'চাপে সরকার সুযোগে বিএনপি'

চাপে সরকার সুযোগে বিএনপি— দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি। এখানে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের পেনশন আন্দোলন ও শিক্ষার্থীদের কোটা আন্দোলনের কারণে সরকার নতুন করে চাপে পড়েছে বলে মনে করছে বিএনপি।
দলটি বলছে, দ্রব্যমূলের ঊর্ধ্বগতি, অর্থনৈতিক সংকট ও গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে সামাজিক অস্থিরতায় সরকার আগে থেকেই চাপে রয়েছে। আর সরকারের ওপর এসব চাপের সুযোগ নিতে চায় বিএনপি। দলের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, নানান ইস্যুতে সরকার যত চাপে পড়বে, পরিস্থিতি বুঝে সুবিধামতো সময়ে দলও আন্দোলনের চাপ বাড়াবে। এমন কৌশল নিয়েই বিএনপি তাদের পরবর্তী আন্দোলনের রূপরেখা তৈরি করছে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমাদের কাছে আর কোনও বিকল্প নেই। এ সরকার থাকা মানে হচ্ছে, আমাদের দেশ, গণতন্ত্র ধ্বংস হয়ে যাওয়া। আমাদের নিজেদের রক্ষা করতে হলে সামনের দিকে অবশ্যই আরও তীব্র থেকে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।”

চার চ্যালেঞ্জে অর্থনীতি— কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে তৈরি করা যুগান্তর পত্রিকার এই প্রধান শিরোনামে বলা হয়েছে যে নতুন অর্থবছরে মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতিতে লাগাম টানা, ডলার সংকট মোকাবিলা করে বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা, বিনিয়োগ বাড়াতে উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করা এবং রাজস্ব আয় বাড়ানো; এই চার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেশের সার্বিক অর্থনীতিকে সামনে এগোতে হবে।
দেশে চলমান অর্থনৈতিক মন্দার কারণে এসব খাতে লক্ষ্য অর্জন বেশ চ্যালেঞ্জিং। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরেও খাতগুলোর লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। এমনকি অর্থবছরের মাঝপথে অর্থাৎ গত জানুয়ারিতে লক্ষ্যমাত্রা কমিয়েও তা অর্জন করা সম্ভব হয়নি।
এসবের পাশাপাশি আরও কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে আইএমএফ-এর শর্তের বাস্তবায়ন এবং এর প্রভাব মোকাবিলা। বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়াতে আস্থার সঞ্চার করা, রেমিট্যান্স প্রবাহের প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা, রপ্তানি প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক থেকে ইতিবাচক অবস্থায় আনা। এছাড়া, টাকা পাচার রোধ এবং হুন্ডির প্রভাব কমানোও একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসাবে রয়েছে।

বগুড়ায় আওয়ামী লীগের দ্বন্দ্বে ১৫ বছরে ৫১ খুন— দৈনিক প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম এটি। এখানে বলা হয়েছে, বগুড়া জেলায় গত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ, দলটির সহযোগী সংগঠন যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ এবং ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের ৫৮ জন নেতা-কর্মী খুন হয়েছেন। এর মধ্যে দলীয় কোন্দল ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে খুন হয়েছেন ৫১ জন। আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টার প্রধান কারণ দলের পদ পাওয়া, মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ, দখল, পরিবহন খাতে চাঁদাবাজি, বালুমহালের নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি।
৫১ জনের মধ্যে আওয়ামী লীগের ১০, যুবলীগের ২৫, স্বেচ্ছাসেবক লীগের নয় ও ছাত্রলীগের সাত জন। স্থানীয় রাজনীতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল মানুষেরা বলছেন, আধিপত্য বিস্তার এবং মাদক ও অন্যান্য ব্যবসার নিয়ন্ত্রণে প্রবণতা বেশি যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে। এ কারণে এই দুই সংগঠনের নেতা–কর্মী খুনের সংখ্যা বেশি।
বগুড়ায় এই ৫১টি খুনের মামলায় শুধু একটির বিচার শেষ হওয়ার কথা জানা গেছে। সেটি হলো বগুড়া শহর স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক খায়রুল আনাম (রেক্কাত) হত্যা। এই ঘটনা ঘটেছিল ২০১২ সালে। মামলায় ১১ জন আসামির সবাই খালাস পেয়েছেন।
End of বিবিসি বাংলার অন্যান্য খবর:

ভোট বিপ্লবে ক্ষমতায় এলো লেবার পার্টি— কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি। এখানে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচনে মধ্য-বামপন্থী লেবার পার্টি বিপুল বিজয় পেয়েছে। লেবার পার্টি ভালোভাবেই জিতবে বলে আগে থেকেই মনে করা হলেও জয়টা এত বড় হবে, তা অনেকেরই ধারণার বাইরে ছিল।
লেবার পার্টির এই জয়কে বর্ণনা করতে ব্রিটিশ মিডিয়ায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত শব্দটি সম্ভবত ‘ল্যান্ডস্লাইড’, যার একটি আক্ষরিক বাংলা ভূমিধস জয়! এই জয়ের মাধ্যমে অবসান ঘটেছে কনজারভেটিভ পার্টির এক যুগেরও বেশি সময়ের টানা শাসনের।
জয়ের পর লেবার পার্টির নেতা ও নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার সেবামুখী সরকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করেছেন। অন্যদিকে পরাজয় স্বীকার করে পদত্যাগ করেছেন বিদায়ি প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক।

BB finds 6 types of wrongdoing বা ছয় ধরনের অন্যায় খুঁজে পেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক— এটি দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য বা ব্যালেন্স অব পেমেন্টের (বিওপি) হিসাব সংশোধন করায় রপ্তানি তথ্যে ছয় ধরনের পরিসংখ্যানগত ভুল খুঁজে পেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আলাদাভাবে রপ্তানির তথ্য সংগ্রহ করছিল। কিন্তু তাদের তথ্যে গড়মিল পাওয়া গেছে।
তবে এই ভুলগুলো থেকে একটি বিষয় পরিষ্কার হয়েছে যে এতদিন দেশের প্রকৃত জিডিপি হিসাবে যা দেখানো হচ্ছিলো, তা প্রকৃতপক্ষে অনেক কম।

প্রতিদিন একটি ওষুধ কারখানা— এটি আজকের পত্রিকা’র প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ২৬ নভেম্বর থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত ছয় মাসে ১২০টি নতুন প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
এই ছয় মাসের মধ্যে মোট কর্মদিবস ছিল ১০৩টি। সেই হিসাবে দিনে গড়ে একটির বেশি কারখানা অনুমোদন পেয়েছে, যার বড় অংশই ইউনানি, হারবাল ও আয়ুর্বেদিক।
২০২৩ সালের ২৬ নভেম্বর থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত ছয় মাসে ১২০টি নতুন প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। এই ছয় মাসের মধ্যে মোট কর্মদিবস ছিল ১০৩টি। সেই হিসাবে দিনে গড়ে একটির বেশি কারখানা অনুমোদন পেয়েছে, যার বড় অংশই ইউনানি, হারবাল ও আয়ুর্বেদিক।

দেশে ছয় বছরে শিশু হৃদরোগের সার্জন বেড়েছে মাত্র চারজন— বণিক বার্তা পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি। হৃদযন্ত্রের রোগ নিরাময়ে অস্ত্রোপচার বা সার্জারিতে দক্ষ চিকিৎসককে বলা হয় কার্ডিয়াক সার্জন। আর নবজাতক ও শিশু-কিশোরদের হৃদযন্ত্রের জন্মগতসহ নানা ধরনের জটিলতা নিরাময়ে প্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারে দক্ষ চিকিৎসকরা পেডিয়াট্রিক কার্ডিয়াক সার্জন হিসেবে পরিচিত।
২০১৮ সালে দেশে পেডিয়াট্রিক কার্ডিয়াক সার্জনের সংখ্যা ছিল ১০। পেডিয়াট্রিক কার্ডিয়াক সোসাইটি অব বাংলাদেশের (পিসিএসবি) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪ জনে। সে অনুযায়ী, গত ছয় বছরে দেশে শিশু হৃদরোগীদের শল্য চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ সার্জন বেড়েছে মাত্র চারজন।
পেডিয়াট্রিক কার্ডিয়াক সার্জনের মতো পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজিস্টের সংখ্যাও কম। পিসিএসবি’র তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশে শিশু হৃদরোগ পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজিস্ট আছেন মাত্র ৪১ জন। ছয় বছর আগে এ সংখ্যা ছিল ২০।

দুর্গত এলাকায় লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দী— নয়া দিগন্ত পত্রিকার এই প্রধান শিরোনামে বলা হয়েছে, অতিভারী বর্ষণ এবং সীমান্তের ওপার থেকে ধেয়ে আসা ঢলের তোড়ে দেশের নদ-নদীগুলোতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় সার্বিক বনা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। নদ-নদী, হাওর, বিল ও পুকুর উপচে পানি জনপদে প্রবেশ করেছে।
জামালপুরের যমুনার বিপদসীমার ৯৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। কুলাউড়ায় আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে ত্রাণের জন্য হাহাকার চলছে। নেত্রকোনায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরও বেশি অবনতি ঘটেছে। জেলার অন্তত শতাধিক গ্রাম তলিয়ে হাজার হাজার নারী-পুরুষ পানিবন্দী হয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
উত্তরাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতির এই খবর নিউ এজ পত্রিকারও প্রধান শিরোনাম।

চলতি মাসের শেষ ভাগে মধ্যমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা— এটি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, আষাঢ়ের শেষভাগে এসে ভারত থেকে নেমে আসা উজানী ঢল আর টানা ভারী বৃষ্টিপাতে স্বল্পমেয়াদী বন্যায় বিপর্যস্ত হয়ে হয়ে পড়েছে দেশের অন্তত দশটি জেলা। প্রতিদিন বিস্তৃত হচ্ছে বন্যা পরিস্থিতি।
এরমধ্যে আবহাওয়া ও পানি বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তন জনিত অভিঘাতে এবং স্বাভাবিক বর্ষাকালে মৌসুমি বায়ু অতি সক্রিয় থাকায় ভারী বৃষ্টির কারণেই জুলাই মাসের মধ্যভাগের পর দেশে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
ইতোমধ্যে সক্রিয় হতে যাচ্ছে জোরদার মেঘ-বৃষ্টিপাতের আবহে তৈরি ভয়ংকর 'লা নিনা' চক্র। এতে অন্তত ১৫০ গুণ, এমনকি এর চেয়েও অতি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রিপেইডেও ভূতুড়ে বিল— সমকাল পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি। এখানে বলা হয়েছে, গ্রাহকরা অভিযোগ করছে যে প্রিপেইড মিটারে অতিরিক্ত টাকা কাটা হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি অভিযোগ আসছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহকদের কাছ থেকে।
স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিসে অভিযোগ জমছে। বিষয়টি শেষ পর্যন্ত আদালতে গড়িয়েছে। অভিযোগ খতিয়ে দেখতে বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। তবে বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, প্রিপেইড মিটার নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হচ্ছে।
দেশে বর্তমানে ছয় বিতরণ কোম্পানির বিদ্যুৎ গ্রাহক মোট ৪ কোটি ৭১ লাখ। এর মধ্যে প্রায় ৫২ লাখ গ্রাহক প্রিপেইড মিটার ব্যবহার করেন। বাকিদের ক্রমান্বয়ে এর আওতায় আনার কাজ চলছে। বিতরণ কোম্পানিগুলো হলো– বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি), পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (আরইবি), ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি), ঢাকা ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানি (ডেসকো), ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো) ও নর্দার্ন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো)।









