ধন্যবাদ
শেষ হলো আজকের লাইভ পেজ। ইউক্রেইন যুদ্ধের আরও খবর পেতে চোখ রাখুন আমাদের ওয়েবসাইটে।
এছাড়া আমাদের ফেসবুক পাতাতেও রয়েছে অনেক খবর:
আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
শত্রুপক্ষের খুব কাছাকাছি যাওয়ার পর রাশিয়ার সেনাবাহিনীর অন্তত তিনজন অধিনায়ক নিহত হয়েছেন। রুশ ৩১তম কম্বাইন্ড আর্মস আর্মির উপপ্রধান এক স্নাইপারের গুলিতে নিহত হয়েছেন।
আকবর হোসেন and মাসুদ হাসান খান
শেষ হলো আজকের লাইভ পেজ। ইউক্রেইন যুদ্ধের আরও খবর পেতে চোখ রাখুন আমাদের ওয়েবসাইটে।
এছাড়া আমাদের ফেসবুক পাতাতেও রয়েছে অনেক খবর:
ইউক্রেনের শত্রুপক্ষের খুব কাছাকাছি যাওয়ার পর রাশিয়ার সেনাবাহিনীর অন্তত তিনজন অধিনায়ক নিহত হয়েছে বলে পশ্চিমা দেশের কর্মকর্তারা বলছেন।
তাদের উদ্ধৃত করে বিবিসির নিরাপত্তা বিষয়ক সংবাদদাতা গর্ডন কোরেরা জানাচ্ছেন, রুশ ৩১তম কম্বাইন্ড আর্মস আর্মির উপপ্রধান এক স্নাইপারের গুলিতে নিহত হয়েছেন।
একজন ডিভিশনাল কমান্ডার এবং রেজিমেন্টাল কমান্ডারও নিহত হন।
রুশ বাহিনীর কোন কোন অধিনায়ক সৈন্য নিয়ে রণক্ষেত্রের অনেকখানি সামনে চলে গিয়েছেন।
তাদের লক্ষ্য আরও বেশি ইউক্রেনিয়ান এলাকা দখল করা।
তারা নিজেরা ব্যক্তিগতভাবে সম্মুখভাগে চলে যাওয়ার পর অনেকেই বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছেন।
গণ-অসন্তোষ যদি চাপা না দেয়া যায় তাহলে, পশ্চিমা দেশগুলো যেমনটা বলছে, মি. পুতিনকে ক্ষমতা থেকেও সরে যেতে হতে পারে- এই সম্ভাবনা কতটুকু?
জার্মানির চ্যান্সেলর ওলাফ শোলৎজ ইউক্রেন পরিস্থিতি নিয়ে টেলিফোনে এক ঘণ্টা ধরে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে কথা বলেছেন।
এসময় তিনি ইউক্রেনে রুশ সামরিক অভিযান এই মুহূর্তে বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন বলে জার্মান সরকারের একজন মুখপাত্র বলছেন।
একই সাথে ইউক্রেনের যেসব জায়গায় লড়াই চলছে সেখানে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেয়ার ব্যাপারেও মি. শোলৎজ রুশ নেতার সাথে কথা বলেন।
আলোচনায় দুই নেতা আরেক দফা বৈঠক করার ব্যাপারে একমত হয়েছেন বলে ঐ মুখপাত্র জানান।
নেটোর মহাসচিব ইয়েন স্টলটেনবার্গ বলছেন, ইউক্রেন আগ্রাসনের সময় রাশিয়া যে ক্লাস্টার বোমা ব্যবহার করেছে, তার প্রমাণ তারা পেয়েছেন।
এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “আমার ক্লাস্টার বোমা ব্যবহার হতে দেখেছি, এবং আরও অন্য ধরনের গোলা ব্যবহার করার খবর পেয়েছি যা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।“
ইউক্রেনের আকাশে বিমান চলাচল নিষিদ্ধ করা কিংবা সে দেশে সেনা পাঠানোর কোন পরিকল্পনা এই পশ্চিমা সামরিক জোটের নেই বলে মি. স্টলটেনবার্গ জানান।
তবে ইউক্রেনকে অন্যভাবে সাহায্য করার কথা তিনি বলেন।
নেটো মহাসচিব একই সাথে এই আগ্রাসনের অবসান ঘটানোর জন্য রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের প্রতি আহ্বান জানান।
ইউক্রেনের জাপোরিঝিয়া পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রে রুশ হামলার পর যে আগুন লাগে তাতে বেশ ক’জন নিহত ও আহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।
তবে ইউক্রেন সরকার এসম্পর্কে বিস্তারিত প্রকাশ করেনি।
ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, পরমাণু চুল্লিগুলি যাতে নিয়ন্ত্রণে থাকে ঐ কেন্দ্রের কর্মীরা সেদিকে নজর রাখছেন।
তবে চুল্লির ভেতরে পরমাণু জ্বালানিকে যদি শীতল রাখা না যায়, বা কোনভাবে সেটা ব্যাহত করা হয়, তাহলে ব্যাপক মাত্রায় তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে।
এতে বলা হয়েছে, “এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশেপাশে হাজার হাজার মানুষ থাকেন যার রুশ গোলাবর্ষণের জন্য অন্যত্র সরে যেতে পারেননি। ফলে এরা ব্যাপক ক্ষতির শিকার হতে পারেন।“
ইউক্রেনে রুশ অভিযানের পর থেকে রাশিয়ায় স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের ওপর নানা ধরনের চাপ আসছে।
এরই মধ্যে বিবিসির রুশ ভাষা বিভাগের ওয়েবসাইট রাশিয়ায় নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
পাশাপাশি ডয়েচে ভেলে, রেডিও লিবার্টি এবং মেডুজা মিডিয়া আউটলেটের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকেও রাশিয়ায় নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
ওদিকে, রাশিয়ার সংসদের নিম্ন কক্ষ একটি নতুন আইন পাশ করেছে তাতে সশস্ত্র বাহিনীর ওপর ‘ফেক নিউজ’ বা ভুয়া খবর প্রচারকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
এজন্য বড় অর্থের জরিমানা এবং সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
রাশিয়ার বিরুদ্ধে কেউ নিষেধাজ্ঞার ডাক দিলে তারও বিচার করার ব্যবস্থা রয়েছে এই আইনে।
রুশ সংবাদমাধ্যমকে ইউক্রেনের আগ্রাসনকে বিশেষ সামরিক অভিযান হিসেবে বর্ণনা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এর জেরে বৃহস্পতিবার রাশিয়ার সর্বশেষ স্বাধীন সংবাদমাধ্যম টিভি রেইন তার সম্প্রচার বন্ধ করে দিয়েছে।
এই টিভি চ্যানেলটি তার শেষ সম্প্রচারের সময় দেখায় তার সংবাদ কর্মীরা টিভি সেটা থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন।
রুশ টেলিযোগযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা অবিযোগ করেছে যে এই চ্যানেল থেকে “কট্টরপন্থায় উসকানি দেয়া হচ্ছে, রুশ নাগরিকদের অপমান করা হচ্ছে, জন শান্তিকে হুমকির মুখে ফেলা হচ্ছে এবং বিক্ষোভকে উসকে দেয়া হচ্ছে।“
প্রেসিডেন্ট পুতিন হুঁশিয়ার করেছেন এই বলে যে যারা ইউক্রেনে রুশ অভিযানের বিরোধিতা করছে, তারা যেন তার দেশের ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা জারি করে পরিস্থিতির অবনতি না ঘটায়।
এক সরকারি সভায় ভাষণ দেয়ার সময় তিনি একথা বলেন।
রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে থাকা রসিয়া টিভি ২৪ চ্যানেলে এই ভাষণটি সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।
“প্রতিবেশী দেশের প্রতি আমাদের কোন অসৎ উদ্দেশ্য নেই,” ঐ ভাষণে তিনি বলেন।
সম্পর্কের অবনতি ঘটে এমন কোন পদক্ষেপ প্রতিবেশী দেশগুলো নেবে না বলে তার সরকার মনে করে।
“সম্পর্ক কীভাবে স্বাভাবিক করা যায়, কীভাবে সহযোগিতা বাড়ানো যায়, সেটাই সবার চিন্তা করা উচিত।“
রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের এসব মন্তব্য এমন সময় এলো যখন রাশিয়ার ওপর কীভাবে চাপ বাড়ানো যায় তার পথ খুঁজে বের করার জন্য পশ্চিমা দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ব্রাসেলসে এক বৈঠক শুরু করেছেন।
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের পথে রয়েছে রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর যে প্রায় ৪০-মাইল দীর্ঘ বহর, তার কিছু অংশের স্যাটেলাইট ছবি ব্যবহার করে এই থ্রিডি ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছে।
জাপোরিঝিয়া পরমাণু কেন্দ্রে আগুনের ঘটনায় পরমাণু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি আরেকটি ‘চেরনোবিল’ হবে না, কিন্তু তার পরও এর ঝুঁকি মারাত্মক।
“আজ সকালে প্রথমবারের মতো আমি ভয় পেয়েছি,” বলছিলেন শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পরমাণু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ক্লেয়ার কর্কহিল।
জাপোরিঝিয়া পরমাণু কেন্দ্রের ছয় চুল্লির মধ্যে এখন মাত্র একটি চালু রয়েছে বলে দৃশ্যত মনে হচ্ছে।
অধ্যাপক কর্কহিল বলছেন, এসব চুল্লি যে ‘অফলাইন’ রয়েছে তার মানে হলো তারা পরমাণু চুল্লির কাজ বন্ধ করে দিয়েছে এবং তেজস্ক্রিয় পদার্থগুলিকে নিরাপদ এবং স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করছে।
ওদিকে এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা আইএইএ’র মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসি একটি বিবৃতি দিয়েছেন।
এতে তিনি বলছেন, গতরাতে ঐ পরমাণু কেন্দ্রের একটি ভবনে আঘাত হানা হয়েছে।
তবে এই ভবনটি পরমাণু চুল্লির অংশ নয়।
এই আঘাতের ফলে সেখানে আগুন ধরে যায়, কিন্তু দমকল বাহিনী তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
এই পরমাণু কেন্দ্রের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য যে ব্যবস্থা রয়েছে, এই আঘাতে তার কোন ক্ষতি হয়নি। চুল্লি থেকে কোন তেজস্ক্রিয় পদার্থও বের হয়নি বলে আইএইএ প্রধান বলেন।
রাশিয়ার সৈন্যরা ইউক্রেনের জাপোরিঝিয়া পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র দখল করে নিয়েছে। এটি ইউরোপের সবচেয়ে বড় পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এখানে ৫৭০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়, যা ইউক্রেনের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের এক-পঞ্চমাংশ।
এর আগে রাশিয়ার সৈন্যদের হামলায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে আগুন ধরে যায়। যদিও পরে সেটি নেভানো হয়। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশপাশে রাশিয়া এবং ইউক্রেন সৈন্যদের মাঝে ব্যাপক সংঘাত হয়।
পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রে হামলা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো।
ইউক্রেনের পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আগুন লাগার খবরে এশিয়ার শেয়ার বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। জাপানের নিককেই শেয়ার বাজারে সূচক পড়ে গেছে ২.৫ শতাংশ এবং হংকং শেয়ার বাজারে সূচক পড়ে গেছে ২.৬ শতাংশ।
আমেরিকার জ্বালানী মন্ত্রী জেনিফার গ্র্যানহোম জানিয়েছেন, তার দেশ নিউক্লিয়ার রেসপন্স টিম (যারা পরমাণু শক্তি নিয়ে কাজ করে) তৈরি রাখবে।
ইউক্রেনের পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আগুন লাগার পরে টুইটারে এক বার্তায় এ কথা জানিয়েছেন মার্কিন জ্বালানী মন্ত্রী।
পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশেপাশে সামরিক তৎপরতা বন্ধের জন্য রাশিয়ার প্রতি আহবান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, এ ঘটনা শুধু ইউরোপ এবং ইউক্রেনের জন্য নয়, এটি পুরো বিশ্বের জন্য উদ্বেগজনক।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ধরণের ঘটনা পুরো ইউরোপকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।
ব্রিটেনের উপ-প্রধানমন্ত্রী ডমিনিক রাব বলেছেন, ইউক্রেনের পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উপর রাশিয়ার হামলা গুরুতর একটি বিষয়।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নেয়া প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বিবিসি ব্রেকফাস্ট অনুষ্ঠানে ব্রিটিশ উপ-প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এটা বিশ্বাস করা খুব কঠিন যে রাশিয়ার সৈন্যরা এ কাজ ইচ্ছাকৃত করেনি।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এ ঘটনাকে ‘ভয়ঙ্কর’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
টুইটারে এক বার্তায় মি. ট্রুডো জানান, বিষয়টি নিয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কির সাথে তার কথা হয়েছে।
রাশিয়ার সেনাবাহিনী ইউক্রেনের জেপোরোজিয়া পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র দখল করে নিয়েছে।
সে অঞ্চল থেকে ইউক্রেনের কর্মকর্তারা এ তথ্য দিয়েছেন।
“এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র তদারকির সাথে জড়িত ব্যক্তিরা অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছেন,” স্থানীয় কর্তৃপক্ষর সোশ্যাল মিডিয়ায় দেয়া এক বক্তব্যকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
বিদ্যুৎ উৎপাদন ইউনিটগুলোর অবস্থা সবসময় পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
এর আগে রাশিয়ার সৈন্যদের বোমা হামলায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে আগুন ধরে যায়।
পরে সে আগুন নেভানো হয়। স্থানীয় কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির বিকিরণ স্বাভাবিক পর্যায়ে রয়েছে।
জেপোরোজিয়া পরমাণু বিদুৎ কেন্দ্রটি ১৯৮৪ সালে ১৯৯৫ সালের মধ্যে নির্মাণ করা হয়।
অর্থাৎ এটি তৈরি করতে ১১ বছর সময় লেগেছিল।
এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ছয়টি রিয়েক্টর থেকে ৫,৭০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়।
এর মাধ্যমে প্রায় ৪০ লাখ বাড়িতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যায়।
স্বাভাবিক সময়ে জেপোরোজিয়া পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ইউক্রেনের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাঁচভাগের এক ভাগ আসে। রাজধানী কিয়েভ থেকে এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র ৫৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
ইউক্রেনের জেপোরোজিয়া পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আগুন লাগার খবরে এশিয়ার শেয়ার বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
টোকিও এবং হংকং শেয়ার বাজারে সবচেয়ে বেশি পতন হয়েছে।
জাপানের নিককেই শেয়ার বাজারে সূচক পড়ে গেছে ২.৫ শতাংশ এবং হংকং শেয়ার বাজারে সূচক পড়ে গেছে ২.৬ শতাংশ।
এশিয়ার অপরিশোধিত জ্বালানী তেলের মূল্যও ব্যারেল প্রতি ১১২ ডলারের বেশি হয়েছে।
রাশিয়ার সেনাদের বোমাবর্ষণের কারণে ইউক্রেনের জেপোরোজিয়া পরমাণু বিদুৎ কেন্দ্রে আগুন লেগে যায়।
এটি ইউরোপের সবচেয়ে বড় পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ইউক্রেনের জরুরী বিভাগের কর্মকর্তা বলেন, শুরুতে তাদের সেখানে ঢুকতে দেয়া হচ্ছিল না।
পরবর্তীতে তারা সেখানে ঢুকতে পারে এবং আগুন নেভাতে সক্ষম হয়।
আগুন নেভানোর খবরে এশিয়ার শেয়ার বাজারগুলোতে অনেক বিনিয়োগকারীর মনে আবারো আস্থা ফিরে আসে।
জাহাজটির মালিক এস্তোনিয়ার নাগরিক।
তিনি জানিয়েছেন, একটি বিকট বিস্ফোরণের পরে ইউক্রেন উপকূলে মালবাহী এ জাহাজটি ডুবে যায়।
জাহাজের ভেতরে অবস্থানরত ক্রুদের মধ্যে দুজন জীবনরক্ষাকারী ভাসমান ছোট নৌকায় করে সমুদ্রে নামতে পেরেছে। বাকি চারজন প্রথম দিকে নিখোঁজ ছিল।
কিন্তু পরবর্তীতে ছয়জনকেই উদ্ধার করেছে ইউক্রেনের উদ্ধারকারীরা।
পানামার পতাকাবাহী এ জাহাজটির মালিক এস্তোনিয়া-ভিত্তিক কোম্পানি ভিস্তা শিপিং এজেন্সি।
এস্তোনিয়া নেটোর সদস্য রাষ্ট্র এবং রাশিয়ার সাথে তাদের সীমান্ত রয়েছে।
কয়েকদিন আগে জাহাজটি ইউক্রেনের ওডেসা অঞ্চলের কাছাকাছি একটি বন্দর থেকে ছেড়ে আসার পর ইউক্রেনের উপকূলে নোঙর করেছে।
কেন এ বিস্ফোরণ হয়েছে সেটি এখনো পরিষ্কার নয়।
ইউক্রেনের সেনাবাহিনী বলছে, ওডেসা অঞ্চল দখল করার জন্য রাশিয়া একটি যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছে।
ওডেসা শহরে ১০ লাখ মানুষ বসবাস করে এবং সে অঞ্চলে এটি সমুদ্র বন্দর রয়েছে।
আমেরিকার জ্বালানী মন্ত্রী জেনিফার গ্র্যানহোম জানিয়েছেন, তার দেশ নিউক্লিয়ার রেসপন্স টিম (যারা পরমাণু শক্তি নিয়ে কাজ করে)তৈরি রাখবে।
ইউক্রেনের পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আগুন লাগার পরে টুইটারে এক বার্তায় এ কথা জানিয়েছেন মার্কিন জ্বালানী মন্ত্রী।
পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আগুন লাগার পরে মার্কিন জ্বালানী মন্ত্রী ইউক্রেনের জ্বালানী মন্ত্রীর সাথে কথা বলেছেন।
“পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাছে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর হামলা বেপরোয়া এবং এটি অবশ্যই বন্ধ করতে হবে,” বলেন মার্কিন জ্বালানী মন্ত্রী।
“পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের রিয়েক্টর শক্তিশালী অবকাঠামো দিয়ে ঘিরে রাখা আছে এবং রিয়েক্টর নিরাপদে বন্ধ করা হচ্ছে।”