আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
'ঢাকায় ছিনতাইয়ের ৪৩২ হটস্পট'
যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর, 'ঢাকায় ছিনতাইয়ের ৪৩২ হটস্পট'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঢাকায় ছিনতাই একটি গুরুতর সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে, যেখানে ৫০টি থানার ৪৩২টি হটস্পট চিহ্নিত হয়েছে। এসব স্থানে প্রায় ১,২০০ ছিনতাইকারী সক্রিয় রয়েছে।
তারা বাস, প্রাইভেট কার থেকে মোবাইল ফোন, গলার চেইন, কানের দুল নিয়ে পালিয়ে যায় এবং প্রকাশ্যে অস্ত্র দেখিয়ে টাকা ও মূল্যবান জিনিস লুটে নেয়।
বাধা দিলেই আক্রমণ করে, যা গুরুতর আহত বা প্রাণহানির কারণ হচ্ছে।
ছিনতাইকারীরা পেশাদার, মাদকাসক্ত ও শৌখিন তিন ধরনের হয়ে থাকে, এবং তাদের কর্মকাণ্ডে জনগণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।
অনেক জায়গায় সন্ধ্যার পর রাস্তায় লোকজন কম দেখা যায়, এবং জরুরি না হলে মানুষ রাতে ঘর থেকে বের হয় না।
যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিভিন্ন অভিযান চালাচ্ছে, অপরাধীরা তাতে থামছে না। সম্প্রতি কিছু এলাকায় ছিনতাইকারীদের ধাওয়া করে গণধোলাইয়ের ঘটনাও ঘটেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তবে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, তারা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে, তবে ছিনতাইকারীদের কার্যক্রম থামানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, 'ভোট ও দলীয় ঐক্যের কথাই উঠে এল'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিএনপির বর্ধিত সভায় প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল আগামী জাতীয় নির্বাচন ও দলীয় ঐক্য।
নেতারা ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানকে সামনে রেখে নতুন বাংলাদেশ গঠনের জন্য দলীয় ঐক্য শক্তিশালী করার উপর জোর দিয়েছেন।
তারা আগামী নির্বাচনের জন্য দলের প্রস্তুতি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। কিছু নেতা দলীয় মনোনয়ন নিয়ে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন, বিশেষ করে 'হাইব্রিড' নেতাদের ব্যাপারে।
সভায় জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করা হয়, এবং তাদের তৎপরতায় দলকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, দলের জন্য ব্যক্তির চেয়ে দলকে গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি বলেন, দেশ এখন গণতান্ত্রিক পরিবেশে ফিরেছে, তাই বিএনপিকে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত করতে হবে।
মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম জানান, দলের দীর্ঘ সংগ্রাম জনগণের জন্য গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে।
তারেক রহমান নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষ থাকার আহ্বান জানান। সভায় বিভিন্ন নেতারা বিভেদ এবং দলে অনৈক্য নিয়ে আলোচনা করেন।
সেই সাথে ঐক্য বজায় রাখার উপর গুরুত্ব দেন। তারা ভবিষ্যতে কঠিন সময়ের মোকাবিলা করার প্রস্তুতি নিতে আহ্বান জানান।
কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, 'হাইব্রিডদের প্রার্থিতা নয়'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিএনপির বর্ধিত সভায় নেতারা ভবিষ্যৎ নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করেছেন।
তারা দলের শক্তিশালী প্রার্থী বাছাই করার জন্য গোপন জরিপ করার প্রস্তাব দেন এবং 'হাইব্রিড' বা সুবিধাবাদী নেতাদের মনোনয়ন না দেওয়ার পক্ষেও অবস্থান নেন।
কিছু নেতা দলীয় নেতাদের অপকর্ম ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে বলেন।
তাদের মতে, দলকে শক্তিশালী করতে ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন এবং ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।
কিছু নেতার মতে, জামায়াতের পক্ষ থেকে দলকে নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে।
তারা মনে করেন, দলের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখতে হবে এবং কোনো ধরনের অনৈক্য বা বিভক্তি তৈরি হতে দেওয়া যাবে না।
বিভিন্ন নেতারা দলের অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা তুলে ধরেন এবং আগামী নির্বাচনে নিজেদের শক্তি পুনরুদ্ধারের পরামর্শ দেন।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সভায় ভাষণ দিয়ে বলেন, দলের শীর্ষ নেতাদের কিছু ভুল ব্যাখ্যা এবং চক্রান্তের কারণে তাদের আন্দোলনকে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে।
তবে, তিনি বলেন, দলটি একত্রিত হয়ে আগামীর জন্য প্রস্তুতি নেবে।
দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, 'From movement to mainstream politics' অর্থাৎ, 'আন্দোলন থেকে মূলধারার রাজনীতিতে'।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, প্রায় সাত মাস পর শেখ হাসিনাকে উৎখাত করার পর, জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানের সংগঠকরা আজ নিজেদের রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছেন।
তাদের নতুন দলটির নাম হবে "জাতীয় নাগরিক পার্টি" (এনসিপি), যা একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক শক্তি হয়ে উঠতে চায়।
দলটির উদ্বোধনী সমাবেশ ঢাকার মানিক মিয়া এভিনিউতে অনুষ্ঠিত হবে।
এই দলের প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে রয়েছেন নাহিদ ইসলাম, আখতার হোসেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং সারজিস আলম। তারা আগে গণতান্ত্রিক ছাত্র শক্তি ও নাগরিক কমিটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
সমাবেশে প্রায় তিন লাখ মানুষের উপস্থিতি আশা করা হচ্ছে।
এই সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, গণ-অভ্যুত্থানে নিহতের পরিবারের সদস্যরা, আহত কর্মীরা এবং বিদেশী প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কুরআন তেলাওয়াতের পর নিহতদের পরিবার থেকে বক্তৃতা করা হবে এবং গণ-অভ্যুত্থানের উপর একটি ডকুমেন্টরি প্রদর্শিত হবে।
ঢাকা ট্রিবিউনের প্রথম পাতার খবর, 'Bangladesh Democratic Students' Council announces full committee' অর্থাৎ, 'বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা'।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ তাদের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করেছে।
বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের আহ্বায়ক আবু বকর মজুমদার এই কমিটি ঘোষণা করেন।
তিনি গত বুধবারের অপ্রত্যাশিত সংঘর্ষের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। এই কমিটিতে মোট ২০৫ জন সদস্য রয়েছেন, যাদের মধ্যে আহ্বায়ক হিসেবে আবু বকর মজুমদার, সদস্য সচিব হিসেবে জাহিদ আহসান, প্রধান সংগঠক হিসেবে তাহমিদ আল মুদাসসির এবং মুখপাত্র হিসেবে আশরেফা খাতুন রয়েছেন।
কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে তৌহিদ মোহাম্মদ সিয়াম, নুরুল গনি সাগির এবং জুবায়ের হোসেনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
কমিটি গঠনের আগে, আবু বকর মজুমদার জানান যে তাদের সংগঠন কখনো 'টেল-এন্ড পলিটিক্স' করবে না, এবং নেতৃত্ব নির্বাচন হবে গণতান্ত্রিকভাবে।
কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যদের বয়সসীমা ২৮ বছর পর্যন্ত রাখা হয়েছে। তিনি গতকালের সংঘর্ষের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, তারা এ ধরনের ঘটনা আর চান না।
কমিটি গঠনের পর, কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতা তাদের পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি স্থগিত করেন।
এছাড়া, রিফাত রাশিদ, যিনি সংঘর্ষের সাথে যুক্ত ছিলেন, তার বিষয়ে একটি স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়।
নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, 'অভ্যুত্থানে নিহতরা জুলাই শহীদ'
বাসস এর বরাতে লেখা এই প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ সরকার জুলাই মাসের অভ্যুত্থানে নিহতদের "জুলাই শহীদ" এবং আহতদের "জুলাই যোদ্ধা" হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
এই শহীদদের পরিবারকে এককালীন ৩০ লাখ টাকা এবং প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা ভাতা প্রদান করা হবে।
নিহত ৮৩৪ জনের নাম গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে, এবং তাদের পরিবারগুলোর জন্য ২০২৪-২০২৫ ও ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে টাকা প্রদান করা হবে।
আহতদের মধ্যে তিন ক্যাটাগরিতে চিকিৎসা সুবিধা এবং সহায়তা দেওয়া হবে। ক্যাটাগরি এ-তে থাকা ৪৯৩ গুরুতর আহত যোদ্ধা এককালীন পাঁচ লাখ টাকা, মাসিক ২০ হাজার টাকা ভাতা এবং আজীবন চিকিৎসা সুবিধা পাবেন।
ক্যাটাগরি বি-তে থাকা ৯০৮ জন গুরুতর আহত যোদ্ধা তিন লাখ টাকা এবং মাসিক ১৫ হাজার টাকা পাবেন। ক্যাটাগরি সি-তে থাকা ১০ হাজার ৬৪৮ জন যোদ্ধা এককালীন এক লাখ টাকা এবং মাসিক ১০ হাজার টাকা পাবেন।
তাদের পুনর্বাসন এবং চিকিৎসার সুবিধাও থাকবে। এছাড়া, নিহতের পরিবারগুলোর সদস্যরা সরকারি এবং আধা-সরকারি চাকরিতে অগ্রাধিকার পাবেন।
ইত্তেফাকের প্রথম পাতার খবর, 'শরণার্থী বিষয়ক সম্মেলনে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস শরণার্থী বিষয়ক আসন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলন সম্পর্কে বলেছেন, এই সম্মেলন বিশ্বের সামনে রোহিঙ্গা সংকটকে আরো জোরালোভাবে তুলে ধরবে।
বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার প্রধান ফিলিপো গ্র্যান্ডি, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সময় তিনি এই আহ্বান জানান।
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানে সম্মেলন থেকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসবে এবং তাদের ভবিষ্যত সুরক্ষিত করতে হবে।
জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার প্রধান ফিলিপো গ্র্যান্ডি ক্যাম্পে বেড়ে ওঠা রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য শিক্ষার সুযোগ তৈরি এবং শরণার্থীদের জন্য টেকসই আশ্রয় নির্মাণের উদ্যোগের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রশংসা করেন।
বৈঠকে হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. খলিলুর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।
আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম, 'রোজার বাজারে পুরোনো দৃশ্য'
প্রতিবেদনে ঢাকার একটি বাজারে রোজার জিনিষপত্র কিনতে গিয়ে এক ক্রেতার হতাশার কথা তুলে ধরা হয়েছে।
ওই ক্রেতার অভিযোগ রোজার জন্য প্রয়োজনীয় অনেক পণ্যই বাজারে নেই, বিশেষ করে ভোজ্যতেল।
তার মতো অনেকেই রোজার জন্য বাজারে গিয়েছিলেন, কিন্তু পণ্যগুলো দাম বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি সরবরাহের অভাবেও সমস্যা হচ্ছে।
ভোজ্যতেল, চিনি, ডাল, মাছ, মাংসসহ অন্যান্য পণ্যের দাম বেড়েছে প্রায় সব জায়গায়।
গত বছরের তুলনায় চালের দাম ১৬ থেকে ১৭ শতাংশ বেড়েছে এবং অন্যান্য পণ্যও ৯ থেতে ১০ শতাংশ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
বিশেষ করে তেলের সংকট দেখা দিয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ১৯ থেকে ২০ শতাংশ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
সরবরাহ সংকটের কারণে খুচরা বিক্রেতারাও ক্ষুব্ধ, কারণ তারা ক্রেতাদের প্রশ্নের জবাব দিতে পারছেন না।
মুরগি ও গরুর মাংসের দামও বাড়তি, ব্রয়লার মুরগি ২১০ থেকে ২২০ টাকা কেজি, গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি হয়ে গেছে।
এছাড়া লেবু, বেগুন, শসার দামও বেড়েছে। বাজারে পেঁয়াজের দাম কমলেও গত এক সপ্তাহে কিছুটা বেড়েছে।
সব মিলিয়ে রোজার বাজারে দাম বাড়ানোর কারণে সাধারণ মানুষের চাপ বেড়েছে।
বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, 'ফুলবাড়ীতে ৮৩ বিলিয়ন ডলারের কয়লা'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দিনাজপুরের ফুলবাড়ী কয়লা খনিতে প্রায় ৫৭২ মিলিয়ন টন কয়লা মজুদ রয়েছে।
জ্বালানি বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, ফুলবাড়ী খনি উন্নয়নে প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায়ে এক লাখ ৮৩ হাজার কোটি টাকা হবে।
ফুলবাড়ী থেকে কয়লা উত্তোলন করা হলে দেশের কয়লা চাহিদার ৫০ শতাংশ পূরণ হতে পারে।
তবে ২০০৬ সালে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলনের বিরুদ্ধে আন্দোলন হয়েছিল, যেখানে তিনজন মারা যান এবং অনেক আহত হন।
স্থানীয়রা মনে করেন, এই পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন করলে তাদের জীবিকা, বাসস্থান এবং পরিবেশের জন্য বড় ক্ষতি হবে।
সরকারের সঙ্গে স্থানীয়দের চুক্তি ছিল যে, ফুলবাড়ী থেকে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন হবে না।
তবে জ্বালানি বিভাগ দাবি করছে, উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন করলে ৯০ শতাংশ কয়লা উত্তোলন সম্ভব এবং এটি দ্রুত শুরু করা যাবে।
এর ফলে ১৭ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হবে এবং প্রকল্পের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হবে।
এই বিষয়ে পরবর্তী সরকার সিদ্ধান্ত নিবে, তবে স্থানীয়দের ক্ষতি এবং পরিবেশের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে হবে।
সমকালের প্রথম পাতার খবর, 'স্টারলিংকের ইন্টারনেটে স্বাধীনতা নাকি নিয়ন্ত্রণ'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে স্টারলিংক স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা চালুর বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আগ্রহ রয়েছে।
স্টারলিংক চালু হলে ইন্টারনেট শাটডাউন করা কঠিন হবে, তবে সরকার এটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।
স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবার খসড়া নীতিমালায় বিটিআরসি ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর শর্তে কার্যক্রম চালানোর কথা বলা হয়েছে।
যদিও ইন্টারনেট ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলো স্টারলিংকের আগমনকে হুমকি হিসেবে দেখছে, মোবাইল অপারেটররা একে ইতিবাচকভাবে দেখছেন, কারণ এটি দুর্গম এলাকায় ইন্টারনেট সেবা পৌঁছাতে সাহায্য করবে।
স্টারলিংক ২০১৫ সালে শুরু হয়ে, বর্তমানে ৬,১৯৪টি স্যাটেলাইট পাঠিয়েছে এবং ১০০টির বেশি দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
বাংলাদেশের ইন্টারনেট গতি তুলনায় কম হলেও স্টারলিংক গড়ে ১০০ এমবিপিএস গতি প্রদান করে।
বাংলাদেশের আইএসপি প্রতিষ্ঠানগুলো উদ্বিগ্ন, কারণ স্টারলিংক বিদেশি কোম্পানি হওয়ায় টাকা বিদেশে চলে যাবে এবং তাদের ব্যবসা বাধাগ্রস্ত হবে।
এছাড়া, স্টারলিংক সেবা অনেক ব্যয়বহুল, এবং গ্রাহকদের জন্য সেটআপ খরচও অনেক বেশি, যার কারণে সাধারণ মানুষ এটি ব্যবহার করতে পারবে না।