‘নিরাপত্তা বাহিনীর সরাসরি গুলিতে উদ্বেগ জাতিসংঘের’

পত্রিকা
Published
পড়ার সময়: ৮ মিনিট

নিরাপত্তাবাহিনীর গুলি চালানো প্রসঙ্গে নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, ‘নিরাপত্তা বাহিনীর সরাসরি গুলিতে উদ্বেগ জাতিসঙ্ঘের’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনায় নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনীর সরাসরি গুলি ব্যবহারের ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বিগ্ন প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। এক বিবৃতির মাধ্যমে তারা এই উদ্বেগ প্রকাশ করে।

একইভাবে ঢাকায় ও নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে সরাসরি এই উদ্বেগের কথা জানিয়ে দেয়া হয়েছে।

জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্কে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে অংশ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,

“বাংলাদেশে যা ঘটছে, যে গণগ্রেফতার ও হত্যাকাণ্ড হয়েছে, তা আমরা দেখেছি। সব সহিংস কর্মকাণ্ডের তদন্ত স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে হওয়া উচিত। এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টি করা উচিত, যা হবে সংলাপের উপযোগী।”

এদিকে বিক্ষোভকারীদের ওপর ক্র্যাকডাউনের বিস্তারিত তথ্য জরুরি ভিত্তিতে প্রকাশ করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান ভলকার তুর্ক।

বিবৃতিতে বলা হয়, সাংবাদিক ও গণমাধ্যমসহ সব মানুষকে মুক্তভাবে যোগাযোগের জন্য আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী সরকারকে অবশ্যই অবিলম্বে পূর্ণ ইন্টারনেট সুবিধা পুনর্বহাল করতে হবে।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতি ও মান নিশ্চিত করতে হবে বল বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর উদ্বেগ প্রসঙ্গে বণিক বার্তার প্রথম পাতার খবর “জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার: নিহতদের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করুন

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে কয়েক দিন ধরে চলা সংঘর্ষে নিহত, আহত ও আটকদের বিস্তারিত তথ্য জরুরিভাবে প্রকাশ করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক।

একই সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সব অভিযান যেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বিষয়ক রীতিনীতি ও মানদণ্ড মেনে হয়, তা নিশ্চিত করারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়েছে।

ভলকার টুর্ক বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকারকে জরুরি ভিত্তিতে গত এক সপ্তাহজুড়ে চলা ঘটনার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে হবে।

আমাদের কাছে থাকা সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী ১৭০ জন নিহত ও এক হাজারের বেশি আহত হয়েছেন। আরো অনেকেই চিকিৎসা পাননি।

বহু মানুষ সরকারের নীতিবিরোধী শিক্ষার্থী ও তরুণদের এ আন্দোলনের সময় নিখোঁজ হয়েছেন। কমপক্ষে দুজন সাংবাদিক নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীসহ ১০০ জনের বেশি আটক হয়েছেন। বহু মানুষ সরকার সমর্থকদের হামলার শিকার হয়েছেন, কিন্তু তাদের রক্ষার জন্য কোনো ধরনের চেষ্টা করা হয়নি।

পত্রিকা

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে সংঘাত সহিংসতার চিত্র নিয়ে সমকালের প্রধান শিরোনাম, 'হাসপাতালে কয়েক হাজার আহত, অধিকাংশ গুলিবিদ্ধ'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গত ১৮ থেকে ২১শে জুলাই চার দিনে সংঘর্ষে হতাহত কয়েক হাজার ব্যক্তিকে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে নেয়া হয়েছিল।

তাদের মধ্যে নারী, পুরুষ, শিশুসহ সব বয়সী মানুষ ছিলেন। অধিকাংশই ছিলেন গুলিবিদ্ধ। ছররা এবং বুলেট দু্ই ধরণের গুলিই ছিল আহতদের শরীরে।

নিহতদের বড় অংশই ছিলেন বুলেটবিদ্ধ। ১৯ থেকে ২০শে জুলাই চিকিৎসা নিতে আসা বেশিরভাগই ছিলেন বুলেট বিদ্ধ।

বৃহস্পতিবার (২৫শে জুলাই) পর্যন্ত হাজারেরও বেশি আহত ব্যক্তি চিকিৎসাধীন ছিলেন ঢাকার বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি হাসপাতালে।

ঢাকার যাত্রাবাড়ি-শনির আখড়া, উত্তরা-আবদুল্লাহপুর, রামপুরা-বাড্ডা এবং মোহাম্মদপুর-বসিলা এলাকার আশেপাশের হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে জানা গিয়েছে ১৮ থেকে ২০শে জুলাই প্রায় চার হাজার ব্যক্তি চিকিৎসা নিয়েছেন।

এদিকে ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিহতের লাশ দাফন করা হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

পত্রিকা

আহতদের দুর্বিসহ পরিস্থিতি নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, ‘Trauma, pain etched on their faces’ অর্থাৎ ‘আঘাত, যন্ত্রণার ছাপ তাদের মুখে’

প্রতিবেদনটি শুরু করা হয়েছে আহত কয়েক জনের গুলিবিদ্ধ হওয়ার অভিজ্ঞতা দিয়ে। যেখানে এক দশম শ্রেণীর স্কুল ছাত্র রামপুরায় কী হচ্ছে তা দেখতে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হন।

তার দুটি অস্ত্রোপচার হয়েছে। তার পা হাঁটু থেকে কেটে ফেলা হয়েছে। জীবন বদলে দেওয়ার ঘটনা মনে করে বার বার ডুকরে কেঁদে উঠছিল সেই কিশোর।

একইভাবে পা কাটা পড়েছে স্নাতক চতুর্থ বর্ষের এক ছাত্রের। এভাবে গুলিবিদ্ধ হয়ে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ হারিয়েছেন এমন আটজনের কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে ছয়জন পা হারিয়েছেন এবং দুইজন হাত হারিয়েছেন।

চিকিৎসকরা আশঙ্কা করছেন, সহিংসতায় আহত অবস্থায় আসা চিকিৎসাধীন বেশ কয়েকজন রোগীর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ তারা বাঁচাতে পারবেন না।

এরমধ্যে ৩০ বছর বয়সী এক ট্রাকচালক রয়েছেন। তার ভাষ্যমতে, সংঘর্ষের মাঝখানে কিছু লোক তাকে ধরে ছুরি দিয়ে আক্রমণ করে। তার ডান হাতে আঘাত অনেক গভীর হওয়ায় তার ডান হাত কেটে ফেলা হতে পারে।

এভাবে রোগী ও স্বজনদের কান্নায় হাসপাতালের বাতাস ভারি হয়ে আছে। কেউ কেউ নির্দিষ্ট ধরনের রক্ত খুঁজছেন। অনেকেই বলেছেন যে তাদের টাকা ফুরিয়ে গেছে।

পত্রিকা
পত্রিকা

অব্যাহত গ্রেফতার অভিযান নিয়ে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘সারা দেশে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানের ৫ দিন: গ্রেফতার পাঁচ সহস্রাধিক’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে যারা নাশকতা চালিয়েছে তাদের গ্রেফতারে সারা দেশে চলছে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান। গত পাঁচ দিনে তিন শতাধিক মামলায় পাঁচ সহস্রাধিক আসামি গ্রেফতার হয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব শহীদুদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থসহ বেশ কয়েকজন নেতাকে আটক করা হয়।

সবচেয়ে বেশি মামলা ও গ্রেফতার হয়েছে ঢাকা মহানগর এলাকায়। এখানে নাশকতার অভিযোগে ২০১টি মামলায় দুই হাজার ২০৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরও কিছু মামলা দায়ের হওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ভিডিও ফুটেজ ও স্টিল ছবি দেখে নাশকতাকারীদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। যেসব স্পটে নাশকতা হয়েছে সেসব স্থানের ছবি এবং ভিডিও ফুটেজ এখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে। গোয়েন্দা সংস্থাসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার বিভিন্ন ইউনিট এগুলো বিশ্লেষণ করছে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেছেন, কারা হামলা চালিয়েছে, তা আমরা জানি। সে অনুযায়ী আমরা নাশকতাকারীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনছি।

তিনি বলেন, সহিংসতার সময় পুলিশ ও ছাত্রলীগ কর্মীদের মারলে বিভিন্ন অঙ্কে অর্থ দেওয়ার ঘোষণা ছিল। পুলিশ মারলে ১০ হাজার এবং ছাত্রলীগ মারলে পাঁচ হাজার টাকা দেওয়া হবে। টাকার বিনিময়ে টোকাই ও ছিন্নমূল শ্রেণির লোকদের আন্দোলনে ঢুকিয়ে দেয়া হয়।

পত্রিকা

গ্রেফতার প্রসঙ্গে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, ‘আরও পাঁচ মামলায় শিক্ষার্থীরা আসামি’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, কোটা সংস্কার আন্দোলনের বিভিন্ন কর্মসূচিকে ঘিরে আরও পাঁচটি মামলায় শিক্ষার্থীদের আসামি করা হয়েছে।

এর মধ্যে সুনির্দিষ্টভাবে ঢাকার শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করেছে পুলিশ।

আরেকটি মামলায় আসামিদের তালিকায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ শিক্ষার্থীর নাম এবং তাঁরা কে কোন বিভাগে পড়েন, সেটি উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া পুলিশকে মারধর ও জখম করা এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে রাজধানীর রূপনগর থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিইউবিটির (বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি) অজ্ঞাতনামা শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে।

দুটি মামলায় অজ্ঞাতনামা শিক্ষার্থীসহ এক হাজার থেকে দেড় হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলার বাদী পুলিশ। অন্য মামলার বাদী নিজেকে যুবলীগের সদস্য বলে পরিচয় দিয়েছেন।

এর বাইরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অজ্ঞাতনামা ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে ঢাকার আশুলিয়া থানায় আরেকটি মামলা হয়েছে। এ মামলার বাদী পুলিশ।

এই পাঁচটি মামলার বাইরে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন কর্মসূচিকে ঘিরে রাজধানীর শাহবাগ থানায় আরো ১১টি মামলা হয়েছে।

এর মধ্যে নয়টি মামলার বাদী পুলিশ এবং দুটি মামলার বাদী ছাত্রলীগের দুই নেতা।

পত্রিকা

গ্রেফতার আতঙ্ক নিয়ে নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, ‘Opposition people on run amid police crackdown in Bangladesh’ অর্থাৎ, ‘বাংলাদেশে পুলিশের অভিযানে বিরোধীরা পালিয়ে বেড়াচ্ছে’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক বিক্ষোভ সহিংসতার জেরে পুলিশ যে গণহারে গ্রেফতার অভিযান নেমেছে, এতে বিএনপিসহ অন্যান্য সমমনা দলগুলোর নেতা-কর্মীরা গ্রেফতার আতঙ্কে রয়েছেন।

গত পাঁচ দিনে পুলিশ বিএনপি নেতাকর্মীদের ৫০০ বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে। এ সময় বিএনপির ৭০ জনেরও বেশি লোককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিস্ফোরক আইনে ১৩ জন নামধারী ও অজ্ঞাত ৬০ থেকে ৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়।

এদিকে বিএনপির দাবি গত পাঁচ দিনে অন্তত পাঁচ হাজার বিএনপি নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বিএনপি সমর্থকদের দোকানপাট ও অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলতে দেওয়া হয়নি।

গ্রেফতার এড়াতে বিএনপির বেশির ভাগ নেতাকর্মী রাতে বাড়িতে অবস্থান করছেন না, অন্যদিকে দলীয় নেতাকর্মীদের খুঁজে না পেলে পুলিশ তাদের পরিবারের সদস্যদেরও তুলে নিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ দলের লোকজনের।

ছাত্র বিক্ষোভের সময় ঢাকা ও অন্যান্য স্থানে সরকারি প্রতিষ্ঠানে সহিংসতা ও হামলার জন্য সরকার বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীকে দায়ী করার পর এই দমন অভিযান শুরু হয়।

বিভিন্ন জেলার বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেছেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতাদের নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বাড়িঘরে অভিযান চালাচ্ছে।

এ অবস্থায় অনেক নেতাকর্মী তাদের অবস্থান আড়াল করতে মোবাইল ফোন বন্ধ করে দিয়েছেন। অনেকে পালিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

পত্রিকা

ব্যাংকিং খাতের বিপর্যয় নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, ‘বিপুল অংকের নগদ টাকা মানুষের হাতে ব্যাংক চলছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ধারে’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের ব্যাংক খাতে নগদ টাকার চাহিদা আরো তীব্র হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে নতুন টাকা ছাপানো অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য মতে, গত ২০শে জুন দেশে ইস্যুকৃত নোটের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩ লাখ ২৭ হাজার ৫৬৩ কোটি টাকায়।

দেশে এর আগে কখনো এত পরিমাণে ইস্যুকৃত নোট দেখা যায়নি। ইস্যুকৃত নোটের ৯৫ শতাংশই ব্যাংক খাতের বাইরে চলে গেছে।

বর্তমানে কোনো উপলক্ষ ছাড়াই মানুষের মধ্যে নগদ অর্থ ধরে রাখার প্রবণতা বেড়েছে। কারণ ব্যাংকের প্রতি গ্রাহকদের আস্থার ঘাটতি আরো তীব্র হয়েছে।

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গত সপ্তাহজুড়ে দেশে সংঘাত-সংঘর্ষের জেরে টানা পাঁচদিন বন্ধ ছিল ব্যাংকসহ অর্থ লেনদেনের আনুষ্ঠানিক প্রায় সব মাধ্যম।

বুধবার গ্রাহকদের নগদ টাকার চাহিদা পূরণ করার সামর্থ্য দেশের অনেক ব্যাংকেরই ছিল না। এজন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এত পরিমাণ অর্থ ধার করতে হয়েছে।

পত্রিকা

নাশকতা নিয়ে গোয়েন্দা তথ্য প্রসঙ্গে কালের কন্ঠের প্রধান শিরোনাম, ‘নেপথ্যে জামায়াত-বিএনপির শীর্ষ ৫০ নেতা’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে নাশকতার পরিকল্পনাকারীদের মধ্যে জামায়াত-বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের অর্ধশতাধিক নেতার নাম পেয়েছেন গোয়েন্দারা।

তারা ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হামলার পরিকল্পনা করেন। তাদের মূল লক্ষ্যবস্তু ছিল রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। বিশেষ তালিকায় ছিল ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার, ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) তদন্তের এ পর্যায়ে জানতে পেরেছে, এসব হামলা, নাশকতা ও সহিংসতার নেপথ্যে ছিলেন জামায়াত-শিবিরের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা।

ডিবি সূত্র বলছে, নাশকতার আগে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন জামায়াত-বিএনপি ও ষড়যন্ত্রকারী শীর্ষ নেতারা।

বিএনপি নেতারা আড়ালে থেকে তাদের সহযোগিতা করেছেন। এ ব্যাপারে জামায়াত-বিএনপির অর্ধশতাধিক শীর্ষ পর্যায়ের নেতার নামের তালিকা করা হয়েছে।

এছাড়া বিভিন্ন জেলা পর্যায়ের ৬৪ জন আমিরসহ কয়েক হাজার শিবিরের শীর্ষ নেতাকে গ্রেপ্তারে তালিকা করা হয়েছে।

পত্রিকা

প্রধানমন্ত্রী মেট্রোরেলের পরিস্থিতি পরিদর্শন নিয়ে সংবাদের প্রধান শিরোনাম, ‘হামলা, ধ্বংসযজ্ঞের বিচারের ভার জনগণকে দিলেন প্রধানমন্ত্রী’।

প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার সকালে মিরপুর-১০ নম্বরে মেট্রোরেল স্টেশন পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, ‘দেশের জনগণকে তাদের বিচার করতে হবে। আমি জনগণের কাছে ন্যায়বিচার চাইছি। ধ্বংসযজ্ঞের বর্ণনা দেয়ার মতো আমার আর কোনো ভাষা নেই।’

এছাড়া যারা কোটা আন্দেলনকে পুঁজি করে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে তাদের প্রতিহত করারও আহ্বান জানান তিনি।

সরকারপ্রধান বলেন, ‘যে কষ্ট আমি লাঘব করতে চেয়েছি সেই কষ্ট আবার যারা সৃষ্টি করলো তাদের বিরুদ্ধে আপনাদেরই রুখে দাঁড়াতে হবে।’

এর আগে ক্ষতিগ্রস্ত মেট্রো রেল স্টেশন পরিদর্শন করেন তিনি। তিনি পুরো স্টেশন ঘুরে ঘুরে দেখেন।

মেট্রো স্টেশনে ভাংচুর করা হয় সিসি ক্যামেরা, এলইডি মনিটর, টিকেট কাটার মেশিনসহ বিভিন্ন জায়গা। লুট করা হয় মূল্যবান অনেক জিনিষ।