'রাতে নিউমার্কেট এলাকা রণক্ষেত্র'

সংবাদপত্র
Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

'রাতে নিউমার্কেট এলাকা রণক্ষেত্র' কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম। এ খবরে বলা হয়েছে, রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

গতরাতে রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকার নীলক্ষেত মোড়ে হওয়া সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ সাতজন আহত হয়েছেন।

লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলার পাশাপাশি ইট-পাটকেল ছোঁড়া হয়। এ সময় আশপাশের এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

এক পর্যায়ে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে পুলিশ।

গত রাত আড়াইটা পর্যন্ত দফায় দফায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ক্যাম্পাসে কয়েকশো পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি দুই প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে এসে তোপের মুখে পড়েন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ।

সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের দাবি, পুলিশ তাদের লক্ষ্য করে টিয়ার শেল নিক্ষেপ করেছে। এ ছাড়া ঢাবি শিক্ষার্থীরা তাদের ওপর হামলা করেছেন। এ ঘটনায় কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।

এর আগে পাঁচ দফা দাবিতে আন্দোলনরত সাত কলেজের তিন শতাধিক শিক্ষার্থী প্রায় পাঁচ ঘণ্টা সায়েন্স ল্যাব মোড় অবরোধ করে রাখেন।

কালের কণ্ঠ

'জামায়াতের বড়শি বিএনপির জাল' সমকাল পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ ভোটে থাকতে পারবে না ধরে নিয়ে আসছে সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রতিদ্বন্দ্বী বলয় গড়ার চেষ্টা করছে একসময়ের মিত্র জামায়াতে ইসলামী।

ধর্মভিত্তিক দলের জোট ও অন্যদের সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতার এ প্রচেষ্টা আটকাতে তৎপর বিএনপিও। জামায়াত যে দলগুলোর দিকে হাত বাড়াচ্ছে বিএনপি সে দলগুলোকে কাছে টানছে।

শেখ হাসিনার পতন ঘটানো গণ অভ্যুত্থানের ছাত্রনেতাদের সঙ্গে বিএনপির প্রকাশ্য বিরোধ ও জামায়াতের বন্ধুভাব থাকলেও দুই পক্ষই যোগাযোগ রাখছে।

জামায়াত এবং চরমোনাইর পীরের ইসলামী আন্দোলনের দীর্ঘ আদর্শিক বিরোধ থাকলেও ২১শে জানুয়ারি দুই দলের প্রধানের দেখা হয়।

বিএনপির একাধিক নেতা একে 'স্বাধীনতাবিরোধী এবং ফ্যাসিবাদের সহযোগীর মিলন' আখ্যা দিয়ে কটাক্ষও করেন।

তবে আজ সোমবার চরমোনাইর পীরের সঙ্গে দেখা করতে দলটির কার্যালয়ে যাচ্ছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সমকাল

'২৮শে অক্টোবরের আগে ২০ লাখ গোলাবারুদ আনে হাসিনা সরকার' মানবজমিন পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপি-জামায়াতের সরকারবিরোধী আন্দোলন দমাতে তুরস্ক থেকে ২০ লাখ গোলাবারুদ আমদানি করে আওয়ামী লীগ সরকার।

মূলত আওয়ামী লীগের একতরফা নির্বাচনকে বাধা দিতে জুলাই থেকেই সরকার বিরোধী আন্দোলন দানা বাঁধতে শুরু করে।

আন্দোলন ঠেকাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ তড়িঘড়ি করে সরকারকে বিপুল সংখ্যক অস্ত্র ও গোলাবারুদ সংগ্রহের একটি চাহিদাপত্র দেয়।

চাহিদা অনুযায়ী, দ্রুত সময়ে গোলাবারুদ সংগ্রহ করে সরকার।

তৎকালীন ডিএমপি'র যুগ্ম পুলিশ কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল আমদানির আগে ওই গোলাবারুদের গ্রহণযোগ্যতা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে তুরস্ক সফরে যান।

গত বছরের ২৯শে অগাস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন নিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব জাহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাদের বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দিয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

মানবজমিন
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

'সুপারিশে আপত্তি সিইসির' নয়া দিগন্ত পত্রিকার শিরোনাম। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন নির্বাচনী ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের অন্তত তিনটি সুপারিশ নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন।

সংস্কার কমিশনের সুপারিশের সারাংশ ইতোমধ্যে গোচরীভূত হয়েছে উল্লেখ করে সিইসি এক অনুষ্ঠানে বলেন, "সব সুপারিশ ভালো বা খারাপ বা আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য এটা বলতে পারছি না। যিনি জুতা পায়ে দেন, তিনি জানেন পেরেকটা কোথায় খোঁচাচ্ছে। জুতা পায়ে না দিলে বুঝতে পারবেন না আসলে ব্যথাটা কোথায় লাগছে"।

"আমরা যারা ভেতরে আছি, সুপারিশ তো অনেক দেয়া যায়, যিনি বাস্তবায়ন করেন, তিনিই জানেন হোয়েদার ইট ইজ রিয়েলি প্র্যাকটিসেবল, রিয়েলি ইমপ্লিমেন্টেবল অর নট। আমরা সে দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেছি সারমর্মগুলো রিভিউ করে দেখেছি"।

যে তিনটি বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আপত্তি তোলেন সেগুলো হলো, বিদায় নেয়ার পর ইসির বিষয়ে তদন্তভার সংসদীয় স্থায়ী কমিটির হাতে দেয়া এবং সীমানা পুনর্নির্ধারণ ও ভোটার তালিকা নিয়ে স্বতন্ত্র কর্তৃপক্ষ করা।

তার মতে, এসব সুপারিশ বাস্তবায়ন করা হলে তা ইসির স্বাধীনতা খর্ব করবে।

নয়া দিগন্ত

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে গত দেড় দশকে সবচেয়ে বেশি ঠিকাদারি কাজ পেয়েছে চীন।

এর একটি অংশ বাস্তবায়ন হচ্ছে দেশটি থেকে নেয়া ঋণের টাকায়। ঋণ ও ঠিকাদারি মিলিয়ে সে অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩০ বিলিয়ন ডলার।

তবে বাস্তবায়ন শেষে প্রকল্পগুলো চালুর পর দেখা যাচ্ছে এর আয় দিয়ে পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়ই উঠছে না। সুদসহ ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে গিয়ে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব বেরিয়ে যাচ্ছে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে।

শেখ হাসিনার আমলে চীনা ঋণে নেয়া অতি মূল্যায়িত উন্নয়ন প্রকল্পের অধিকাংশ থেকেই তেমন সুফল পায়নি বাংলাদেশ। বরং ব্যয়ের বোঝা বেড়েছে।

সম্প্রতি দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম দ্বি-পক্ষীয় সফরে চীন গিয়েছিলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।

বাজেট সহায়তা নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি সফরে তিনি ঋণের সুদহার কমানো এবং সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

বণিক বার্তা

'হেলিকপ্টার থেকে র‍্যাবের গুলির প্রমাণ মিলেছে' দেশ রূপান্তর পত্রিকার শিরোনাম।

জুলাই-আগস্ট গণ অভ্যুত্থানে গণহত্যার অভিযোগে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) মো. হারুন অর রশিদকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল রোববার ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেয়।

হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আদেশ দিয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য ২৩শে মার্চ দিন নির্ধারণ করা

আদেশের পর চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, "জুলাই- আগস্টে গণ অভ্যুত্থানের সময় র‍্যাবের হেলিকপ্টার থেকে ছাত্র-জনতার ওপর গুলি করার প্রমাণ পাওয়া গেছে"।

তিনি বলেন, "আন্দোলনের সময় হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়েছে এবং হেলিকপ্টার থেকে গুলি করা হয়েছে। সে ব্যাপারে আমাদের তদন্ত সংস্থা প্রমাণ পেয়েছে এবং এটার ব্যাপারে মূল কাজটাই করেছেন র‌্যাবের তখন যে ডিজি (হারুন) ছিলেন তিনি।

আমরা তাকে গ্রেপ্তারের আবেদন করেছিলাম। বিস্তারিত তদন্তের পরই বলা যাবে যে এর সঙ্গে আর কারা জড়িত ছিলেন"।

দেশ রূপান্তর

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারও চাঁদাবাজি ও খুনোখুনিতে মেতে উঠেছে শীর্ষ সন্ত্রাসীরা।

পাশাপাশি পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসীদের অনেকেই দেশে ফিরেছে। প্রকাশ্যে মহড়া দিচ্ছে।

ইতোমধ্যে তাদের তৎপরতায় রাজধানীতে এক আতঙ্কজনক অবস্থা তৈরি হয়েছে। কোথাও কোথাও শীর্ষ সন্ত্রাসীদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন রাজনৈতিক কিছু কর্মী।

তারা সন্ত্রাসীদের নাম ব্যবহার করে জমি, মার্কেট, দোকান দখল করছে।

এর সঙ্গে আছে গণ অভ্যুত্থানের মুখে কারাগার থেকে পালানো বন্দির মধ্যে ৭০০ আসামি যাদের এখনো গ্রেফতার করা যায় নি।

পুলিশের কাছ থেকে লুট হওয়া অস্ত্রের মধ্যে দেড় হাজার অস্ত্র এখনো উদ্ধার হয়নি। এগুলোও সন্ত্রাসীদের কাছে চলে গেছে বলে ধারণা।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কারামুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসীরা যে মাথা ব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে সেটা স্বীকার করেছেন খোদ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

গতকাল রোববার এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, "ছিনতাই-চাঁদাবাজির যে ঘটনা ঘটছে তা অস্বীকার করছি না। যারা জেল থেকে ছাড়া পাচ্ছে তারাও এ ধরনের কাজ করছে, এটা সত্যি কথা"।

"যেসব শীর্ষ সন্ত্রাসী জামিনে বেরিয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়ছে তাদের আবার তাড়াতাড়ি ধরে আইনের আওতায় আনা হবে। আমরা চেষ্টা করছি, যতভাবেই হোক ছিনতাই-চাঁদাবাজি কমিয়ে আনার জন্য" বলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

ইত্তেফাক

'দায়বদ্ধ করার সুপারিশ নিয়ে আপত্তি সিইসির' প্রথম আলো পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ উঠলে তা তদন্তে সংসদীয় কমিটিকে ক্ষমতা দেয়াসহ সংস্কার কমিশনের অন্তত তিনটি সুপারিশ নিয়ে জোরালো আপত্তি তুলেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন।

তিনি বলেছেন, "নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশে অনেকগুলো সুপারিশ আছে, যেগুলো বাস্তবায়িত হলে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) স্বাধীনতা খর্ব হবে, এতে কোন সন্দেহ নাই। এমনকি কিছু সুপারিশ সংবিধানের চেতনার বিরুদ্ধে"।

গতকাল রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে 'আরএফইডি টক' শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন সিইসি।

নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি ইসিকে দায়বদ্ধ করার জায়গা তৈরির সুপারিশ করেছে সংস্কার কমিশন।

তবে ইসির দায়বদ্ধতা তৈরির জায়গাটিকে স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ হিসেবে মনে করছেন সিইসি নাসির উদ্দিন।

প্রথম আলো

'HC benches in all divisional cities recommended' দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনামের অর্থ সব বিভাগীয় শহরে হাইকোর্টের বেঞ্চ দেয়ার সুপারিশ।

প্রতিটি বিভাগীয় শহরে স্থায়ী হাইকোর্ট বেঞ্চ এবং উপজেলায় দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত স্থাপনের মাধ্যমে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ ও সম্প্রসারণের সুপারিশ করেছে বিচার বিভাগীয় সংস্কার কমিশন।

বিভাগীয় পর্যায়ের হাইকোর্টের এ বেঞ্চগুলো জমে থাকা মামলার বোঝা কমাবে। একইসাথে মানুষকে খুব বেশি দেরি না করে ন্যায় বিচার পেতে সাহায্য করবে।

যেহেতু হাইকোর্ট বেঞ্চের ৫৫টির সবগুলোই রয়েছে রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট ভবনে, তাই যারা মামলা দায়ের করেন তাদের শুনানিতে অংশ নিতে ঢাকায় যেতে হয়।

হাইকোর্টে বর্তমানে পাঁচ দশমিক ৭৭ লাখ মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

আপিল বিভাগের সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ বিচারপতিকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের জন্য সংবিধানে একটি বিধান যুক্ত করারও সুপারিশ করেছে সংস্কার কমিশন।

এর ফলে এ বিষয়ে প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তের আওতা কমে যাবে।

দ্যা ডেইলি স্টার

'Conviction rate in graft cases hits 8-year low' নিউ এইজ পত্রিকার শিরোনামের অর্থ দুর্নীতির মামলায় দোষী সাব্যস্তের হার আট বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

দেশে দুর্নীতির মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার হার ২০২৪ সালে উদ্বেগজনকভাবে ৪৭ শতাংশে নেমে এসেছে। যা গত আট বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যা দুর্নীতি দমন কমিশনের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

গত বছরের ৫৭ দশমিক ১৮ শতাংশ দোষী সাব্যস্ত হওয়ার যে হার তার থেকে আরও কমেছে। মাত্র এক বছরে কমেছে দশ শতাংশ।

দোষী সাব্যস্ত হওয়ার এই হার উদ্বেগজনকভাবে কমে যাওয়ার পেছনে বিশেষজ্ঞরা বেশ কয়েকটি কারণ উল্লেখ করেছেন।

যার মধ্যে রয়েছে দুর্বল তদন্ত এবং তদন্ত প্রতিবেদন, দক্ষ পাবলিক প্রসিকিউটরের অভাব এবং অপর্যাপ্ত তদারকি।

 নিউ এইজ