'জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তায় প্রতি মাসে সরকারের ব্যয় প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা'

Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষায় মোট আট হাজার ৭২২ কোটি টাকা খরচ করেছে সরকার। সে অনুযায়ী প্রতি মাসে গড়ে ব্যয় হয়েছে এক হাজার ৭৪৪ কোটি টাকার বেশি। যদিও অভ্যুত্থানের পরে গত সাত মাসে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে এ বিপুল পরিমাণ খরচের বিন্দুমাত্র প্রভাব পড়েনি।

খরচ না কমলেও জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিয়ে সর্বত্রই রয়েছে নানামুখী আতঙ্ক। ঢাকা থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোয়ও এখন চুরি, ছিনতাই, ডাকাতির মতো অপরাধ বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর নগরবাসীকে চলাচল করতে হচ্ছে অত্যন্ত ভীতি নিয়ে।

অনেক জায়গায় আসামি ধরতে গিয়ে আক্রমণের শিকার হচ্ছে পুলিশও।

এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের পথে অপরাধীদের বেপরোয়া হয়ে ওঠার পাশাপাশি পুলিশের মনোবলের ঘাটতিও এখন বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন বাহিনীটির কর্মকর্তারা। আর বিশেষজ্ঞ ও পর্যবেক্ষকরা বলছেন, জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা খাতে ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করা এখন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।

কারো অধিকার কেড়ে নেওয়ার উপায় নেই, কিন্তু অন্যায়কারীর বিচার হতে হবে— এটি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।

সেই সাক্ষাৎকার থেকেই এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে দৈনিক ইত্তেফাক এবং পত্রিকাটি বিবিসি বাংলা'র পুরো প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে।

সেখানে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, "একটা পলাতক দল দেশ ছেড়ে চলে গেছে বা তাদের নেতৃত্ব চলে গেছে। তারা সর্বাত্মক চেষ্টা করছে এটাকে (দেশটাকে) আনসেটেল (অস্থিতিশীল) করার জন্য।"

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস তার নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রায় সাত মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সংস্কার ও নির্বাচন, ছাত্র নেতৃত্বের নতুন দল গঠনসহ রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে কথা বলেছেন বিবিসি বাংলার সঙ্গে। একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি কথা বলেছেন ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের অবনতির প্রশ্নেও।

এই সাক্ষাৎকারটি আজ নয়াদিগন্ত ও যুগান্তর পত্রিকারও প্রথম পাতায় এসেছে।

পুরো সাক্ষাৎকারটি বিবিসি বাংলা'র ইউটিউব পেজে দেখা যাবে...

'ত্রাণের লোভে বাংলাদেশিরাও রোহিঙ্গা!'— কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম।

এখানে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গারা যাতে বাংলাদেশের জনগোষ্ঠীর সঙ্গে মিশে না যায় এবং এ দেশের নাগরিকত্ব ও জাতীয় পরিচয়পত্র লাভ করতে না পারে, তার জন্য নানা প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার পরও অনেক রোহিঙ্গা স্থানীয় অসাধু জনপ্রতিনিধির সহায়তায় অর্থের বিনিময়ে চোরাপথে বাংলাদেশি পরিচয় পেতে তৎপর— এমন অভিযোগ অনেকদিন ধরেই রয়েছে।

কিন্তু এর বিপরীত ঘটনাও এখন ঘটেছে।

কক্সবাজারের স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের কাছে নিজ দেশের নাগরিকত্বের চেয়ে ত্রাণসামগ্রী পাওয়ার বিষয়টিই প্রাধান্য পেয়েছে। ত্রাণের লোভে তারা রোহিঙ্গাদের নাম তালিকাভুক্তির লাইনে দাঁড়িয়ে ছবিসহ আঙুলের ছাপ দিয়ে রোহিঙ্গা সেজে বসেছে।

এই অবস্থায় নিজ দেশের যাবতীয় নাগরিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তারা। রোহিঙ্গা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে পুলিশে সোপর্দ হওয়ার ঘটনাও ঘটছে।

বর্তমানে তাদের উপলব্ধি তারা ভুল করেছে। ভুল সংশোধনের জন্য তাদের অনেকেই এখন জেলা প্রশাসন ও নির্বাচন অফিসে ধরনা দিচ্ছে।

সংস্কার নিয়ে দলগুলোর সঙ্গে শিগগির আলোচনা— প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম।

এতে বলা হয়েছে, সংস্কার প্রশ্নে ঐকমত্য তৈরির লক্ষ্যে চলতি মাসের প্রথমার্ধে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাদাভাবে আলোচনা শুরু করবে 'জাতীয় ঐকমত্য কমিশন'।

এর আগে কমিশন বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কারের গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলোর বিষয়ে দলগুলোর কাছ থেকে মতামত নেবে। দলগুলোও আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ঐকমত্য কমিশন বলছে, গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলো নিয়ে তৈরি নির্দিষ্ট ছক দলগুলোর কাছে দু–এক দিনের পাঠানো হবে। দলগুলোর প্রাথমিক মতামত পাওয়ার পর শুরু হবে আলোচনা।

গত ১৫ই ফেব্রুয়ারি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে ঐকমত্য কমিশন। দলগুলোর সঙ্গে সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা করে একটি সনদ (জুলাই সনদ) তৈরি করা হবে।

এই জুলাই সনদের ভিত্তিতে হবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ঐকমত্য কমিশন সূত্র জানায়, ছয়টি সংস্কার কমিশনের সুপারিশমালা ইতিমধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে পাঠানো হয়েছে। এখন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছে ঐকমত্য কমিশন।

মশার দাপটে অসহায় জনজীবন— দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েক মাস ধরে সারা দেশে আশঙ্কাজনকভাবে মশার উৎপাত বাড়ায় আসন্ন গরমের মৌসুমে মশাবাহিত রোগের প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কা করছেন জনস্বাস্থ্যবিদরা।

সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর মশা নিধন কার্যক্রমে ঢিলেমির কারণে সামনের দিনে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে সতর্ক করছেন তারা।

মশকনিধন ও মশাবাহিত রোগ নিয়ে কাজ করে স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ।

এডিস মশার উৎপত্তিস্থল খুঁজে তা ধ্বংস করা ও এডিস মশা এবং ডেঙ্গুসংক্রান্ত জরিপে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগকে সহযোগিতা করার কাজ করে স্থানীয় সরকার বিভাগ। অন্যদিকে রোগী শনাক্ত, চিকিৎসা, সচেতনতামূলক কার্যক্রম, এডিস ও ডেঙ্গুবিষয়ক জরিপ, জিনোমিক সিকোয়েন্সিংয়ের কাজগুলো করে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ।

সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত এ দুই বিভাগের কাজে রয়েছে নানা অসংগতি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয়হীনতার কারণে মশা নির্মূলে পদক্ষেপের ঘাটতি, রোগ ও রোগী ব্যবস্থাপনার অভাব রয়েছে। সেজন্যই এখনও এডিস নির্মূলে বৈজ্ঞানিক উপায়ে কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি সরকার।

এ কেমন বাটপারি!— মানবজমিন পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। জুলাই অভ্যুত্থানে আহত-নিহতদের পরিবারগুলোকে সহায়তা করার জন্য সরকার পতনের পর গড়ে তোলা ও সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত জুলাই শহীদ ফাউন্ডেশনের বিষয়ে প্রতিবেদনটি করা হয়েছে।

এখানে বলা হয়েছে, মানবিক এই কাজের প্রতিষ্ঠান থেকেও প্রতারণা করে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে একটি চক্র। এ পর্যন্ত অনেকে এভাবে তর্থ হাতিয়ে নিয়েছে যাদের অন্তত ৫০ জন ভুয়া তথ্য দিয়ে ফাউন্ডেশন থেকে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার তথ্য মিলেছে।

যাদের শনাক্ত করে ইতোমধ্যে অর্থ ফেরত চাওয়া হয়েছে। প্রতারণার অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। যাদের ইতিমধ্যে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।

বাড়িতে মারামারি করে আহত হওয়া, স্বামী-স্ত্রীর মারামারিতে আহত হয়েও ফাউন্ডেশন থেকে সাহায্য নেয়ার পর বিষয়টি ধরা পড়েছে ফাউন্ডেশনের যাচাইয়ে।

আকাশপথে নৈরাজ্য— যুগান্তর পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, আকাশপথে টিকিটের দাম প্রতিদিন বাড়ছে। ঢাকা থেকে বিশ্বের প্রায় সব গন্তব্যে টিকিটের একই অবস্থা।

এদিকে, ডলার সংকটের কারণে নিজ দেশে টাকা নিতে না পেরে বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলো ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে ৪৫টি ফ্লাইট কমিয়েছে। এতে আসন সংখ্যা কমেছে।

যাত্রীর চাপ থাকায় ভাড়া বাড়ছে হুহু করে। এছাড়া বিমানবন্দরে এয়ার ক্রাফটের ল্যান্ডিং, পার্কিং ও নিরাপত্তা এবং গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে উচ্চ চার্জের প্রভাব পড়ছে টিকিটের ওপর।

এভিয়েশন খাতের বিশেষজ্ঞদের মতে, হঠাৎ করে টিকিটের দাম বেড়ে যাওয়ার নেপথ্যে কারসাজি আছে। উচ্চ ভ্রমণ কর, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং চার্জ, ল্যান্ডিং ও পার্কিং চার্জসহ ডলার সংকটকে দায়ী করেছেন তারা। এর সঙ্গে যোগ করেন গ্রুপ টিকিট বিক্রি নিয়ে মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত পরিপত্র। পরিকল্পিতভাবে এটা জারি করে আকাশ পথে ভাড়া নিয়ে অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

Job losses shock development workers— ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ত্রাণ সহায়তা প্রদানকারী সংস্থা ইউএসএআইডি'র বাজেট কর্তনের কারণে কতজন চাকরি হারিয়েছেন বা হারাতে পারেন, সে সম্পর্কে কোনও সরকারি তথ্য নেই। তবে খাত সংশ্লিষ্টরা অনুমান করছেন যে এই সংখ্যা ৩০ থেকে ৪০ হাজারের মধ্যে হতে পারে।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইউএসএআইডি স্বাস্থ্য, পুষ্টি, কৃষি, জীবিকা, শ্রম অধিকার, মানব পাচার প্রতিরোধ ও নানা ধরনের গণতান্ত্রিক উন্নয়নের জন্য প্রতি বছর বাংলাদেশকে ৩০০ থেকে ৪০০ মিলিয়ন ডলার আর্থিক সহায়তা প্রদান করে।

তবে গত ২০শে জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিষেকের পরপরই তিনি ইউএসএআইডি'র অর্থায়ন ও বিশ্বব্যাপী কার্যক্রম স্থগিত করার নির্দেশ দেন।

তবে জরুরি খাদ্য সহায়তা কর্মসূচিকে এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে রাখা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য যে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হতো, তা অব্যাহত আছে।

এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের এই আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার বাংলাদেশ অফিসে যেসব মার্কিন নাগরিক কর্মরত ছিলেন, তাদেরকে প্রশাসনিক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে।

এছাড়া, ট্রাম্প প্রশাসন ৯০ শতাংশেরও বেশি বৈদেশিক সাহায্য চুক্তি বাতিল করার এবং প্রায় ৬০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণে গত ২৫শে ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী ইউএসএআইডি ও এনজিওগুলির মধ্যে প্রায় ১০ হাজার চুক্তি বাতিল করা হয়েছে।

বারবার প্রতিশ্রুতি, সীমান্তে বন্ধ হচ্ছে না গুলি— সমকাল পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।

এখানে বলা হয়েছে, সীমান্তে প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ কিংবা হত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার মতো প্রতিশ্রুতি ভারতের তরফ থেকে বহুবার এলেও থামছে না সীমান্ত হত্যা। এই সীমান্ত হত্যাকাণ্ড যেন প্রতিবেশী দুই দেশের সম্পর্কে কাঁটা হয়ে বিঁধে আছে।

সীমান্তে যে গুলি বন্ধ হয়নি, এর সত্যতা মিলেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য বিশ্লেষণেও। ২০২৪ সালে সীমান্তে প্রাণ গেছে ৩০ জনের।

এর মধ্যে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতেই মারা যান ২৫ জন। আর নির্যাতনে প্রাণ নিভেছে চারজনের। এ বছরের জানুয়ারিতে মারা গেছেন দু'জন।

সর্বশেষ গত শুক্রবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক আল-আমীন নিহত হন।

সাজামুক্ত হলেন খালেদা জিয়া— দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের সাজা থেকে বিএনপির চেয়ারপারসখালেদা জিয়াকে খালাস দিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায় সর্বোচ্চ আদালতে বহাল রয়েছে।

হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও রাষ্ট্রপক্ষের করা পৃথক আপিল খারিজ করে গতকাল সোমবার আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের বেঞ্চ এ রায় দেয়।

২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ১৭ বছরে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ৩০টির বেশি মামলা হয়। তবে, সাজা হয় দুটি মামলায়।

এর মধ্যে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় ১০ বছর এবং জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় তার সাত বছর কারাদন্ডাদেশ হয়। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় গত ১৫ই জানুয়ারি আপিল শুনানির পর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ তাকে খালাস দেয়।

গতকাল জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় আপিল বিভাগের রায়ে খালাস পেলেন তিনি।

ফলে দুই মামলায় ১৭ বছরের কারাদন্ড থেকে তিনি সাজামুক্ত হলেন। একই সঙ্গে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বিচারের পর্যায়ে থাকা সব মামলায় খালাস কিংবা অব্যাহতি পেলেন তিনি।