'রাজনীতি আবার আগের জায়গায় ফিরে এসেছে'

Published

গত এক দশকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির তুলনামূলক বিশ্লেষণ নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান খবর ‘Politics is back to square one’ অর্থাৎ ‘রাজনীতি আবার আগের জায়গায় ফিরে এসেছে’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ আজ থেকে ১০ বছর আগে কেমন ছিল এবং এখন কেমন আছে সেটি বিবেচনা করে ধারণা করা হচ্ছে রাজনীতি চিরস্থায়ী অচলাবস্থার মধ্যে রয়েছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল বুধবার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। কিন্তু দুই রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী -- আওয়ামী লীগ ও বিএনপি -- তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে।

দশ বছর দশ দিন আগে তৎকালীন সিইসি কাজী রকিবউদ্দিন আহমেদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সময় পরিস্থিতি প্রায় একই রকম ছিল।

২০১৪ সালের বিতর্কিত জাতীয় নির্বাচনের আগে, অচলাবস্থা নিরসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সংলাপের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

সে সময় জাতিসংঘের মধ্যস্থতার চেষ্টা করলেও তা ফলপ্রসূ হয়নি। এরপর ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে, দুই দল আলোচনা করলেও, অনেক বিষয় অমীমাংসিত থেকে যায়।

সম্প্রতি দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু তিনটি প্রধান রাজনৈতিক দলকে 'নিঃশর্ত আলোচনা' করার আহ্বান জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন, এবারও সংলাপের কোন সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।

বিএনপি তার ধারাবাহিক অবরোধ ও ধর্মঘট চালিয়ে যাচ্ছে, যেমনটি ১০ বছর আগে করেছিল, এবং এটি নির্বাচন বর্জনের দিকে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।

তফসিল ঘোষণাকে ঘিরে বিএনপির প্রতিক্রিয়া নিয়ে সমকালের প্রথম পাতার খবর, ‘তপশিল প্রত্যাখ্যান বিএনপির, নতুন কর্মসূচি আজ

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত তফসিলকে তামাশা দাবি করে একে প্রত্যাখ্যান করেছে বিএনপি।

দলটির দাবি, জনমত ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আহ্বান উপেক্ষা করে নির্বাচন কমিশন একতরফা ভোটের তফসিল ঘোষণা করেছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভাষা প্রধানমন্ত্রীর ভাষারই প্রতিফলন বলে তারা দাবি করে।

তফসিল ঘোষণার পরপরই ঢাকায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, গণতন্ত্র মঞ্চসহ বিভিন্ন দল ও জোট বিক্ষোভ মিছিল করেছে।

সেইসাথে সারাদেশে অর্ধশতাধিক গাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে অজ্ঞাতরা। এ ছাড়া গাজীপুরে ট্রেনলাইনেও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।

তফসিল প্রত্যাখ্যান করে বৃহস্পতিবার সকাল-সন্ধ্যা সারাদেশে হরতাল ডেকেছে গণতন্ত্র মঞ্চ। অন্যদিকে, বাম গণতান্ত্রিক জোট সারাদেশে অর্ধদিবস হরতাল ডেকেছে।

বুধবার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তপশিল নিয়ে দলের প্রতিক্রিয়া জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, “এটা ২০১৪ কিংবা ২০১৮ সাল নয়। তফসিল দিলেন আর পুলিশি ভোটের মাধ্যমে ফল ঘোষণা করে ক্ষমতার সিংহাসন রক্ষা করলেন– এই দিবাস্বপ্ন আর বাস্তবায়িত হবে না।”

রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপকে ঘিরে প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর, ‘বিএনপির মতে দায়িত্ব সরকারের, আওয়ামী লীগ বলেছে সময় নেই

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সময় নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বিরোধপূর্ণ রাজনৈতিক দলগুলোকে সংলাপে বসার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি জানান, ‘পারস্পরিক প্রতিহিংসা, অবিশ্বাস ও অনাস্থা পরিহার করে সংলাপের মাধ্যমে সমঝোতা ও সমাধান অসাধ্য নয়।’

এখন পর্যন্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সংলাপের ব্যাপারে আগ্রহ দেখালেও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এ ব্যাপারে আগ্রহী নয়। দলটি বলছে, তফসিল ঘোষণার পর সংলাপ করার মতো আসলে সময় নেই।

সংলাপের প্রশ্নে বিএনপি অবশ্য বলেছে, পরিবেশ সৃষ্টির দায়িত্ব সরকারের। আর সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন দল সংলাপের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।

এমনকি কোনো কোনো দল তফসিল ঘোষণার আগে রাজনৈতিক সমঝোতার কথা বলছে।

তফসিল ঘোষণার পরপরই আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সংলাপ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘নির্বাচন সামনে, তফসিল ঘোষণা হয়ে গেছে। .. এখন আর সংলাপের কোনো সুযোগ নেই।’

এরিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রও শর্তহীন সংলাপে বসার আহ্বান জানিয়েছে। এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টিকে চিঠি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু।

অবরোধকে কেন্দ্র করে নিউ এইজের প্রথম পাতার খবর, ‘Blockade on amid clashes, intensified police raids’ অর্থাৎ ‘সংঘর্ষ , পুলিশি অভিযান জোরদারের মধ্যেই অবরোধ পালন’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশব্যাপী বিএনপির ডাকা পঞ্চম দফার অবরোধের প্রথম দিন বুধবার দলটির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে তীব্র পুলিশি অভিযান ও গ্রেফতারের অভিযোগ উঠেছে।

ঢাকাসহ সারাদেশে মিছিল, মহাসড়কে ভাঙচুর, দূরপাল্লার বাস বন্ধ রাখা, সড়ক অবরোধ এবং যানবাহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।

সেইসাথে বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সাথে সংঘাত সংঘর্ষের খবর পাওয়া গিয়েছে।

বুধবার বগুড়ার শেরপুর উপজেলাসহ বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও পুলিশের সংঘর্ষে প্রায় ৪০ জন আহত হয়েছেন।

সিলেটে সন্ধ্যায় বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। আওয়ামী লীগ সরকারের পদত্যাগ, সংসদ ভেঙে দেওয়া এবং নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবিতে পুলিশের সাথে সংঘর্ষ বেধে যায়।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন, পুলিশ গত তিন সপ্তাহে সারাদেশে ১২ হাজারের বেশি বিএনপি নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে এবং তাদের অভিযান বাড়িয়েছে।

তফশিল ঘিরে নানা উদ্বেগ নিয়ে যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর, ‘২৩ স্থানে নাশকতার শঙ্কা’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে নাশকতা হতে পারে।

এর মধ্যে ২৩টি স্থান নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

এসব স্থানে পিকেটিংসহ পুলিশের ওপর হামলা, পুলিশের অস্ত্র ছিনতাই, নির্বাচনি ও রাজনৈতিক কার্যালয় ভাঙচুর, রাস্তা অবরোধ, যানবাহনে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, অন্দোলনকারীরা বেইলি ব্রিজ ও কালভার্ট ধ্বংসের পাশাপাশি লঞ্চ-স্টিমার-ফেরিতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করতে পারে।

কমলাপুর ও বিমানবন্দর রেল স্টেশন, গাবতলী-সায়েদাবাদ-মহাখালী বাস টার্মিনাল এবং সদরঘাট লঞ্চঘাটসহ বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বাসস্ট্যান্ড, লঞ্চঘাট ও রেলস্টেশনে নাশকতার শঙ্কা আছে।

বঙ্গভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, গণভবন, জাতীয় সংসদ ভবন, সচিবালয়, সুধাসদন, বিমানবন্দর, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, মন্ত্রী-এমপিদের বাসভবন, বিদেশি দূতাবাস ইত্যাদিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বিএনপি ও জামায়াত শিবির অধ্যুষিত এলাকায় বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি। জামায়াত শিবিরসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ছাত্রাবাস, হল ও মেসে জোরদার করা হয়েছে তল্লাশি কার্যক্রম।

কেউ যেন ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের বাসা-বাড়ি ও উপাসনালয়ে হামলা করতে না পারে সেদিকেও সতর্ক দৃষ্টি রাখতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া আছে।

এসব বিষয় সামনে রেখে সারা দেশে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে পুলিশ জানায়।

এলএনজি আমদানি নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, ‘ভরসার, না উদ্বেগের!’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে গত পাঁচ অর্থবছরে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি হয়েছে ৪৬ দশমিক ১৫ মিলিয়ন ঘনমিটার বা এক হাজার ৬২৯ বিলিয়ন ঘনফুট বা দেড় টিসিএফের বেশি। যা দেশে এক বছরের গ্যাস চাহিদার সমান।

আমদানিনির্ভর এ জ্বালানিটি কিনতে গত পাঁচ অর্থবছরে এক লাখ ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি বা ১০ বিলিয়ন ডলার গুনতে হয়েছে পেট্রোবাংলাকে।

সদ্য শেষ হওয়া ২০২২-২৩ অর্থবছরে এলএনজি আমদানি ব্যয়ের হিসাব পাওয়া না গেলেও এ খরচ ২৫ হাজার কোটি টাকার কম নয় বলে জানান পেট্রোবাংলার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় গ্যাসের পাশাপাশি এলএনজিকে ভরসা হিসেবে দেখা হলেও পণ্যটির আমদানিতে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয়কে জ্বালানি খাতের জন্য উদ্বেগের বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ।

জ্বালানি খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, আমদানি নির্ভর জ্বালানি পণ্যটি কিনতে গিয়ে এরিমধ্যে আর্থিক চাপে পড়েছে পেট্রোবাংলা।

ফলে এলএনজি আমদানির ব্যয় কমিয়ে এ অর্থের বড় অংশ স্থানীয় জ্বালানি খাতের অনুসন্ধানে বিনিয়োগ করা গেলে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।

এতে রিজার্ভের ওপরও চাপ কিছুটা কমে আসবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার খবর, ‘এক দিনে ডেঙ্গুতে ২৪ জনের মৃত্যু : এ বছর মৃত্যু ছাড়াল দেড় হাজার’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বুধবার বাংলাদেশে একদিনে ২৪ জন ডেঙ্গুতে মারা গিয়েছেন।

এ নিয়ে চলতি বছর সারা দেশে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা দেড় হাজার ছাড়িয়েছে।

নভেম্বরের ঠিক মাঝামাঝিতে এক দিনে এত মৃত্যু আবারো প্রমাণ করেছে, ডেঙ্গু বাংলাদেশে সারা বছরের রোগ।

চিকিৎসকরা বলছেন, ডিসেম্বরের শেষ দিনেও আগের দুই-তিন বছরের চেয়ে বেশি ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী পাওয়ার যথেষ্ট আশঙ্কা রয়েছে।

এর আগের বছরগুলোর মধ্যে ২০১৯ সালেই দেশে সবচেয়ে বেশি মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিল। সে বছর ডেঙ্গুতে ২৭৯ জনের মৃত্যুর তথ্য আইইডিসিআর’র কাছে পাঠানো হয়েছিল, যদিও সরকারের পক্ষ থেকে ১২২ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছিল।

২০১৯ সালে দেশে মোট ৯৮ হাজার ৫০০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিল। এর বিপরীতে পহেলা জানুয়ারি থেকে গতকাল পর্যন্ত চলতি বছর দেশে দুই লাখ ৯৬ হাজার ৬৬৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে।

এই তথ্য থেকে চিকিৎসকরা বলছেন, সামনের দিনগুলোতে ডেঙ্গু হতে যাচ্ছে নিত্যদিনের রোগ।

বর্তমানে মোট আক্রান্তের দুই শতাংশ রোগী এখন হাসপাতালে ভর্তি থাকছে এবং ডেঙ্গু রোগীদের মৃত্যুর হার দশমিক ৫০ শতাংশ।

শিশুদের শিক্ষা পরিস্থিতি নিয়ে কালের কণ্ঠের পেছনের পাতার খবর, ‘ইংরেজি বর্ণ চেনে না ১৬% শিক্ষার্থী’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, শিশুদের শিক্ষা নিয়ে রাজশাহী ও খুলনার প্রান্তিক অঞ্চলে চালানো এক জরিপে দেখা গিয়েছে শিশুদের একটি অংশ বাংলা ও ইংরেজি বর্ণ পর্যন্ত পড়তে পারে না।

পাঁচ থেকে ১৬ বছর বয়সী এক হাজার ৫৩৩ জন শিশুর ওপর চালানো জরিপে এমন চিত্র দেখা যায়।

জরিপে দেখা গেছে, পাঁচ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে ইংরেজি বর্ণ পড়তে পারে না ১৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ ছেলে ও ১৫ দশমিক ২২ শতাংশ মেয়ে। গড়ে ১৬ শতাংশ শিক্ষার্থী ইংরেজি বর্ণ চেনে না।

ইংরেজি গল্প পড়তে পারেনি ৮৪ দশমিক ৮৫ শতাংশ ছেলে ও ৮২ দশমিক ৮৬ শতাংশ মেয়ে। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ইংরেজি শব্দ চিহ্নিত করতে পেরেছে ২৪ দশমিক ১০ শতাংশ ছেলে ও ২৩ দশমিক ৬৬ শতাংশ মেয়ে।

২০২২ সালের জুন-জুলাই মাসে বেসরকারি সংগঠন ওয়েভ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘নাগরিক কর্তৃক মূল্যায়ন’ নামে এই জরিপ পরিচালনা করা হয়।

এছাড়া সারা দেশে পরিচালিত সরকারি এক জরিপেও দেখা গেছে, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কিছু শিক্ষার্থী বর্ণমালা পর্যন্ত ভুলে গেছে।

শিক্ষা খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পর্যাপ্ত শিক্ষকের অভাব, শিক্ষকদের মান ও প্রশিক্ষণে ঘাটতি এবং পাঠদানে অনীহার কারণে এমন পরিস্থিতি হয়েছে।