পত্রিকা: 'সব কৌশল ব্যর্থ, গলার কাঁটা লুটের ১৩৫৩ অস্ত্র'

ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকা
Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

সব কৌশল ব্যর্থ, গলার কাঁটা লুটের ১৩৫৩ অস্ত্র— মানবজমিনের প্রথম পাতার শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, লুঠ করা অস্ত্র উদ্ধারে নানা উদ্যোগ নেয়া হলেও সব কৌশল ব্যর্থ। কিছুদিন আগে লুটের অস্ত্র উদ্ধারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরস্কার ঘোষণা করেছে।

কিন্তু তাতেও মিলছে না সাড়া।

সরকারি এসব অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ এসব অস্ত্র লুটের পর হাত বদল হয়ে অপরাধীদের কাছে চলে গেছে।

কার কাছে কীভাবে এসব অস্ত্র আছে এবং সেগুলো কীভাবে ব্যবহার হচ্ছে সেই তথ্যও নেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে।

এসব অস্ত্র ব্যবহার করে ইতোমধ্যে খুন-চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড হয়েছে।

এর মধ্যে কিছু অভিযানে অপরাধীদের কাছে লুটের অস্ত্র মিলেছে। লুটের অস্ত্র কেনাবেচায় পুলিশেরও সংশ্লিষ্টতা মিলেছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ, এসব অস্ত্র নির্বাচনে ব্যবহার হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

এক বছরের বেশি সময় ধরে এসব অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া এবং সব কৌশল ব্যর্থ হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

গত বছর ৫ই অগাস্টের পর ৫ হাজার ৭৫৩টি অস্ত্র লুট হয়। এছাড়া, ৬ লাখ ৫২ হাজার ৮৩২টি গোলাবারুদ নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

লুট হওয়া অস্ত্রের মধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে ৪ হাজার ৪১০টি। এখন পর্যন্ত উদ্ধার হয়নি ১ হাজার ৩৫৩টি।

গোলা-বারুদের মধ্যে উদ্ধার হয়েছে তিন লাখ ৯৪ হাজার ৩৪৯টি।

মানবজমিন
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর— একাত্তর প্রশ্নে 'ভুল স্বীকার' করার দিকে এগোচ্ছে জামায়াত

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে জয়ী হওয়া ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতারা গত বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার রায়েরবাজারের বধ্যভূমিতে দোয়া ও মোনাজাত করেছেন।

জামায়াতের দলীয় সিদ্ধান্তেই তারা এটি করেছেন। যার মধ্য দিয়ে এই প্রথম জামায়াত সমর্থিত কোনও সংগঠন শহীদ বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে যায়।

এ ঘটনাকে স্বাধীনতাযুদ্ধবিরোধী ভূমিকার বিষয়ে জামায়াতের এত দিনকার দলীয় অবস্থান পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম আরও দেখা যেতে পারে, যা এত দিন জামায়াত করেনি।

দলটির দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানিয়েছে, স্বাধীনতাযুদ্ধের বিরোধিতার জন্য জামায়াতের দলীয়ভাবে ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নে যে রাজনৈতিক বিতর্ক চলমান রয়েছে, সেটির বিষয়ে নীতিনির্ধারণী নেতারা এখন আগের চেয়ে বেশি মনোযোগী।

এ ব্যাপারেও শিগগিরই ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জামায়াতের উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্রে জানা গেছে।

তবে এর জন্য দলটির শীর্ষ নেতৃত্বসহ সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্ষদ কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা উপযুক্ত প্রেক্ষাপট ও অনুকূল পরিবেশ বিবেচনায় নিচ্ছে।

প্রথম আলো

যাবজ্জীবন দণ্ডের মেয়াদ কমানোর চিন্তাভাবনা— আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, কারাগারে থাকা বেশি বয়স্ক বন্দীদের মুক্তির কথা বিবেচনা করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মেয়াদ কমানোর চিন্তাভাবনা করছে সরকার।

মূলত, কারাগারে বেশি বয়স্ক বন্দীরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন । তাদের ওষুধের পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয় হচ্ছে। এ কারণে সরকারের এমন চিন্তাভাবনা।

গতকাল রোববার সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

১৮৬০ সালের দণ্ডবিধি (পেনাল কোড) অনুযায়ী বাংলাদেশে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মেয়াদ বর্তমানে ৩০ বছর।

নয়া এই বিধান চালুর ক্ষেত্রে বয়স বিবেচনায় নারীদের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মেয়াদ হতে পারে ২০ বছর। পুরুষদের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মেয়াদ আরেকটু বেশি হবে।

তবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের এই বিধান নির্ভর করবে সাজার সময়কালে আসামির বয়সের ওপর। এতে কিছু শর্ত যুক্ত থাকবে

আজকের পত্রিকা

Consensus a must, election to be a 'grand festival', অবশ্যই ঐক্য দরকার, নির্বাচন হবে মহোৎসব। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের বক্তব্য নিয়ে ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান খবর।

এতে বলা হয়েছে, জাতীয় জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সমঝোতার ওপর জোর দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

এ নিয়ে দলগুলো সমঝোতায় না পৌঁছালে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।

গতকাল রোববার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বৈঠকে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, যে পথে আমরা শুরু করেছি, সেই পথ থেকে বের হওয়ার কোনও সুযোগ নেই। এই সমতায় আমাদের আসতে হবে।

তার মতে, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন হবে। সে নির্বাচন মহোৎসবের নির্বাচন হবে। যদি বিষয়গুলো ফয়সালা করা যায়।

দ্য ডেইলি স্টার

আরেকটি ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের প্রধান শিরোনাম— ACC in a fix to fight own graft

এই খবরে বলা হয়েছে,দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) স্বয়ং তার প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের দুর্নীতিরোধে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে। যাদের বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়া এবং সন্দেহভাজন দুর্নীতিবাজদের কাছ থেকে অণৈতিক সুবিধা নেয়ার মতো বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।

ঘুষ-অনৈতিক সুবিধা নেয়া, দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়াসহ বিভিন্ন অভিযোগে গত ১৭ বছর নয় মাসে নিজেদের ২৪৪ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে শাস্তি দিয়েছে দুদক।

সম্প্রতি সংস্থাটির কর্মকর্তাদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে দুদকের নেয়া পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, শুধু বিভাগীয় পদক্ষেপ নেয়াই যথেষ্ট নয়, তাদেরকে বিচারের জন্য আদালতে সোপর্দ করতে হবে।

নিউ এজ

এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত 'বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জরিপ ২০২৪' অনুযায়ী দেশে নিবন্ধিত কোচিং সেন্টারের সংখ্যা ৬ হাজার ৫৮৭।

এর মধ্যে একাডেমিক ৬ হাজার ৩১২টি এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতি বা চাকরিসংক্রান্ত কোচিং সেন্টার রয়েছে আরও ২৭৫টি।

যদিও শিক্ষাসংশ্লিষ্টদের ধারণা, নিবন্ধনহীন কোচিং সেন্টারের সংখ্যা আরও কয়েক গুণ।

এসব কোচিং সেন্টার শিক্ষাসংশ্লিষ্ট হলেও নিবন্ধন বা অনুমোদন দেয়া হচ্ছে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান— সিটি করপোরেশন, পৌরসভা কিংবা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে।

ফলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কিংবা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের কোনও তদারকি নেই বললেই চলে।

স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন ২০০৯-এর ১১১ নং ধারা, স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন ২০০৯-এর ৭৯ নং ধারা এবং স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯-এর ৮২ নং ধারায় এসব প্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধন দেয়ার বিধান রয়েছে।

এর সুযোগ নিয়েই কোচিং সেন্টারগুলো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মতো নিবন্ধন নিচ্ছে এবং নিজেদের কার্যক্রমকে বৈধ দাবি করছে।

এসব প্রতিষ্ঠান কীভাবে চলবে, শিক্ষার্থী অনুপাতে শিক্ষক কত হবে, সে বিষয়ে নেই কোনও নীতিমালা।

বণিক বার্তা

কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১৫১

এতে বলা হয়েছে, মানবাধিকার সংগঠন এইচআরএসএসের অপরাধমূলক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ এর সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৫ সালের অগাস্ট পর্যন্ত দেশে অন্তত ৯৮৮টি রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত হয়েছে ১৫১ জন।

এসব ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে সাত হাজার ৬২৬ জন।

রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার, প্রতিশোধপরায়ণতা, কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধ, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন স্থাপনা দখলকে কেন্দ্র করে বেশিরভাগ সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।

এদিকে, আরেকটি মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের হিসাবে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত রাজনৈতিক সহিংসতায় ৪৪ জন মারা গেছে।

মানবাধিকার সংগঠন 'অধিকার'-এর ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক সহিংসতায় চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত সারাদেশে ৭২ জন নিহত হয়েছেন।

পুলিশ সদর দপ্তরের অপরাধমূলক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত এক বছরে হত্যা মামলা বেড়েছে।

দেশের বিভিন্ন থানায় গত বছরের জুলাই থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত এক বছরে তিন হাজার ৮৫৭টি হত্যা মামলা হয়েছে।

এর মধ্যে আগের ঘটনায় ৪১০টি মামলা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। প্রতি মাসে মোট মামলার হিসাবে গড়ে ৩২১টি হত্যা মামলা করা হয়। এই হিসেবে আগের ঘটনায় অন্তর্ভুক্ত মামলা বাদ দিয়েও ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে জুনের তুলনায় গত এক বছরে খুনের মামলা বেড়েছে।

কালের কণ্ঠ

যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক আরও কমতে পারে— দেশ রূপান্তরের পাতার খবর এটি।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে পারলে বাংলাদেশের ওপর আরোপিত পাল্টা শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে আরও খানিকটা কমবে বলে আশ্বাস দিয়েছে দেশটি।

এখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি ছয় বিলিয়ন ডলারের মতো।

ঢাকায় সফরে আসা যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিষয়ক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে গতকাল রোববার বৈঠক শেষে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

তিনি আরও জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমতে শুরু করায় যুক্তরাষ্ট্র সন্তুষ্ট।

জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর আরোপ করা বাড়তি ২০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক আরও কমিয়ে ১৫ শতাংশ চায় বাংলাদেশ।

এ বিষয়ে আলোচনা ও সমঝোতার ভিত্তিতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তির বিষয়টি চূড়ান্ত করতে তিন দিনের সফরে ঢাকায় এখন মার্কিন প্রতিনিধিদল।

তবে সুনির্দিষ্টভাবে পাল্টা শুল্ক ১৫ শতাংশ করার বিষয়ে আলোচনা হয়নি উল্লেখ করে শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, বাণিজ্য ঘাটতি কমার সঙ্গে সঙ্গে শুল্ক কমানোর বিষয়ে আলোচনা করেছি এবং তারা এতে আশ্বস্ত করেছেন।

দেশ রূপান্তর

কেন্দ্রীয় ফলের সঙ্গে হলভিত্তিক ১৮ প্রার্থীর প্রাপ্তভোটে গরমিল— ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের কেন্দ্রীয় ও হলের ১৮ প্রার্থীর ভোটের তথ্যে গরমিল নিয়ে প্রথম পাতায় প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সমকাল।

এই খবরে বলা হয়েছে, ওই ১৮ জনের প্রাপ্তভোট যোগ করে দেখা গেছে, প্রকাশিত ফলে নয়জনের ভোট বেশি এবং নয়জনের কম।

কেন্দ্রীয় ও হলভিত্তিক ফলে এমন গরমিলের কারণে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

তবে এটিকে মুদ্রণজনিত ভুল হিসেবে উল্লেখ করেছেন চিফ রিটার্নিং অফিসার অধ্যাপক জসীম উদ্দিন।

এদিকে, নির্বাচনের চারদিন পর হলভিত্তিক ফলাফল জানা গেলেও পূর্ণাঙ্গ তথ্য মেলেনি।

মোট কত ভোট পড়েছে, কতটি ভোট বাতিল হয়েছে— এটি কেন্দ্রীয় কিংবা সব হলের ক্ষেত্রে উল্লেখ করা হয়নি।

১৮টি হলের মধ্যে ছয়টি হলের ফলাফল শিটে কতটি ভোট কাস্ট হয়নি এবং কতটি বাতিল হয়েছে তা উল্লেখ রয়েছে।

এ ব্যাপারে অধ্যাপক জসীম উদ্দিন জানালেন, আলাদা বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এটি দিয়ে দেয়া হবে। অফিস বন্ধ থাকায় কাজটি করা যায়নি।

সমকাল