ইরানি বিমান ঠেকাতে ইয়েমেনের সানা বিমানবন্দরে হামলা
সৌদি সমর্থিত ইয়েমেন সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, একটি ইরানি বিমানের অবতরণ ঠেকাতে তারা সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে হামলা চালিয়েছে।
ইরান-সমর্থিত এবং সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নিয়ন্ত্রণকারী হুথি গোষ্ঠীর একজন মুখপাত্র এই হামলার জন্য সৌদি আরবকে অভিযুক্ত করেছেন। তারা এর জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
মাহান এয়ারের একটি বিমান গত ১৩ই জুলাই সানার উদ্দেশ্যে রওনা হয় এবং কয়েক ঘণ্টা পর তেহরানে ফিরে আসে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিমানটি ওমানের আকাশসীমা ব্যবহার করে সানার দিকে যাচ্ছিল।
ইয়েমেনের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এবং ইরানের মাহান এয়ারের মধ্যে একটি বিমান পরিবহন চুক্তি” স্বাক্ষরিত হওয়ার খবর প্রকাশের পর এ ঘটনা ঘটে।
খবরে বলা হয়েছিল যে, “চুক্তি অনুযায়ী ইরান ও ইয়েমেনের মধ্যে প্রতি সপ্তাহে ১৪টি ফ্লাইট পরিচালনা করা যেতে পারে।”
হুথি সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি ওই দিন এক বিবৃতিতে বলেন, সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুই শতাধিক অসুস্থ, আহত ও আটকে পড়া নাগরিক বহনকারী একটি বেসামরিক বিমানকে অবতরণে বাধা দিতে সৌদি যুদ্ধবিমান ইয়েমেনের আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে।
তারা সৌদি আরবকে সতর্ক করে বলেছে, “যদি দেশটি আমাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে তাহলে তারা স্থল ও সমুদ্রপথে, বিমানবন্দর এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে জবাব দেবে”।
ইয়েমেনের হুথিরা, যারা নিজেদেরকে আনসার আল্লাহ নামে পরিচয় দেয়, তারা ইয়েমেনের পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করে। তবে উপসাগরীয় উপকূল এবং এডেন বন্দর সাবেক ইয়েমেন সরকারের বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
হুথিরা রাজধানী সানা, গুরুত্বপূর্ণ হোদেইদাহ বন্দর এবং লোহিত সাগরের উপকূলের বেশিরভাগ অংশ নিয়ন্ত্রণ করে।
সৌদি সরকার বা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ওই ফ্লাইট সম্পর্কে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের কমান্ডার-ইন-চিফ এক বিবৃতিতে বলেছেন যে, তারা এই পদক্ষেপের জবাব “অভূতপূর্ব শক্তি ও দৃঢ়তার সঙ্গে” দেবে।













