'বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রে ক্যাপাসিটি চার্জ ১৪ বছরে ১ লাখ কোটি টাকার বেশি'

পত্রিকা
Published

বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যাপাসিটি চার্জ নিয়ে দৈনিক সংবাদের প্রধান শিরোনাম, "বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে ১ লাখ কোটি টাকার বেশি ক্যাপাসিটি চার্জ চৌদ্দ বছরে"।

টানা তিন মেয়াদে ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ সরকার গত ১৪ বছরে ৮২টি বেসরকারি এবং ৩২টি রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ক্যাপাসিটি চার্জ বাবদ মোট এক লাখ চার হাজার ৯২৬ কোটি ৮১ লাখ টাকা পরিশোধ করেছে বলে সংসদকে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

যেহেতু বিদ্যুৎ বিক্রি করেই কেন্দ্রগুলো লাভ করে তাই উৎপাদন বন্ধ রাখলেও তাদের একটি চার্জ (টাকা) পিডিবিকে দিতে হয়, যা চুক্তির সময় নির্ধারণ করা থাকে। বসিয়ে রেখে দেয়া এই চার্জই হলো ক্যাপাসিটি চার্জ।

পিডিবি'র দাবি, প্রতিষ্ঠানটি হিসেব করে যখন দেখে ডিজেল দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন না করে ক্যাপাসিটি চার্জ দেয়া অধিক সাশ্রয়ী তখনই ব্যয়বহুল বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়।

একই বিষয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, “Burden of capacity charges heavier than thought” অর্থাৎ “ক্যাপাসিটির বোঝা চিন্তার চাইতেও ভারী”। প্রতিবেদনে বেশ কয়েকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদাহরণ টেনে নেয়া হয় যেগুলো গত কয়েক বছরে এক ওয়াট বিদ্যুতও উৎপাদন করেনি।

কিংবা খুবই নগন্য পরিমাণ উৎপাদন করেছে। তবুও এসব বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পরিচালনা এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য "ফিক্সড কস্ট" হিসাবে শত কোটি টাকা খরচ করতে হচ্ছে সরকারকে।

গত বছরের হিসাবে, দেশে কমপক্ষে ১৫১টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র ছিল – এরমধ্যে ৬৩টি সরকারি এবং ৮৮টি বেসরকারি।

এরমধ্যে ডেইলি স্টার ৪২টি সরকারি ও ২৬টি বেসরকারি মিলিয়ে মোট ৬৮টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের হিসাব দেয়।

সে হিসেবে পাঁচ অর্থবছরে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোকে ২৯,১৪৬ কোটি টাকা ক্যাপাসিটি পেমেন্ট দেওয়া হয়েছে।

এক্ষেত্রে অবিলম্বে কম দক্ষতা সম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলি বন্ধ করার তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

ডেইলি স্টার
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, “Prices of essentials rise by 34-219pc in 3 years” যার অর্থ, “তিন বছরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ৩৪-২১৯ শতাংশ বেড়েছে”।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আটা, ভোজ্যতেল, লাল মসুর ডাল, পেঁয়াজ, রসুন, চিনি ও ডিমসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম গত তিন বছরে ৩৮ থেকে ২১৯ শতাংশ বেড়েছে, যার ফলে নিম্ন ও নিম্ন-মধ্য আয়ের মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

২০২২ সালের জুলাই থেকে ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী খাদ্যের মূল্য সূচকে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেলেও এই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে খাদ্যের দাম বেড়েই চলেছে।

বাজার বিশ্লেষকরা এর পেছনে মূল্যস্ফীতি রোধে সরকারি তদারকির অনুপস্থিতি, এবং ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের দায়ী করেছেন।

আয়ের প্রবৃদ্ধি মূল্যস্ফীতির নিচে থাকায় গত কয়েক বছর ধরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অনিয়ন্ত্রিত মূল্যবৃদ্ধির কারণে দেশের স্থির আয়ের মানুষ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.৬৯ শতাংশ এবং মজুরি বৃদ্ধির হার ৭.৫২ শতাংশ।

একই বিষয়ে সমকালের প্রধান শিরোনাম, “রেকর্ড উৎপাদনেও আলুর রেকর্ড দাম”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশে এবার রেকর্ড ভেঙেছে আলুর উৎপাদন। হিমাগারেও আছে ভরপুর মজুত। তবু বাজারে রেকর্ড দরে বেচাকেনা হচ্ছে আলু।

এরপরও ঢাকার পাড়া-মহল্লায় এক কেজি আলু কিনতে ক্রেতাকে গুনতে হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। যা গত মাসেও ছিল ৩২ টাকা কেজি।

এ পরিস্থিতিতে গতকাল মঙ্গলবার থেকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর দেশের হিমাগারে কত আলু মজুত আছে, সে তথ্য সংগ্রহে নেমেছে।

আলুর দাম বাড়ানোর পেছনে মধ্যস্বত্বভোগী ও হিমাগারের মালিকদের হাত রয়েছে বলে মনে করেন ভোক্তা-সংশ্লিষ্টরা।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের হিসাবে প্রতি কেজি আলুর উৎপাদন খরচ সাড়ে ১০ টাকা। কৃষক পর্যায়ে প্রতি কেজির দাম হতে পারে ১৫ টাকার মতো, যা খুচরা বাজারে সর্বোচ্চ ৩২ টাকা হতে পারে। অথচ হিমাগার থেকে এখন আলু বিক্রি হচ্ছে ৩৪ থেকে ৩৫ টাকায়, যার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে।

তবে হিমাগারে মজুত আলু ও উৎপাদনের তথ্য যাচাই করলেই দাম এক সপ্তাহের মধ্যে নাগালে চলে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, বছরে আলুর চাহিদা রয়েছে প্রায় ৯০ লাখ টন। তবে এ মৌসুমে ফলন আগের বছরের চেয়ে বেশি হয়েছে। চাহিদার বিপরীতে প্রায় ২২ লাখ টন বেশি উৎপাদন হয়েছে। এছাড়া ৩৬৫ হিমাগারে প্রায় ২৫ লাখ টন আলু সংরক্ষণ করা হয়েছে।

প্রথম আলো

জন প্রশাসন নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, “ভোটের আগে ‘খুশি রাখতে’ পদোন্নতি”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিপুল সংখ্যক সরকারি কর্মকর্তাকে পদ না থাকা সত্ত্বেও পদোন্নতি দিয়া হয়েছে।

জন প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ‘খুশি রাখতে’ সরকার এমন পদক্ষেপ নিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তবে পদ যেহেতু নেই, তারা নামমাত্র পদবি নিয়ে আগের পদেই কাজ করবেন অথবা বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হয়ে থাকতে হবে।

আগের দুই জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেও একই চিত্র দেখা গিয়েছিল।

সবশেষ সোমবার রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে ২২১ জন কর্মকর্তাকে উপসচিব থেকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে।

এর আগে গত মে মাসে ১১৪ জনকে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছিল। আগাী মাসে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ২৯তম ব্যাচকে পদোন্নতি দেয়ারও সম্ভাবনা আছে।

নির্বাচনের আগে বিএনপির কর্মসূচিকে ঘিরে কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, “আদালতকেন্দ্রিক কর্মসূচিতে যাচ্ছে বিএনপি”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সরকারবিরোধী আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসে আদালতকেন্দ্রিক কর্মসূচিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি।

বিএনপির নীতিনির্ধারকরা বলছেন, সরকার আদালতকে ব্যবহার করে বিরোধী দলের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন চালাচ্ছে। এ কারণে তারা আদালতের বিভিন্ন রায়ের প্রতিবাদে সমাবেশ, সেমিনার এবং আদালত প্রাঙ্গণে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির ভার্চুয়াল বৈঠকে নেতারা জানান, সরকার এত দিন পুলিশকে ব্যবহার করে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে।

সেই মামলায় সাজা দিতে এখন আদালতকে ব্যবহার করছে। তাঁরা মনে করেন, এর প্রতিবাদ জানাতে কর্মসূচি দেওয়ার এখনই উপযুক্ত সময়।

বৈঠকে আদালতের রায়ের প্রতিবাদে সপ্তাহখানেকের মধ্যে ঢাকায় একটি সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেই সমাবেশ থেকে আদালতের বিরুদ্ধে ন্যায়বিচার না পাওয়ার অভিযোগ তুলে কিছু সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরা হবে।

নয়া দিগন্ত

শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ঘিরে নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, “ড. ইউনূসকে মামলায় ফাঁসাতে জালিয়াতির অভিযোগ”।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ড. ইউনূসকে মিথ্যাভাবে ফাঁসানোর জন্য কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদফতরের নিজস্ব চেক লিস্ট জালিয়াতি করার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিদর্শক, মামলার বাদিসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করাসহ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আদালতে আবেদন করেছেন ড. ইউনূসের আইনজীবী।

মঙ্গলবার ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের বিচারক বেগম শেখ মেরিনা সুলতানার আদালতে মামলার বাদি কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদফতরের পরিদর্শক তরিকুল ইসলামকে জেরা করার সময় ড. ইউনূসের আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন মৌখিকভাবে এ আবেদন করেন।

তবে আদালত এ বিষয়ে লিখিত আবেদন করার কথা বলেন। এ সময় ড. ইউনূসের আইনজীবী লিখিত আবেদন করার জন্য সময় আবেদন করেন। পরে আদালত আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর এ মামলার পরবর্তী জেরার দিন ধার্য করেন।

এদিক প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম, “ভারতে ‘জিততে চান’ প্রধানমন্ত্রী”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জি-২০ সম্মেলনে যোগ দিতে শুক্রবার ভারত সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওইদিন সন্ধ্যায় তার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র বলছে, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে যেকোনো অবস্থায় প্রতিবেশী ভারতকে পাশে চায় সরকার।

জাতীয় নির্বাচনের আগে বিদেশিদের, বিশেষ করে পরাশক্তিগুলোর রাজনীতির ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোর ‘নজিরবিহীন’ তৎপরতার কারণে সরকারও চাপে আছে। এরমধ্যে এই সফরকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায় থেকে দাবি করা হয়, এ সফর নিয়ে দেশের রাজনীতিতে গত দুই মাস ধরেই আলোচনা চলছে। এ ছাড়া রাজনীতিতে আলোচনা আছে যে, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের পরই রাজনীতি ও ক্ষমতার অনেক কিছু স্পষ্ট হবে।

মানবজমিন

মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম, “নেমপ্লেট খুলে ফেলা হয়েছে: বরখাস্ত হচ্ছেন ডিএজি এমরান”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিপক্ষে বিবৃতিতে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতির কথা গণমাধ্যমে জানানোর ঘটনায় বরখাস্ত হচ্ছেন সরকারের আইন কর্মকর্তা ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) এমরান আহম্মদ ভূঁইয়া।

ইতিমধ্যে তার বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ এনে বরখাস্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও গতকাল এমরান আহম্মদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার ইঙ্গিত দেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় থেকে গতকাল দুপুরে ডিএজি এমরান আহম্মদ ভূঁইয়ার নাম সংবলিত নেমপ্লেট খুলে ফেলা হয়েছে।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এসএম ফজলুল হক ডিএজি এমরান আহম্মদের নেমপ্লেট খুলে ফেলেন। নেমপ্লেট খুলে ফেলার কারণ প্রসঙ্গে ফজলুল হক সাংবাদিকদের বলেন, এমরান আহম্মদ ভূঁইয়া রাষ্ট্রের একজন আইন কর্মকর্তা হয়ে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে, প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন।

কালের কণ্ঠ

অন্যান্য খবর

রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফরকে ঘিরে কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার খবর, “নতুন বাস্তবতায় বাংলাদেশকে পাশে চায় রাশিয়া”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মতো সফরে আসছেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ।

রাশিয়ার সাথে বাংলাদেশের জোরালো সম্পর্ক সত্ত্বেও গত ৫২ বছরে রাশিয়ার কোনো পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ সফর করেননি। বাংলাদেশ সফরের আগে লাভরভ ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় পূর্ব এশিয়া সম্মেলনে অংশ নেবেন।

ঢাকায় রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টারও কম সময় অবস্থান করবেন। ঢাকায় একটি হোটেলে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৈঠক করবেন। সেই বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কসহ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

সামরিক খাতে সহযোগিতায় চারটিসহ ২০টি চুক্তি ও সমঝোতার বিষয়ে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনা চলছে। তবে এবারের সফরে চুক্তি ও সমঝোতা স্বাক্ষরের সম্ভাবনা কম।

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফরে ইউক্রেনসহ বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে দেশটি তার অবস্থান তুলে ধরে বাংলাদেশের সমর্থন চাইবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মানবজমিনের প্রথম পাতার খবর, “নির্বাচন নিয়ে পররাষ্ট্র সচিবের কাছে জানতে চাইলেন মার্কিন কর্মকর্তা”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা জানতে চেয়েছেন সফররত মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের রাজনৈতিক সামরিক বিষয়ক বিভাগের ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মিরা রেজনিক।

পাশাপাশি তিনি সামগ্রিক নিরাপত্তার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি সম্পর্কেও জানতে চেয়েছেন। মঙ্গলবার বিকালে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এসব বিষয়ে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে জানতে চান।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মাসুদ বিন মোমেন বলেন, নির্বাচনের ব্যাপারে তারা (যুক্তরাষ্ট্র) জানতে চেয়েছেন, আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। আমরা বলেছি যে, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে আমরা বদ্ধপরিকর। নির্বাচন কমিশনের সক্ষমতা বাড়াতে সহযোগিতার প্রয়োজন হলে তারা তা দিতেও রাজি আছেন।

দেশ রূপান্তর

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার খবর, “Rohingya Repatriation: Likely to start in a few months”। অর্থাৎ “রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: কয়েক মাসের মধ্যেই শুরু হতে পারে”

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, রোহিঙ্গাদের প্রথম ব্যাচের প্রত্যাবাসন কয়েক মাসের মধ্যে শুরু হতে পারে এবং তারপর থেকে প্রতিদিন ১০০ রোহিঙ্গাকে তাদের নিজ দেশে পাঠানো হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

মিয়ানমার নিশ্চিত করেছে যে তারা বাংলাদেশে শরণার্থী শিবিরে বসবাসকারী ২০৮৭ জন জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকের পরিচয় যাচাই করেছে।

মিয়ানমারের একটি প্রতিনিধি দল শরণার্থী শিবির পরিদর্শনের পর এবং বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দলের রাখাইন রাজ্যে এই মাসে বা আগামী মাসের শুরুতে সফরের পর প্রথম ব্যাচের প্রত্যাবাসন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

সোমবার নেপিদোতে প্রথম ব্যাচের প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সাইবার নিরাপত্তা বিল নিয়ে নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার খবর, “সাইবার নিরাপত্তা আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি ১৪ বছরের জেল বা এক কোটি টাকা”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বহুল আলোচিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮-এর পরিবর্তে সাইবার নিরাপত্তা বিল, ২০২৩ জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে।

এই বিলে চারটি অজামিনযোগ্য ধারা রাখা হয়েছে। এই আইনের অধীনে সংঘটিত অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি ১৪ বছরের কারাদণ্ড বা এক কোটি টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে বিধান রাখা হয়েছে। বিলটি উত্থাপনের শুরুতেই জাতীয় পার্টির সদস্য ফখরুল ইমাম আপত্তি জানিয়ে বলেন, অংশীজনরা এই বিলের বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে। ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনের সাথে প্রস্তাবিত আইনের মৌলিক কোনো পার্থক্য নেই।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, প্রস্তাবিত আইনকে টিআইবি কালো আইন হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। নেকেই এই খসড়া আইনকে নিবর্তনমূলক বলে মনে করছেন।

জবাবে প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ডিজিটাল সেবা বৃদ্ধির পাশাপাশি সাইবার জগতে ঝুঁকিও বাড়ছে। তথ্য ও উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য এই আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।