পত্রিকা: 'প্রবাসীদের পাঠানো টাকায়ও কর বসাতে চায় আইএমএফ'

কালের কণ্ঠ পত্রিকার আজকের প্রথম পাতার খবর- প্রবাসীদের পাঠানো টাকায়ও কর বসাতে চায় আইএমএফ।
প্রবাসীদের কষ্টের টাকায়ও এবার করের খড়্গ বসছে বলা হচ্ছে এই খবরে।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল- আইএমএফ ঋণের কিস্তি ছাড়ের শর্ত হিসেবে বিদেশে শরীরের রক্ত পানি করা শ্রম আর ঘামে যে এক কোটি প্রবাসী দেশে টাকা পাঠান, ওই টাকা বা রেমিট্যান্সের ওপর এবার কর আরোপ করতে বলেছে।
ফলে হুন্ডি কমিয়ে রেমিট্যান্সপ্রবাহ বাড়াতে এত দিন ধরে যে আড়াই শতাংশ হারে প্রণোদনা দিয়ে প্রবাসীদের উৎসাহিত করা হতো; সেখানে উল্টো কর আরোপ করার প্রস্তাব রীতিমতো আত্মঘাতী বলে মনে করছেন অনেকে।
এ রকম একটি অজনপ্রিয় প্রস্তাবের পাশাপাশি রাজস্ব ঘাটতি মেটাতে লোকসানি ব্যবসায় আরো বেশি হারে কর বসানোরও শর্ত দিয়েছে সংস্থাটি।


সংবাদ পত্রিকার আজকের প্রধান খবর- সার উৎপাদনে গ্যাসের দাম দেড়শ' শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব পেট্রোবাংলার।
এই খবরে বলা হচ্ছে, সার উৎপাদনে গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের ওপর গণশুনানি শেষ, কারো কোনো মতামত থাকলে আগামী ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত লিখিত আকারে কমিশন কার্যালয়ে জমা দেয়া যাবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
পেট্রোবাংলা প্রতি ইউনিট গ্যাস ১৬ টাকা থেকে দাম বাড়িয়ে ৪০ টাকা করার প্রস্তাব তুলে ধরেছে। তবে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) বলেছে ভর্তুকি চূড়ান্ত না করে গ্যাসের দাম বাড়লে সংকট তৈরি হবে।
বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ সোমবার, (০৬ অক্টোবর ২০২৫) ঢাকার বিয়াম মিলনায়তনে শুনানির সমাপনী বক্তব্যে বলেন, 'গ্যাসের দাম প্রশ্নে সবদিক বিবেচনা করে ভারসাম্য রক্ষা করা হবে। দাম বেড়ে গেলে সারের উৎপাদন খরচের বিষয়ে আপনারা চিন্তিত! অবশ্যই কৃষিকে বিবেচনায় নিতে হবে।'
End of বিবিসি বাংলার অন্যান্য সংবাদ

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
বণিক বার্তা পত্রিকার আজকের শীর্ষ খবর- বাংলাদেশ থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছে প্রক্টর অ্যান্ড গ্যাম্বল।
বিশ্বের অন্যতম ফাস্ট-মুভিং কনজিউমার গুডস (এফএমসিজি) উৎপাদক কোম্পানি প্রক্টর অ্যান্ড গ্যাম্বল। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এ বহুজাতিক কোম্পানি বাংলাদেশে ব্যবসা শুরু করে ১৯৯৪ সালে।
দীর্ঘ তিন দশকের এ ব্যবসায়িক যাত্রায় তারা বাংলাদেশের প্রাণ গ্রুপের সঙ্গে যৌথ বিনিয়োগে দেশে কারখানাও স্থাপন করেছে।
তবে এবার বাংলাদেশ থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রক্টর অ্যান্ড গ্যাম্বল। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এরই মধ্যে জিলেট ইন্ডিয়ার সঙ্গে চুক্তি বাতিল করা হয়েছে।
পাশাপাশি বাতিল করা হয়েছে স্থানীয় পরিবেশকের সঙ্গে করা চুক্তি। প্রাণ গ্রুপের কারখানায় চুক্তিভিত্তিক উৎপাদনও বন্ধ।
বৈশ্বিকভাবে ব্যবসা পুনর্গঠন ও কর্মী ছাঁটাই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার কথা জানিয়েছে বহুজাতিক কোম্পানিটি।
তবে এ দেশে ব্যবসা পরিচালনা করতে গিয়ে প্রতিকূল পরিস্থিতির অভিজ্ঞতাও বহুজাতিক এ কোম্পানির ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশের বাজারে প্রক্টর অ্যান্ড গ্যাম্বলের বিক্রি করা উল্লেখযোগ্য পণ্যগুলো হচ্ছে জিলেট ব্র্যান্ডের রেজর ও গ্রুমিং পণ্য, ওরাল-বি ব্র্যান্ডের পণ্য, প্যাম্পারস বেবি ডায়াপার, হুইসপার স্যানিটারি ন্যাপকিন, হেড অ্যান্ড শোল্ডার ও প্যান্টিন শ্যাম্পু, ওলে ফেস অ্যান্ড স্কিন কেয়ার পণ্য, এরিয়াল ও টাইড ডিটারজেন্ট, মি. ক্লিন ব্র্যান্ডের ক্লিনার ও ভিক্স ব্র্যান্ডের পণ্য।

প্রথম আলো পত্রিকার আজকের শীর্ষ খবর- গণভোট নিয়ে ঐকমত্য হলেও জটিলতা কাটেনি।
এই খবরে বলা হচ্ছে, জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে গণভোট করার বিষয়ে ঐকমত্য হলেও এখনো জটিলতা কাটেনি। জাতীয় নির্বাচনের দিন একই সঙ্গে গণভোট হবে, নাকি এর আগে হবে।
এ ছাড়া যেসব প্রস্তাবে ভিন্নমত আছে, সেগুলোর বাস্তবায়ন কীভাবে হবে- সব প্রশ্নের সুরাহা এখনো হয়নি। এসব বিষয়ে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) অবস্থান ভিন্ন ভিন্ন।
বিএনপি মনে করে, জাতীয় নির্বাচনের দিন একই সঙ্গে আলাদা ব্যালটে গণভোট করা ছাড়া বিকল্প নেই। জামায়াতে ইসলামী চায় জাতীয় নির্বাচনের আগেই গণভোট হোক।
আর এনসিপি জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোটের পক্ষে। তবে গণভোটের আগে 'জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ' জারি করার দাবি জানিয়েছে দলটি।
গত রোববারের আলোচনায় দলগুলো এ অবস্থান তুলে ধরেছিল। এখনো দলগুলো নিজ নিজ অবস্থানে অনড়।
দলগুলোর এমন অবস্থানের মুখে শেষ পর্যন্ত গণভোট নিয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য কার্যকর হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
এমন পরিস্থিতিতে আগামীকাল বুধবার আবার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনায় বসবে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। এর আগে আজ মঙ্গলবার বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করবে কমিশন।

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার আজকের খবর- India calls Hasina's stay there a legal matter।
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি বলেছেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে উপস্থিতি একটি "বিচারিক ও আইনি প্রক্রিয়ার" অংশ, যা নিয়ে দুই দেশের সরকারের মধ্যে "যোগাযোগ ও আলোচনা" প্রয়োজন।
তিনি বলেন, "আমরা এই বিষয়গুলো পর্যালোচনা করছি। এ নিয়ে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার অপেক্ষায় আছি।"
তবে এর বাইরে গিয়ে কিছু বলা এই মুহূর্তে ফলপ্রসূ হবে বলে মনে করেন না বলে মন্তব্য করেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব।
বিক্রম মিশ্রি এই মন্তব্য করেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশ কূটনৈতিক সংবাদদাতা সমিতি (ডিক্যাব)-এর সদস্যদের সঙ্গে এক আলোচনায়। সেখানে তিনি শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান এবং তার ফলে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে বক্তব্য দেন।

মানবজমিন পত্রিকার আজকের প্রথম পাতার খবর- বাংলাদেশে জনগণের ভোটে যেই ক্ষমতায় আসুক তার সঙ্গে কাজ করবে ভারত।
বাংলাদেশে পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অন্তর্বর্তী সরকার ঘোষিত সময়ের মধ্যেই হওয়া উচিত বলে মনে করে ভারত। সেই নির্বাচনে জনগণের রায় নিয়ে যে ক্ষমতায় আসুক, তার সঙ্গে কাজ করবে দিল্লি।
সোমবার সকালে দিল্লির সাউথ ব্লকে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ-ডিকাব সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এ কথা জানান ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে ভারতের বিদেশ সচিব বাংলাদেশের নির্বাচন প্রসঙ্গে 'ফ্রি-ফেয়ার, পার্টিসিপেটরি ও ইনক্লুসিভ'-এই চার শব্দের ওপর বিশেষ জোর দেন।
বলেন, 'কোনোরকম বিলম্ব ছাড়াই ঘোষিত সময়ের মধ্যেই নির্বাচন হওয়া উচিত।'
উন্মুক্ত সেশনে প্রশ্নোত্তর-পর্বে ডিকাব সদস্যরা জানতে চান 'ইনক্লুসিভ ও পার্টিসিপেটরি' বলতে কি বোঝানো হচ্ছে- আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ?
জবাবে বিক্রম মিশ্রি বলেন, বাংলাদেশের জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে পার্টিসিপেটরির ফরমেটটা কী হবে। আর এমন নির্বাচন ভারত আশা করে এটা বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্য হবে।
বিক্রম বলেন, যদি কারও মনে ন্যূনতম সন্দেহ থেকে থাকে, সেজন্য আমি এ বিষয়ে খুবই স্পষ্টভাবে বলতে চাই, বাংলাদেশে অবাধ, নিরপেক্ষ, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পক্ষে ভারত এবং যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনের পক্ষে।
নির্বাচনের সময়সীমা ঘোষণা করে বাংলাদেশ সরকার যে বক্তব্য দিয়েছে, আমরা তাতে উৎসাহিত এবং আমরা প্রতীক্ষায় আছি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
End of বিবিসি বাংলার অন্যান্য খবর:

নয়াদিগন্ত পত্রিকার আজকের প্রধান খবর- বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে এবারের নির্বাচন।
অন্য দিকে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা বলেছেন, নির্বাচন অবাধ, স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য করতে হলে গণমাধ্যমের কর্মীদের নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে অবাধ সুযোগ ও তাদের নিরাপত্তা ইসিকে নিশ্চিত করতে হবে। কালো টাকার মালিক, ঋণ ও কর খেলাপিরা যাতে নির্বাচনে অংশ নিতে না পারে সে ব্যাপারে ইসিকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক অপপ্রচার, গুজব মোকাবিলা করাকেই নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা। এ সময় এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে তারা সংবাদকর্মীদের দ্রুত তথ্য সরবরাহ করার পরামর্শ দেন।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে গতকাল সোমবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সাথে আয়োজিত এক সংলাপে শুভেচ্ছা ও সমাপনী বক্তব্যে সিইসি এসব কথা বলেন।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার আজকের শীর্ষ সংবাদ- Bangladesh plans $2.2b purchase of 20 Chinese J-10 fighter jets।
এই খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের বিমান বাহিনীকে আরও আধুনিক করা এবং জাতীয় আকাশ প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করতে সরকার চীনের তৈরি ২০টি জে–১০সিই বহুমুখী যুদ্ধবিমান কেনার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
প্রস্তাবিত এ ক্রয়চুক্তির সম্ভাব্য মূল্য প্রায় ২.২০ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ২৭ হাজার ৬০ কোটি টাকা, যা ২০২৭ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
সরকারি নথি অনুযায়ী, প্রশিক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণসহ সংশ্লিষ্ট খরচ মিলিয়ে এই চুক্তি ২০২৫–২৬ ও ২০২৬–২৭ অর্থবছরের মধ্যে কার্যকর হতে পারে। ক্রয়টি সরাসরি বা সরকার-থেকে-সরকার চুক্তির মাধ্যমে সম্পন্ন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অর্থ পরিশোধের প্রক্রিয়া ১০ অর্থবছর ধরে চলবে, যা ২০৩৫–৩৬ অর্থবছর পর্যন্ত বিস্তৃত হবে।
জে–১০সিই যুদ্ধবিমানটি মূলত চীনের বিমান বাহিনীতে ব্যবহৃত জে–১০সি মডেলের রপ্তানি সংস্করণ।
সম্প্রতি এটি আন্তর্জাতিক আলোচনায় আসে, যখন বিভিন্ন প্রতিবেদন দাবি করে যে ভারত–পাকিস্তান সীমান্ত সংঘর্ষে এই বিমানটি ভারতীয় বিমান বাহিনীর ফরাসি তৈরি রাফাল যুদ্ধবিমান গুলি করে নামিয়েছিল, যদিও কোনও নিরপেক্ষ সূত্র থেকে এই তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

নিউ এজ পত্রিকার আজকের প্রধান খবর- Corruption still rampant in govt services।
সরকারি দপ্তর থেকে সেবা নিতে গিয়ে এখনো জনগণকে ভোগান্তি ও দুর্নীতির মুখে পড়তে হচ্ছে বলা হচ্ছে এই প্রতিবেদনে।
বিভিন্ন দপ্তরে সেবা পেতে অতিরিক্ত অর্থ বা ঘুষ দিতে বাধ্য হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
নোবেল বিজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছর পরও সেবা খাতে দুর্নীতি দমনে উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), পাসপোর্ট অফিস, ভূমি ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিস, এমনকি বিচার বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে সেবা নিতে এখনো অর্থ দিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান সোমবার নিউ এইজ-কে বলেন, "শুধু সরকার পরিবর্তন করলেই দুর্নীতি বন্ধ হয় না, কারণ মানুষের অভ্যাস সহজে বদলায় না।"
তিনি আরও বলেন, "নিয়ম-কানুন অব্যাহতভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে এবং যারা সেবা খাতে দুর্নীতির জন্য দায়ী, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা হচ্ছে না।"
ইফতেখারুজ্জামান বলেন, "আসলে যারা নিয়ম-শৃঙ্খলা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার দায়িত্বে আছেন, তাদের অনেকেই এই দুর্নীতির সহযোগী, সুবিধাভোগী কিংবা রক্ষাকর্তা।"

যুগান্তর পত্রিকার আজকের খবর - মেশিন দরকার ১৭০টি সরকারিভাবে আছে ১২টি- রেডিওথেরাপির করুণ দশা।
এই খবরে বলা হচ্ছে, দেশে অন্তত ৩৮ ধরনের ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছেন মানুষ। এর মধ্যে শ্বাসনালি, স্তন, মুখ, পাকস্থলী এবং জরায়ু মুখের ক্যানসারের রোগী বেশি।
তবে বর্তমানে দেশের ক্যানসার রোগী কত তার সঠিক কোনো পরিসংখ্যান সরকারি বা বেসরকারিভাবে কোথাও নেই। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্যানসার রোগীদের মধ্যে অন্তত ৮০ শতাংশের জন্য রেডিওথেরাপি চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।
কিন্তু তাদের চিকিৎসার জন্য নেই অতি প্রয়োজনীয় মেশিনটি।
প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, দেশে সরকারি হাসপাতালে মাত্র ১২টি রেডিওথেরাপি মেশিন আছে। ইন্টারন্যাশনাল এটমিক এনার্জি এজেন্সি (আইএইএ) বলছে, বাংলাদেশে রোগী অনুপাতে কমপক্ষে ১৭০টি রেডিওথেরাপি মেশিন দরকার।
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমএমইউ) দেশের কিশোরগঞ্জ জেলায় জনসংখ্যাভিত্তিক ক্যানসারের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে গবেষণা করেছিল।
ওই জেলার গবেষণাসূত্র ধরে গবেষকরা জানান, দেশে প্রতি লাখে ক্যানসারে আক্রান্তের সংখ্যা ১০৬ জন। এছাড়া প্রতি বছর প্রতি লাখে নতুন করে ক্যানসার আক্রান্ত হচ্ছেন ৫৩ জন।
গবেষণার তথ্যে আরও বলা হয়, মোট মৃত্যুর ১২ শতাংশের জন্য দায়ী ক্যানসার।








