আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আমাকে মূল ওয়েবসাইটে/সংস্করণে নিয়ে যান

এই ডেটা-সাশ্রয়ী সংস্করণ সম্পর্কে আরও জানুন

প্রেসিডেন্ট হিসাবে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নিয়ে 'স্বর্ণযুগ শুরুর' প্রতিশ্রুতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণের পর পরই নির্বাহী আদেশের 'ঝড় তোলা'র প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন তিনি। আর জি কর মামলায় অভিযুক্তকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

সরাসরি কভারেজ

  1. সোমবার সারাদিন যা যা হলো

    • দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। দায়িত্ব গ্রহণের পর দেয়া বক্তব্যে তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণযুগ এখন থেকে শুরু হলো। প্রথম ভাষণে ডোনাল্ড ট্রাম্প বড় ধরনের কিছু ঘোষণা দিয়েছেন, যার মধ্যে মেক্সিকো সীমান্তে জরুরি অবস্থা ঘোষণা, পানামা খাল ফেরত নেয়া, বিদেশি পণ্যের আমদানিতে শুল্ক বৃদ্ধির মতো ঘোষণা রয়েছে।
    • ক্ষমতা ছাড়ার আগে শেষমুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ফৌজদারি মামলার হুমকিতে রয়েছেন এমন বেশ কয়েকজনকে আগাম ক্ষমা করে দিয়েছেন। এদের মধ্যে ডঃ অ্যান্থনি ফৌসি এবং জয়েন্ট চিফের সাবেক চেয়ারম্যান মার্ক মাইলি রয়েছেন। এছাড়া তিনি পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্যকেও আগাম ক্ষমা ঘোষণা করেছেন।
    • আর জি কর মেডিকেল কলেজের ইন্টার্ন চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হওয়া কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রাইকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছে শিয়ালদহ আদালত।
    • পুলিশ বাহিনীর সংস্কার আলোচনার মধ্যেই পুলিশ, র‍্যাব এবং আনসার সদস্যদের পোশাক পরিবর্তনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
    • তেত্রিশ বছরের পুরনো সংবাদ মাধ্যম দৈনিক ভোরের কাগজের প্রধান কার্যালয় বন্ধের ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।
    • বাংলাদেশে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার কোটায় ভর্তির সকল কার্যক্রম স্থগিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
    • বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এখন থেকে সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার শেল কেনা ও ব্যবহারের অনুমোদন পেয়েছে।
  2. ভবিষ্যৎ আমাদের: ট্রাম্প

    নিজের রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের প্রসঙ্গ টেনে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মার্কিন নাগরিকরা কথা বলেছেন।

    "আমি এটার প্রমাণ হিসেবে আপনাদের সামনে দাঁড়িয়েছি যে, অসম্ভব বলে কিছু বিশ্বাস করা কখনই উচিৎ নয়। অসম্ভবকে সম্ভব করাটাই আমরা আমেরিকায় সবচেয়ে ভালো পারি," বলেন ট্রাম্প।

    যুক্তরাষ্ট্রকে পরাজিয় করা বা ভয় দেখানো যাবে না বলে ভাষণের শেষে উল্লেখ করেন তিনি।

    "আমরা ব্যর্থ হবো না। এখন থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মুক্ত, সার্বভৌম এবং স্বাধীন...ভবিষ্যৎ আমাদের এবং আমাদের স্বর্ণযুগ সবে শুরু হয়েছে," বলেন ট্রাম্প।

    আকাশেও যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য বজায় থাকবে বলে জানান নতুন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন যে, মার্কিন নভোচারীরা মঙ্গল গ্রহে গিয়ে বিজয়ের নতুন ইতিহাস রচনা করবেন।

  3. ট্রাম্পের শপথ অনুষ্ঠানে বিমর্ষ বাইডেন-কমালা

    যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডােনাল্ড ট্রাম্পের শপথ অনুষ্ঠানে অন্যদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন সদ্য বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

    তবে তাকে বেশ বিমর্ষ দেখাচ্ছিলো।

    একইভাবে মনমরা হয়ে বসেছিলেন নির্বাচনে ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী ও পরাজিত প্রেসিডেন্ট প্রার্থী কমালা হ্যারিসকে।

    অন্যদিকে, নিজের ভাষণে বাইডেন প্রশাসনের নীতি ও নানান পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন মি. ট্রাম্প।

  4. 'পানামা খাল আবার আমরা ফিরিয়ে নেবো'

    শপথ গ্রহণের পর দেয়া বক্তব্য পানামা খাল প্রসঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ' এটা এমন একটা বোকা উপহার, যা আমাদের কখনো তৈরি করাই উচিত হয়নি'।

    পানামা খাল চীনারা পরিচালনা করছে বলে ভুল অভিযোগ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    ''আমরা এটা চীনকে দেইনি। আমরা আবার এটা ফিরিয়ে নেবো,'' বলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    এই মাসের শুরুর দিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প একই দাবি করেছিলেন। সেই সময় সামরিক অভিযানের সম্ভাবনার কথাও তিনি উড়িয়ে দেননি।

  5. প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর যা বললেন ট্রাম্প

    দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্টের শপথ নেওয়ার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন যে, তার ক্ষমতা গ্রহণের মধ্য দিয়ে আমেরিকার স্বর্ণযুগে পা দিয়েছে।

    "আমেরিকার স্বর্ণযুগ এখনই শুরু হয়েছে," শপথের পর দেওয়া ভাষণে বলেন মি. ট্রাম্প।

    “''এখন থেকে সামনের দিনগুলোয় আমাদের দেশ আরো সমৃদ্ধ আর সম্মানজনক অবস্থানে উঠে আসবে। আমার একমাত্র লক্ষ্য হবে, আমেরিকা ফার্স্ট।," বলেন তিনি।

    ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার করেন ট্রাম্প।

    "আমাদের সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধার করা হবে, আমাদের নিরাপত্তা পুনরুদ্ধার করা হবে, পুনরায় ন্যায়বিচার ফিরিয়ে আনা হবে"

    “আমরা একটি গর্বিত, সমৃদ্ধশালী ও স্বাধীন জাতি তৈরি করার লক্ষ্যকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিবো," বলেন মি. ট্রাম্প।

    প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব নেয়ার পরে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি বেশ কিছু নির্বাহী আদেশ জারি করতে যাচ্ছেন।

    তার মধ্যে রয়েছে, আমেরিকার দক্ষিণ সীমান্তে, যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে তিনি জাতীয় জরুরি অবস্থা জারি করবেন।

    অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ বন্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন। সেই সাথে যে 'লাখ লাখ অপরাধী' অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছে, তারা যেখান থেকে এসেছে, সেখানে ফেরত পাঠানো হবে।

    সেই সাথে তার রিমেইন ইন মেক্সিকো বা 'মেক্সিকোতেই থাকো' নীতি তিনি পুনরায় কার্যকর করা হবে। সীমান্ত এলাকায় আরো সৈনিক ও জনবল পাঠানো হবে বলেও তিনি ঘোষণা দিয়েছেন।

    মাদক চক্র বা কার্টেলগুলোকে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসাবে ঘোষণা করা হবে এসব নির্বাহী আদেশে।

    'এলিয়েনস এনিমিস অ্যাক্ট অব ১৭৯৮' পুনর্বহাল করা হবে, যাতে কেন্দ্রীয় ও অঙ্গরাজ্যগুলো 'যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে বিদেশি গ্যাংগুলো' দমনে সর্বশক্তি প্রয়োগ করতে পারে।

    শপথ গ্রহণের দিনটিকে, ২০শে জানুয়ারি ২০২৫কে তিনি 'মুক্তির দিন' বলে বর্ণনা করেন।

  6. মেক্সিকো সীমান্তে আজ জাতীয় জরুরি অবস্থা জারি করবেন ট্রাম্প

    প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব নেয়ার পরে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি বেশ কিছু নির্বাহী আদেশ জারি করতে যাচ্ছেন।

    তার মধ্যে রয়েছে, আমেরিকার দক্ষিণ সীমান্তে, যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে তিনি জাতীয় জরুরি অবস্থা জারি করবেন।

    অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ বন্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন। সেই সাথে যে 'লাখ লাখ অপরাধী' অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছে, তারা যেখান থেকে এসেছে, সেখানে ফেরত পাঠানো হবে।

    সেই সাথে তার রিমেইন ইন মেক্সিকো বা 'মেক্সিকোতেই থাকো' নীতি তিনি পুনরায় কার্যকর করা হবে। সীমান্ত এলাকায় আরো সৈনিক ও জনবল পাঠানো হবে বলেও তিনি ঘোষণা দিয়েছেন।

    মাদক চক্র বা কার্টেলগুলোকে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসাবে ঘোষণা করা হবে এসব নির্বাহী আদেশে।

    'এলিয়েনস এনিমিস অ্যাক্ট অব ১৭৯৮' পুনর্বহাল করা হবে, যাতে কেন্দ্রীয় ও অঙ্গরাজ্যগুলো 'যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে বিদেশি গ্যাংগুলো' দমনে সর্বশক্তি প্রয়োগ করতে পারে।

    শপথ গ্রহণের দিনটিকে, ২০শে জানুয়ারি ২০২৫কে তিনি 'মুক্তির দিন' বলে বর্ণনা করেন।

  7. প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন ট্রাম্প

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭ তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    শপথ গ্রহণের পরে দেয়া বক্তব্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ''আমেরিকার স্বর্ণযুগ এখন থেকে শুরু হলো।''

    ''এখন থেকে সামনের দিনগুলোয় আমাদের দেশ আরো সমৃদ্ধ আর সম্মানজনক অবস্থানে উঠে আসবে। আমার একমাত্র লক্ষ্য হবে, আমেরিকা ফার্স্ট।''

    বক্তব্যে তিনি বাইডেন প্রশাসনেরও বেশ সমালোচনা করেন।

    সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ১১টার কিছু পরে শপথ নেন তিনি। শপথে তিনি সংবিধানকে "সংরক্ষণ ও রক্ষা করার" প্রতিজ্ঞা করেন।

    শপথ গ্রহণকালে মি. ট্রাম্পের কাছে দু'টি বাইবেল দেখা গেছে। এর মধ্যে একটি তার মায়ের দেওয়া এবং অন্যটি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কনের ব্যবহৃত বাইবেল বলে জানা যাচ্ছে।

    মি. ট্রাম্পের কিছুক্ষণ আগে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন রিপাবলিকান নেতা জেডি ভান্স।

    এ সময় তোপধ্বনি মাধ্যমে নতুন প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানানো হয়।

  8. ক্যাপিটল রোটুন্ডায় সমবেত হতে শুরু করেছেন অতিথিরা

    ওয়াশিংটন ডিসির রোটুন্ডায় পৌঁছেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, তার স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প। কিছুক্ষণের মধ্যে এখানে তার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হবে।

    শেষবারের মতো প্রেসিডেন্ট হিসাবে এখানে এসেছে জো বাইডেন ও ভাইস প্রেসিডেন্ট কমালা হ্যারিস।

    এছাড়া অনুষ্ঠানে সস্ত্রীক এসেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও হিলারি ক্লিনটন, জর্জ বুশ, বারাক ওবামা।

  9. ট্রাম্পের অভিষেকের দিনের সূচি

    যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বিকেল পাঁচটায় (বাংলাদেশের সময় ২১শে জানুয়ারি ভোর ৪টা) ক্যাপিটল হিলে শপথ নেবেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    পাঁচটা ২৬ মিনিটে তিনি সেখান থেকে বের হবেন।

    অনেকটা একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় পাঁচটা ২৬ মিনিটে ক্যাপিটল হিল ছেড়ে যাবেন বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

    প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব নেয়ার পরেই পাঁচটা ৫৫ মিনিটে ডোনাল্ড ট্রাম্প কিছু নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করবেন।

    স্থানীয় সময় বিকাল ছয়টা আট মিনিটে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও ভাইস – প্রেসিডেন্ট ভেন্স কংগ্রেসনাল মধ্যাহ্ন ভোজনে অংশ নেবেন।

    এরপর সাতটা ৩৩ মিনিটে সেনা সদস্যদের পর্যালোচনা করবেন ট্রাম্প। এর ঠিক এক ঘণ্টা পর অর্থাৎ আটটা ৩০ মিনিটে প্যারেড বা কুচকাওয়াজে অংশ নেবেন।

    এর পনের মিনিট পরে পৌনে নয়টায় মোটর শোভা যাত্রা নিয়ে হোয়াইট হাউসে যাবেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

  10. হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পকে স্বাগত জানিয়েছেন বাইডেন

    ক্যাপিটলে যাওয়ার আগে প্রেসিডেন্ট বাইডেন এবং তার স্ত্রী জিল ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং মেলানিয়াকে হোয়াইট হাউসে এক চায়ের আমন্ত্রণে স্বাগত জানিয়েছেন।

    হোয়াইট হাউসের উত্তর পোর্টিকোতে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘ওয়েলকাম হোম’ বলে স্বাগত জানান প্রেসিডেন্ট বাইডেন।

    হোয়াইট হাউসে প্রবেশের আগে সাংবাদিকরা চিৎকার করে প্রশ্ন করলেও কোনো প্রেসিডেন্টই উত্তর দেননি।

    আজ প্রথম বারের মতো এই জুটির দেখা হয়েছে।

    এরই মধ্যে ইভাঙ্কাসহ ট্রাম্পের পরিবারের সদস্যদের ক্যাপিটল বিল্ডিংয়ে ঢুকতে দেখা গেছে।

    যেখানে কিছুক্ষণ পরেই নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট যাবেন।

    ট্রাম্পের আগমনের ঠিক আগে, বাইডেনকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল হোয়াইট হাউসে তার শেষ দিনে আজ কেমন অনুভব করছেন।

    উত্তরে ‘ভাল’ বলে বলে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি।

    চায়ের বৈঠকটি রূদ্ধদার বৈঠক হবে। সেখানে কোন প্রেসের প্রবেশের অনুমতি নেই।

    প্রেসিডেন্ট মার্টিন ভ্যান বুরেন এবং অ্যান্ড্রু জ্যাকসনের সাথে এই ঐতিহ্যবাহী চায়ের বৈঠক শুরু হয়ে ছিল ১৮৩৭ সালে।

    তবে, ২০২১ সালে সেই ঐতিহ্য ভেঙে ট্রাম্প বাইডেনকে চায়ের আমন্ত্রণ করেননি। সে সময় ২০২০ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন এমন মিথ্যা দাবি অনবরত করে গেছেন ট্রাম্প।

  11. অ্যারেনায় কিছু নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করতে পারেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

    সেন্ট জন’স গীর্জায় পরিষেবাটি ‘আমেরিকা দ্য বিউটিফুল’ এর উপস্থাপনা দিয়ে প্রায় ২৫ মিনিট পরে শেষ হয়েছে।

    এরপর শিগগিরই শপথ নেয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্যাথেড্রাল ছেড়েছেন।

    এটা এখন বেশ স্পষ্ট বলে মনে হচ্ছে যে ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউস থেকে মাত্র এক মাইল দূরে ক্যাপিটাল ওয়ান অ্যারেনায় তার ২০ হাজার সমর্থকের সামনে বেশ কিছু নির্বাহী আদেশ এবং পদক্ষেপগুলোর মধ্যে কিছু স্বাক্ষর করতে চাইবেন।

    যে স্টেজে তিনি বক্তব্য দেবেন সেই স্থানের একপাশে ঐতিহ্যবাহী মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে।

    কিন্তু মজার বিষয় হল মঞ্চের অন্য পাশে একটি ডেস্ক, একটি অভিনব চেয়ার, একটি মাইক্রোফোন এবং একটি বৃত্তাকার প্লেট রয়েছে। রাষ্ট্রপতির সিল বসানোর জন্য খুব সম্ভবত রাখা হয়েছে।

  12. যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আগাম ক্ষমা ঘোষণা

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ফৌজদারি মামলার হুমকিতে রয়েছেন এমন বেশ কয়েকজনকে আগাম ক্ষমা করে দিয়েছেন।

    এদের মধ্যে ডঃ অ্যান্থনি ফৌসি এবং জয়েন্ট চিফের সাবেক চেয়ারম্যান মার্ক মাইলি রয়েছেন।

    এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, যেসব কর্মকর্তাদের ক্ষমা করা হয়েছে তারা হাউস সিলেক্ট কমিটিতে সাক্ষ্য দিয়েছেন এমন ব্যক্তি। একই সাথে সদস্য ও কর্মীরাও রয়েছেন এই ক্ষমার আওতায়।

    ২০২১ সালের ছয়ই জানুয়ারির যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানীতে দাঙ্গা এবং ওই দিনের ঘটনায় ট্রাম্পের ভুমিকা নিয়ে তদন্ত করেছিলেন এই কমিটির কর্মকর্তারা।

    কোভিড মহামারীর সময়ে ড. ফৌসি যুক্তরাষ্ট্রে তৎপর ছিলেন। ট্রাম্প এবং তার রাজনৈতিক মিত্ররা ঘন ঘন তার সমালোচনা করেছিল।

    মাইলি ট্রাম্পের একজন কট্টর সমালোচক হয়ে উঠেছেন এবং তাকে ‘আপাদমস্তক ফ্যাসিবাদী’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

    তিনি উল্লেখ করেছেন ট্রাম্পের একজন গুরুত্বপূর্ণ মিত্র স্টিভ ব্যানন ‘তাকে জবাবদিহি করার’ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

    হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এই সরকারি কর্মচারীরা আমাদের জাতিকে সম্মান ও মর্যাদার সাথে সেবা করেছেন। তারা অন্যায় ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্য প্রণোদিত বিচারের লক্ষ্যবস্তু হওয়া কাম্য নয়”।

  13. সেন্ট জন গীর্জায় পৌঁছেছে ট্রাম্প ও তার পরিবার

    ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার স্ত্রী মেলানিয়া সেন্ট জন গীর্জায় পৌঁছেছেন। অভিষেকের দিনে প্রথমবারের মতো নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে দেখা গেছে।

    এরই মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিবারের অন্য সদস্যরা গীর্জায় পৌঁছেছেন। ইভাঙ্কা , এরিক ট্রাম্প তাদের পরিবারের সদস্যদেরসহ গীর্জায় পৌঁছেছেন।

    গীর্জায় শপথের এ রীতি ঐতিহ্যবাহী। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় আটটা ত্রিশ মিনিটে শপথ অনুষ্ঠিত হবে।

    এছাড়া নির্বাচিত ভাইস - প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও উষা ভ্যান্সও পৌঁছে গেছেন গীর্জায়।

    প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এ অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রভাবশালী অন্যান্য যারা উপস্থিত হয়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও মার্ক জাকারবার্গ।

    হোয়াইট হাউস পুল জানিয়েছে অ্যামাজনের জেফ বেজোস এবং লরেন সানচেজ, বরিস জনসন, সবাই একই সারিতে বসেছেন।

    ট্রাম্প, মেলানিয়া এবং তাদের ছেলে ব্যারন সামনের সারিতে আসন গ্রহণ করেছেন।

  14. 'মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভর্তির কার্যক্রম স্থগিত'

    বাংলাদেশে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার কোটায় ভর্তির সকল কার্যক্রম স্থগিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. নাজমুল হোসেন জানিয়েছেন আগামী ২৯শে জানুয়ারির মধ্যে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে মুক্তিযোদ্ধা সনদপত্র, জন্ম সনদ এবং একাডেমিক সার্টিফিকেটসহ সব কাগজপত্র যাচাই -বাছাই করাতে হবে।

    মি. হোসেন বলেন, “যাচাই – বাছাইয়ের ক্ষেত্রে যদি কোন ভুল বা অসত্য তথ্য পাওয়া যায় যেমন দেখা গেল মুক্তিযোদ্ধার নাতি বা ভাতিজা, ছেলে বা মেয়ে না। সন্তান না হয়ে অন্য কেউ হলে তার মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভর্তি বাতিল হবে”।

    একই সাথে সেই শূন্য আসনে মেধা কোটা থেকে পূরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন মি. হোসেন।

    এই ২৯শে জানুয়ারি ভর্তি কার্যক্রম শেষ না হওয়া ভর্তি স্থগিত থাকবে বলে জানান তিনি।

    “আমরা আবার যাচাই-বাছাই করে নিব যেহেতু বিদ্যমান বিধিতে ওদের জন্য পাঁচ শতাংশ আসনের একটা কোটা আছে। এটা এখনো তো ক্যান্সেল করা হয় নি। এটা শুধুমাত্র মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা এবং বীরাঙ্গনাদের সন্তানের জন্য। আর কারো জন্য না কিন্তু। নাতি-নাতনি তাদের জন্য না” বলেন মি. হোসেন।

    আবেদন যারা করেছেন তাদের মধ্যে ১৯৩ জন হওয়ার কথা না বলে ধারণা করছেন বলে জানান এই মহাপরিচালক।

    মি. হোসেন জানান এদের মধ্যে ভুল, মিথ্যা তথ্য এবং নাতি-নাতনি থাকতে পারে এমন আশঙ্কায় এই যাচাই-বাছাইয়ের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

    এরই প্রেক্ষাপটে আন্দোলনকারী মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা কর্মসূচি স্থগিত করেছে বলেও জানান তিনি।

  15. শুধুমাত্র স্লোগান দিয়ে সামনের যুদ্ধ জয় করা যাবে না: বিএনপি মহাসচিব

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, শুধুমাত্র স্লোগান দিয়ে সামনের যুদ্ধ জয় করা যাবে না। সত্যিকার অর্থে রাজনৈতিক দলে পরিণত হতে হবে।

    বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদ নবায়ন করার অনুষ্ঠানে এ কথা বলেছেন তিনি।

    মি. আলমগীর বলেন, “সত্যিকার অর্থে একটা রাজনৈতিক দল তৈরি করতে হবে। আমাদের কিন্তু এখন সত্যিকার অর্থেই আদর্শ রাজনৈতিক দলে পরিণত হতে হবে। এখন কিন্তু যে প্রতিযোগিতা চলছে তা স্লোগান দেয়ার প্রতিযোগীতা নয়, মেধার এবং বুদ্ধির প্রতিযোগীতা। এ বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে। শুধুমাত্র স্লোগান দিয়ে সামনের যুদ্ধ জয় করা যাবে না”।

    ভবিষ্যতে নতুন সদস্য নেয়ার ক্ষেত্রে ভালো মানুষ এবং মেধার মানুষ দেখে দলে নিয়ে আসার আহ্বান জানান মি. আলমগীর।

    দলীয় নেতা-কর্মীদের জরুরি ভিত্তিতে প্রশিক্ষণ দেয়া প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেছেন মি. আলমগীর।

    তিনি বলেন, “আমাদের আসলে প্রশিক্ষণের প্রয়োজন আছে খুব বেশি। আমাদের নেতা-কর্মীরা আমরা কেন জানি না আমরা রাজনীতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছি। গতকালই প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের জন্মদিবস পালন হলো। এখানে দলের যে নেতা-কর্মীরা আসে স্লোগান নিয়ে, একটা পতাকা নিয়ে আসে”।

    “সাধারণত ভাইদের পেছনে আসে, এসে সে ভাইদের পক্ষে স্লোগান দিতে থাকে। তারপরে স্লোগান দেয় পূর্ব- পশ্চিম। এটা রাজনীতি না। কোন রাজনৈতিক কর্মীর মুখ থেকে এ ধরনের স্লোগান আসা উচিত নয়। এ জায়গাটাতে আমাদের চরম দৈন্য আছে। এখান থেকে আমাদের বের হয়ে আসা উচিত। এখন কমপালসরি করতে হবে প্রত্যেকটি জেলাতে রাজনৈতিক প্রশিক্ষণ জরুরি করতে হবে” বলেন মি. আলমগীর।

  16. সরকারি চাকরিতে ৩৫ বছরের দাবিতে শিক্ষা ভবনের সামনে অবস্থান

    সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়স ৩৫ করার দাবিতে রাজধানীর শিক্ষা ভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছে একদল শিক্ষার্থী।

    জানা যায়, সকাল থেকে এ দাবিতে একটি দল রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান নেয়।

    দুপুরের পর সেখান থেকে তারা সচিবালয়ের সামনে অগ্রসর হলে পুলিশ বাধা দেয়।

    পরে শিক্ষা ভবনের সামনে অবস্থান নেয় আন্দোলনকারীরা।

    শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. খালিদ মনসুর জানিয়েছেন, “৩৫ আন্দোলনের ওরা হাইকোর্ট মাজারের উল্টা দিকে দাঁড়িয়েছে। রাস্তা ক্লিয়ার আছে। গাড়ি চলছে”।

  17. ৩৩ বছরের পুরনো ভোরের কাগজ পত্রিকার কার্যালয়ে তালা

    তেত্রিশ বছরের পুরনো সংবাদ মাধ্যম দৈনিক ভোরের কাগজের প্রধান কার্যালয় বন্ধের ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। সোমবার মালিবাগে প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ের প্রধান ফটকে এ সংক্রান্ত নোটিস টানিয়ে দেওয়া হয়।

    নির্বাহী সম্পাদক স্বাক্ষরিত ওই নোটিশে বলা হয়, ভোরের কাগজ কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬ এর ১২ ধারা অনুযায়ী মালিকের নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত কারণে প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় বন্ধ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন, যা ২০শে জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

    এ বিষয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত সাংবাদিকরা।

    রোববার সংবাদকর্মীদের একটি অংশ সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতা ভোরের কাগজের প্রধান কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেন।

    সেখানে তারা অষ্টম ওয়েজ বোর্ড অনুযায়ী বেতন এবং তাদের নিয়োগের তারিখ থেকে বকেয়া পাওনা পরিশোধ করার দাবি জানান। সেইসাথে যারা নিয়োগপত্র পাননি তাদের সেটা বুঝিয়ে দেয়ার দাবি জানান। তার পরপরই কার্যালয় বন্ধের ঘোষণা আসে।

    ভোরের কাগজের প্রতিবেদক খোন্দকার কাওছার হোসেন বিবিসি বাংলাকে জানান তারা এসব দাবি দাওয়ার বিষয়ে মালিকপক্ষের কাছে তিন দফা চিঠি পাঠালেও কোন সাড়া মেলেনি। এ কারণে তারা মানববন্ধনের সিদ্ধান্ত নেন।

    মি. হোসেন বলেন, “আমরা আগে থেকেই টের পেয়েছি যে পত্রিকা বন্ধের ষড়যন্ত্র চলছে। মালিকপক্ষ অনেক সাংবাদিককে ছাটাইয়ের তালিকাও করেছিল। আমরা এর বিরোধিতা করি”।

    যদি ছাটাই করতেই হয় তাহলে যেন অষ্টম ওয়েজ বোর্ডের সুযোগ সুবিধা দেয়া হয় সেই দাবি জানান তারা।

    এদিকে পত্রিকার প্রধান কার্যালয় বন্ধের প্রতিবাদে প্রতিষ্ঠানটির বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে মঙ্গলবার বেলা ১১টায় সংবাদ সম্মেলনের কথা জানান ভোরের কাগজের সাংবাদিকরা। সেখান থেকে তারা পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবেন বলে জানান।

    ১৯৯২ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি ‘মুক্তচিন্তার দৈনিক’ স্লোগান নিয়ে যাত্রা শুরু করে বাংলা এ দৈনিক।

  18. আর জি কর কাণ্ডে অভিযুক্তর আমৃত্যু কারাদণ্ড

    আর জি কর মেডিকেল কলেজের ইন্টার্ন চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় সাজা ঘোষণা করেছে শিয়ালদহ আদালত।

    মামলার রায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়া কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রাই-এর আমৃত্যু কারাদণ্ড দেয়া হয়।

    আসামিকে যে তিন ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে তার মধ্যে একটি হলো ধর্ষণের পর আঘাতের জেরে চিকিৎসকের মৃত্যু।

    এসব অপরাধে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, জরিমানা ও আমৃত্যু কারাদণ্ড দেয়া হয়।

    হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় ধর্ষণ ও মৃত্যুর জন্য রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নির্যাতিতার পরিবারকে ১৭ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। যদিও নিহত চিকিৎসকের পরিবার তা নিতে অস্বীকার করেছেন।

    এর আগে দোষী সাব্যস্ত হওয়া সঞ্জয় রাইয়ের বক্তব্য শুনতে চান বিচারক। সেই সময় নিজেকে আরও একবার নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন সঞ্জয় রাই।

    তাকে ফাঁসানো হচ্ছে দাবি করে পুলিশি অত্যাচারের অভিযোগ তোলেন তিনি।

    অন্যদিকে সিবিআই-এর পক্ষ থেকে এই ঘটনাকে বিরল থেকে বিরলতম ঘটনা বলে আখ্যা দিয়ে মি. রাইয়ের সর্বোচ্চ সাজার অনুরোধ জানানো হয়। নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকেও সঞ্জয়ের ফাঁসির দাবি জানানো হয়।

    তবে সঞ্জয় রাই এর আইনজীবীর পক্ষ থেকে বিচারপতির কাছে অনুরোধ করা হয়েছে তাকে যেন ফাঁসি ছাড়া আর যেকোনো ধরনের সাজা দেয়া হয়।

    গত শনিবার সঞ্জয় রাইকে দোষী সাব্যস্ত করে আদেশ দিয়েছিলেন আদালত। তবে তার সাজা ঘোষণার জন্য সোমবার তিনি তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন।

  19. আসামিকে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা করার ক্ষমতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

    কোনো নীতিমালা ছাড়া সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা করার ক্ষমতা প্রয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়েছে।

    সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন।

    রিটে কোনো নীতিমালা ছাড়া সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের রাষ্ট্রপতির ক্ষমা করার ক্ষমতা কেন অসাংবিধানিক হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারির নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

    এছাড়া রাষ্ট্রপতির ক্ষমা করার ক্ষমতা প্রয়োগে নীতিমালা করার আবেদন জানানো হয়েছে রিটে।

    রিট আবেদনে বলা হয়েছে, সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ রাষ্ট্রপতির ক্ষমা করার ক্ষমতা রয়েছে। এই ক্ষমা করার ক্ষমতা অবাধ, যার কোনো নীতিমালা নেই।

    কে, কিসের ভিত্তিতে ক্ষমা পাচ্ছে তার কোনো নীতিমালা নেই। যা সংবিধানের ৭, ২৭, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

    ইতোমধ্যেই এই ক্ষমতার অপব্যবহারের কারণে অনেক সাজাপ্রাপ্ত আসামি ক্ষমা পেয়েছে। যার মধ্যে সাবেক সেনাপ্রধানের ভাই জোসেফ, আসলাম ফকির অন্যতম।

    আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, বছরের পরে বছর রাষ্ট্রপতির ক্ষমা করার ক্ষমতার চূড়ান্ত অপব্যবহার হয়েছে। বিগত সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার অপব্যবহার করে সাজাপ্রাপ্ত খুনিদের ক্ষমা করা হয়েছে।

    এর ফলে, সাধারণ জনমনে ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে আশংকা হয়। ন্যায় বিচার পাওয়া নিয়ে হতাশাগ্রস্ত হয়। এই ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে, নীতিমালা প্রণয়ন করা আবশ্যক।

    মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইনসচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, পার্লামেন্ট সচিব ও রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের সচিবকে রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

  20. বিজিবি পাচ্ছে সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার শেল

    বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এখন থেকে সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার শেল কেনা ও ব্যবহারের অনুমোদন পেয়েছে।

    সোমবার উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন বিজিবিকে সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার শেল কেনার অনুমতি দেয়া হয়েছে।

    বাংলাদেশের সীমান্তে বিজিবি মূলত প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে। এই প্রথম তাদেরকে সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার শেল কেনার অনুমোদন দেয়া হলো।

    সম্প্রতি চাঁপাইনবাবগঞ্জের কিরণগঞ্জ সীমান্তে ফসল কাটা নিয়ে দুই দেশের সীমান্তবর্তী বাসিন্দাদের বাকবিতণ্ডা বাধে।

    একপর্যায়ে বিএসএফ বাংলাদেশ সীমান্তের দিকে সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করলে এ নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

    এক্ষেত্রে বিজিবি এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করতে পারেনি কারণ এগুলো তাদের কাছে নেই। এখন তাদের জন্য এই অস্ত্রগুলো কেনার অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

    এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “বর্ডারে সব সময় লেথাল উইপন (প্রাণঘাতী) দেয়া ছিল। আপনারা অনেক সময় শোনেন বিজিবি কেন সাউন্ড গ্রেনেড মারে নাই, টিয়ার শেল মারে নাই। এগুলো তো বিজিবির কাছে নাই। এজন্য আমরা বিজিবিকে অনুমতি দিয়েছি, খুব তাড়াতাড়ি এই টিয়ারশেল, সাউন্ডগ্রেড ক্রয় করা হবে। যেগুলো আনলেথাল। এগুলো বিএসএফ এর কাছে আছে”।

    সীমান্তের অবস্থা এখন মোটামোটি স্থিতিশীল বলে তিনি জানিয়েছেন।