ধন্যবাদ
শেষ হলো আজকের লাইভ পেজ।
ইউক্রেন যুদ্ধের আরও খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের ওয়েবসাইটে:
এছাড়া আমাদের সোশাল মিডিয়া সাইটেও থাকছে নানা খবর, বিশ্লেষণ, সাক্ষাৎকার ও অডিও-ভিডিও:
ইউক্রেনের উত্তর, পূর্ব, ও দক্ষিণ এলাকায় বড় ধরনের যুদ্ধ চলছে। বেসামরিক মানুষজনকে সরে যেতে সুযোগ করে দিতে মারিউপোল ও ভলনোভাখা শহরে সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে রাশিয়া। তবে মারিউপোলে তা মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ। কিয়েভ ও খারকিভে গোলাবষর্ণ চলছে।
মাসুদ হাসান খান
শেষ হলো আজকের লাইভ পেজ।
ইউক্রেন যুদ্ধের আরও খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের ওয়েবসাইটে:
এছাড়া আমাদের সোশাল মিডিয়া সাইটেও থাকছে নানা খবর, বিশ্লেষণ, সাক্ষাৎকার ও অডিও-ভিডিও:

ছবির উৎস, Reuters
ইউক্রেনকে সমর্থন জানানোর জন্য ব্রিটেনের প্রতি সরাসরি আক্রমণ করে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছেন, কিয়েভের সরকার কিংবা ইউক্রেনের উগ্র জাতীয়তাবাদী শক্তির সাথে ব্রিটিশ সহযোগিতার কথাটি রাশিয়া ভুলে যাবেনা।
রাশিয়ার সংবাদমাধ্যমে এই খবর প্রচারিত হয়েছে।
“নিষেধাজ্ঞা নিয়ে যে উন্মাদনা তাতে লন্ডনের সরকার মূল ভূমিকা না হলেও নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালন করেছে,” তিনি বলেন, “এর বিরুদ্ধে সমান ও কঠোর পাল্টা ব্যবস্থা নেয়া ছাড়া আমাদের সামনে আর কোন পথ খোলা নেই।“
এর ফল হিসেবে রাশিয়ায় ব্রিটিশ স্বার্থ ‘ক্ষুণ্ণ হবে’ বলে রুশ মুখপাত্র উল্লেখ করেন।
রাশিয়ার সরকারি ভাষ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনে বেসামরিক মানুষের প্রতি যে হুমকি সেটা রাশিয়ার সৈন্যদের কাছ থেকে নয়, ইউক্রেনিয়ান জাতীয়তাবাদীদের কাছ থেকে।
এই আগ্রাসনের পর ব্রিটিশ সরকার ইউক্রেনে অস্ত্র এবং অর্থ সাহায্য পাঠিয়েছে।

ছবির উৎস, MSF
ইউক্রেনের মারিউপোল শহর থেকে বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপদে সরে যাওয়ার সুযোগ দেয়ার লক্ষ্যে এক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে রাশিয়া রাজী হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তারা আবার শহরটির ওপর অব্যাহত গোলা হামলা চালাচ্ছে। ফলে এই পরিকল্পনা এখন ভেস্তে গেছে।
"আমি এখন মারিউপোলে , শহরের রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছি। আমি তিন থেকে পাঁচ মিনিট পরপর গোলার শব্দ শুনতে পাচ্ছি", বলছিলেন শহরের একজন বাসিন্দা, ৪৪-বছর বয়সী আলেক্সান্ডার। তিনি জানান, শহরের লোকজনকে বের করে নেয়ার জন্য যে নিরাপদ করিডোর স্থাপন করা হয়েছে, তা কাজ করছে না।
"আমি দেখছি যারা পালানোর চেষ্টা করেছিল তারা ফিরে আসছে। একেবারেই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি।"
এর আগে আপনাদের জানিয়েছিলাম যে ইউক্রেনে রুশ দখলদারিত্বে থাকা খেরসন শহরের বাসিন্দারা দখলকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে সরব বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন।
শহরের কেন্দ্রস্থলে জমায়েত হয়ে তারা স্লোগান দিচ্ছেন এবং নানা ভাবে রুশ সৈন্যদের গালাগালি করছেন।
সোশাল মিডিয়ার অন্য কিছু ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে রুশ সৈন্যরা ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করছে।
কৃষ্ণ সাগর এবং দিনেপার নদীর তীরে খেরসন একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর।

ছবির উৎস, Getty Images
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন হুঁশিয়ার করেছেন এই বলে যে ইউক্রেনের আকাশ সীমায় কোন দেশ বিমান চলাচল নিষিদ্ধ করলে তা হবে এই যুদ্ধে যোগদানের সামিল।
রুশ টিভিতে বক্তব্য রাখার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন।
“কোন দেশ এই লক্ষ্যে পদক্ষেপ নিলে সেটা এই সশস্ত্র সংঘাতে যোগদান বলে বিবেচনা করা হবে,” তিনি বলেন।
সামরিক দিক থেকে এই নো-ফ্লাই জোন হচ্ছে এমন এলাকা যেখানে হামলা চালানো বা পর্যবেক্ষণের জন্য বিমান চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়।
তবে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয় সামরিক পন্থায় – এই আদেশ লঙ্ঘনকারী বিমানকে গুলি করে ভূপাতিত করতে হয়।
ইউক্রেনের আকাশ সীমায় বিমান চলাচল নিষিদ্ধ করতে নেটোর আপত্তির চরম সমালোচনা করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমিরি জেলেনস্কি।
তিনি এর জন্য নেটোর ‘দুর্বলতা’ এবং ‘অনৈক্য’কে দায়ী করেছেন।
নেটো বলছে, এটা করা হলে আরও বেশি সংখ্যক দেশ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে।

ছবির উৎস, reu
রাশিয়ার জাতীয় বিমান সংস্থা অ্যারোফ্লট আগামী ৮ই মার্চ থেকে প্রায় সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করেছে।
কারণ হিসেবে তারা বলছে, ফ্লাইট পরিচালনায় তারা “অতিরিক্ত বাধা”র মুখোমুখি হচ্ছে।
তবে সংস্থাটি বলছে, একমাত্র প্রতিবেশী দেশ বেলারুশ এবং অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটগুলো চলবে।
ব্রিটেন, ইইউ এবং যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে তাদের আকাশ সীমায় অ্যারোফ্লটের বিমান চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।
এর ফলে সংস্থাটির জন্য বিভিন্ন গন্তব্যে যাত্রী বহন কঠিন হয়ে পড়েছে।
রাশিয়াও এর বিরুদ্ধে পাল্টা পদক্ষেপ নিয়েছে।
রুশ বিমান শিল্পের বিরুদ্ধেও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে।
ফলে অ্যারোফ্লটসহ বেশ কিছু বিমান সংস্থা এখন ঠিকমত কাজ করতে পারছে না।
ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর হাতে এপর্যন্ত পতন ঘটেছে যেসব শহরের তার মধ্যে সবচেয়ে বড় হচ্ছে খেরসন।
কিন্তু শহরটি রুশ বাহিনীর পদানত হলেও এর বাসিন্দারা দখলকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে সরব বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন।
শহরের কেন্দ্রস্থলে জমায়েত হয়ে তারা স্লোগান দিচ্ছেন এবং নানা ভাবে রুশ সৈন্যদের গালাগালি করছেন।
সোশাল মিডিয়ার ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে রুশ সৈন্যরা ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করছে।
কৃষ্ণ সাগর এবং দিনেপার নদীর তীরে খেরসন একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর।
এই নিবন্ধে Xএর কনটেন্ট রয়েছে। কোন কিছু লোড করার আগে আমরা আপনার অনুমতি চাইছি, কারণ তারা হয়ত কুকি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকতে পারে। আপনি সম্মতি দেবার আগে হয়ত X কুকি সম্পর্কিত নীতি এবং ব্যক্তিগত বিষয়ক নীতি প়ড়ে নিতে চাইতে পারেন। এই কনটেন্ট দেখতে হলে 'সম্মতি দিচ্ছি এবং এগোন' বেছে নিন।
End of X post
একটু আগে আপনাদের জানিয়েছিলাম, ইউক্রেনের বাহিনী রাশিয়ার একটি জঙ্গী হেলিকপ্টারকে গুলি করে ভূপাতিত করেছে।
তবে কোথায়, কবে এই ঘটনা ঘটেছে সে সম্পর্কে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বিস্তারিত প্রকাশ করেনি।
রাশিয়ার তরফ থেকেও এব্যাপারে তথ্য জানা সম্ভব হয়নি।
এই ভিডিওতে রয়েছে ইউক্রেনিয়ান বাহিনী মিসাইল আঘাতে হেলিকপ্টারটি ভূপাতিত হওয়ার মুহূর্ত।
(এই ক্লিপটি দেখতে কারও কারও কাছে অস্বস্তিকর লাগতে পারে।)
আমরা এতদিন খবর দিয়েছি যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইউক্রেইনে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে নানা ধরনের বিক্ষোভ হয়েছে।
কিন্তু গতরাতে সার্বিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে রুশপন্থী এক মিছিল হয়েছে।
দেখুন সেই ভিডিও।

ছবির উৎস, Reuters
রাশিয়ার সরকার পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে যে তারা “অর্থনৈতিক ডাকাতি” শুরু করেছে।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এই মন্তব্য করে বলেছেন, রুশ সরকার এর বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেবে।
তবে সেই পদক্ষেপ কী হতে পারে সে সম্পর্কে তিনি কিছু বলেননি।
শুধু এটুকুই বলেন যে রাশিয়ার স্বার্থ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মি. পেসকভের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন রাশিয়ার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং প্রেসিডেন্ট পুতিনের ঘনিষ্ঠ ধনকুবেরদের বিরুদ্ধে ব্রিটেন, ইইউ এবং যুক্তরাষ্ট্র একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে।
মি. পেসকভ মন্তব্য করেন, রাশিয়া এত বড় এক দেশ যে তাকে কখনই একঘরে করে রাখা যাবেনা।
“যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের চেয়েও বিশ্ব আকারে অনেক বড়,” তিনি মন্তব্য করেন।
মারিউপোলের পৌর কর্তৃপক্ষ বলছে, ঐ শহর থেকে বেসামরিক মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়া আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।
তারা বলছে, যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করা হলেও রুশ পক্ষ তা পালন করছে না।
বাসিন্দাদের বলা হয়েছে শহরের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে, এবং নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে নিতে।
কিছুক্ষণ আগে ডেপুটি মেয়র বিবিসিকে জানিয়েছেন, মারিউপোলের ওপর এখনও রুশ গোলাবর্ষণ চলছে।
বেসামরিক লোকজনকে যে পথ দিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে তার শেষভাগে এখনও লড়াই চলছে বলেও খবর পাওয়া যাচ্ছে।

ছবির উৎস, DEFENSE MINISTRY OF UKRAINE / HANDOUT
ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মারিউপোলে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করা হলেও তা মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করছে ইউক্রেন।
ঐ শহরের ওপর গোলাবর্ষণ এখনও চলছে।
মারিউপোলের ডেপুটি মেয়র সেরহাই অরলভ বিবিসিকে বলেছেন, “রুশরা আমাদের ওপর এখনও বোমা ফেলছে। এখনও তারা আমাদের ওপর গোলাবর্ষণ করে চলেছে।“
“মারিউপোলে কোন যুদ্ধবিরতি নেই, শরণার্থী যাতায়াতের পথেও কোন যুদ্ধবিরতি নেই। আমাদের বেসামরিক মানুষ শহর ছাড়তে চায়, কিন্তু তারা গোলাবর্ষণের হাত থেকে বাঁচতে পারছে না।“
আপনি যদি কিছুক্ষণ আগে এই পাতায় যোগ দিয়ে থাকেন, তাহলে ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা সম্পর্কে সর্বশেষ যেসব তথ্য জেনে রাখতে পারেন:
যুদ্ধবিরতির সুযোগ নিয়ে রাশিয়া যেন তার সৈন্যদের আরও সামনের দিকে এগিয়ে না নেয় বলে হুঁশিয়ার করেছেন ইউক্রেনের উপপ্রধানমন্ত্রী ইরিনা ভেরেশচুক।
তিনি বলেন, তার সরকার এমন কিছু খবর এখন ‘যাচাই’ করে দেখছে যেখানে দাবি করা হয়েছে যে যুদ্ধবিরতির সুযোগ নিয়ে শরণার্থী যাতায়াতের করিডর বরাবর রুশ সৈন্যরা ইউক্রেনিয়ান বাহিনীর অবস্থানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
“আমরা এই পথ ব্যবহার করছি নারী ও শিশুসহ বেসামরিক লোকজনকে বের করে আনতে। এবং ত্রাণ সামগ্রী পাঠাতে,” তিনি বলেন, “সারা বিশ্ব এদিকে তাকিয়ে রয়েছে।“
মিজ ভেরেশচুক জানান, আন্তর্জাতিক রেডক্রস এই যুদ্ধবিরতির আলোচনায় মধ্যস্থতা করেছে, এবং বেসামরিক লোকজনকে বের আনতে তারাই সামনের কাতারে থাকবে।
স্থানীয় সময় সকাল নয়টা থেকে চারটা পর্যন্ত মারিওপোল এবং ভোলনোভাখায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে।

ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওলেস্কি রেজনিকভ জানিয়োছেন, রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে ৬৬,০০০ ইউক্রেনিয়ান বিভিন্ন দেশ থেকে ইউক্রেনে ফেরত এসেছেন।
তাদের মধ্যে একজন হচ্ছেন ৫৬ বছর বয়সী ফুটবল কোচ ইয়োরি ভার্নিডাব। মলদোভার শেরিফ টিরাসপোলকে গত বছরের চাম্পিয়ন্স লীগে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে জয়ে তিনি ভূমিকা রেখেছিলেন।
তিনি বলেছেন, যখনি তিনি ছেলের কাছ থেকে জানতে পারেন যে, রাশিয়া আক্রমণ করেছে, সেই সময় তিনি দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন।
এই নিবন্ধে Xএর কনটেন্ট রয়েছে। কোন কিছু লোড করার আগে আমরা আপনার অনুমতি চাইছি, কারণ তারা হয়ত কুকি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকতে পারে। আপনি সম্মতি দেবার আগে হয়ত X কুকি সম্পর্কিত নীতি এবং ব্যক্তিগত বিষয়ক নীতি প়ড়ে নিতে চাইতে পারেন। এই কনটেন্ট দেখতে হলে 'সম্মতি দিচ্ছি এবং এগোন' বেছে নিন।
End of X post
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার বিমান এবং গোলাবর্ষণ কমেছে।
মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত গোয়েন্দা প্রতিবেদনে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দর নগরী মাইকোলায়িভের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে রাশিয়ার বাহিনী।
তবে সেখানে বলা হয়েছে, ''হয়তো এই বাহিনীর কিছু অংশ মাইকোলায়িভ পাশ কাটিয়ে ওডেসার দিকে চলে যেতে পারে।
খারকিভ, চেরনিহিভ এবং মারিওপোলে এখনো অবস্থান ধরে রেখেছে ইউক্রেনের বাহিনী। অন্যদিকে সুমি শহরের রাস্তায় রাস্তায় লড়াই ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

ছবির উৎস, Getty Images
বেসামরিক বাসিন্দাদের শহর ছাড়ার জন্য যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর আবেগপূর্ণ ভাষণ দিয়েছেন মারিওপোলের মেয়র ভাদিম বোইচেঙ্কো।
তিনি বলেছেন, ''মারিওপোল মানে এর সড়ক আর বাড়িঘর নয়, এটি হলো এর বাসিন্দারা''
''এখন যে অবস্থা চলছে, দখলকারীরা যেভাবে নিষ্ঠুর গোলাবর্ষণ করছে, তাতে শহরবাসীদের নিরাপদে চলে যাওয়ার সুযোগ করে দেয়া ছাড়া আর কোন বিকল্প নেই।''
ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা শুরুর ১০দিন পর এই প্রথম সাময়িক হলেও কোন শহরে যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছে।
পুরো ইউক্রেনের মধ্যে শুধু এই দুইটি শহরের বাসিন্দারাই এই যুদ্ধবিরতির সুবিধা পাচ্ছেন। দেশটির অন্যান্য স্থানে লড়াই অব্যাহত রয়েছে।

ছবির উৎস, Getty Images
মারিওপোল এবং ভলোনোভাখা- এই দুইটি শহরে কিছুক্ষণ আগেই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার থেকে মারিওপোল শহর অবরুদ্ধ করে রেখেছে রাশিয়া। সাড়ে চার লাখ মানুষের এই শহরটির ওপর রাশিয়া ব্যাপক গোলাবর্ষণ করছে।
মারিয়াপোলের নিয়ন্ত্রণ পেলে ইউক্রেনের সবচেয়ে বড় বন্দর নগরী রাশিয়ার হাতে চলে যাবে। এর মাধ্যমে রাশিয়া সমর্থিত বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা দোনেৎস্ক এবং লুহানস্ক অঞ্চলের সঙ্গে ক্রাইমিয়ার করিডোর তৈরি হবে। ২০১৪ সালে ক্রাইমিয়া সংযুক্ত করে নিয়েছিল রাশিয়া।
ভলোনোভাখা শহরটির হয়তো পরিচিতি তেমন নেই। কিন্তু রাশিয়ার আক্রমণ শুরু হওয়ার পর এই শহরে ব্যাপক সংঘর্ষ শুরু হয়েছে।
এটি দোনেৎস্ক ও মারিয়াপোল শহরের সড়কের মাঝে অবস্থিত হওয়ায় কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূূূূূূর্ণ।

বেসামরিক মানুষজনকে নিরাপদে সরে যেতে দেয়ার জন্য ইউক্রেনের দুইট শহরে সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে রাশিয়া, এই তথ্য এর আগে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল।
এখন ইউক্রেনের দোনেৎস্ক অঞ্চলের সামরিক প্রশাসন থেকেও তথ্যটি নিশ্চিত করা হয়েছে।
সামরিক প্রশাসনের প্রধান পাভলো কিরিলেঙ্কো জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় সকাল নয়টা (বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা) থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। এখন কীভাবে বেসামরিক মানুষজনকে সরিয়ে নেয়া যায়, তারা সেই পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন।