আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
‘নেতাকর্মীর অপকর্মের দায় নেয় না ছাত্রলীগ’
বিভিন্ন সময়ে ছাত্রলীগের নানা অপকর্ম নিয়ে সমকালের প্রথম পাতার খবর, ‘নেতাকর্মীর অপকর্মের দায় নেয় না ছাত্রলীগ’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে চাঁদাবাজি, মাদক বেচাকেনা এমনকি ধর্ষণের মতো বড় ধরনের অপরাধের অভিযোগ উঠেছে।
এর মধ্যে যেসব ঘটনা আলোড়ন সৃষ্টি করে, সেগুলোর ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ দু-এক জনকে বহিষ্কার করে দায় সারে।
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতারা অপরাধীদের বিষয় জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করার কথা বললেও বাস্তবে দেখা যায়, যাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হয় কিছুদিন পরই তারা ছাত্রলীগের কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছে।
অভিযোগ উঠছে নেতাকর্মীরা অপকর্মের দায় এড়িয়ে যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ যথাযথ সাংগঠনিক ব্যবস্থা না নেওয়ায় এবং সংগঠনে আদর্শ নৈতিকতার চর্চা না থাকায় একের পর এক ভয়াবহ ঘটনা ঘটছে।
এ অবস্থায় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে ছাত্রলীগের এই অপকর্মের লাগাম টানবে কে।
প্রায় চার বছর পর সম্মেলনের মাধ্যমে ২০২২ সালের ডিসেম্বরের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হলেও দায়িত্ব নেয়ার এক মাসের মধ্যেই ধর্ষণ গোলাগুলি মারামারিসহ অন্তত ছয়টি আলোচিত ঘটনা ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগের তৃণমূলে অস্থিরতা নিয়ে ইত্তেফাকের প্রথম পাতার খবর, ‘নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগের তৃণমূলে চলছে বহিষ্কার’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার এক মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো দেশের বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগের তৃণমূলে কোন্দল ও সংঘাত বন্ধ হয়নি।
কেন্দ্রীয় নির্দেশনা উপেক্ষা করে বহিষ্কার, নিজ দলের নেতাকর্মীদের সম্পত্তি দখল, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘর ভাঙচুর, মারধর ,লুটপাট এমনকি কিছু জায়গায় প্রশাসন দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগও উঠেছে।
এ অবস্থায় অনেকেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে থাকতে বাধ্য হয়েছেন। তৃণমূলের নেতারা বলছেন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আবারও ক্ষমতায় এলেও পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে যেন বিরোধিরা ক্ষমতায় এসেছে।
কেন্দ্রীয় নির্দেশনা উপেক্ষা করে নোয়াখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম মানিকসহ চার নেতাকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন একই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নোয়াখালী ২ আসনের সংসদ সদস্য।
তার বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হলেও বলা হচ্ছে তিনি নির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং পরবর্তী সময়ে অপর এক স্বতন্ত্র প্রার্থীকে সমর্থন দেয়ার জেরে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এদিকে নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে সরাসরি কাজ করার অভিযোগে সাবেক সংসদ সদস্য এনামুল হকসহ রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের ২৪ নেতাকে দলীয় পদে না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের একাংশ নেতা।
সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৩ আসনে নৌকার বিরোধিতা করায় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাদের দলের সব পদ ও কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
উত্তপ্ত মিয়ানমার সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম, ‘সীমান্ত জুড়ে আতঙ্ক’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মিয়ানমারে বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হামলার কারণে জান্তা বাহিনীর থেকে একের পর এক এলাকা হাতছাড়া হচ্ছে।
এ অবস্থায় অনেকটা অসহায় দেশটির সেনাবাহিনী, সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি, পুলিশসহ অন্যান্য সংস্থার সদস্যরা।
সীমান্তের ওপারে চলমান সংঘাতের কারণে সৃষ্ট উত্তেজনা এখনো বিরাজ করছে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে। আতঙ্ক কাটেনি সীমান্ত এলাকার মানুষের মধ্যে।
তবে আগের চেয়ে কিছুটা শান্ত হওয়ায় গতকাল বান্দরবানের ঘুমধুম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেয়া ২৮টি পরিবারের ১৪০ জন নিজ গ্রামে ফিরতে শুরু করেছেন।
এদিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, সেনাবাহিনী, বিজিপি, পুলিশসহ বিভিন্ন সংস্থার এ পর্যন্ত ৩২৯ জন বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। সীমান্ত এলাকায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
একই ইস্যুতে নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, ‘মিয়ানমার সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে একসাথে কাজ করবে ঢাকা-দিল্লি’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মঙ্গলবার দিল্লিতে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সাথে বৈঠক করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
মি. মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তার স্বার্থে মিয়ানমার সীমান্ত পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে ভারত-বাংলাদেশ একসাথে কাজ করবে।
মিয়ানমারের সংঘর্ষের প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের কক্সবাজার ও বান্দরবান এবং ভারতের মিজোরাম, মনিপুর ও নাগাল্যান্ডে।
বিদ্রোহীদের সাথে লড়াইয়ে টিকতে না পেরে বাংলাদেশ ও ভারতে আশ্রয় নিচ্ছে মিয়ানমার নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা।
রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মির সাথে সংঘাতের কারণে বাংলাদেশ সীমান্তে মর্টার সেল ও গুলি এসে পড়ছে। এতে হতাহতের ঘটনাও ঘটছে।
সার্বিকভাবে মিয়ানমার পরিস্থিতি বাংলাদেশ ও ভারতের জন্য নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর নতুন জরিপ নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম ‘বিয়ে বেড়েছে, সঙ্গে তালাকও’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ স্যাম্পল রাইট স্ট্যাটিস্টিক ২০২২ জরিপ অনুসারে বাংলাদেশে বিয়ের হার বেড়েছে, বেড়েছে তালাক বা বিবাহ বিচ্ছেদও।
বিবাহ বিচ্ছেদের সবচেয়ে বড় কারণ বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক এবং দাম্পত্য জীবন পালনে অক্ষমতা অর্থাৎ বনিবনার অভাব।
নতুন এক জরিপ প্রতিবেদনে এই চিত্র উঠে এসেছে। জরিপে নমুনা হিসেবে নেয়া হয়েছে তিন লাখের বেশি পরিবার।
এই জরিপের মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদের কারণের তথ্য আগেও সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে প্রকাশ করা হতো না। এবারই প্রথমবারের মতো প্রকাশ করা হলো।
২০২২ সালের সাধারণ বিয়ের হার পাওয়া গেছে ২৫ এর কিছু বেশি। এই হার আগের বছর ছিল ১৮ দশমিক পাঁচ।
২০২২ সালে সাধারণ বিয়ের হার বেড়ে যাওয়ার পেছনে করোনাকালের অর্থনীতির সংকট ও অনিশ্চয়তার সম্পর্ক দেখছেন সমাজবিজ্ঞানীরা।
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আগাম ব্যবস্থা নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, ‘Govt scales up LNG imports to cope in summer’ অর্থাৎ, ‘গ্রীষ্মকাল সামাল দিতে সরকার এলএনজি আমদানি বাড়িয়েছে’
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গ্রীষ্মকালে গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) তিনটি চালান সংগ্রহের অনুমোদন দিয়েছে সরকার।
চলতি বছরের প্রথমার্ধে মোট ১৩টি এলএনজি কার্গো তুলনামূলকভাবে কম দামে তিনটি চালানে আমদানির কথা রয়েছে।
সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি মঙ্গলবার এই অনুমোদন দিয়েছে।
অনুমোদনটি এমন সময়ে দেয়া হলো, যখন বাংলাদেশ কম আমদানি এবং স্থানীয় উৎপাদন হ্রাসের কারণে কয়েক মাস ধরে তীব্র গ্যাস সংকটে নিমজ্জিত।
বর্তমানে, জাতীয় গ্যাস সরবরাহ প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার ছয়শ মিলিয়ন ঘনফুট এবং চাহিদা প্রায় তিন হাজার ৭৬০ ঘণফুট।
ফলে অনেক এলাকার গৃহস্থালীর ভোক্তারা তাদের রান্নার জন্য গ্যাস পাচ্ছেন না।
আবার গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুৎ ও শিল্প উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
ডলার সংকট নিয়ে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘ডলার আয় ও ব্যয়ে নেই ভারসাম্য’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, প্রায় দুই বছর ধরে চলা ডলার সংকটের পেছনে বৈদেশিক মুদ্রা আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ভারসাম্যহীনতাকে দায়ী করা হচ্ছে।
গত কয়েক বছর ধরেই বৈদেশিক মুদ্রা আয় ব্যয়ের হিসাবে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অর্থাৎ বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার ৭০ শতাংশই আসে রপ্তানি আয়ের মাধ্যমে। রেমিট্যান্সের মাধ্যমে আসে ২৮ শতাংশ। বাকি ২ শতাংশ আসে বৈদেশিক বিনিয়োগ, ঋণ ও অন্যান্য খাতে।
ব্যয়ের প্রধান খাত হচ্ছে আমদানি। এর বাইরে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ ও দেশে কর্মরত বিদেশি কর্মীদের বেতন-ভাতা পাঠানো।
এ সংকটের টেকসই সমাধানে বৈদেশিক মুদ্রা আয় ও ব্যয়ের মধ্যে সমন্বয় আনা হবে। এর অংশ হিসাবে আমদানি ব্যয় ও রপ্তানি আয়ের মধ্যে ভারসাম্য আনার পদক্ষেপ থাকবে।
এজন্য আমদানি নির্ভর অর্থনীতির আকার কিছুটা হলেও ছোট করা হবে। ফলে আমদানি ব্যয় কমানো ও রপ্তানি আয় বাড়ানোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
একই সঙ্গে বৈদেশিক ঋণের চাপ কমিয়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এই প্রসঙ্গে সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার খবর, ‘ডলার সংকট কমেছে রপ্তানি আয় কমেনি’।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ডলারের সংকট এখন ঠিক সে রকম নেই, রপ্তানি আয়ও খুব একটা কমেনি। দেশের অবস্থা অতটা খারাপ নয়। সরকার সার্বিক পরিস্থিতির বিষয়ে সতর্ক রয়েছে।
বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেছেন, আগে যেভাবে যখন-তখন এলসি খোলা হতো, এখন ইচ্ছামতো হচ্ছে না, সেটাতে নিয়ন্ত্রণ আনা হয়েছে।
এর কারণ হিসেবে তিনি জানান, “অনেক ক্ষেত্রে যতটা প্রয়োজন নয়, তার চেয়ে বেশি দিয়েও অনেকেই এলসি খোলে, কিন্তু ওই টাকাটা ফেরত আসে না। এ কারণে সরকার পণ্য কেনার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ব্লুমবার্গের মূল্য তালিকা দেখে, তা মনিটর করে এলসি খুলতে দেয়।”
রপ্তানি আয় খুব একটা কমেনি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যেসব দেশে আমরা রপ্তানি করি, তাদের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে, বাজার সংকুচিত হয়েছে, সেখানে অর্ডার কমেছে।”
বিকল্প বাজার খুঁজে বেড়ানো, রপ্তানি পণ্য বহুমুখীকরণ এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের পক্ষ থেকে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
রপ্তানি খাত নিয়ে দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘প্রণোদনা প্রত্যাহারে বহুমুখী ঝুঁকি’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের বিকাশ যে প্রতিষ্ঠানটির হাত ধরে এসেছিল, সেই দেশ গার্মেন্টস নিট মুনাফার জন্য পুরোপুরি নির্ভরশীল সরকারের নগদ সহায়তার ওপর।
পোশাক রপ্তানির বিপরীতে সরকারের প্রণোদনা না পেলে কোম্পানিটি লোকসানে পড়ে যায়।
দেশটির তৈরি পোশাক শিল্পের একটি বড় অংশই প্রণোদনায় টিকে আছে।
আমদানিতে বন্ড সুবিধা ও সস্তা শ্রমিক পেয়েও খাতটি চার দশকেও নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারেনি।
বরং এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনকে সামনে রেখে সরকারের প্রণোদনা প্রত্যাহারের ঘোষণায় লাখো-কোটি টাকা বিনিয়োগের পুরো খাতটিই এখন অস্তিত্ব সংকটের মধ্যে পড়েছে।
সস্তায় পোশাক বিক্রি করেই বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। এর পেছনে সবচেয়ে কার্যকরী ভূমিকা রেখেছে সরকারের নগদ সহায়তা। রপ্তানি আয়ের ৮৫ শতাংশ আসে এ খাত থেকে।
কিন্তু কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা ছাড়াই রপ্তানিতে নগদ সহায়তা ব্যাপক হারে কমিয়ে দেওয়ায় তৈরি পোশাক খাত অস্তিত্ব সংকটে পড়ার শঙ্কায় পড়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ অবস্থায় উদ্যোক্তারা প্রণোদনা কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত এক বছর পিছিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
রিজার্ভ ও ঋণ পরিস্থিতি নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, ‘রিজার্ভ থেকে অর্থ জমা রেখে আইটিএফসি থেকে ঋণ’
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (আইডিবি) সহযোগী সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স করপোরেশনের (আইটিএফসি) সঙ্গে ২১০ কোটি ডলারের একটি ঋণ চুক্তি করেছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।
এ চুক্তির আওতায় জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করতে পারবে বাংলাদেশ।
আইটিএফসির সঙ্গে এ ঋণ চুক্তিতে উল্লিখিত অর্থের ৭৬ শতাংশের জোগান দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এজন্য ঋণ তহবিলটিতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে জমা হবে ১৬০ কোটি ডলার। আর আইটিএফসির কাছ থেকে পাওয়া যাবে বাকি ৫০ কোটি।
প্রসঙ্গত, সদস্য মুসলিম দেশগুলোর জ্বালানি খাতে ঋণসহায়তা দিয়ে থাকে আইটিএফসি। এক্ষেত্রে সংস্থাটি সবসময় অর্থায়ন করে কো-ফাইন্যান্সের ভিত্তিতে।
এজন্য ঋণ তহবিলে গ্রহীতা দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ অর্থায়ন থাকতে হয়।
অর্থনীতিবিদ ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, এটি হলো অনেকটা নিজেদের রিজার্ভ থেকেই নিজেরা ঋণ নেয়া।
নতুন এ চুক্তির ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার নিট রিজার্ভ আরো চাপে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।