(এই সংবাদের কিছু বর্ণনা আপনার মানসিক অস্বস্তির কারণ হতে পারে)
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় এক নারীকে গলা কেটে হত্যার পর তার লাশ
আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবককে ঘটনাস্থল থেকেই আটকও করা হয়েছে বলে
জানিয়েছে পুলিশ।
ওই যুবকের নাম ফারহান রনি। তিনি তিনি উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়ন
যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহনেওয়াজ ভূঁইয়ার ছেলে।
আখাউড়া থানার ওসি তদন্ত শাহিনূর ইসলাম বিবিসি বাংলাকে বলেছেন,
“আটককৃত মি. রনির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পাশের একটি ক্ষেত থেকে নিহত নারীর
বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই সাথে হত্যায় ব্যবহৃত ছুরিও উদ্ধার করা
হয়েছে।”
পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই নারীকে হত্যার কথা শিকার
করেছেন আটককৃত মি. রনি। তবে কী কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে সেটি নিয়েই তদন্তে করছে
পুলিশ।
মঙ্গলবার সকালে উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের গাজীর বাজার এলাকার একটি
টিনশেড ঘরে ওই নারীর মাথা বিচ্ছিন্ন করে দেহ আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ কর্মকর্তা মি. ইসলাম বলেন, “স্থানীয়রা
মি. রনির বাড়ি থেকে ধোঁয়া উড়তে দেখে সন্দেহ করেন। পরে পরিত্যক্ত গোয়ালঘরে একটি
গর্তের ভেতর মরদেহ পুড়তে দেখেন তারা।”
মাথাবিহীন মরদেহটি পুড়ে যাওয়ায় কারণে তার প্রাথমিক পরিচয় নিশ্চিত
করা যায়নি।
ওসি তদন্ত মি. ইসলাম বিবিসি বাংলাকে বলেন, “আমরা ঘটনাস্থল থেকে
অভিযুক্ত যুবককে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ করি। তার দেওয়া তথ্য মতে বাড়ির পুকুরের পাশের
একটি ক্ষেতের ভেতর থেকে ওই নারীর লাশ উদ্ধার করি। তার বয়স আনুমানিক ৫০
বছর।”
আটককৃতকে জিজ্ঞাসাবাদের পর তার তথ্য অনুযায়ী নিহতের মাথা ও হত্যার
সব আলামত উদ্ধারের পর পুলিশ জানিয়েছে, ওই যুবক একাই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তা মি. ইসলাম বলেন, “আটককৃত রনি মাদকাসক্ত। তার
নামে মাদকের মামলা রয়েছে। একাধিকবার জেলও খেটেছে সে।”
পুলিশ বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভোরে ওই নারীকে বাড়িতে
ডেকে এনেছিল রনি। তারপর হত্যা করা হয়েছে।
তবে কেন
ওই নারীকে হত্যা করা হয়েছে সে ব্যাপারে এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।