'সরকারি চাকরিতে তিন কাঁটা'

সরকারি চাকরি প্রসঙ্গে আজকের পত্রিকার প্রধান খবর, ‘সরকারি চাকরিতে তিন কাঁটা’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সরকারি চাকরির জন্য ধাপে ধাপে দেওয়া পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও অনেক মেধাবী প্রার্থী তিন বাধায় ঠেকে যাচ্ছেন। সেই তিন বাধা হলো কোটা, প্রশ্ন ফাঁসের মতো দুর্নীতি এবং সবশেষে রাজনৈতিক বিবেচনা।
চাকরি বঞ্চিতদের দাবি, গত পাঁচ বিসিএসে শুধু রাজনৈতিক কারণে ২৩৯ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি।
অথচ বিদ্যমান বিসিএস নিয়োগ বিধিমালা-১৯৮১ অনুযায়ী, একজন প্রার্থীকে স্বাস্থ্যগতভাবে অযোগ্য (মেডিকেল আনফিট) বা ‘অপরাধী’ গণ্য করে পুলিশ প্রতিবেদন না দিলে তাঁকে নিয়োগবঞ্চিত করার বিধান নেই।
নিয়োগবঞ্চিত ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, শুধু রাজনৈতিক কারণেই তাদের নিয়োগ বঞ্চিত করা হয়েছে। তাদের অনেকের পরিবারের সদস্য বা আত্মীয়স্বজন সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত। এ কারণেই তাদের নিয়োগ হচ্ছে না।
তবে এ অভিযোগ মানতে নারাজ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।
সরকারি চাকরিতে প্রবেশে কোটাব্যবস্থা চলে আসছে স্বাধীনতার পর থেকেই। তাতে মেধাবীরা বঞ্চিত হচ্ছেন বলে দাবি উঠেছে।
End of কোটা বিরোধী আন্দোলন নিয়ে আরো খবর

কোটাবিরোধী আন্দোলন নিয়ে নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, ‘Quota protesters want law, not litigation’ অর্থাৎ, ‘কোটা আন্দোলনকারীরা মামলা নয়, আইন চায়’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য ৩০ শতাংশ কোটা পুনর্বহালের জন্য হাইকোর্টের রায় চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত রাখতে আপিল বিভাগ সিদ্ধান্ত নিলেও, আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
বিক্ষোভকারীরা সুপ্রিম কোর্টের আদেশকে স্বাগত জানিয়েছে তবে সরকার তাদের দাবি পূরণের আশ্বাস না দেওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়বে না বলে জানিয়েছে।
আন্দোলনকারীরা সরকারের কাছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য পাঁচ শতাংশ কোটা ব্যতীত সরকারি চাকরিতে সব কোটা বিলুপ্ত করে সংসদে একটি আইন প্রণয়নের দাবি জানান।
এছাড়া কমিশন গঠনের মাধ্যমে বিদ্যমান কোটা সমস্যার সমাধানের আহ্বান জানান তারা।
শিক্ষার্থীরা কর্মসূচি পালন করলে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় স্থগিত করে আদেশ দেন।
আদালত আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের তাদের ক্লাসরুমে ফিরে যেতে এবং আদালতে তাদের যুক্তি উপস্থাপনের জন্য আইনজীবী নিয়োগ করতে বলেছে।

আন্দোলনের প্রভাব নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, ‘অবরোধে অচল সড়ক, মহাসড়ক, রেলপথ’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের ‘বাংলা ব্লকেড’ নামের অবরোধে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সারা দেশে কার্যত অচল হয়ে পড়ে সড়ক, মহাসড়ক ও রেলপথ। সারা দেশ থেকে ঢাকা অনেকটা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
সরকারি চাকরির সব গ্রেডে সর্বোচ্চ পাঁচ শতাংশ কোটা রেখে এ নিয়ে আইন পাসের দাবিতে বৃহস্পতিবারও সারা দেশে আবারও ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচির ঘোষণা দেন তারা।
এসব অবরোধ কর্মসূচিতে অংশ নেন অন্তত ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা।
সাতটি স্থানে আন্দোলনকারীরা রেলপথ অবরোধ করায় দুপুর পৌনে ১২টা থেকে প্রায় ছয় ঘণ্টা ঢাকার সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ ছিল। দূরের গন্তব্যেও হেঁটে রওনা হন অনেকে।
কোটার যৌক্তিক সংস্কারের দাবিতে পহেলা জুলাই থেকে টানা আন্দোলনে আছেন শিক্ষার্থীরা। ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে বুধবার পর্যন্ত টানা চতুর্থ দিনের মতো ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন ও ছাত্র ধর্মঘট ছিল।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
প্রধানমন্ত্রীর বেইজিং সফর প্রসঙ্গে কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, ‘বাংলাদেশকে চার ধরনের অর্থনৈতিক সুবিধা দেবে চীন’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গ্রান্ট বা সহায়তা, সুদমুক্ত ঋণ, কনসেশনাল বা ছাড়যুক্ত ঋণ ও বাণিজ্যিক ঋণ—বাংলাদেশকে এই চার ধরনের অর্থনৈতিক সুবিধার প্যাকেজ দেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং।
বুধবার বিকেলে বেইজিংয়ের গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তিনি এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সেই সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্ট নিজে থেকেই বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গার মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেওয়ার কথা বলেন। তিনি মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সঙ্গে এবং প্রয়োজনে আরাকান সেনা দলের সঙ্গেও কথা বলবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
এদিকে চীনের প্রিমিয়ার লি ছিয়াং বাংলাদেশকে এক বিলিয়ন চীনা মুদ্রা আরএমবি (প্রায় এক হাজার ৬১৫ কোটি টাকা) সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ গতকাল বেইজিংয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান।
এর মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়। বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা থাকলেও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদের অসুস্থ থাকায় তিনি বুধবারই ঢাকায় ফেরেন।

এদিকে চীনের থেকে বাংলাদেশের প্রশ্যাতা প্রাপ্তি নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, ‘বিদায়ী অর্থবছরে প্রতিশ্রুতি শূন্য, নতুন অর্থবছরে প্রত্যাশার তুলনায় খুবই নগণ্য’।
এ খবরে বলা হচ্ছে, নতুন সরকার গঠনের পরই প্রধান দুই প্রতিবেশী দেশ ভারত ও চীনে সফর করেছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রত্যাশা ছিল বড় ধরনের আর্থিক সহায়তা পাওয়ার, কিন্তু খবর বলা হচ্ছে অর্জনের ঝুড়িতে যোগ হয়েছে খুবই নগন্য।
শুধু চীন থেকে এসেছে কেবল ১০০ কোটি ইউয়ান বা এক হাজার ৬১৫ কোটি টাকার সমপরিমাণ সহায়তার প্রতিশ্রুতি।
যদিও সফরের আগে চীন থেকে প্রায় ২০ বিলিয়ন বা দুই হাজার কোটি ডলারের অর্থ সহায়তা ঘোষণার প্রত্যাশা ছিল বলে বিভিন্ন উৎসে জানা গেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশ দুটি থেকে প্রত্যাশা অনুযায়ী দৃশ্যত তেমন কোনো অর্জন হয়নি।
বিষয়গুলো নিয়ে যথাযথভাবে পর্যবেক্ষণ ও অনুসন্ধান করে এর ভিত্তিতে দেশের ভবিষ্যৎ কৌশল নির্ধারণের পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
তবে সরকারের সাবেক নীতিনির্ধারকদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এবারের ভারত ও চীন সফরের অর্থনৈতিক গুরুত্বের চেয়ে রাজনৈতিক গুরুত্ব অনেক বেশি।

জামায়াতে ইসলামী প্রসঙ্গে সমকালের প্রথম পাতার খবর, ‘দরজায় কড়া নাড়ছে জামায়াত’
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জাতীয় পার্টি এবার বিএনপির দিকে ঝুঁকলেও সেই সুযোগ লুফে নিতে পারেনি দলটি।
পকেট কমিটি, অভিজ্ঞদের কোণঠাসা, হাইব্রিড নির্ভরতা, তৃণমূলে কোন্দল জিইয়ে রাখাসহ নানা কারণে ভেঙে গেছে বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামো।
আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করেছে জামায়াতে ইসলামী। বিএনপির অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
বিএনপির ৫৮ উপজেলা ও ২৮ পৌরসভা কমিটির একটিরও মেয়াদ নেই। বেশিরভাগ থানা উপজেলা কমিটির যুগ আগেই মেয়াদোত্তীর্ণ।
ইউনিয়ন ওয়ার্ড কমিটি ও তথৈবচ, অধিকাংশ পদধারী নিষ্ক্রিয় কিংবা বয়সে ন্যুব্জ, অনেকের মৃত্যু হলেও স্থানটি পূরণ হয়নি। অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের দশাও একই। এভাবে অনেক জেলা নেতাকর্মীরা ভিড়ছেন জামায়াতে ইসলামে।
বিএনপি নেতারা জানান, দায়িত্বশীলদের নিষ্ক্রিয়তার কারণে এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে দিন দিন এখানে শক্তিশালী হয়ে উঠছে জামায়াতে ইসলামী। তাদের প্রভাব দিন দিন বাড়ছে বলে বিএনপির তৃণমূল নেতারা জানিয়েছেন।
অনেকের দাবি, বিএনপি নেতাদের নিজেদের কোন্দলের মধ্যে ফাঁকা মাঠে গোল দেয়ার চেষ্টায় আছে জামায়াত।

প্রশ্নফাঁস নিয়ে যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর, ‘প্রশ্নফাঁসে চাকরি পাওয়া কর্মকর্তারাও নজরদারিতে’।
খবরে বলা হচ্ছে, গত এক যুগে বিসিএসসহ গুরুত্বপূর্ণ ৩০টি ক্যাডার-নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় নানামুখী তদন্ত শুরু হয়েছে।
অপরাধ তদন্ত সংস্থা সিআইডি প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের মধ্যে ১৭ জনকে গ্রেফতার ও মামলা করে কারাগারে পাঠায়।
পাশাপাশি মামলায় এজাহারভুক্ত সাবেক সহকারী পরিচালক নিখিলসহ ১৪ জনকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
অন্যদিকে পিএসসির পক্ষ থেকে গঠিত তদন্ত কমিটিও তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। পাশাপাশি একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা এই অপরাধে জড়িতদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করছে বলে সূত্র জানায়।
এই চক্রে পিএসসির পদস্থ কোনো কর্মকর্তার যোগসাজশ আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অপরদিকে সিন্ডিকেটের ফাঁস করা প্রশ্নে চাকরি পাওয়া বিসিএস ক্যাডারদের ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ চলছে বলে জানা গেছে।

ড. ইউনূসের মামলা নিয়ে মানবজমিনের সংবাদ, ‘ইউনূসের মামলা ‘শ্রম আইন অপব্যবহারের’ উদাহরণ হতে পারে’।
খবরে বলা হচ্ছে, শান্তিতে নোবেলজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলাগুলো বাংলাদেশে শ্রম আইন অপব্যবহারের উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার হতে পারে বলে মনে করছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার।
তারা এই মামলার অগ্রগতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ মন্তব্য করেন মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার।
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলা নিয়ে ম্যাথিউ মিলার বলেন, অনেক দিন ধরে আমরা উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছি যে, এই মামলাগুলো ড. ইউনূসকে হয়রানি ও ভীতি প্রদর্শনের জন্য বাংলাদেশের শ্রম আইন অপব্যবহার হিসেবে উদাহরণ হতে পারে।
তার মতে, শ্রম ও দুর্নীতিবিরোধী আইনের অপব্যবহার হচ্ছে বলে ধারণা তৈরি হলে তা আইনের শাসনকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে এবং সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) কমিয়ে দিতে পারে বলে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার হিসেবে আমরা উদ্বিগ্ন।
উল্লেখ্য, প্রফেসর ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘন এবং কর্মীদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা চলছে।
এর মধ্যে শ্রম আইন লঙ্ঘনের এক মামলায় জানুয়ারির শুরুতে গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজনকে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
আগামী ১৫ই জুলাই এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য তারিখ থাকার মধ্যে অভিযোগ গঠনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন প্রফেসর ড. ইউনূস।
End of বিবিসি বাংলায় অন্যান্য খবর

গ্যাস সরবরাহ নিয়ে দৈনিক ইত্তেফাকের প্রথম পাতার খবর, 'সঞ্চালন পাইপে ফুটো, জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ বন্ধ'। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মহেষখালী থেকে জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর আনোয়ারা এলাকায় গ্যাস ট্রান্সমিশন পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে এলএনজি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
আনোয়ারায় চায়না ইকোনমিক জোনের জেটি তৈরির নির্মাণকাজের সয়েল টেস্ট করার সময় মাটির নিচে থাকা পাইপলাইন ফুটো হয়ে যায়।
এই পাইপলাইন দিয়ে আনোয়ারা স্টেশন থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ দেওয়া হয়।
কর্ণফুলী গ্যাস কোম্পানি সূত্র জানায়, মহেষখালী থেকে এলএনজি পাইপলাইনের মাধ্যমে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নির্মিত স্টেশনে আনা হয়।
সেখান থেকে আলাদা পাইপলাইনের মাধ্যমে চট্টগ্রামের রিং লাইনে সরবরাহ দেওয়া হয়। মাটির প্রায় ছয় ফুট নিচে নির্মিত অন্য আরেকটি ৪২ ইঞ্চি ব্যাসের সঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট এলাকায় নির্মিত স্টেশনে আনা হয়।
সেখান থেকে ৩৬ ইঞ্চি ব্যাসের পাইপলাইনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ দেওয়া হয়। জাতীয় গ্রিডে সরবরাহকৃত এসব এলএনজি ঢাকা, বাখরাবাদ বা অন্য এলাকায় বিতরণ করা হয়।








