পত্রিকা: 'চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করতে প্রয়োজনে ডিটেনশন'

Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

এতে বলা হয়েছে, বেপরোয়া চাঁদাবাজি রুখতে প্রচলিত আইনের পাশাপাশি প্রয়োজনে ডিটেনশন আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবছে পুলিশ। চাঁদাবাজদের ভয়ে ভুক্তভোগীদের কেউ মামলা করতে ভয় পেলে, পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করবে। হাতেনাতে চাঁদার টাকা, রসিদ, অন্য আলামতসহ কাউকে আটক করা হলে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা করা হবে।

বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ বা ডিটেনশন আইন প্রয়োগ করে সরকার কোনো ব্যক্তিকে আদালতে না নিয়ে জননিরাপত্তা, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে সন্দেহভাজন হিসেবে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আটক বা বন্দি করতে পারে।

এই আইনের ৩(২) ধারা অনুযায়ী, আইনের নির্দিষ্ট ধারায় বর্ণিত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত মনে হলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কোনো ব্যক্তিকে আটক রাখার আদেশ দেবেন।

সম্প্রতি অভিনেত্রী মেঘনা আলম ছাড়াও কয়েকজনকে ডিটেনশন আইনে কারাগারে রাখা হয়।

গতকাল বিকেল ৫টার দিকে ৬৪ জেলার পুলিশ সুপার, সব রেঞ্জের ডিআইজি, মহানগর পুলিশ কমিশনারসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আইজিপি বাহারুল আলম ভার্চুয়ালি বৈঠক করেন।

সোয়া ঘণ্টার এ বৈঠকে কর্মকর্তাদের এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়।

মৃত্যু বেশি ছিল ঢাকার পাঁচ এলাকায়— দৈনিক প্রথম আলো'র প্রধান শিরোনাম।

এতে বলা হয়েছে, জুলাই গণ অভ্যুত্থানের সময় পুলিশের গুলিতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। এর মধ্যে যাত্রাবাড়ী, উত্তরা, মিরপুর, মোহাম্মদপুর ও রামপুরা—শুধু এই পাঁচ এলাকাতে নিহত হয়েছেন অন্তত ৩২৪ জন।

প্রথম আলোর হিসাব অনুযায়ী, গত বছরের ১৬ই জুলাই থেকে পাঁচই অগাস্ট পর্যন্ত মাত্র ২১ দিনে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ৪২৬ জন।

গণ অভ্যুত্থানের পুরোটা সময় ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আক্রমণাত্মক ছিলেন। নির্বিচার গুলিতে তখন যাত্রাবাড়ীতে নিহত হন ১১৭ জন, উত্তরায় ৭০ জন, মিরপুরে ৬২ জন, মোহাম্মদপুরে ৪৩ জন ও রামপুরায় ৩২ জন।

এর বাইরে বাড্ডা, ভাটারা, নিউমার্কেট, বংশালসহ রাজধানীর ২২টি এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ১০২ জনের। রাজধানীর বাইরে সাভার, চট্টগ্রাম, নরসিংদী, ফেনী ও রংপুরে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ব্যাপক মাত্রায় বলপ্রয়োগ করা হয়েছিল।

সরকারি গেজেট অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত জুলাই গণ অভ্যুত্থানে মৃত্যু হয়েছে ৮৪৪ জনের। এর মধ্যে ৮০২ জনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য সংগ্রহ করেছে প্রথম আলো।

এই ৮০২ জনের মধ্যে ৭০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে গুলিতে। অর্থাৎ ৮৮ শতাংশই মারা গেছেন গুলিতে। অধিকাংশেরই গুলি লেগেছিল বুকে, পিঠে ও মাথায়।

Half of govt pry schools across Bangladesh without head teachers বা দেশের অর্থেক প্রাথমিক স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই— নিউ এজ পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।

খবরটিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের মোট প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর প্রায় অর্ধেকই প্রধান শিক্ষকশূন্য অবস্থায় চলছে, যা শিক্ষাবিদ ও গবেষকদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

তাদের আশঙ্কা, এই পরিস্থিতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর একাডেমিক পরিবেশ ও সামগ্রিক ব্যবস্থাপনার ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে।

প্রধান শিক্ষকের অনুপস্থিতির কারণে এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীরা অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এমনকি মাদ্রাসায়ও স্থানান্তরিত হচ্ছে বলে মনে করছেন তারা।

এতে একদিকে যেমন প্রাথমিক শিক্ষার মান নষ্ট হচ্ছে, পাশাপাশি বিভিন্ন পরিকল্পনার বাস্তবায়ন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বলেও তারা পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন।

তবে এই সংকট সমাধানে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এসব শূন্যপদে দ্রুত নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

গত সোমবার বিকেলে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি নতুন প্রধান শিক্ষক নিয়োগে প্রার্থীদের প্রয়োজনীয় দক্ষতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ারও নির্দেশ দেন।

উচ্চকক্ষে অনাগ্রহী বিএনপি— দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।

এত বলা হয়েছে, বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা-সম্পন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সমন্বয়ে আইন সভায় উচ্চকক্ষের প্রবর্তনের কথা বলা আছে বিএনপির ৩১ দফায়। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংলাপে অংশ নেওয়া অন্য দলগুলোও দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদের পক্ষে।

কিন্তু জট লেগেছে উচ্চকক্ষের নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে। এ নিয়ে কমিশনে চার দিন আলোচনা করেও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য সমাধানে আসা যায়নি।

এ অবস্থায় উচ্চকক্ষ নিয়ে আলোচনা পরিত্যক্ত ঘোষণার প্রস্তাব দিয়েছে বিএনপি।

গতকাল মঙ্গলবার সংলাপ চলাকালে দুপুর ১২টার পর বিএনপির পক্ষ থেকে অনানুষ্ঠানিকভাবে উচ্চকক্ষের আলোচনা পরিত্যক্ত ঘোষণার প্রস্তাব দেওয়া হয়।

জবাবে কমিশন তাদের 'নোট অব ডিসেন্ট' দিতে বলেছে।

চ্যালেঞ্জেও রপ্তানিতে আশা— কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। খবরটিতে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে মন্দা এবং দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মাঝেই সাফল্য দেখিয়ে চলেছে রপ্তানি খাত। এই সাফল্যে ভর করেই শক্তিশালী হচ্ছে রিজার্ভ, কাটছে ডলারসংকট।

বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) সর্বশেষ পরিসংখ্যানে রপ্তানির বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের অগ্রগতির চিত্র উঠে এসেছে।

সংস্থার 'ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিস্টিক্যাল রিভিউ ২০২৪' পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ রপ্তানি করে ৪৭ দশমিক দুই বিলিয়ন বা চার হাজার ৭২০ কোটি ডলারের পণ্য।

রপ্তানি শেয়ার দাঁড়ায় দশমিক ১৯ শতাংশ। এতে বৈশ্বিক রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান একধাপ এগিয়ে হয় ৫৮তম।

২০২৩ সালে অবস্থান ছিল ৫৯তম, রপ্তানি হয় চার হাজার ৪২৩ কোটি ডলারের পণ্য।

দেশের রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে।

ডব্লিউটিও জানায়, কিছু চ্যালেঞ্জের মধ্যেই বিশ্ববাজারে পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় স্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। পরিসংখ্যান বলছে, গত বছর বাংলাদেশ ৩৮ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন বা তিন হাজার ৮৪৮ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে। আগের বছর অর্থাৎ, ২০২৩ সালে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ছিল তিন হাজার ৮৪০ কোটি ডলার।

এতে বলা হয়েছে, বদলির আদেশ প্রকাশ্যে ছিঁড়ে ফেলায় ১৪ জন কর কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছে সরকার। তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

গতকাল অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) এ সংক্রান্ত পৃথক পৃথক আদেশ জারি করেছে।

এতে সই করেছেন এনবিআর চেয়ারম্যান ও আইআরডি সচিব আবদুর রহমান খান।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, গত মাসে এনবিআরে যে আন্দোলন হয়েছে, তারা সবাই ওই আন্দোলনে সম্পৃক্ত ছিলেন। কেউ কেউ নেতৃত্বও দিয়েছেন।

আদেশ অনুসারে, গত ২২শে জুন জারি করা বদলির আদেশ অবজ্ঞাপূর্বক প্রকাশ্যে ছিঁড়ে ফেলার মাধ্যমে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করায় তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত করে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তাদের এনবিআরের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিয়ে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালে তারা বিধি মোতাবেক খোরপোশ ভাতা প্রাপ্য হবেন।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় ঐকমত্য, পরিবর্তনে লাগবে গণভোট— গতকালের ঐকমত্য কমিশনের সভা নিয়ে সংবাদ পত্রিকার এই প্রধান শিরোনাম।

কমিশনের সহ-সভাপতি আলী রীয়াজ জানিয়েছেন তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার ব্যাপারে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কোনোরকম মতভিন্নতা নেই।

তিনি বলেছেন, বিদ্যমান সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার অন্তর্ভুক্তির পর ভবিষ্যতে সংবিধানে এই সরকার ব্যবস্থা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোট লাগবে। গতকাল ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে আয়োজিত সভায় রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে এমন অভিমত এসেছে।

আগামী সপ্তাহে তত্ত্বাবধায়ক সরকারপ্রধান নিয়োগের ব্যাপারে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন আলী রীয়াজ।

আলোচনায় সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে কিছু সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া গেছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, "যদি উচ্চকক্ষ গঠিত না হয় বা উচ্চকক্ষ হওয়া পর্যন্ত সংবিধানের সংশোধনের জন্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের প্রয়োজন হবে।"

"তবে, সুনির্দিষ্ট কিছু অনুচ্ছেদ যেমন প্রস্তাবনা, রাষ্ট্রের মূলনীতি, অনুচ্ছেদ ৪৮, ৫৬, ১৪২ এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাবিষয়ক ৫৮খ, ৫৮গ, ৫৮ঘ এবং ৫৮ঙ অনুচ্ছেদের দ্বারা সংবিধানে যুক্ত হলে তা সংশোধনের ক্ষেত্রে গণভোটের প্রয়োজন হবে।"

অর্থনৈতিক আকর্ষণে বিশ্বের ১ হাজার শহরের মধ্যে ঢাকার স্থান ৪৮২— বণিক বার্তা পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হয়েছে, অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের গ্লোবাল সিটিজ ইনডেক্স ২০২৫-এ বিশ্বের ১৬০টিরও বেশি দেশের এক হাজার শহর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এর মধ্যে ঢাকাসহ অন্তর্ভুক্ত থাকা বাংলাদেশের অন্য শহরগুলো স্কোর অনুযায়ী—রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা ও বগুড়া।

তবে শুধু ঢাকা শহরকে 'ডেভেলপিং মেগাসিটিজ' ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এ ক্যাটাগরির শহর উন্নয়নশীল বিশ্বের অত্যন্ত বৃহৎ নগর অঞ্চল। যেখানে জনসংখ্যা এক কোটির বেশি। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে তাল মিলিয়ে এসব শহরে অবকাঠামোতে বিনিয়োগ প্রায়ই পিছিয়ে পড়ে এবং মাথাপিছু আয়ের হার তুলনামূলকভাবে কম। এ তালিকায় ঢাকার পাশাপাশি রয়েছে কায়রো, লাহোর, ম্যানিলা, লাগোস ও জাকার্তার মতো শহর।

নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, বাংলাদেশ একটি দুর্যোগপ্রবণ দেশ হওয়ার পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবও এখানে তীব্র। নদীভাঙন, পানির স্বল্পতা, কৃষির পরিবর্তনসহ নানা কারণেই বাস্তুচ্যুত মানুষ ঢাকায় এসে জড়ো হয়। ফলে ঢাকার বাজারে ভোক্তার সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। তাই এখানে যেকোনো ব্যবসা দিলেই কোনো রকমে টিকে থাকা যায়।

বিশ্বব্যাংকের অর্থ চায়নি সরকারই—দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।

এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের যোগাযোগ কাঠামো বদলে দেওয়া পদ্মা সেতু নিয়ে নতুন করে তদন্তে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আর তদন্তে নামতেই তথ্যের মোড় ঘুরে গেছে। তদন্তসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দেশের সবচেয়ে বড় এ সেতুতে এক সময় আওয়ামী লীগ সরকারই বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন চায়নি।

কারণ তারা মনে করেছিল, অর্থায়নের সঙ্গে খবরদারিও করবে বিশ্বব্যাংক। ঠিকাদার, পরামর্শক, নদীশাসন, অ্যাপ্রোচ রোড নির্মাণ-নানামুখী কাজে নজরদারি করলে লুটপাট সহজ হবে না।

চীন এ সেতু নির্মাণে সহযোগিতার ঘোষণা দেওয়ার পর সরকার আর পিছনে তাকায়নি। তবে বিশ্বব্যাংকের তোলা অভিযোগের তদন্ত করেছে দুদক।

কিন্তু সে তদন্ত ছিল লোকদেখানো। দুর্নীতির প্রমাণ জোগাড়ের চেষ্টাই করেননি দুদক কর্মকর্তারা।

বরং অভিযুক্তদের রক্ষার চেষ্টা করেছেন। যারা এসব কাগুজে রেকর্ডপত্র তৈরি করেছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে কাজ করছে বিধিবদ্ধ সংস্থা দুদক।

প্রাথমিক বাছাইয়ে বাদ এনসিপিসহ সব দল — দৈনিক ইত্তেফাকের দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম।

এতে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনে (ইসি) নিবন্ধন চেয়ে আবেদন করা ১৪৪টি দলের কোনোটিই প্রাথমিক বাছাইয়ে পুরোপুরি টেকেনি।

নিবন্ধন পাওয়ার জন্য যেসব শর্ত পূরণ করতে হয়, কোনো দলই তা পূরণ করেনি। এর মধ্যে গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্র নেতাদের রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ডেসটিনি খ্যাত মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের বাংলাদেশ আম জনগণ পার্টিও রয়েছে।

সব দলকেই ১৫ দিন সময় দিয়ে ঘাটতি পূরণের চিঠি দিতে শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ গতকাল সাংবাদিকদের বলেন, নিবন্ধন দেওয়ার জন্য আইন অনুযায়ী যেসব শর্ত পূরণের তথ্য দিতে হয়, সব দলেরই সেই সব তথ্যের ঘাটতি রয়েছে। সেই তথ্য জমা দিতে সব দলকেই ১৫ দিন সময় দিয়ে চিঠি দেওয়া হচ্ছে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ধাপে জমা দেওয়া ৬২টি রাজনৈতিক দলকে গতকাল চিঠি দেওয়া হয়েছে। শেষ ধাপে জমা দেওয়া এনসিপিসহ ৮২টি দলকে আজ থেকে চিঠি দেওয়া হবে।