'দ্বিধায় দলগুলো, পথ খুঁজছে কমিশন'

জুলাই সনদ নিয়ে 'দ্বিধায় দলগুলো, পথ খুঁজছে কমিশন' মানবজমিন পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।
এ খবরে বলা হয়েছে, চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী রাষ্ট্র সংস্কার ও নতুন রাজনৈতিক ভিত্তি হিসেবে আলোচনায় ছিল 'জুলাই সনদ'। ঐকমত্য কমিশনের ৬৮ দিনের বৈঠকেও চূড়ান্ত রূপরেখা দিতে পারেনি কমিশন।
বাস্তবায়ন পদ্ধতি ও আইনি ভিত্তি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দেখা দিয়েছে মতবিরোধ।
যদিও কমিশনের মেয়াদ আরও এক মাস বাড়ানো হয়েছে। তবে সংস্কার বাস্তবায়ন ও জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে দ্বিধা ও মতপার্থক্য ক্রমশ গভীর হচ্ছে বলে এ সংবাদে বলা হয়েছে।
সংস্কার ইস্যুতে জুলাই সনদ চূড়ান্ত না হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে সংকটের মূল জায়গা কোথায়? জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দাবি, সনদ চূড়ান্তকরণ ও বাস্তবায়ন কাঠামো নির্ধারণে তারা আগামী সপ্তাহে রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে আলোচনায় বসবে।
প্রথম ধাপের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠকের পর সেই আলোচনার ভিত্তিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে তৃতীয় দফায় বৈঠক করে সনদ বাস্তবায়ন বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
কমিশনের বরাত দিয়ে এ খবরে বলা হয়েছে, আজ বৃহস্পতিবার দলগুলোর কাছে জুলাই সনদের চূড়ান্ত খসড়া পাঠানো হবে। বিশেষজ্ঞদের মতামত ও পরামর্শ সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোকে জানাবে কমিশন।
ঐকমত্য কমিশনের বিশেষ কোনো পছন্দ নেই। তবে বাস্তবায়ন ও আইনি ভিত্তি এসব প্রশ্নের সমাধান খুঁজতে কাজ করছে কমিশন। বিশেষজ্ঞদের মতামত নেয়া হচ্ছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে সংবাদটিতে।
End of বিবিসি বাংলার অন্যান্য খবর

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
'অঙ্গীকারনামায় ভোটের আগেই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রস্তাব' সমকাল পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম। আজ বৃহস্পতিবার বেশ কয়েকটি পত্রিকায় জুলাই সনদ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
সমকালের প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগেই বাস্তবায়ন হবে 'জুলাই জাতীয় সনদ - ২০২৫'। বাস্তবায়নযোগ্য সংস্কারগুলো ভোটের আগেই কার্যকর করবে সরকার।
অঙ্গীকারনামায় এ শর্ত রেখে সনদের খসড়া করেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।
এতে বলা হয়েছে, বিদ্যমান আইন-আদালতের রায়ের ওপর প্রাধান্য পাবে সনদ। সংবিধানের মতো সনদেরও ব্যাখ্যা দেওয়ার এখতিয়ার থাকবে সুপ্রিম কোর্টের। সনদের কোনো বাক্য, শব্দ সংবিধান-আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হলে সনদ প্রাধান্য পাবে।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের মতামতে খসড়াটি চূড়ান্ত করার পর আগামীকাল শুক্রবার রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে খসড়া পাঠানো হবে।
এরপর সনদ বাস্তবায়নের উপায় নিয়ে দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ হবে। খসড়ায় নয়টি অঙ্গীকার রয়েছে।
সনদকে বিশেষ সাংবিধানিক ব্যবস্থা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি এবং সনদ নিয়ে আদালতে প্রশ্ন তোলা যাবে না - প্রাথমিক খসড়ায় এ দুই অঙ্গীকার থাকলেও গতকাল বুধবারের আলোচনায় তা বাদ গেছে। কমিশনের সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে পত্রিকাটি।
সনদের অঙ্গীকারনামা অংশে কী আছে তা প্রকাশ না করলেও কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ জানিয়েছেন, রাজনৈতিক দল এবং বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে যেসব মতামত পাওয়া গেছে, এর ভিত্তিতে খসড়া চূড়ান্ত করা হবে। প্রাথমিক খসড়ায় বিভিন্ন মতামত সংযোজন - বিয়োজন নিয়মিতই হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে, শুক্রবারের মধ্যেই রাজনৈতিক দলগুলোকে খসড়া পাঠানো সম্ভব হবে।

'কিশোর গ্যাং বেপরোয়া ' কালের কণ্ঠ পত্রিকার শিরোনাম।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানী ঢাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে কিশোর অপরাধীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। ঢাকার কাছের শিল্পনগরী গাজীপুরে গড়ে উঠেছে কিশোর অপরাধীদের কমপক্ষে ৩০টি চক্র।
চট্টগ্রামে 'বড় ভাই' পরিবর্তন করে সংগঠিত হচ্ছে এই অপরাধীরা। পর্যটন শহর কক্সবাজারে শতাধিক চক্রের বেশিরভাগ সদস্যই রোহিঙ্গা বলে উল্লেখ করা হয়েছে সংবাদে।
দেশের বিভিন্ন স্থানের তথ্য এতে তুলে ধরা হয়েছে।
রাজশাহী মহানগরের ৩০টি ওয়ার্ডেই আগে গড়ে ওঠা সব চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সিলেটে টমটমচালকদের মধ্যেও কিশোর অপরাধী রয়েছে।
ময়মনসিংহ মহানগরের পার্ক এলাকায় কিশোরদের দাপটে দর্শনার্থীরা পড়ে বিপাকে। খুলনায়ও রয়েছে দাপুটে চক্র।
পুলিশ কোথাও এই অপরাধীদের তালিকা তৈরি করছে, কোথাও অভিযান চালিয়ে অপরাধীদের ধরাও হচ্ছে।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ক্ষেত্রে সামাজিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি আরো বাড়াতে হবে।
বিভিন্ন জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা সংক্রান্ত বৈঠকে এই অপরাধীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে আড্ডা দেওয়া বন্ধ, অভিভাবকদের সচেতন ও কাউন্সেলিং করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানোর মতামত দিয়েছেন।

' অপশক্তি রোধে জাতীয় ঐক্য জরুরি ' যুগান্তর পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।
এ খবরে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ষড়যন্ত্রের নানা সমীকরণ ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন হবে এমন ঘোষণার পর অপশক্তিগুলো নির্বাচন বানচাল করতে চতুর্মুখী অপতৎপরতা শুরু করেছে।
এমন পরিস্থিতিতে সুযোগসন্ধানী গোষ্ঠী এবং পতিত আওয়ামী লীগের ক্যাডাররা নাশকতা সৃষ্টিসহ পরিকল্পিতভাবে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির মতো ক্ষেত্র তৈরির অপচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সমাজের বিভিন্ন সেক্টরে ছদ্মবেশে থাকা পতিত আওয়ামী লীগের দোসররা সক্রিয় রয়েছে।
এ অবস্থায় এসব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে হলে সবার আগে দেশে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা জরুরি। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য এটি হলো অন্যতম পূর্বশর্ত।
আর দেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হলে এ মুহূর্তে নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।
সেজন্য নির্বাচন পর্যন্ত আগামী ছয় মাস ভালোভাবে পার করতে সরকারের পাশে গণ-অভ্যুত্থানের পক্ষের সব শক্তিকে শক্তভাবে দাঁড়াতে হবে। সরকারকেও নির্বাচনমুখী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঘন ঘন বৈঠকে বসতে হবে।
সৃষ্ট সংকট নিরসনে সমাধানের উপায় সম্পর্কে বেশ কয়েকজন সিনিয়র রাজনৈতিক নেতা ও বিশ্লেষকের সাথে কথা বলে এ সংবাদটি করা হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, "শেখ হাসিনার সময় তিনটি নির্বাচন হয়েছিল। সেসব নির্বাচনে জনগণ ভোটাধিকার বঞ্চিত হয়েছে। কাজেই নির্বাচনহীন অবস্থা থেকে মুক্তির সমাধান হচ্ছে একটি সুষ্ঠু, প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ও নির্ভরযোগ্য নির্বাচন। যে নির্বাচন ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে হবে বলে সরকার ও নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে।"

'আইনে যা-ই থাকুক, প্রাধান্য পাবে জুলাই সনদের প্রস্তাব ' প্রথম আলো পত্রিকার শিরোনাম।
রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতের পরিপ্রেক্ষিতে জুলাই জাতীয় সনদের খসড়ার অঙ্গীকার অংশে কিছু পরিবর্তন আনছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।
নতুন সমন্বিত খসড়ায় জুলাই সনদকে বিশেষ মর্যাদা ও আইনি ভিত্তি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে, জনগণের সর্বজনীন অভিপ্রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে এই সনদ প্রণয়ন করা হয়েছে।
তাই এই সনদ প্রচলিত আইন বা আদালতের রায়ের ওপর প্রাধান্য পাবে; এ জন্য একটি বিশেষ সাংবিধানিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।
খসড়ায় আরও বলা হয়েছে, জুলাই সনদের কোনো শব্দ, বাক্য ও নীতিমালা বিদ্যমান সংবিধান বা অন্য কোনো আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হলে, সে ক্ষেত্রে সনদই প্রাধান্য পাবে। সনদের বৈধতা নিয়ে কোনো আদালতে প্রশ্ন তোলা যাবে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে এ খবরে বলা হয়েছে, জুলাই সনদের সমন্বিত খসড়া এখনো চূড়ান্ত হয়নি। অঙ্গীকার অংশের কয়েকটি বিষয়ে আইনি দিক আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে খসড়া নিয়ে আলোচনা করা হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে সংবাদটিতে।
প্রয়োজনীয় সংযোজন–বিয়োজনের পর আগামীকাল শুক্রবারের মধ্যে নতুন খসড়াটি রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে পাঠানো হবে।

'মেট্রোর নির্মাণ ব্যয় নিয়ে জাইকার সঙ্গে দর কষাকষিতে সরকার' বণিক বার্তা পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।
ঢাকায় বর্তমানে আরো দুটি মেট্রোরেল নির্মাণ প্রকল্প চলমান। এগুলোর জন্য সরকার ব্যয় প্রাক্কলন করেছে ৯৩ হাজার ৭৯৯ কোটি টাকা।
এখন চলছে দরপত্র যাচাই-বাছাই ও মূল্যায়নের কাজ। তবে ঋণদাতা জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) বেঁধে দেয়া শর্তের কারণে কেবল জাপানি প্রতিষ্ঠান কিংবা জয়েন্ট ভেঞ্চারই দরপত্রে অংশ নিতে পেরেছে বলে এ সংবাদে বলা হয়েছে।
শুধু তাই নয়, দর প্রস্তাব বেশি হলে তা কমানোর জন্য দ্বিতীয়বার দরপত্র আহ্বানেরও সুযোগ রাখা হয়নি।
এ সুযোগে জাপানের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো যে দর প্রস্তাব করেছে, তা বিশ্লেষণ করে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) কর্মকর্তারা বলছেন, মেট্রোরেল দুটি নির্মাণে ব্যয় দাঁড়াতে পারে প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা, যা সরকারের প্রাক্কলনের প্রায় দ্বিগুণ।
এদিকে ব্যয় কমিয়ে আনতে এবং দরপত্র প্রক্রিয়া প্রতিযোগিতামূলক করতে জাইকার সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে সরকার।
প্রয়োজনে তাদের বিকল্প হিসেবে মেট্রো প্রকল্পের জন্য বিশ্বব্যাংক কিংবা এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) কাছ থেকে ঋণ নেয়ার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

'উত্তরাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা' নয়া দিগন্ত পত্রিকার শিরোনাম।
এ খবরে বলা হয়েছে, ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের সব ক'টি গেট খুলে দেয়ায় সৃষ্ট ঢল এবং প্রচুর বৃষ্টিপাতের কারণে রংপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম লালমনিরহাট ও গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
উজান থেকে নেমে আসা পানি প্রবলবেগে তিস্তায় আছড়ে পড়ার কারণে ডালিয়া ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
গতকাল বুধবার তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার সাত সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তিস্তা ও ধরলার অববাহিকার ১০৮ স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব ভাঙনকবলিত স্থান এবং ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধগুলো পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এ দিকে উজানের ঢল ফারাক্কা ব্যারাজ হয়ে পদ্মা নদীতে পড়ায় কুষ্টিয়ার এক হাজার হেক্টর ফসলের ক্ষেত তলিয়ে গেছে।
পদ্মার পানিও বিপদসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। ইতোমধ্যে কুষ্টিয়ার দু'টি ইউনিয়ন পানিবেষ্টিত হয়ে পড়েছে।
প্রতিদিনই পদ্মা হু হু করে ফুলে উঠছে। উজানের ঢল এভাবে ধেয়ে আসতে থাকলে উত্তরাঞ্চলে ব্যাপক বন্যার আশঙ্কা করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

'রাজধানীর সড়কে খানাখন্দ গর্তে পানি, দুর্ভোগ' দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।
কোথাও সড়কের ঢালাই ভেঙে লোহার রড বেরিয়ে আছে, কোথাও ভেঙে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত। সেই গর্তে পানি জমে চলাচলে ঝুঁকি তৈরি করছে। রাজধানীর প্রধান ও অলিগলির অনেক সড়কেই এখন এমন ভাঙাচোরা অবস্থায় রয়েছে বলে এ সংবাদে বলা হয়েছে।
এতে দুর্ভোগে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। শুধু সড়ক নয়, রাজধানীর ওভারব্রিজগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে স্কেলেটরগুলো নষ্ট অবস্থায় পড়ে আছে।
সেগুলো মেরামত না করায় হকাররা সেখানের দামি যন্ত্রাংশও খুলে নিয়ে যাচ্ছে। রাজধানীর এয়ারপোর্ট ওভারব্রিজে এমন চিত্র দেখা গেছে।
এমন বেহাল অবস্থায় সড়ক ও নাগরিক সেবা চললেও উদাসীন দেখা যাচ্ছে নগর কর্তৃপক্ষকে।
সড়ক সংস্কারে তেমন কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরে দুই সিটি করপোরেশনের কর্তৃপক্ষকে বেশিরভাগ সময় আন্দোলন ঠেকানো ও রাজনৈতিক প্রোগ্রামে সময় কাটাতে দেখা গেছে।
ঢাকার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে সেখানকার সড়কের অবস্থা তুলে ধরা হয়েছে এ সংবাদে।
এ বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ফারুক হাসান মো. আল মাসুদ বলেন, চলতি অর্থবছর উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ রয়েছে প্রায় ৬৯০ কোটি টাকা। বিশেষ উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য রাখা হয়েছে ৯৯০ কোটি টাকা। এর আওতায় রাস্তা, ফুটপাত ও নর্দমার কাজ করা হবে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. বোরহান উদ্দিন বলেন, কোথাও ছোট সংস্কার থাকলে সেটা তাৎক্ষণিক করা হচ্ছে। অন্য ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো বর্ষা শেষে সেপ্টেম্বরের দিকে শুরু হবে।

'SADA PATHOR stripped bare' দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার শিরোনাম যেখানে ভোলাগঞ্জের সাদা পাথর খালি হয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।
ধোলাই নদীর এক প্রশস্ত ও অগভীর অংশে মেঘালয়ের পাহাড় থেকে পাথর ভেসে এসে তৈরি হয়েছে ভোলাগঞ্জের সাদা পাথর। বহুদিন ধরেই সিলেটের অন্যতম শীর্ষ পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এ স্থান।
মাসের পর মাস ধরে এখন অবাধে পাথর উত্তোলন ও লুটপাটের পর এ এলাকা এক ধ্বংসপ্রাপ্ত খনিতে পরিণত হয়েছে। যেখানে গর্ত আর কাদায় ভরা অথচ যে পাথরের জন্য পরিচিতি সেগুলোই প্রায় বিলীন।
পরিবেশবাদী সংগঠন ও স্থানীয়রা জানান, গত বছরের অগাস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর কোম্পানিগঞ্জ ও গোয়াইনঘাট উপজেলায় অবৈধ পাথর উত্তোলন বেড়ে গেছে।
তাদের ধারণা এই লুটপাটের পরিমাণ কয়েক শত কোটি টাকার সমান যদিও কোনো সরকারি মূল্যায়ন করা হয়নি।
বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্টাল ল'ইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের বিভাগীয় সমন্বয়ক আইনজীবী শাহ শাহেদা আখতার বলেন, "এগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ব্যাপক আকারে সংগঠিতভাবে এবং রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের পৃষ্ঠপোষকতায় পাথর উত্তোলন হয়েছে এবং হচ্ছে।"

'Bangladeshis along border under threat' অর্থাৎ 'সীমান্তে হুমকির মুখে বাংলাদেশিরা' এমন শিরোনাম করেছে ইংরেজি দৈনিক নিউএইজ।
এ খবরে বলা হয়েছে, ভারতের আসাম রাজ্যে সরকারের বাংলাদেশের সীমান্তের কাছাকাছি বসবাসকারী নৃগোষ্ঠী এবং তাদের বাসিন্দাদের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসকারী জনগণের জন্য নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছে বলে মনে করেন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞরা আরও বলেছেন, সীমান্তে ভারতের হত্যাকাণ্ড এবং পুশইন অব্যাহত থাকায় আসাম রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপ সীমান্তে সহিংসতা বৃদ্ধি করবে।
ভারতীয় সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৯শে মে আসামের মন্ত্রিসভা বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী প্রত্যন্ত অঞ্চলে এবং বাংলাদেশি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ স্থানে বসবাসকারী নৃগোষ্ঠী এবং স্থানীয় নাগরিকদের অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়ার জন্য একটি বিশেষ প্রকল্প অনুমোদন করেছে।
আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেছেন, তার সরকার একটি পোর্টাল তৈরি করছে যেখানে 'সংবেদনশীল এলাকায়' বসবাসকারী নৃগোষ্ঠীরা অস্ত্রের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন বলে বলা হয়েছে বেশ কয়েকটি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে।









