বুধবার থেকে শনিবার সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল

কোটা আন্দোলনকারীদের ডাকে সামাজিক মাধ্যমে প্রোফাইল ছবি লাল করে সহিংসতার প্রতিবাদ জানাচ্ছেন ব্যবহারকারীরা। অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকে আজ সারা দেশে শোক ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এই শোক পালন কর্মসূচি প্রত্যাখ্যান করেছে আন্দোলনকারীরা। ঢাকায় গোয়েন্দা বিভাগের হেফাজতে থাকা ছয়জন সমন্বয়ককে এখনো পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়া হয়নি।

সার সংক্ষেপ

  • টানা ১১দিন ধরে চলা কারফিউ অব্যাহত থাকছে, বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত চারদিন সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত শিথিল
  • সরকারের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। তবে রাষ্ট্রীয় শোক প্রত্যাখ্যান করেছে আন্দোলনকারীরা।
  • বুধবারের মধ্যে জামায়াতে ইসলামী নিষিদ্ধ হতে পারে বলে সরকার জানিয়েছে, নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত বেআইনি ও সংবিধান পরিপন্থী বলে জামায়াতের বিবৃতি
  • সব ধরনের অফিস-আদালত বুধবার থেকে নিয়মিত সময়সূচিতে ফিরছে
  • আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানো এবং 'নিরাপত্তা হেফাজতে' থাকা শিক্ষার্থীদের ছেড়ে দেয়ার বিষয়ে রিটের শুনানি হয়েছে মঙ্গলবার। বুধবার আবারও শুনানি হবে।
  • ‘গণগ্রেফতার’ ও ‘নির্বিচারে আটক’ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল

সরাসরি কভারেজ

  1. মঙ্গলবার বাংলাদেশে যা যা ঘটেছে

    • বাংলাদেশে ১১ দিনের বেশি সময় ধরে অব্যাহত কারফিউ আরও থাকছে, তবে বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত শিথিলের সময়সীমা (সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা) ১৩ ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে।
    • বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ নামে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানিয়েছে, বুধবার দেশের সকল আদালত, ক্যাম্পাস ও রাজপথে এই কর্মসূচি পালন করা হবে।
    • কোটা আন্দোলন ঘিরে দেশজুড়ে সহিংসতার ঘটনায় নিহতদের স্মরণে ৩০শে জুলাই মঙ্গলবার বাংলাদেশে এক দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হলেও তা প্রত্যাখ্যান করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। তারা মুখে ও চোখে লাল কাপড় বাঁধা ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি দেওয়ার কর্মসূচি পালন করেছে।
    • মঙ্গলবার এক রিটের জবাবে কোটা আন্দোলনকে ঘিরে গত ক'দিনের মৃত্যুর ঘটনাকে 'দুঃখজনক' বলে মন্তব্য করেছে হাইকোর্ট।
    • নির্বাহী আদেশে বুধবারের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক।
    • এক বিবৃতিতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়ে জামায়াতে ইসলামী বলেছে, “জামায়াত নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত বেআইনি, এখতিয়ার বহির্ভূত ও সংবিধান পরিপন্থী।”
    • বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন যে বাংলাদেশকে একটা রাজনীতি বিবর্তিত দেশে পরিণত করতে চায় আওয়ামী লীগ। “রাজনৈতিক দলগুলোকে নিষিদ্ধ করে বাকশালের মতো এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করাই তাদের মূল লক্ষ্য” তিনি অভিযোগ করেছেন।
    • বুধবার থেকে সব ধরনের অফিস-আদালতে ৯টা থেকে ৫টার নিয়মিত সময়সূচি চালু থাকবে বলে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
    • গত ১০ দিনে সরকারের আটটি ওয়েবসাইটে ৫০ হাজারবার হামলা হলেও “কোনও ওয়েবসাইট হ্যাক হয়নি” বলে জানিয়েছেন ডাক, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ফেসবুক ও ইউটিউব কবে খোলা হবে, সেই ব্যাপারে বুধবার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
    • বাংলাদেশে চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে যেভাবে গ্রেফতার করা হচ্ছে, সেটিকে ‘গণগ্রেফতার’ ও ‘নির্বিচারে আটক’ হিসাবে উল্লেখ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
  2. বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি ‘মার্চ ফর জাস্টিস’

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে এবার ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ নামে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানিয়েছে, আগামীকাল বুধবার দেশের সকল আদালত, ক্যাম্পাস ও রাজপথে এই কর্মসূচি পালন করা হবে।

    তাদের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ''সারাদেশে ছাত্র-জনতার উপর গণহত্যা, গণগ্রেফতার, হামলা-মামলা, গুম ও খুনের প্রতিবাদে এবং জাতিসংঘ কর্তৃক তদন্তপূর্বক বিচারের দাবিতে'' তারা এই কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। তাদের কর্মসূচির মূল লক্ষ্য—পূর্বঘোষিত নয় দফা দাবি আদায় করা।

    সেই নয় দফা দাবির মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে জাতির কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া, কয়েকজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী এবং কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ও প্রক্টরের পদত্যাগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনেককে বরখাস্ত করার মতো দফা রয়েছে।

  3. ফেসবুক, ইউটিউবের ব্যাপারে বুধবার সকালে সিদ্ধান্ত জানাবে সরকার

    ডাক,টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক জানিয়েছেন, ফেসবুক, ইউটিউব কবে খোলা হবে, তা বুধবার সকালে তিনি জানাতে পারবেন।

    মঙ্গলবার সচিবালয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ''এই বিষয়ে আমি আগামীকাল সকাল ১১টার পরে জানাতে পারবো। আমরা টিকটক, ইউটিউব ও ফেসবুককে ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য চিঠি দিয়েছিলাম। টিকটক আমাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে লিখিতভাবে জবাব দিয়েছে যে, তারা উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা করবে। যেহেতু আগামীকাল এই তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য চিঠি দিয়েছি। এখন পর্যন্ত ফেসবুক ও ইউটিউব, আমার জানামতে এখনো তারা বিটিআরসিকে কোন উত্তর দেয়নি।''

    তিনি বলেন, ''আগামীকাল যেহেতু সকালে এই তিনটা প্রতিষ্ঠানকে ব্যাখ্যা দেয়ার জন্য চিঠি দিয়েছি, ফলে আগামীকাল সকাল ১১টার পরে যদি আমরা তাদের ব্যাখ্যা পাই, সেটা বিশ্লেষণ করে, আর যদি ব্যাখ্যা নাও পাই, তাহলেও আমরা বিটিআরসিতে বসে আলোচনা সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত জানাতে পারবো।''

    বাংলাদেশে কোটা আন্দোলন ঘিরে ব্যাপক সহিংসতা শুরু হলে ইন্টারনেট পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে ইন্টারনেট চালু হলেও সামাজিক মাধ্যমগুলো বন্ধ রয়েছে।

  4. সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল

    বাংলাদেশে ১১ দিনের বেশি সময় ধরে অব্যাহত কারফিউ আরো থাকছে, তবে শিথিলের সময়সীমা ১৩ ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে।

    মঙ্গলবার সচিবালয়ে আয়োজিত সাত মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,''বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদী সকাল সাতটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল থাকবে। অন্য জেলাগুলোর বিষয়ে সেখানকার স্থানীয় প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেবে।''

    তিনি বলেন, ''অনেকেই বলেছেন, আমরা গণগ্রেফতার করছি। গণগ্রেফতার আমরা করছি না। এমন কোন জেলা নেই ,যেখানে তারা নানারকম অবস্ট্যাকল (বাধা-বিঘ্ন) তৈরি করেনি। ... তারা আমাদের তিন পুলিশ সদস্যকে হত্যা করেছে, একজন আনসার সদস্যকে হত্যা করেছে। ... আমরা কোনন নিরপরাধ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করছি না। গোয়েন্দা তথ্য, ভিডিও ফুটেজ, সাক্ষী-সমেত নিয়ে আমরা গ্রেফতার করছি। ভুল করে কাউকে নিয়ে আসলে থানায় আসার পর যাচাই করে ছেড়ে দেয়া হচ্ছে।''

    কোটা সংস্কার আন্দোলন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, কোটা আন্দোলনকারীরা যা চেয়েছিলেন, তার চেয়ে তাদেরকে বেশি দেওয়া হয়েছে।

    মঙ্গলবার সচিবালয়ে আয়োজিত সাত মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “সবাই এটিকে গ্রহণ করলেও যারা আন্দোলনকারীদেরকে ঢাল হিসাবে নিয়ে আসছিলো, তারা এটিকে গ্রহণ করতে পারলো না।”

    “তাদের একের পর এক দাবি। অযৌক্তিক কিছু দাবী…সমাবেশ…হিংসাত্মক কার্যকলাপ। ছাত্ররা যখন আন্দোলন থেকে পিছু হটছিলো, তখন সেকেন্ড লাইনে যারা ছিল, তারা সামনে আসে।”

    পুরো ঘটনা নিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, তাদের প্রতিবেদনে সব কিছু বেরিয়ে আসবে বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন।

  5. এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চায় তারা: মির্জা ফখরুল

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

    ছবির উৎস, BBC BANGLA

    ছবির ক্যাপশান, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “বাংলাদেশকে একটা রাজনীতি বিবর্তিত দেশে পরিণত করতে চায় আওয়ামী লীগ। রাজনৈতিক দলগুলোকে নিষিদ্ধ করে বাকশালের মতো এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করাই তাদের মূল লক্ষ্য।”

    মঙ্গলবার বিকালে গুলশানে বিএনপি’র চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তিনি জানান, চলমান সহিংসতার সাথে বিএনপি জড়িত না।

    “তিনি (ওবায়দুল কাদের) বলছেন যে ওনাদের কাছে আছে যে কোত্থেকে নির্দেশ এসেছে, উস্কানি এসেছে, কারা কোথায় বৈঠক করেছেন, অর্থ যুগিয়েছেন, কোন কৌশলে অর্থ পাঠিয়েছেন, সবই আমরা জানি। সকল ষড়যন্ত্র এখন জাতির কাছে দিনের আলোর মতো স্পষ্ট। সবই যদি স্পষ্ট হয়ে থাকে, তাহলে তো আপনারা জানতেন যে এই আন্দোলন কিভাবে কোনদিকে যাচ্ছে। তাহলে প্রথমেই আলোচনার মাধ্যমে শেষ করলেন না?”

    ওই প্রশ্ন তোলার পর তিনি আরও বলেন, “এই আন্দোলন শুরুর পর আপনারা যে ভাষায় আন্দোলনকারীদেরকে তিরষ্কার করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন, প্রথম থেকেই তাদেরকে বলেছেন তৃতীয় শক্তির আবির্ভাব হয়েছে, জামাত-শিবিরের উস্কানিতে এসব আন্দোলন করছে, সব শেষে এটাও বলেছেন যে বাইরের শক্তির ইঙ্গিতে এসব করছে।”

    “যখন ছাত্ররা বারবার বলেছে যে আমরা কথা বলতে চাই, তখন আপনারা প্রথমে ছাত্রলীগকে ওদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়েছেন, তারপর পুলিশ নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়ে ঘরের মধ্যে ঢুকে তাণ্ডব সৃষ্টি করেছেন। তারপরই তো ছাত্ররা রাস্তায় নেমেছে।”

    তিনি জানান, বিএনপি আন্দোলনের শুরুতে কোনও কর্মসূচি দেয়নি। যখন শিক্ষার্থীরা “শহীদ” হয়, তখন তারা গায়েবানা জানাজা দিয়েছিলেন।

    “কিন্তু সেখানে আপনারা আমাদেরকে দাঁড়াতে দেননি। তারপর একটা সমাবেশ ডেকেছিলাম। সেটিও আপনারা করতে দেননি। গুলি করে, টিয়ারগ্যাস ছুঁড়ে, সাউন্ড গ্রেনেড দিয়ে, সাতটি হেলিকপ্টার দিয়ে সমাবেশকে পণ্ড করেছেন। তারপর গণগ্রেফতার শুরু করেছেন।”

    এসময় তিনি আরও বলেন যে বর্তমানে প্রতিদিন তৃণমূল পর্যায়ের বিএনপি নেতাকর্মীকে “তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।” “আপনারা প্রতিদিন ব্লকরেইড দিচ্ছেন। ঢাকা শহরে গ্রেফতার নয় হাজার ছাড়িয়েছে। এর উদ্দেশ্য কি?” প্রশ্ন রাখেন তিনি।

  6. গণগ্রেফতার বন্ধের আহ্বান অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের

    বাংলাদেশে চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে যেভাবে গ্রেফতারের হিড়িক শুরু হয়েছে, সেটিকে ‘গণগ্রেফতার’ ও ‘নির্বিচারে আটক’ হিসাবে উল্লেখ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

    সোমবার একটি বিবৃতিতে ছাত্রনেতা ও আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদেরকে ‘নির্বিচারে আটক’ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

    বিবৃতিতে বিভিন্ন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক স্মৃতি সিং বলেছেন, ''বাংলাদেশে সপ্তাহজুড়ে নয় হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ “রাজনৈতিক উদ্দশ্যপ্রণোদিত।”

    “সরকারকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয়, এমন কাউকে রুখে দেওয়ার জন্য আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদেরকে ‘গণগ্রেফতার’ ও ‘নির্বিচারে আটক’ করছে কর্তৃপক্ষ।”

    ''এটি হলো বাংলাদেশের ভয়ের পরিবেশ আরও জোরালো করার হাতিয়ার'', বলেন তিনি।

  7. সরকারের ৮টি ওয়েবসাইটে ৫০ হাজারবার সাইবার হামলা: পলক

    গত ১০ দিনে সরকারের আটটি ওয়েবসাইটে ৫০ হাজারবার হামলা হলেও “কোনও ওয়েবসাইট হ্যাক হয়নি” বলে জানিয়েছেন ডাক, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

    মঙ্গলবার সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় তিনি বলেন যে বাংলাদেশ সাইবার হামলার ঝুঁকিতে আছে। বিশেষ করে ব্যাংক, হাসপাতাল, বিদ্যুৎ, টেলিকম, তৈরি পোশাক শিল্প খাত বেশি ঝুঁকিতে।

    তিনি আরও জানান, ওইসব ওয়েবসাইট ছাড়াও ৭০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সাইবার আক্রমণের শিকার হয়েছে।

    ভিপিএন ব্যবহারের ফলে এই ঝুঁকি আরও বাড়ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

  8. কোটা সংস্কার আন্দোলনের ছয় সমন্বয়ককে এখনো না ছাড়ায় ক্ষুব্ধ পরিবার

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয় সমন্বয়ককে এখনো নিজেদের 'হেফাজতে' রেখেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

    এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবারের সদস্যরা।

    মঙ্গলবার অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলামের পিতা বদরুল ইসলাম বাংলাকে বলেন, “আমার ছেলেসহ অন্যদের ছেড়ে দেয়ার জন্য আমাদের ডিবি অফিসে যেতে বলে। পরিবারের সদস্যদের দেখা করতে দেয়ার পর জানানো হয় কিছুক্ষণের মধ্যে ছেড়ে দেয়া হবে।”

    অপর এক সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদের বাবা বিল্লাল হোসেন বিবিসি বাংলাকে বলেন, “সোমবার সকাল ১১টা থেকে রাত পৌনে বারোটা পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষায় রাখার পর বলা হয়েছে হাইকোর্টের রিট হইছে সে জন্য নাকি ছাড়া যাবে না।”

    যদিও কোটা আন্দোলন ঘিরে শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি চালানোসহ নানা বিষয় নিয়ে গত সোমবার যে রিট হয় তার শুনানিতে মঙ্গলবার হাইকোর্ট বলেছে, আটক ছয়জন সমন্বয়ককে আটক করা হলে আদালতে উপস্থিত করবে কিংবা রিমান্ড চাইতে হবে।

    'হেফাজতে' নেয়ার পর ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদ বলেছেন, নিরাপত্তার স্বার্থেই তাদের হেফাজতে রাখা হয়েছে। আটক করা হয়নি।

  9. জাহাঙ্গীরনগর ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে লাল কাপড় বেঁধে প্রতিবাদ

    মুখে লাল কাপড় বেঁধে মৌন মিছিল করেছেন নিপীড়নের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর ব্যানারে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা

    ছবির উৎস, Arifuzzaman Uzzal

    ছবির ক্যাপশান, মুখে লাল কাপড় বেঁধে মৌন মিছিল করেছেন নিপীড়নের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর ব্যানারে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা

    কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে হত্যা, নিপীড়ন ও হয়রানির প্রতিবাদে মুখে লাল কাপড় বেধে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ করেছে জাহাঙ্গীরনগর ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

    মুখে লাল কাপড় বেঁধে মৌন মিছিল করেছেন নিপীড়নের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর ব্যানারে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা।

    একই দিন কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে চোখে-মুখে লাল কাপড় বেঁধে শিক্ষকদের সাথে সংহতি জানান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

    বিক্ষোভ কর্মসূচিতে এসময় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি নিয়ে রাস্তায় নামার পর প্রথমে তাদের প্রতিরোধ করতে রাষ্ট্রের বাহিনী নামানো হয়। সরকার দলীয় কর্মীরাও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়ে শিক্ষার্থীদের হতাহত করেছে’।

    এদিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় নিপীড়ন বিরোধী আন্দোলনের শিক্ষকরা ক্যাম্পাস থেকে র‍্যালি করে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধ প্রধান গেটের সামনে আসলে পুলিশ তাদের বাঁধা দেয়। পরে প্রধান গেট খুলে তারা রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়কের পাশে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।

    এসময় শিক্ষকরা কোটা আন্দোলন ঘিরে সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের প্রতিবাদ মিছিল

    ছবির উৎস, Raju Ahmed

    ছবির ক্যাপশান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের প্রতিবাদ মিছিল
  10. বুধবার থেকে সব ধরনের অফিস-আদালতে স্বাভাবিক সময়সূচি

    আগামীকাল থেকে সব ধরনের অফিস-আদালতে স্বাভাবিক সময়সূচি চালু থাকবে বলে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

    মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আবদুল্লাহ শিবলী সাদিক বিবিসিকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

    তিনি জানান, আগামীকাল থেকে সকল অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী চলবে।

    চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনায় গত ২১, ২২ ও ২৩ শে জুলাই সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছিলো সরকার।

    পরে পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ আনার জন্য সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হলে ধীরে ধীরে সবকিছু স্বাভাবিক হতে শুরু করলে গত ২৪ জুলাই থেকে সীমিত পরিসরে বিভিন্ন অফিস-আদালত চালু হয়।

  11. নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত বেআইনি: জামায়াতে ইসলামী

    সোমবার রাতে ১৪ দলীয় জোটের বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তের আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছে সংগঠনটি।

    মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়ে দলটি বলেছে, জামায়াত নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত বেআইনি, এখতিয়ার বহির্ভূত ও সংবিধান পরিপন্থী।

    বিবৃতিতে জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “একটি রাজনৈতিক দল বা জোট অন্য একটি রাজনৈতিক দলের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। বাংলাদেশের আইন ও সংবিধান কাউকে এ এখতিয়ার দেয়নি।”

    কোটা সংস্কার আন্দোলনে ছাত্রলীগ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছে দাবি করে জামায়াতের আমীর বলেন, “নিজেদের অপকর্মের দায় এড়ানোতে সরকার শুরু থেকেই মিথ্যাচার করছে। রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে জামায়াত ও বিরোধী রাজনৈতিক দলের ওপর দোষারোপ করে বক্তব্য দিচ্ছে সরকার।”

  12. বুধবারের মধ্যে নিষিদ্ধ হতে পারে জামায়াত: আইনমন্ত্রী

    নির্বাহী আদেশে আগামীকাল বুধবারের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক।

    মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা জানান।

    এ সময় তিনি বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন আগামী কালের মধ্যে একটা ব্যবস্থা নেয়ার। আমি আশা করি কিছুক্ষণ পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে বসবো। সেখানে আমরা সিদ্ধান্ত নেবো কোন আইনি প্রক্রিয়ায় জামায়াত নিষিদ্ধ হবে”।

    নির্বাহী আদেশেই জামায়াত নিষিদ্ধ হবে জানিয়ে আইনমন্ত্রী মি. হক বলেন, “যখন নিষিদ্ধ করা হয় তখন সেটা নির্বাহী আদেশেই করা হয়। সেটা কোন বিচার বিভাগীয় আদেশে হয় না”।

    জামায়াত শিবির নিষিদ্ধ হলে দেশের পরিস্থিতি শান্ত হবে বলেও মন্তব্য করেন সরকারের এই মন্ত্রী।

    এর আগে সোমবার রাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের সাথে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ঐ বৈঠকে জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত হয়।

  13. জামায়াত নিষিদ্ধের আইনগত দিক ভালোভাবে দেখে বাস্তবায়ন করবে সরকার: ওবায়দুল কাদের

    ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধের আইনগত দিক ভালোভাবে দেখে বাস্তবায়ন করবে সরকার। যেন আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে আর কোনো সুযোগ না পায়।

    মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের যৌথসভা শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন মি. কাদের।

    কোটা আন্দোলন ঘিরে বিক্ষোভ ও সহিংসতার পর সারাদেশে পুলিশি ধরপাকড় অভিযান নিয়েও নানা সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

    এই সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়েও কথা বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

    তিনি বলেন, “গ্রেপ্তারের সংখ্যা বাড়াতে গিয়ে নিরপরাধ কাউকে জড়ানো যাবে না। অতি উৎসাহী হয়ে যাতে নিরপরাধ কাউকে গ্রেপ্তার করা না হয়, সে বিষয়ে আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।”

    কোটা সংস্কার আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে দাবি করে মি. কাদের বলেন, “কোথায় বৈঠক হয়েছে, কোথা থেকে নির্দেশ আর অর্থ যোগান এসেছে এসব এখন দিবালোকের মতো স্পষ্ট।”

    শিক্ষার্থীদের আন্দোলন কেন্দ্র করে বিক্ষোভ ও সহিংসতায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আওয়ামী লীগ ও সরকার। এমন দাবি করে সরকারের এই মন্ত্রী বলেন, “আমাদের লোকদের অস্ত্র দিয়ে কোথাও অবস্থান নিতে বলিনি। আমরা তো আক্রান্ত হয়েছে। নিরস্ত্র ব্যক্তিরা সশস্ত্র ব্যক্তিদের দিয়ে আক্রান্ত হয়েছি। এলিভেটেড, মেট্রোরেল, সেতুভবনসহ সরকারি বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।”

  14. কোটা আন্দোলনে সমস্ত মৃত্যুই দুঃখজনক: হাইকোর্ট

    কোটা আন্দোলন ঘিরে ক'দিনের মৃত্যুর ঘটনাকে দুঃখজনক বলেছে হাইকোর্ট। এই আন্দোলনে নিহত ও গুলির ঘটনা নিয়ে এক রিটের জবাবে মঙ্গলবার এ মন্তব্য করে হাইকোর্ট।

    মঙ্গলবার শুনানি অনুষ্ঠিত হলেও বুধবার পরবর্তী শুনানি শেষে এ সংক্রান্ত আদেশ দেয়া হবে।

    সোমবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মানজুর-আল-মতিন এবং আইনুন্নাহার সিদ্দিকা।

    আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান, পুলিশের মহাপরিচালক, সেনাবাহিনীর প্রধান, নৌ বাহিনীর প্রধান ও বিমান বাহিনীর প্রধানকে বিবাদী করা হয়েছে রিটে।

    মঙ্গলবার শুনানিতে হাইকোর্ট বেঞ্চ বলেন, “সংবিধান ও আইনে সব বিষয় লেখা আছে। কিন্তু আমরা কেউই সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করছি না। পুলিশ কী আচরণ করবে তাতো সিআরপিসিতে পরিস্কার বলা আছে।”

    হাইকোর্টের মন্তব্য, “কোটা আন্দোলনের ছয় সমন্বয়ককে আটক করলে আদালতে হাজির করবেন, রিমান্ড চাইবেন, সবকিছু একটা প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকতে হবে।”

    শুনানিতে ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম মুনির বলেন, ‘গত কদিনে এতগুলো মৃত্যুর ঘটনা দুঃখজনক।এতে সরকারও মর্মাহত। তৃতীয় পক্ষের গুলিতে অনেকে মারা গিয়ে থাকতে পারে”।

    তবে শুনানির সময় সরকার পক্ষ ও রিটকারী আইনজীবীদের মধ্যে হট্টগোল বাধে। এজলাসের বাইরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

  15. সরকার ঘোষিত শোক প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলনের সমর্থনে লাল কাপড় বেঁধে প্রতিবাদ

    কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে সোমবার সরাদেশে শোক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সরকার।

    সরকার ঘোষিত মঙ্গলবারের রাষ্ট্রীয় শোক প্রত্যাখ্যান করে সোমবার রাতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন। আন্দোলনের একজন সমন্বয়ক মো. মাহিন সরকারের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই কর্মসূচির কথা জানানো হয়।

    পাল্টা কর্মসূচি হিসেবে মঙ্গলবার একক বা ঐক্যবদ্ধভাবে লাল কাপড় মুখে ও চোখে বেঁধে ছবি তোলা এবং অনলাইনে প্রচার কর্মসূচি ঘোষণা করে আন্দোলনকারীরা।

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমর্থনে এই কর্মসূচির পক্ষে মঙ্গলবার সকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেককে এ নিয়ে পোস্ট করতে দেখা গেছে।

    শুধু আন্দোলনকারী না, প্রতিবাদী এই ক্যাম্পেইনে অংশ নিতে দেখা গেছে অনেক সোশ্যাল মিডিয়া সেলিব্রেটি, তারকা কিংবা সাংবাদিকদেরও।

    তাদের কেউ কেউ ফেসবুকের প্রোফাইল ছবি বা কাভার ফটো পরিবর্তন করেছেন। কেউ কেউ আবার মুখে ও চোখে লাল কাপড় বেঁধেও পরিবর্তন করেছেন।

    সরকার ঘোষিত শোক প্রত্যাখান করে তারা আন্দোলনকারীদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন।

    কেউ কেউ সেখানে লিখেছেন, “কালো নয়, আমাদের শোকের রং লাল”।

    তবে, সরকারের শোকের অংশ হিসেবে সরকার সমর্থিত ব্যক্তি বা দলীয় অ্যাকাউন্ট থেকে কেউ কেউ আবার ফেসবুক প্রোফাইল বা কাভার ফটো কালো করে শোক প্রকাশ করেছে।