আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
'এক বছরে রিজার্ভ কমেছে এক হাজার কোটি ডলার'
এক বছরে ১ হাজার কোটি ডলার কমলো রিজার্ভ - দৈনিক নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম। খবরটিতে বলা হচ্ছে, বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ প্রতি মাসেই কমছে। যে পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আহরণ হচ্ছে, ব্যয় হচ্ছে তার চেয়েও বেশি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান মতে, গত বছরের ২৩ আগস্ট বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ ছিল যেখানে ৩ হাজার ৯৩৫ কোটি ডলার, চলতি মাসে একই সময়ে তা কমে নেমেছে ২ হাজার ৯৩২ কোটি ডলার। এ হিসাবে আলোচ্য সময়ে বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ কমেছে ১ হাজার ৩ কোটি ডলার। তবে আইএমএফের শর্ত পরিপালন করতে প্রকৃত হিসাবের যে তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংক দিচ্ছে তাতে বৈদেশিক মুদ্রার প্রকৃত মজুদ আরো কমে নেমেছে ২ হাজার ৩১৬ কোটি ডলার। এ হিসাবে আলোচ্য সময়ে মজুদ কমেছে ১ হাজার ৬১৯ কোটি ডলার।
টাকা পাচারের দুনিয়া ছোট হয়ে আসছে - দৈনিক কালবেলার শিরোনাম। বিস্তারিত বলা হয় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কঠোর আইনি পদক্ষেপের কারণে ছোট হয়ে আসছে অর্থ পাচারকারীদের দুনিয়া। পাচার হয়ে আসা অর্থ বাজেয়াপ্ত করতে কোথাও চলছে অভিযান, কোথাও বা পাচারকারীদের ধরতে করা হচ্ছে নতুন আইন।
বিলাসী জীবনযাপনের নিশ্চয়তা এবং ‘ট্যাক্স হেভেন’ সুবিধা পাওয়ার আশায় বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে অর্থ পাচারের জন্য এতদিন নিরাপদ গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, সুইজারল্যান্ড এবং বেশ কিছু দ্বীপরাষ্ট্র। পাচারকারীদের কাছে অবৈধ অর্থ স্থানান্তরের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছিল সিঙ্গাপুরও। এসব দেশে অর্থ পাচারকারীদের তালিকায় অনেক বাংলাদেশিও আছেন। তবে এসবগুলো দেশই আইন কড়াকড়ি করায় অস্বস্তিতে আছেন নিজ দেশে অবৈধ অর্থ উপার্জনের পর বিদেশি পাচারকারীরা।
বাংলাদেশে বাইরের হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে চীন – দক্ষিণ আফ্রিকায় শেখ হাসিনা ও শি জিনপিংয়ের বৈঠক ঘিরে এমন শিরোনাম দৈনিক মানবজমিনের।
বলা হচ্ছে বাংলাদেশে বাইরের হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে চীন। দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে ব্রিকস সম্মেলনের বাইরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে চীনা প্রেসিডেন্ট এই মন্তব্য করেন। বৈঠকের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন শি’র উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছেন, ‘আপনি ব্রিকসে যোগ দিতে পারলে আমি আপনাকে (শেখ হাসিনা) সবসময় সমর্থন করবো।
চীনা প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে বাংলাদেশকে সহায়তা করবে চীন। আমরা এই অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা চাই না।
ব্রিকসের খবর ঘিরে শিরোনাম করেছে বেশিরভাগ পত্রিকা। ব্রিকসে যোগ দেয়ার আমন্ত্রণ ৬ দেশকে, নেই বাংলাদেশ এমন শিরোনাম দৈনিক সমকালের।
এতে বলা হয় বিকাশমান অর্থনীতির দেশগুলোর জোট ব্রিকসের সদস্যসংখ্যা বাড়ছে। ছয়টি দেশকে এই জোটে যুক্ত হওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে সেই তালিকায় বাংলাদেশ নেই। দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে চলমান সম্মেলনে জোটের সদস্যসংখ্যা বাড়ানোর ব্যাপারে সম্মত হন ব্রিকসের নেতারা।
অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে বাংলাদেশকে-কালের কন্ঠের শিরোনাম। তারা লিখেছে ব্রিকসের সদস্য হতে আগ্রহ দেখায় ৪০টির বেশি দেশ, শেষ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করে ২২টি দেশ, এর মধ্যে মাত্র ছয়টি দেশ নতুন সদস্য পদ পাচ্ছে।
ব্রিকসের নতুন সদস্যদের তালিকায় বাংলাদেশ নেই কেন? এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন বিবিসি বাংলায়।
End cycle of sanctions and counter-sanctions – ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন বক্তব্য নিয়ে শিরোনাম করেছে ডেইলি স্টার।
বলা হচ্ছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বিশ্বনেতাদের প্রতি নিষেধাজ্ঞা-পাল্টা নিষেধাজ্ঞা বন্ধের আহবান জানিয়ে যে কোন হুমকি, প্ররোচনা বা যুদ্ধের বিরুদ্ধে সবাইকে এক হওয়ার আহবান জানান। অস্ত্রের প্রতিযোগিতা নয় বরং সব নেতৃত্বকে মানুষের কল্যাণে কাজ করার আবেদন জানান শেখ হাসিনা।
এদিকে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের প্রবেশের ৬ বছর পূর্তি ঘিরে প্রথম পাতায় বিশেষ খবর প্রকাশ করেছে অনেক পত্রিকাই। Stalled Rohingya return raises burden ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের শিরোনাম।
এতে বলা হচ্ছে গত ৬ বছরে বাংলাদেশ প্রায় এগারো লাখ রোহিঙ্গার একজনকেও মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে পারেনি, এতে নতুন করে রোহিঙ্গাদের প্রবেশ যেমন চলছে তেমনি অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সংকটও বাড়ছে।
ডিসেম্বরের মধ্যে প্রত্যাবাসন শুরুর আশা – রোহিঙ্গা ঢলের ৬ বছর ঘিরে প্রথম আলোর শিরোনাম। তারা লিখেছে ঠিক ৬ বছর আগে এই দিনে (২৫শে অগাস্ট) মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে প্রাণ বাঁচাতে হাজারো রোহিঙ্গা নারী-শিশু-পুরুষের ঢল নেমেছিল বাংলাদেশ। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নৃশংসতা থেকে বাঁচতে পরের কয়েক মাসে অন্তত ৭ লাখ রোহিঙ্গা নাফ নদী পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।
তখনই আশঙ্কা করা হয়েছিল রোহিঙ্গা সংকটের দ্রুত সমাধান হবে না। সময় গড়ানোর সঙ্গে পরিস্থিতি এখন আরো জটিল হয়েছে। আগামী ৩১শে ডিসেম্বরের মধ্যে রোহিঙ্গাদের একটি দলকে রাখাইনে পাঠিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে হলেও প্রত্যাবাসন শুরু করতে চায় বাংলাদেশ সরকার।
প্লাটিলেটের জন্য হাহাকার - ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে দৈনিক সমকালের পেছনের পাতার প্রধান শিরোনাম।
বিস্তারিত বলা হচ্ছে আগস্টে এডিস মশাবাহিত রোগটি আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। শহর ও গ্রাম– সবখানেই আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। পাশাপাশি দীর্ঘ হচ্ছে মৃতের তালিকা। প্লাটিলেটের চাহিদা বাড়ায় একদিকে যেমন এটি জোগাড় করা কঠিন হয়ে পড়ছে, অন্যদিকে অ্যাপারেসিস প্লাটিলেট (রক্ত থেকে প্লাটিলেট আলাদা করার প্রক্রিয়া) কিটের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সরবরাহ বন্ধ রেখেছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে বেসরকারি হাসপাতালে প্লাটিলেট কার্যক্রম একেবারে বন্ধ রয়েছে। আরও কিছু হাসপাতালে এই কার্যক্রম চলছে সীমিত আকারে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন রোগী ও তাদের স্বজন।
এবার কালো পতাকা নিয়ে গণমিছিল করবে বিএনপি-প্রথম আলোর খবর।
বলা হয়েছে সরকারের পদত্যাগের দাবিতে ‘কালো পতাকা’ নিয়ে ঢাকাসহ সব মহানগরে আজ ও আগামীকাল দুই দিন ‘গণমিছিল’ করবে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো। সরকার হটানোর ‘এক দফা’ দাবিতে চলতি আগস্ট মাসেই দুটি গণমিছিল করেছে সরকারবিরোধী দলগুলো। এবার কালো পতাকা হাতে গণমিছিল করে সরকারকে পদত্যাগের চূড়ান্ত বার্তা দিতে চাইছে তারা। বিএনপির একাধিক নেতা জানিয়েছেন, দুই দিনের এই গণমিছিলের পর এ ধরনের আরও দু-একটি কর্মসূচি আসতে পারে।
স্মার্ট মিটারে মহাদুর্নীতি – বিদ্যুৎ খাতের একটি প্রকল্প নিয়ে এটিই প্রধান শিরোনাম দৈনিক যুগান্তরের।
বলা হয়েছে ‘স্মার্ট প্রিপেইড মিটার’ নামে বিদ্যুৎ খাতের ৪২৬ কোটি টাকার এক প্রকল্পে মহাদুর্নীতির ঘটনা ঘটেছে। এই প্রকল্পের আওতায় বিদেশ থেকে মিটার কিনে এনে সেগুলোকে টেম্পারিং করে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ লিখে ৮৪ কোটি টাকা পাচার করার অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি প্রকল্পের কর্মীদের বিদেশ থেকে ট্রেনিং করানোর কথা থাকলেও তা না করিয়ে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ১৮ কোটি টাকা লোপাট করা হয়েছে।
বাংলাদেশ স্মার্ট ইলেকট্রিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড (বেসিকো) নামে স্মার্ট প্রিপেইড মিটার তৈরির এক কোম্পানির বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যুৎ খাতের অন্যতম বড় কোম্পানি ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ওজোপাডিকো) তত্ত্বাবধানে এই কোম্পানিটি গড়ে তোলা হয়। কোম্পানিটির নিজস্ব নিরীক্ষায় (অডিট) এ দুর্নীতি ধরা পড়েছে।
ভারতের চাল-চিনি রপ্তানি বন্ধে ভুগবে বিশ্ব-দৈনিক কালের কন্ঠের আরেকটি প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হচ্ছে অভ্যন্তরীণ কারণ দেখিয়ে সম্প্রতি নন-বাসমতী সাদা চাল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ভারত। গত ২০ জুলাই ভারত এই নিষেধাজ্ঞা জারি করার মাত্র তিন দিন পর রাশিয়া কৃষ্ণ সাগর শস্য চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়।
এরও আগে গত বছর সেপ্টেম্বরে ভারত ভাঙা চাল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে, যা এখনো বলবৎ রয়েছে। এদিকে রয়টার্স জানায়, দেশে সরবরাহব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে চিনি রপ্তানিতেও নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে ভারত। আগামী অক্টোবর মৌসুম থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। সাত বছরের মধ্যে এবারই প্রথম চিনি রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে ভারত। কারণ হিসেবে প্রাকৃতিক পরিবর্তনকে সামনে আনা হয়েছে। ভারত চিনি রপ্তানি বন্ধ করলে নিউ ইয়র্ক, লন্ডনসহ বিশ্ববাজারে দাম আরো বাড়বে। ফলে খাদ্যবাজারে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা রয়েছে।
বিকল্প আরও ৯ দেশ থেকে আসছে পেঁয়াজ – যুগান্তরের আরেকটি শিরোনাম। বলা হয় সংকট কাটাতে ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে আরও ৯টি দেশ থেকে বাংলাদেশ পেঁয়াজ আমদানি করতে যাচ্ছে। দেশগুলো হলো-চীন, পাকিস্তান, মিসর, তুরস্ক, কাতার, মিয়ানমার, নেদারল্যান্ড, ইউএই ও থাইল্যান্ড।
অন্যান্য খবর
300 new vehicles hit city street a day – অর্থাৎ প্রতিদিন রাস্তায় ৩০০ গাড়ি যোগ হচ্ছে। এমন শিরোনাম ইংরেজি দৈনিক ডেইলি সানের। পত্রিকাটি বলছে রাজধানীতে গড়ে প্রতিদিন ৩০০ নতুন গাড়ি যোগ হওয়াই ট্র্যাফিক জ্যামের একটা বড় কারণ। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (ট্র্যাফিক-উত্তর) এমন তথ্য দিয়েছেন।
ব্যান্ড বাজিয়ে সংঘর্ষ – দৈনিক নয়া দিগন্তের শিরোনাম। খবরটি ফরিদপুরে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ নিয়ে। বিস্তারিত বলা হয় ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে ব্যান্ড বাজিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিল দুই ইউনিয়নের দুই দল গ্রামবাসী। হাজার হাজার জনতা শিমুল বাজার এলাকার আশপাশে জড়ো হয়ে শুরু করে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া। এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। এ ঘটনায় ১০ জনের মতো আহত হন বলে জানা গেছে। এ ঘটনার পর ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
জনশক্তি রফতানি বেড়েছে ৬৭%, রেমিট্যান্স কমেছে ৬% - বণিক বার্তার শিরোনাম এটি। এতে বলা হয় চলতি বছরের জুলাইয়ে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় জনশক্তি রফতানি ৬৬ দশমিক ৬৯ শতাংশ বাড়লেও রেমিট্যান্স কমেছে প্রায় ৬ শতাংশ। দক্ষতার ঘাটতি, আয় কমে যাওয়া, বিনিময় হারে পার্থক্যের কারণে ব্যাংক খাতের প্রতি প্রবাসীদের আস্থাহীনতা ও হুন্ডি-হাওলার দিকে ঝুঁকে পড়ার কারণে এমনটি ঘটে থাকতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
Chinese firm offers TK 1 Lakh crore mega project for two smart cities – ইংরেজি দৈনিক দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান এই শিরোনামে বলা হয়েছে একটা চাইনিজ কোম্পানি দুটি মেগা প্রকল্পের জন্য ৯ বিলিয়ন ইউএস ডলার বা এক লাখ কোটি টাকার একটা বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে, যদিও চীনা অর্থে নির্মিত চলমান প্রকল্পগুলোতে অর্থ ছাড়তে বেশ দেরি হচ্ছে। মূলত কেরাণিগঞ্জ আর আশুলিয়াকে স্মার্ট সিটি হিসেবে গড়ে তোলার একটা প্রস্তাব দিয়েছে তারা।