলো। আমার বিশেষ অনুরোধ, রাতের অনুষ্ঠান পরিক্রমা পুনরায় চালু করা হোক। আর বিবিসি বাংলার ওয়েবসাইটের ফন্ট পড়ার জন্য একটু ছোট হয়। অন্য বাংলা ওয়েবসাইটের ফন্টগুলো বড় এবং মোবাইলে পড়া যায় সহজে। বিবিসি কে অনুরোধ তাদের বাংলা ওয়েবসাইটে একটি আধুনিক ফন্ট ব্যবহার করা হোক।''
আমি কিন্তু নিজেও বেশিরভাগ সময় বিবিসি বাংলার ওয়েবসাইটের খবর আমার মোবাইল ফোনে দেখি। পাশাপাশি অন্যান্য নিউজসাইটের খবরও পড়ি আমার মোবাইলে। সব ফন্টের সাইজ কিন্তু মোবাইল ফোনে একইরকম আসে এবং কোন ফন্টই পড়তে অসুবিধা হবার কথা নয়। কারণ মোবাইল ফোনের স্ক্রিনের আকারের সঙ্গে ফন্টের সাইজ সামঞ্জস্যপূর্ণ। আপনার যদি স্মার্টফোন থাকে আপনি আপনার ফোনের স্ক্রিন জুম করে ফন্টের আকার বড় করে পড়তে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।
এবারে কিছু চিঠির প্রাপ্তিস্বীকার।
মনির হোসেন, জলঢাকা, নীলফামারী।
গৌতম কুমার সেন, কলকাতা।
মো: নুর আলম সরকার, সাভার, ঢাকা।
অনন্ত কুমার দাস, গাজিপুর।
শাহীন তালুকদার, মৌকরণ, পটুয়াখালি।
নাঈম হোসাইন, পবা, রাজশাহী।
অসীম মণ্ডল, নওগাঁ।
রতন রঞ্জন রায়, বোদা,পঞ্চগড়।
মেনহাজুল ইসলাম তারেক, পার্বতীপুর, দিনাজপুর।
মো: মাহফুজুল হক, এমপোলি, ইটালি।
লেখার জন্য আর অনুষ্ঠান শোনার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।
আমাদের কাছে লেখার ঠিকানা bengali@bbc.co.uk। চিঠি লেখার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।
বিবিসি বাংলার খবর নিয়ে আপনাদের মতামত, প্রতিক্রিয়া, অভিযোগ কিংবা পরামর্শ থাকলে আমাদের কাছে লিখতে পারেন:
ইমেইল ঠিকানা: bengali@bbc.co.uk
ফেসবুক পেজ: www.facebook.com/BBCBengaliService/