'ইসলামী ব্যাংকগুলোকে একীভূত করে বড় দু'টি ব্যাংক গঠন করা হবে'

Published
পড়ার সময়: ৮ মিনিট

নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার খবর, 'ইসলামী ব্যাংকগুলোকে একীভূত করে বড় দু'টি ব্যাংক গঠন করা হবে : গভর্নর'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, সমস্যাযুক্ত ইসলামী ব্যাংকগুলোকে একীভূত করে দুটি বড় ইসলামী ব্যাংক গঠন করা হবে।

এই কাজের জন্য আন্তর্জাতিক মানের একটি ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, বিদায়ী সরকারের সময় ব্যাংকিং খাতের মাধ্যমে ব্যাপক অর্থপাচার হয়েছে এবং এসব টাকা ফেরত আনতে বাংলাদেশ ব্যাংক মাল্টি-এজেন্সি উদ্যোগ গ্রহণ করছে।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি হতে দেওয়া হবে না।

তিনি ব্যাংকিং খাতের শক্তিশালীকরণ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং বলেন, কিছু ব্যাংক বর্তমানে মূলধন ঘাটতির মধ্যে রয়েছে, তবে এই সমস্যাগুলো ধীরে ধীরে সমাধান করা হবে।

এছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংকগুলোর তদারকি শক্তিশালী করতে কাজ করছে এবং ব্যাংকগুলোর কার্যক্রম সঠিকভাবে মনিটর করা হবে।

তিনি আরও জানান, ডিজিটাল ব্যাংকিং লাইসেন্সের প্রক্রিয়া পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে এবং ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদ সুশাসন প্রতিষ্ঠা করলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক হস্তক্ষেপ করবে না, তবে যদি প্রয়োজন হয়, তবে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, 'ট্রান্সশিপমেন্ট বাতিল করল ভারত'। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানকে দেওয়া ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিল করেছে ভারত, যার ফলে এসব দেশের মধ্যে বাণিজ্যে কিছুটা ক্ষতি হতে পারে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভারত নিরাপত্তার কারণে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বিশেষ করে 'চিকেন নেক' পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা থাকায়।

তবে ভারত দাবি করেছে, ট্রান্সশিপমেন্ট বাতিলের ফলে বাণিজ্য ও রপ্তানিতে কোনো বড় প্রভাব পড়বে না।

বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা এই সিদ্ধান্তে তেমন উদ্বিগ্ন না হলেও, তাদের মতে শ্রীলঙ্কা এবং সিঙ্গাপুর বন্দরগুলোই প্রধান ট্রান্সশিপমেন্ট পোর্ট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

তবে ভারতের এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের জন্য কিছু চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে, বিশেষ করে নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে বাণিজ্যে।

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) অনুযায়ী, ভূমিবেষ্টিত দেশগুলোর জন্য অবাধ ট্রানজিট নিশ্চিত করতে হয়, এবং যদি ভারত এই নিয়ম ভঙ্গ করে, তাহলে বাংলাদেশ অভিযোগ জানাতে পারে।

যদিও ব্যবসায়ীরা মনে করেন, ভারতের এই সিদ্ধান্ত সাময়িক হতে পারে এবং ভবিষ্যতে সম্পর্ক উন্নতির মাধ্যমে ট্রান্সশিপমেন্ট আবার চালু হতে পারে।

সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবসায়িক প্রতিবন্ধকতা দূর করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ভারত বাংলাদেশ, নেপাল এবং ভুটানকে দেওয়া ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কারণ তাদের বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরগুলোতে পণ্য জট সৃষ্টি হচ্ছিল, যা রপ্তানি বিলম্ব এবং খরচ বাড়াচ্ছিল।

বাংলাদেশে তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি ভারতীয় ভূখণ্ড দিয়ে তৃতীয় দেশে পাঠানোর জন্য ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা ছিল, যা ভারতীয় ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

এই বাতিলের ফলে বাংলাদেশের রপ্তানিতে বিলম্ব এবং খরচ বাড়তে পারে। তবে, ভারত জানিয়েছে, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যে এর কোনো প্রভাব পড়বে না।

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) অনুযায়ী, ভূমিবেষ্টিত দেশগুলোকে অবাধ ট্রানজিট সুবিধা দিতে হবে, এবং ভারত এই নিয়ম লঙ্ঘন করলে বাংলাদেশ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে পারবে।

তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভারতীয় সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশের রপ্তানিতে কিছু প্রভাব পড়বে, তবে ব্যাপক ক্ষতি হবে না।

এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা এবং সমাধান খোঁজার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

সমকালের প্রথম পাতার খবর, 'প্রবৃদ্ধি কমে দাঁড়াবে ৩.৯% থাকবে উচ্চ মূল্যস্ফীতি'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের অর্থনীতি চলতি অর্থবছরে তিন দশমিক নয় শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে, যা দক্ষিণ এশিয়ার গড় প্রবৃদ্ধির তুলনায় কম।

পূর্বে, এডিবি চার দশমিক তিন শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছিল। এই প্রবৃদ্ধি কমার পেছনে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, শ্রমিক অসন্তোষ এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রভাব থাকতে পারে।

এডিবির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের গড় মূল্যস্ফীতি ১০ দশমিক দুই শতাংশ হতে পারে, যা সরকারি পূর্বাভাসের চেয়ে বেশি।

এডিবি আরও জানায়, উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণ হলো বাজারের তথ্যের অভাব, কম প্রতিযোগিতা এবং ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে যাওয়া।

মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে এলেও এর হার দুই অঙ্কে থাকবে। সরকারের প্রাক্কলন অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি পাঁচ দশমিক এক শতাংশ হতে পারে।

দক্ষিণ এশিয়ায় গড় প্রবৃদ্ধি ছয় শতাংশ হতে পারে, আর ভারতের প্রবৃদ্ধি ছয় দশমিক সাত শতাংশ হতে পারে।

এডিবি আরও সতর্ক করেছে, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, উচ্চ ব্যয় এবং মুদ্রানীতির কারণে দেশের অর্থনীতি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বৃদ্ধির প্রভাবও বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৯০ দিনের জন্য বিভিন্ন দেশের ওপর আরোপিত পাল্টা শুল্ক স্থগিত করেছেন।

তবে, এই সময়ে পাল্টা শুল্কের হার ১০ শতাংশ থাকবে। বিশেষত, চীনের পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়িয়ে ১২৫ শতাংশ করা হয়েছে।

ট্রাম্প জানান, এই সিদ্ধান্ত বাণিজ্য আলোচনা বাড়াতে সহায়তা করবে এবং ৭৫টির বেশি দেশ তাদের শুল্ক বিষয়ক আলোচনা শুরু করতে চেয়েছে।

ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস ধন্যবাদ জানিয়েছেন, কারণ এতে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক তিন মাসের জন্য স্থগিত হয়েছে।

তবে চীনের ওপর শুল্ক বাড়ানোর কারণে বিশ্ব বাণিজ্যে অস্থিরতা বেড়েছে।

এদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়নও পাল্টা শুল্ক আরোপের পক্ষে ভোট দিয়েছে এবং শুল্কের এই পরিবর্তন বিশ্ব বাজারে প্রভাব ফেলছে।

বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন যে, এই বাণিজ্যযুদ্ধের কারণে বিশ্বের অর্থনীতি স্থবির হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি শ্লথ হতে পারে এবং মন্দার আশঙ্কা বেড়েছে।

এতে সোনার দাম বৃদ্ধি পেতে পারে, যা বাণিজ্যিক অনিশ্চয়তার সময়ে স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া।

আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম, 'ট্রাম্পের কথায় শঙ্কা এবার ওষুধশিল্পে'। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের ওপর বড় ধরনের শুল্ক আরোপের চিন্তা করছেন, যা বাংলাদেশের মতো রপ্তানিকারক দেশগুলোর জন্য উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে ১৫৭টি দেশে রপ্তানি করে, এবং এর মধ্যে সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র। গত কয়েক বছরে বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানি যুক্তরাষ্ট্রে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

তবে, ট্রাম্প যদি ওষুধের ওপর শুল্ক আরোপ করেন, তবে তা বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর ফলে পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাবে এবং চাহিদা কমে যেতে পারে।

এছাড়া, ইউরোপ ও ভারতের পুঁজিবাজারে ওষুধ কোম্পানির শেয়ারের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

বর্তমান পরিস্থিতি ওষুধশিল্পের ভবিষ্যতের জন্য একটি শঙ্কার সৃষ্টি করেছে।

দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার খবর, 'Tariff freeze offers relief to RMG sector' মানে 'শুল্ক স্থগিতাদেশ আরএমজি খাতকে স্বস্তি দেবে'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল ৯০ দিনের জন্য শুল্ক স্থগিত করার ঘোষণা দেওয়ায় বাংলাদেশি পোশাক রপ্তানিকারকদের মধ্যে স্বস্তি এসেছে।

এই স্থগিতাদেশ বাংলাদেশের পোশাক শিল্পকে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য সময় দিচ্ছে।

বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেছেন,

"চীনের ওপর শুল্ক আরোপ হওয়ার কারণে বাংলাদেশের জন্য এটি বড় সুবিধা হতে পারে, তবে দীর্ঘমেয়াদে শিল্পের ভবিষ্যত নির্ভর করবে কিভাবে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে।"

এদিকে, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন, "আমরা আপনার বাণিজ্য পরিকল্পনার সমর্থনে কাজ করতে এগিয়ে যাব।"

তবে, শুল্ক স্থগিতের পরেও কিছু উদ্বেগ রয়েছে। ৯০ দিনের পর যদি পূর্বের শুল্ক চালু হয়, তবে বাংলাদেশি পোশাক শিল্পের জন্য তা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে, কারণ এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে ৫৩ দশমিক পাঁচ শতাংশ শুল্ক বাড়বে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীনের শুল্ক থাকার কারণে বাংলাদেশি পোশাক শিল্প ইউরোপীয় বাজারেও সমস্যায় পড়তে পারে।

এই পরিস্থিতিতে সরকারকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্রুত আলোচনা শুরু করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, 'Yunus calls for global investment in Bangladesh' বাংলাদেশে বিশ্বব্যাপী বিনিয়োগের আহ্বান ইউনূসের

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বুধবার আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী এবং বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

ঢাকার একটি হোটেলে চার দিনের বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২৫ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, "বাংলাদেশ এমন একটি দেশ যেখানে অদ্ভুত ধারণা বাস্তবায়ন করা সম্ভব।"

তিনি আরও বলেন, যদি ব্যবসার উদ্দেশ্য থাকে, তাহলে বাংলাদেশ সেরা স্থান।

ইউনূস বাংলাদেশের ৫০ বছরের অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন এবং ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের কথা স্মরণ করেন, যেখানে দেড় লাখ মানুষ মারা গিয়েছিল।

তিনি বলেন, "এটা ছিল বাংলাদেশের পরিবর্তনের সময়।" ইউনূস বলেছিলেন, দরিদ্রদের সাহায্যে পাবলিক অর্থ নয়, তাদের জন্য কাঠামো তৈরি করতে হবে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ৫০টিরও বেশি প্রতিনিধিদল এই সামিটে অংশ নেয়।

ইউনূস আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আহ্বান জানান, তারা শুধুমাত্র বাংলাদেশের জন্য নয়, বরং বিশ্বের জন্য বিনিয়োগ করতে।

বাংলাদেশের উদ্যোক্তা, বিশেষ করে গ্রামীণ ব্যাংক এবং গ্রামীণ টেলিকমের সাফল্যের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, ব্যবসা বিশ্বের পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম।

আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ চুক্তি সই হয় এবং বাংলাদেশে ১৫০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব দেওয়া হয়।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের বিমানবন্দর-গাজীপুর বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পটি এখনো সম্পূর্ণ হয়নি এবং এর জন্য প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হতে পারে।

২০১৭ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পটির কাজ প্রায় ৯৭ শতাংশ সম্পন্ন হলেও, এখনও এটি চলাচলের উপযোগী হয়নি।

এর জন্য নতুন করে কিছু উন্নয়ন এবং সংশোধন করা হচ্ছে, যার ফলে খরচ বাড়ছে।

এখন পর্যন্ত চার হাজার ২৬৮ কোটি টাকা খরচ হয়েছে এবং সংশোধনীর মাধ্যমে এর মোট ব্যয় সাত হাজার কোটি টাকা ছাড়াতে পারে। প্রকল্পটির মেয়াদ আরও চার বছর বাড়ানো হবে।

এ প্রকল্পের মধ্যে স্টেশন এবং ডিপো নির্মাণের কাজ চলছে, তবে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ এখনও নেই, যেমন বাস পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে কিছু ক্ষতি হওয়ায় ঠিকাদারদের ক্ষতিপূরণও দেওয়া হবে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অবশিষ্ট কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য বিশেষ সহকারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, বিআরটি কার্যকর করতে এ সংশোধনীর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে প্রকল্পের সুফল জনগণ পেতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে রবিনটেক্স গার্মেন্টসের শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

শ্রমিকরা ঈদের আগে ৫০ জন সহকর্মীকে ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে সোমবার থেকে কারখানায় অবস্থান নেন। বুধবার সকালে, তারা দাবি জানাতে থাকলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের কাজের জায়গায় যোগ দেয়ার কথা বলে।

এতে শ্রমিকদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয় এবং শ্রমিকরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে পানির বোতল নিক্ষেপ করে। এরপর পুলিশ ও সেনাবাহিনী তাদের ওপর লাঠিচার্জ করে।

শ্রমিকরা উত্তেজিত হয়ে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে ফেলেন। এই অবস্থায় দফায় দফায় সংঘর্ষে ৫০ জন আহত হন, যার মধ্যে সেনাবাহিনীর সদস্য এবং শ্রমিকরা রয়েছেন।

আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শ্রমিকদের দাবি ছিল, তাদের অবিলম্বে পুনঃনিয়োগ করা এবং অব্যাহতভাবে ছাঁটাই বন্ধ করা।

পুলিশ জানায়, শ্রমিকরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা চালালে সংঘর্ষ বাধে।